Logo
শিরোনাম

তুমি তোমার কাজ করে যাও, থেমে যেওনা

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ :

তোমাকে নিয়ে মানুষ হাসছে, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছে, তাদের করতে দাও, বাধা দিওনা | তুমি তোমার কাজ করে যাও | থেমে যেওনা | একটা কথা সব সময় মনে রেখো, পৃথিবীতে আজ যাদের আমরা সফল মানুষ বলে জানি,  একদিন তাদের দেখেও  মানুষ হেসেছিলো, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছিল | তারা থেমে যায়নি | তাদের কাজ থেকে এতটুকু  সরে যায়নি বরং মানুষের এই অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমানকে তারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিল, কিন্তু তাদের বুঝতেও দেয়নি | হয়তো তারা কেঁদেছিলো, নীরব যন্ত্রনায় পুড়েছিল, আঘাতের ক্ষত চিহ্ন তারা বয়ে  বেড়াচ্ছিল | কিন্তু কখনো কারো সহানুভূতি চায়নি, কারো ভালোবাসা পেতে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে হারিয়ে ফেলেনি, কখনো কারো কাছে তাদের বুকের ভিতরে জমে থাকা কষ্টগুলো প্রকাশ করেনি | কারণ তারা জানতো, মানুষের কাছে কখনো দুর্বলতা প্রকাশ করতে নেই |  

মানুষ দুর্বলদের উপর বুভুক্ষু শুকুনির মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে ভালোবাসে  | নিজের বড়ত্ব দেখানোর নাম করে সর্বস্ব কেড়ে নিতে এতটুকু ছাড় দেয়না |  বাস্তবতা হলো মানুষ মানুষের অসহায়ত্ব নিয়ে খেলতে ভালোবাসে, মানুষের দুঃখকে পুঁজি করে নিজের লাভটা কড়ায় গন্ডায়  বুঝে নিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেনা  |  

মানুষ অভিনয় করে হয়তো মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে সহানুভূতি, আবেগ, ভালোবাসা দেখানোর চেষ্টা করবে | সেটা মেরুদন্ড ভেঙে দেবার একটা কৌশল, সেটা মানুষের ভিতর জেগে উঠা স্বপ্নকে মুছে ফেলার একধরণের সুপ্ত কূটনীতি  | কূটনীতি থেকে মানুষকে গিনিপিগ বানানোর রাজনীতিও হয়ে উঠতে পারে সেটা | সহানুভূতি, আবেগ, ভালোবাসা কখনো কখনো আত্মঘাতী হয়, মানুষকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করে |  মিথ্যে ভালোবাসায় লোকদেখানো অতি আবেগ থাকে, ভালোবাসা সত্য হলে সেখানে আগুনে পোড়া রুটির মতো কঠিন বাস্তবতা থাকে |  

তোমার মনকে শক্ত করো, মাটিকে খড়কুটোর মতো  আঁকড়ে ধরো, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে তোমার স্বপ্নকে অতিক্রম করতে শেখো | মনে রেখো স্বপ্নের পিছনে ছোটা মানে স্বপ্নের কাছে পরাজয় মেনে নেওয়া, তোমাকে এমনভাবে ভেঙে ভেঙে গড়ে তুলো যাতে স্বপ্ন তোমার পিছনে ছুটতে  ছুটতে  ক্লান্ত হয়ে পড়ে  |  যেদিন দেখবে তুমি তোমার স্বপ্নের চেয়েও এগিয়ে গেছো  সেদিন তোমার কাছে স্বপ্নগুলো বাস্তবতা হয়ে হার মানতে বাধ্য হবে | তুমি তোমাকে চেনো, তোমার ভিতরের ঘুমন্ত মানুষটাকে চেনো, তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলো | হয়তো তখন দেখবে তুমি এমন কিছু সৃষ্টি করেছো যা ইতিহাসের সব সৃষ্টিকে হার মানিয়েছে, সময়কেও তোমার পিছনে ফেলে দিয়েছে |   

