Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

প্রত্যেক মানুষেরই ত্বকের ধরন আলাদা আলাদা হয়। কারও তৈলাক্ত, কারও শুষ্ক, কারও আবার সংবেদনশীল। এ কারণে ত্বকের যত্ন নেওয়ার ধরণও হয় আলাদা । শুষ্ক ত্বক সুস্থ রাখার প্রধান উপায় হলো ত্বককে যেভাবেই হোক আর্দ্র, ময়েশ্চারাইজ রাখা। আবহাওয়া, দূষণ, জীবনধারা, শারীরিক সমস্যা এবং আরও নানা কারণে অনেকেই সারা বছর শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। এর ফলে ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করতে বাড়িতেই বিভিন্ন ফেস প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের যত্নে কোন কোন ফেস প্যাক ব্যবহার করবেন


শসার ফেস প্যাক: শশা ত্বককে হাইড্রেট ও নরম করে তোলে। শুষ্ক ত্বকে প্রায়ই চুলকানি দেখা যায়। ত্বকের জ্বালা, চুলকানি উপশম করতে শসার জুড়ি নেই। অর্ধেক শসার খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে পেস্ট করে নিন। এই পেস্টে এক টেবিল চামচ চিনি মিশিয়ে ফ্রিজে রাখুন কিছুক্ষণ। ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন এই ফেস প্যাক। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু'বার এই ফেস প্যাক লাগালেই ফল পাবেন।

মুলতানি মাটির ফেস প্যাক: মুলতানি মাটি সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকের ফেস প্যাকগুলিতেই ব্যবহৃত হয়। তবে শুষ্ক ত্বকের যত্নেও মুলতানি মাটি ব্যবহার করতে পারেন। মুলতানি মাটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এই ফেস মাস্ক শুষ্ক ত্বকে পুষ্টি ও হাইড্রেশন দেয়। ১-২ চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু এবং সামান্য পানি মিশিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার এই ফেস প্যাক ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা ফেস প্যাক: অ্যালোভেরা ত্বককে হাইড্রেট করে। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং ময়েশ্চারাইজিং গুণাগুণ। এই ফেস প্যাক ব্যবহার ত্বক কেবল ময়েশ্চারাইজ হয় না, পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ে। ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ চন্দন পাউডার ভালো করে মিশিয়ে নিন। ফেস প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু'বার এই ফেস প্যাক লাগাতে পারেন।

চালের গুঁড়ার ফেস প্যাক: চালের গুঁড়া ত্বকের মৃত কোষ অপসারণ করে। ১ টেবিল চামচ চালের গুঁড়ার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ওটমিল এবং ২ চা চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রাখার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার বা দুইবার এই ফেস প্যাকটি লাগান।

দইয়ের ফেস প্যাক: দই শুষ্ক ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ২ টেবিল চামচ টক দইয়ের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু এবং এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে পুরো মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু'বার এই ফেস প্যাক লাগাতে পারেন।

হলুদের ফেস প্যাক: হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করে। ত্বককে কোমল এবং উজ্জ্বল করে তোলে। ২ চা চামচ কাঁচা দুধের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট ফেস প্যাকটি মুখে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২-৩ দিন পর দিনে একবার এই ফেস প্যাক লাগান।


আরও খবর

বালুচরে শীতের পাঞ্জাবি-কটি

বুধবার ২০ ডিসেম্বর ২০23




চাকুরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

রেলওয়ের খালাসি পদে চাকরির প্রলোভন দিয়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্বাস আলী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী আজিজুল হক নওগাঁর জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে নওগাঁ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার চাকরাইল গ্রামের মৃত জমির উদ্দীনের ছেলে আব্বাস আলী দেওয়ান এবং তার দুই সন্তান ডিএম আব্দুল ওয়াহাব পলাশ ও সাব্বির আহম্মেদ সাদি। ভুক্তভোগী আজিজুল হক নওগাঁ সদর উপজেলার বরুনকান্দি (স্কুলপাড়া) গ্রামের মৃত ঝরু মন্ডলের ছেলে। 