এই পৃথিবীতে বড় হতে হলে অনেক ছোট হতে হয়, সবার পিছনে দাঁড়িয়ে নিজের পিছিয়ে পরার কষ্টটাকে আনন্দ  বানাতে হয়, অবহেলা, অযত্নকে মেনে নিয়ে নিজের ভিতরের অমিত শক্তিটাকে খুঁজতে হয় |  মনে রেখো এই পৃথিবীতে তুমি কখনো হাত ধরে উপরে তোলার মানুষ পাবেনা, তোমার বড় হয়ে উঠার কঠিন লড়াইকে কেউ মেনে নিতে চাইবেনা, তুমি যতই নিজেকে প্রমান করো না কেন মানুষ তা কখনো স্বীকার করে নেবেনা | 

তারপরও তুমি তোমার হাত ছেড়োনা, তুমি তোমার লড়াইটা থামিয়ে দিওনা, তুমি তোমাকে প্রমান করার চেষ্টাটা বন্ধ করোনা | মনে রেখো পৃথিবীটা খুব নির্মম | পৃথিবীর মানুষের বিচারে তুমি যদি ফেল করো তাহলে বুঝে নিও  তুমি পাশ করেছো | কারণ মানুষ যা ভাবে তা বলেনা, মানুষ যা বলেনা মানুষ সেটাই ভাবে | 

তুমি তোমাকে বিচার করতে শেখো, নিজেকে বিচার করতে শিখলে মানুষের বিচারের জন্য কখনো বসে থাকতে হয়না | আর একটা কথা সব সময় মনে রেখো  যে  মানুষরা তোমাকে দেখে একদিন  হেসেছিলো, অপমান করার খেলায় মেতেছিলো সময়ের স্রোতে  তারা ভেসে যাবে একদিন, ইতিহাসও  তাদের কখনো মনে রাখেনি, রাখবেনা কোনোদিনও  |


আরও খবর



টাইগারদের নতুন কোচ হাথুরুসিংহে

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :টাইগারদের নতুন বস হলেন তাদেরই সাবেক গুরু চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেলেন এই শ্রীলঙ্কান।

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সংবাদ মাধ্যমে আজ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০ ফেব্রুয়ারিতে টাইগারদের সঙ্গে যোগ দিবেন সাকিব-তামিমদের পুরাতন গুরু।

ডিসেম্বরে ভারতের সঙ্গে সিরিজ শেষে ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানিয়ে দিয়েছিলেন, জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে বড়সড় রদবদল আসছে। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে রদবদলের আভাস দিয়েছিলেন। এরপরই নিজের ভবিষ্যতের কথা টের পেয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন রাসেল ডমিঙ্গো।

ডমিঙ্গো বাংলাদেশের প্রধান কোচ থাকা অবস্থাতেই বিসিবি কোচ খুঁজছিল। সেই সময় একাধিক কোচের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়। যে তালিকায় নাম ছিল বাংলাদেশের সাবেক কোচ শ্রীলঙ্কার চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, দক্ষিণ আফ্রিকার ল্যান্স ক্লুজনার ও অস্ট্রেলিয়ার মাইক হাসি।

তবে টাইগার শিবিরে হাথুরুসিংহেকেই ফিরিয়ে আনতে বেশি আগ্রহী বিসিবি। কারণ, দায়িত্ব সচেতন ও কর্তৃত্বপরায়ন হাথুরুসিংহে ক্রিকেটারদের শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখেন। তাছাড়াও সাকিব, তামিম, মিরাজদের বেশ ভালোভাবেই চেনা-জানা তার। তাই এই লঙ্কানই আবারও হলেন টাইগারদের প্রধান কোচ।

এর আগে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত। এরপর বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন। নিজ দেশ শ্রীলঙ্কার কোচও ছিলেন। এরপর ২০২০ সালে আবার নিউ সাউথ ওয়েলসে ফিরে যান। সেখানে থেকে আবার টাইগারদের ডেরায় ফিরলেন হাথুরুসিংহে।