মামলা সুত্রে জানা যায়, আব্দুল ওয়াহাব পলাশ রেলওয়ের খালাসি হিসেবে পারবর্তীপুরে চাকুরি করেন। বড় ভাই পরিবার নিয়ে আজিজুল হকের বাসায় ভাড়া থাকার সুবাদে আজিজুর হকের সাথে পালাশের পরিবারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুযোগে পালাশ তার বাবা ও ভাইকে দিয়ে আজিজুল হকের ছেলে মেহেদী হাসানকে রেওয়ের খালাসী পদে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ১১ লাখ নেন। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে কোনো প্রমানপত্র ছাড়া তাকে ১১ লাখ টাকা দেন। টাকা নেওয়ার পর বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেলে ছেলের আর চাকুরি হয় না। আজিজুল হক তার ছেলের চাকুরির জন্য পলাশ ও তার বাবার দ্বারে দ্বারে ঘুরে ছেলেকে চাকুরি দেন না, টাকাও ফেরত পান না। ছেলের চাকুরি ও টাকা কোনোটি ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগী আজিজুল বাবা ও ছেলে কাছ থেকে নন জুডিসিয়াল ট্যাম্প করে নেন। বাবা ও ছেলে আগামী এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ট্যাম্পে অঙ্গিকার করেন। অঙ্গিকার করার পরে আব্বাস আলী আজিজুল হকের বিরুদ্ধে জোর করে স্ট্যাম্প করে নেওয়া হয়েছে বলে চাঁদাবাজি মামলা করেন। চাঁদাবাজি প্রমান করতে না পারায় মামলা আদালত থেকে বাতিল করা হয়েছে। আজিজুল হক নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে টাকা ফেরতের জন্য আবেদন করেন। অবশেষে আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ডিএম আব্দুল ওয়াহাব পলাশ ও তার ভাই সাব্বির আহম্মেদ সাদি জেল হাজতে আছেন।

এ ব্যাপারে চাকরী প্রার্থী মেহেদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, পলাশ ও তার পরিবার সাথে আমাদের পরিবারে ভালো সম্পর্ক ছিলো। আমাদের জমি-জমা বিক্রি করে ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আমাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আমাদের পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। আমরা বিভিন্ন সময়ে এলাকার গণ্যমান্য লোকজনকে ধরে তাকে অনুরোধ করেও টাকা ফেরত পাচ্ছি না। এছাড়া কয়েক মাস পূর্বে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প করে দেন পলাশ ও তার বাবা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পেরিয়ে গেলেও টাকাগুলো আর ফেরত দেননি তারা। ভুক্তভোগী আজিজুল হক দাবি করেন, পলাশ ও তার বাবা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অঙ্গীকার করে স্ট্যাম্প করে দেন। তবে এখন টাকা না দিয়ে উল্টো আমাদেরকে জোর করে তার কাছে থেকে স্ট্যাম্প নেওয়া হয়েছে বলে ভুল তথ্য সরবরাহ করে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং আমাদের কিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা করেন। তবে সেই মামলা তিনি প্রমান করতে পারেনি। তিনি বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের অফিযোগ করার পর বিষয়টি জেলা গোয়েন্দা স্ংস্থা তদন্ত করে ১১ লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রমান হয়েছে। তারপর তিনি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পালাশ জেল হাজতে থাকায় তার বক্তব্য না পাওয়া গেলেও পালাশের পিতা আব্বাস আলী বলেন, চাকুরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। মিথ্যা ও ভীত্তিহীন। তারা জোর করে আমাদের কাছ থেকে স্ট্যাম্প করে নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আমার দুই ছেলেকে জেলে পাঠিয়েছেন। 


আরও খবর



অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় সীমান্তে অনেক রোহিঙ্গা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মিয়ানমারে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে যাতে রোহিঙ্গারা ঢুকতে না পারে, সে ব্যাপারে নাফ নদীতে সর্বোচ্চ সতর্ক পাহারায় রয়েছে বর্ডার গার্ড (বিজিবি)। টেকনাফের দমদমিয়ায় নাফ নদী ও শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তে উন্নতমানের স্পিডবোট দিয়ে জালিয়ার দ্বীপসহ আশপাশের এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের-২ অধিনায়ক লে. কর্নেল মো: মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, নাফ নদী অতিক্রম করে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি কোনো লোকজন যাতে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। টেকনাফের সীমান্ত পয়েন্টে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মিয়ানমারে সামরিক জান্তা বাহিনীর সাথে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের গোলাগুলি ও সংঘর্ষের কারণে দেশটির রোহিঙ্গারা নাফ নদী দিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করছে। তবে রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও কোস্ট গার্ড।