আরও খবর



বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়

প্রকাশিত:Saturday ২১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ছুটির দিনটিতে মেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। বেলা গড়াতেই যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই মেলায়।

শুরুতে সকালের দিকে দর্শনার্থী কিছুটা কম থাকলেও বেলা গড়াতেই জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণ। কেনাবেচাও হয়েছে গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি।

মেলা ঘুরে দেখা গেছে, মেলার অভ্যন্তরীণ প্যাভিলিয়ন ও স্টলগুলো কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। দেশীয় পোশাক, হস্তশিল্পজাত পণ্য, সাজসজ্জার সামগ্রী, পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক, মেলামিন, আসবাব ও কার্পেটসহ গৃহসজ্জার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ব্যাগ-জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ইলেকট্রনিক পণ্য, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ ও ইমিটেশন জুয়েলারি পণ্যের স্টলের সামনে ক্রেতাদের বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ব্লেজারসহ অন্যান্য শীতের কাপড়ে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ছাড়। এর ফলে বেড়েছে কেনাবেচা।

দর্শনার্থীরা বলছেন, মেলার সরকারি ছুটির দিন থাকায় লোকজন বেশি। ভিড় ঠেলে কেনাকাটা করতে হয়েছে। তবে সব কিছু একসঙ্গে পেয়ে ভালো লাগছে। মেলা ঘুরতে আসা একজন বলেন, একটু দূরে হওয়ায় মেলায় আসতে অসুবিধা হয়েছে। তবে মেলায় আসার পর পণ্য দেখে ও কম দামে কিনতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

বাণিজ্য মেলার পরিচালক ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সকাল ১০টা থেকে মেলা শুরু হয়েছে। মেলার আর্চওয়ের হিসেবে এমনিতে মেলায় প্রতিদিন ক্রেতা ও দর্শনার্থী সংখ্যা থাকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মতো। তবে আজকে (শুক্রবার) রেকর্ড পরিমাণ দর্শনার্থী হয়েছে। মেলায় এখন পর্যন্ত (বিকেল ৪টা) ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি কয়েক গুণ ছাড়িয়েছে।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




নেত্রকোনায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

সোমবার সকালে জেলা সদরে তেরী এলাকায় বাসকে সাইড দিতে গিয়ে মোটরসাইকেল আরোহী শাকিল আহমেদ নামের এক যুবক নিহত হন। 

বড় ভাইকে বাসে তুলে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ছোট বাজার এলাকায় বাসকে সাইড দিতে গিয়ে বিদ্যুতের পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে ঘটনাটি ঘটেছে।

দুপুরে খবর পেয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকালে নেত্রকোনা পৌর শহরের আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে মোটরসাইকেল যোগে বাংলা এলাকা থেকে বড় ভাইকে নিয়ে আসেন শাকিল। 

ভাইকে বিদায় দিয়ে নিজের মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। 

এসময় ঢাকাগামী বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসকে সাইড দিতে গিয়ে সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুৎ এর খুঁটিতে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান শাকিল। 

স্থানীয়রা দ্রুত এসে উদ্ধার করে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।  

নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ খবর পেয়ে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে দিয়ে দেয়। 

মামলার তদন্ত অফিসার এস আই মো. আশরাফুজ্জামান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত শাকিল আহমেদ সদর উপজেলার বাংলা গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে।


আরও খবর



নওগাঁয় বাঁশের তৈরী পণ্য বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন দম্পতি

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁর মহাদেবপুরে বাঁশদিয়ে আসবাব পত্র তৈরী ও বিক্রি করে সংসারে সফলতা এনেছেন উজ্জ্বল ও পুষ্প তরনী দম্পতি।