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের মাঝি আবু বক্কর বলেন, মিয়ানমারের সাগরের তীরে হাজার হাজার রোহিঙ্গার অবস্থান দেখা গেছে। কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫টি রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকা দেখা যায়। সেসব নৌকায় করে এই পারে ঢোকার চেষ্টা করে যাচ্ছে তারা। কিন্তু বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের ভয়ে তারা অনুপ্রবেশ করতে পারছে না।

স্থানীয় জেলে কবির আহমেদ বলেন, রোহিঙ্গাদের এলাকায় আরাকান আর্মি ঢুকে পড়েছে। এতে সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় তাদের অন্য জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। তাই কয়েক হাজার রোহিঙ্গা প্রাণে বাঁচতে বিলে, সাগরের তীরে আশ্রয় নিয়েছে। তারা যেকোনো মুহূর্তে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করবে কি না জানি না। রাতের বেলায় তারা শাহপরীর দ্বীপসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে পারে। তবে তাদের ঠেকিয়ে রাখছে বিজিবি ও কোস্ট গার্ড।

এদিকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হ্নীলা, সাবরাং ও সেন্টমার্টিনের নাফ নদীর বিপরীতে মিয়ানমার সীমান্তে। প্রতিদিনই এসব এলাকায় গোলাগুলি ও মর্টার শেলের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

মিয়ানমারের মংডুর সিকদার পাড়ার রোহিঙ্গা সেলিম বলেন, আমাদের তিনটি গ্রাম ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রাণে বাঁচতে বাড়িঘর ছেড়ে চরে আশ্রয় নিয়েছি। সাগরে বাংলাদেশের বাহিনী বেশি থাকায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমরা চেষ্টা করব সেখানে ঢোকার। না হলে বাঁচতে পারব না।

তিনি বলেন, হেলিকপ্টার থেকে বোমা মারছে। আমাদের কয়েকটি গ্রাম থেকে গোলাগুলি হচ্ছে। গ্রামগুলো হচ্ছে মংডু কাদিরবিল, নুরুল্যাহ পাড়া, বাগগুনা, নর বাইন্যা, থানাশো। এসব এলাকা থেকে রোহিঙ্গা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের জলসীমাজুড়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক স্পিড বোট দিয়ে টহল দেয়া হয়। কোনো অনুপ্রবেশকারীকে ঢুকতে দেয়া হবে না।


আরও খবর



কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌণ হয়রানীর মিথ্যা মামলা' শিক্ষিকা ও শিক্ষক বরখাস্ত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) ওয়াহেদুল্লাহ প্রামাণিক এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি অভিযোগ এনে ‘মিথ্যা’ মামলা করায় আফরোজা রুমা (৪৪) নামে এক শিক্ষিকা কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে এই মিথ্যা করতে সাহায্য করা সহ বিভিন্ন সময়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করায় একই বিদ্যালয়ের আরেক সহকারী শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম কে ও রবিবার থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম।

বরখাস্তকৃত দু'জন শিক্ষক হলেন, নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আফরোজা রুমা ও মোঃ মোরশেদ আলম। 

নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত বরখাস্তের চিঠির সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ সদর উপজেলার সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, জনাব আফরোজা রুমা, মোকাম নওগাঁ বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত-১ মামলা নং-২৪/২০২৪ নারী ও  শিশু ট্রাইবুনাল মামলায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয় এবং জেল হাজতে অবস্থান করায় তাঁকে বি এস আর পার্ট-১ এর ৭৩ নং বিধির নোট (২) মোতাবেক তাকে ১৪ ফেব্রুয়ারী (জেল হাজতে অবস্থানের দিন) হতে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্ত কালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।


বরখাস্তের অপর চিঠির সূত্রে জানা যায়, মোঃ মোরশেদ আলম, সহকারী শিক্ষক, সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নওগাঁ সদর, নওগাঁ এর বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩ এর অনুচ্ছেদ (খ) এর অধীনে কার্যক্রম গ্রহণ করায় উক্ত বিধির ১২ ধারা মোতাবেক আদেশ জারির তারিখ হতে সরকারি চাকুরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্ত কালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

এবিষয়ে জানতে বরখাস্তকৃত শিক্ষিকা আফরোজা রুমার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে জানতে চাইলে, বরখাস্তকৃত শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম বলেন, বরখাস্তের চিঠি আমি দেখেছি। কিন্তু কি কারণে আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে তা আমি বুঝতে পারছি না। তার বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করার কথা এবং শিক্ষিকা আফরোজা রুমাকে মিথ্যা মামলায় সহযোগিতা করার কথাও তিনি অস্বীকার করেন।

এবিষয়ে নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই দু'জন শিক্ষক চাকুরীবিধি বহির্ভূত কার্যকলাপ করেছে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে ওপর শিক্ষককে নিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে তার সম্মানহানী করেছে। এছাড়াও শিক্ষক আফরোজা রুমা জেল হাজতে ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ফৌজদারী মামলা চলমান রয়েছে।


আরও খবর



রাজাপুরে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

হাসিবুর রহমান রাজাপুর প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির রাজাপুরে সম্প্রতি কমিটি গঠিত রাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ মহসিন উদ্দিন লিখিত বক্তব্য পাঠ অভিযোগ করেন, ২০১৪ সাল থেকে রাজাপুরে  বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ নামে দুটি সংগঠন ছিল। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও কোন শিক্ষক এই সমিতির নেতৃত্বে না আসায় রাজাপুরের শিক্ষকদের নিয়ে এ সমিতির অধীনে একটি কাউন্সিল অধিবেশনের মাধ্যমে মহসিন উদ্দিনকে সভাপতি এবং আজাদ খানকে সেক্রেটারি নির্বাচিত করা হয়। অন্যদিকে একই সময়ে রাজাপুরে আরো একটি সহকারী ও একটি প্রধান শিক্ষক সমিতির সৃষ্টি হয় এবং তখন থেকেই শুরু হয় সাংগঠনিক বিরোধ। আমাদের পরিচালিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি- (৮০৮-৭৫, ১৯৬২-৬৩), সহকারী শিক্ষক সমাজ-(এস, ১২০৪৮) ও সহকারী শিক্ষক সমিতি-(১২০৬৮) নামে তিনটি সংগঠন সক্রিয় থাকে। সংসদ নির্বাচনের আগে রাজাপুরের তিন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আলাদাভাবে এমপি মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি সবাইকে একত্রিত হয়ে একটি কমিটি করে তার কাছে আসার জন্য নির্দেশ দেন। সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন পর বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম মাসুম ভাই তিন সংগঠনকে একত্রিত করার উদ্যেগ নিয়ে একটি তারিখ ঘোষণা করেন। ঐ তারিখে সহকারী শিক্ষক সমাজ (১২০৪৮) সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হলেও সহকারী শিক্ষক সমিতির (১২০৬৮) শিক্ষকরা আসেনি। কিছুদিন পর সহকারী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ৭৩ নং পশ্চিম ইন্দ্রপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ওয়ালিউর রহমান বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও সহকারী শিক্ষক সমাজ এ দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারী সমিতি ভবনে একটি মিটিংয়ের আয়োজন করে। মিটিংয়ে এমপি মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক সকল সংগঠনের সক্রিয় ও ত্যাগী শিক্ষকদেরকে নিয়ে একটি মাত্র কমিটি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী মিটিং হবে বলে তারিখ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ৩ তারিখের ঐ সভাটি ছিল ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্যমূলক। ঐ তারিখে মিটিং হওয়ার আগেই গোপনে একটি পকেট কমিটি করেছে সে বিষয় আমরা অবহিত ছিলাম না। আমরা বুঝতে পারলাম যে ৩ তারিখে কমিটি গঠনের যে মিটিং হয়েছিল সেটা ছিল শুধুমাত্র "আইওয়াশ”। আমাদের সাথে একত্রে প্রথম দফায় বৈঠক করার বিষয়টিকে তারা মাননীয় এমপি মহোদয়, সকল শিক্ষক ও সাধারনের কাছে প্রচার করেছে যে, তারা সব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়েছে, শিক্ষক নেতাদের মধ্যে আর কোন বিভেদ নেই। এহেন উদ্দেশ্যমূলক কাজটি করার ক্ষেত্রে তারা সকল সাধারন শিক্ষককে পক্ষে আনার জন্য মাননীয় এমপি মহোদয়ের নাম ব্যবহার করেছে এবং বলেছে আমরা রাজাপুরের সকল শিক্ষক একত্রে একটি কমিটি করতে যাচ্ছি। তাদের ডাকে কোন শিক্ষক যদি না আসতে চাইলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ১০ ফেব্রæয়ারি মিটিং করে একটি কমিটি করার কথা থাকলেও সেটা তারা উদ্দেশ্য মূলকভাবে করেনি। ১১ ফেব্রুয়ারি কোনো এক মাধ্যমে আমাদের হাতে আসে একটি পকেট কমিটির তালিকা। যে কমিটিতে সাংগঠনিক দূরদর্শিতাহীন, অসাংগঠনিক, শিক্ষক কল্যানে কাজ না করা এক প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন কে সভাপতি ও সহকারী শিক্ষক ওয়ালিউল ইসলামকে সাধারন সম্পাদক করে রেজিস্ট্রেশন ও গঠনতন্ত্র বিহীন “রাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি" নামে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পকেট কমিটি গঠন করে। যে কমিটির কয়েকটি গুরুত্বহীন পদে আমাদের সমিতির কয়েকজনের নামও দেখা যায়, যা ঐ শিক্ষকরা জানে না। পকেট কমিটির তালিকা হাতে পাওয়ার পর বুঝতে পারলাম দেশের সবচেয়ে পুরাতন সংগঠন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, রাজাপুর শাখার নেতৃবৃন্দদের বাদ দিয়ে যখন এ কমিটি করা হয়েছে তখন ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা গিয়ে মাননীয় এমপিকে বিষয়টি অবহিত করি। পরবর্তীতে তারা ১৪ ফেব্রুয়ারি সমিতি ভবনে হঠাৎ একটি মিটিং আহবান করে পূবের করা পকেট কমিটির তালিকা অনুযায়ী কবির হোসেন নামে এমন এক প্রধান শিক্ষককে সভাপতি ও ওয়ালিউল ইসলামকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত শিক্ষকদের কমিটি প্রকাশ করে। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দদের বাদ দিয়ে একটি রেজিস্ট্রেশন বিহীন সমিতির পকেট কমিটি করায় স্পষ্টই প্রমান হলো যে, রাজাপুরের সকল প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন একতাবদ্ধ হয়নি। রেজিস্ট্রেশন বিহীন পকেট কমিটির এহেন মিথ্যা কথা প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে বুদ্ধিদাতা এক প্রধান শিক্ষকের বাসায় বসে গঠন করা পকেট কমিটি আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির রাজাপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এ.কে আজাদ, সিনিয়র সহ সভাপতি সমীর কুমার দাস, অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম মাসুম, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাহে আলম মুন্সি, সহ সম্পাদক অহিদুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে ফারজানা প্রমুখ।