কুটির শিল্পের কারিগর এই দম্পতি বাড়িতে বাঁশের তৈরী বিভিন্ন রকম ডালা, চালুন, কুলা, ডালি, হাতপাখা, ঝাড়ুসহ নানা রকম সাংসারিক সামগ্রী তৈরী করে এসব হাটেবিক্রি করে সংসারে খরচ করেন। সংসারে স্বামীকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি স্ত্রী নিজেই এখন বড় ব্যবসায়ী। তার দোকানে সাজানো আছে বাঁশ দিয়ে হাতের তৈরি বিভিন্ন রংয়ের কুলা, চালন, ডালি, হাতপাখা, ঝাড়ু সহ অনেক বাঁশের তৈরী আরো অনেক আসবাব পত্র। মহাদেবপুর উপজেলা সদরের সারপট্রি এলাকায় বসে এই শিল্পের ব্যবসায়ীরা বাঁশের তৈরী এসব আসবাব পত্র বিক্রিও করে থাকেন।

সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় উজ্জ্বল তরনী দম্পতির সঙ্গে। তারা বলেন, আমরা থাকি উপজেলা সদরের কালিতলা মন্দিরের কাছে সুলতানপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ঘরে। তিনি আরো বলেন, আমরা স্বামী স্ত্রী দুজনেই বাঁশদিয়ে নিজেরাই এসব আসবাব পত্র তৈরী করি, এছাড়াও কিছু জিনিস আমরা কিনে নিয়ে আসি। 

এসময় দেখা যায়, রঙিন গোমাই। সেগুলো বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। হাঁস মুরগী ঢাকা টোপা বিক্রি হয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে। এছাড়া বিভিন্ন দামের বিভিন্ন শিল্প আছে এদম্পতির দোকানে।

পুষ্প তরনী বলেন, ডালি, হাতপাখা, চালন, কুলা সহ অনেক কিছু আমরা নিজেই তৈরি করি। দিনে মাঝারি ডালি ৬-৭টা, কুলা ২০টি তৈরি করা যায়। কুলার দাম ৫০-৭০ টাকা। এগুলো হাতের তৈরি আদীয় শিল্প। সারা বছর এই ব্যবসা চলে। সপ্তাহে শনি ও বুধবার হাট হলেও আমরা প্রতিদিন এখানে নিয়ে এসে বিক্রি করি। এছাড়া বাড়ি থেকেও অনেকে কিনে নিয়ে যায়। প্রকারভেদে এবং মানঅনুযায়ী ৫০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ঝাড়ু বিক্রি হয়।

পাশাপাশি পাইকারি নিয়ে এসে বিক্রি করছে অনেক কিছু। এদম্পতি টিকিয়ে রেখেছে বাঁশের তৈরি আদীয় শিল্পকে। তারা দু'জনেই বলেন, ৪ মেয়েকে নিয়ে ভালোই আছি। এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে। আরেক মেয়ের বিয়ের কথা চলছে। অন্য মেয়েরা পড়াশোনা করছে।

এব্যাপারে মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু হাসান মুঠোফোনে গনমাধ্যমকে বলেন, স্বামী-স্ত্রী দম্পতি হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে এটা অবশ্যই সবার জন্য একটা অনুপ্রেরণা মূলক কাজ। 

এটা আগে ছিল নিত্য প্রয়োজনীয়। তবে এখন এই শিল্পগুলো অনেক জায়গায় সৌখিন হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। তিনি বলেন, তারা যদি কোন সহযোগিতার জন্য আসে আমি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।


আরও খবর



গত বছর দেশে ৪৪৬ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

২০২২ সালে দেশে স্কুল ও কলেজের ৪৪৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। দেশের পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে এই পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আত্মহত্যা করা এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ও সমমান পর্যায়ের ৩৪০ এবং কলেজ পর্যায়ে ১০৬ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫৪ জন মাদরাসার শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে নারী ২৮৫ জন এবং পুরুষ ১৬১ জন। 

এছাড়া ২০২২ সালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৮৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেঁছে নিয়েছেন বলেও জানিয়েছে আঁচল ফাউন্ডেশন।

এদিকে, আত্মহত্যার পেছনের কারণ হিসেবে মান-অভিমানই বেশি। ২৭ দশমিক ০৬ শতাংশ স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী অভিমানে আত্মহত্যা করেছে। এদের বড় অংশই অভিমান করেছিল পরিবারের সদস্যদের ওপর। 


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