আরও খবর



ধামরাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার)

ঢাকার ধামরাই উপজেলার নান্নার ইউনিয়নের ৮১ নং নান্নার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটি বিলুপ্ত না করেই নতুন কমিটি প্রকাশ করার চেষ্টা করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। 

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, ২০২১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচিত হয়। সে কমিটি সফল ভাবেই বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিলো। ২০২৪ সালে পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত না করে কোন ধরণের আহ্বায়ক কমিটি তৈরি না করে নতুন কমিটির নাম উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিটি অনুমোদিত হওয়ার পূর্বেই ক্রীড়া প্রতিযোগি তার অনুষ্ঠানের দাওয়াতপত্রে

নতুন কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, পূর্বের কমিটির ৪ জনের সাথে নতুন ৭ জনকে যুক্ত করে কমিটি করা হয়েছে। পূর্বের কমিটির দু একজনের সন্তান এখন এই স্কুলে পড়ে না তাই তারা সদস্যপদ হারিয়েছেন। 


এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় উপজেলা শিক্ষা অফিস বরাবর নতুন কমিটির প্রস্তাব করা হয়েছে। পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়নি কোন আহ্বায়ক কমিটি করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মধ্যস্থতার মাধ্যমে এ কমিটি সৃষ্টি করা হয়েছে, কমিটি এখনও অনুমোদিত হয়নি।

নতুন কমিটির সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, আমি গতবার সভাপতি ছিলাম এবারও সকলেই আমাকে সভাপতি বানিয়েছেন। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ ছিলো না। কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকার গণ্যমান্য সকলে মিলেই আমাকে সভাপতি বানিয়েছেন।

এবিষয়ে ধামরাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাজমুন্নাহার বলেন, এভাবে নিয়মবহির্ভূত ভাবে নতুন কমিটি করা যাবে না। বিদ্যালয়ের কমিটি করতে হলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও অভিভাবক ও পূর্বের কমিটির উপস্থিতি রাখতে হয়। কেন এমন অসামঞ্জস্যতা দেখা দিলো তা বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর