Logo
শিরোনাম

উচ্ছেদ হচ্ছে না হাতিরঝিলের বাণিজ্যিক স্থাপনা

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রাজধানীর হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পে সব ধরনের বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদসহ ৪ দফা নির্দেশনা ও ৯ দফা সুপারিশ সম্বলিত হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। এ আদেশের ফলে হাতিরঝিল বেগুনবাড়ি প্রকল্পের বাণিজ্যিক স্থাপনা যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় থাকবে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। অপরদিকে রাজউকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ব্যারিস্টার ইমাম হাসান। আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন আইনজীবী ইমাম হাসান।

এর আগে গত ১৯ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ বিষয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ২৭ জুন নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন।

গত ২৪ মে হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পে সব ধরনের বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদ সহ ৪ দফা নির্দেশনা ও ৯ দফা সুপারিশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। এছাড়া বর্তমানে পরিচালিত ওয়াটার টাক্সি সার্ভিস চলাচল বন্ধ করতে নির্দেশ দেন আদালত। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৫৫ পৃষ্ঠার ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিটি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, প্রতি ফোঁটা পানি অতি মূল্যবান। পানির চেয়ে তথা সুপেয় পানির চেয়ে মূল্যবান আর কোনও সম্পদ এ পৃথিবীতে নাই। সুতরাং প্রতিটি ফোঁটা পানির দূষণ প্রতিরোধ করা একান্ত আবশ্যক।

আদালত আরও বলেছে, দ্বিতীয় কোনও পৃথিবী নেই। এ পৃথিবী ব্যতিত আর কোনও গ্রহে পানির কোনও অস্তিত্ব পাওয়া যায় নাই। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে এক ফোঁটা পানি এ পৃথিবীর বাইরে থেকে আনতে সক্ষম হয় নাই। অথচ উক্ত খরচের শত ভাগের এক ভাগ টাকা খরচ করলে আমরা আমাদের গ্রহের পানিকে দূষণমুক্ত ব্যবহারযোগ্য রাখতে সক্ষম। হাতিরঝিলের পানি এবং এর নজরকাড়া সৌন্দর্য অমূল্য সম্পদ। এ অমূল্য সম্পদকে কোনরূপ ধ্বংস বা ক্ষতি করা যাবে না। রায়ে রিট মামলাটি একটি চলমান আদেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া যেসব প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া হাতিরঝিল ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপক প্রচারণা ও সোচ্চার ভূমিকা পালন করে চলেছে রায়ে তাদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

বেগুনবাড়ি খালসহ হাতিরঝিল প্রকল্পটি ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন। ১ হাজার ৯৭১.৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৩০২ একর জমির উপর এ প্রকল্পটি প্রতিষ্ঠিত। প্রকল্প এলাকার মোট ১৬ কি.মি. রাস্তায় কোনও বাস অথবা মিনিবাস চলাচলের অনুমতি ছিল না।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ৫/২০০৯তম সভায় অনুমোদিত লে-আউটে প্রস্তাবিত ওয়াকওয়ে ও রোডওয়ে এলাইনমেন্ট ব্যতিত অন্য কিছু ছিল না। প্রকল্পটি ঢাকা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, বৃষ্টি, বন্যাজনিত পানি ধারণ, বৃষ্টির পানি পয়ঃনিষ্কাশন ও নগরের নান্দনিক সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে এবং সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

খালগুলোর জন্য প্রস্তাবিত সুবিশাল লেকটি একটি নিয়ন্ত্রিত ‘হাইড্রোলিক সিস্টেম’ হিসাবে কার্যকর হয়। এতে ওই এলাকার ড্রেনেজ ম্যানেজমেন্ট ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পায়, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ও সৌন্দর্যমন্ডিত পাবলিক স্পেসের ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়। রমনার পাশাপাশি একটি সুবিশাল নীল জলাধার বেষ্টিত উন্মুক্ত স্থানের অভাব লাঘব হয়। যা বিশ্বের কাছে ঢাকা মহানগরীর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করে।




আরও খবর



কাগজের দাম বেড়েছে প্রায় দেড়গুণ

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, গ্যাস ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের অভাবে কাগজ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে কম-বেশি কাগজ নিয়ে সমস্যা থাকলেও এখন তা জটিল আকার ধারণ করছে। আগামী দুই মাস চরমপর্যায়ে সংকট থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কাগজশিল্প-সংশ্লিষ্টদের অনেকে বলছেন, ডলার সংকট না মিটলে এবং লেখা ও ছাপার কাগজে শুল্কহার না কমালে এ সমস্যা দীর্ঘায়িত হবে। অন্যদিকে উৎপাদন খরচ বাড়ায় কাগজের দামও বাড়বে।

কাগজকল মালিক পক্ষ বলছে, দেশে কাগজ সংকটের এ সময় পাঠ্যবই ছাপার জন্য প্রায় ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টন কাগজের চাহিদা রয়েছে সরকারের। এ ছাড়া বছরের শেষ দিকে এসে ডায়েরি, ক্যালেন্ডার ছাপানোর জন্যও বাড়তি কাগজের চাপও আছে। এই পরিস্থিতিতে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি চেয়েছে। তবে সরকার ডলার খরচ করে কাগজ আমদানি করতে দেবে না। দেশের কাগজ কলগুলোকে সরবরাহ নিশ্চিত করতে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

এদিকে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খুলতে না পারায় ‘অফসেট’ কাগজ বা উন্নত কাগজের জন্য ভার্জিন পাল্প আমদানি করতে পারছেন না কাগজ কল মালিকরা। তাই চাহিদামতো কাগজ সরবরাহও করতে পারছেন না তারা। ভার্জিন পাল্প ছাড়া রিসাইকেল করে যারা কাগজ (নিউজপ্রিন্ট) উৎপাদন করেন, তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। পাশাপাশি উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে।

আম্বার পেপার মিল, লিপি পেপার মিল, টিকে পেপার মিল, মেঘনা পেপার মিল ও রশিদ পেপার মিল মালিকরা ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, টাকার মূল্যস্ফীতি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তাদের উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে বলে সরকারকে জানিয়েছেন। বিশেষ করে গ্যাস সংকটের কারণে মিলের উৎপাদন ক্ষমতা এক-তৃতীয়াংশে নেমে গেছে বলে তারা উল্লেখ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে কাগজের চাহিদা প্রায় ১০ লাখ টন। ২০১৪ সালের পর থেকে লেখা ও ছাপার কাগজের (আর্ট পেপার ছাড়া) চাহিদা মেটানো হতো দেশি কাগজ কল থেকে। তবে যদি উৎপাদন বাড়ানো না যায় তাহলে দেশব্যাপী কাগজ সংকট চরমে পৌঁছাবে বলে মনে করছেন কাগজ কলের মালিকরা। অন্যদিকে এলসি না পাওয়ায় আর্ট পেপারও আমদানি করা যাচ্ছে না। ফলে সব ধরনের কাগজ সংকট চলছে এখন।

এদিকে সরকারের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে প্রায় ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টন কাগজ লাগবে ডিসেম্বরের মধ্যে। ফলে আগামী দুই মাস কাগজ সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিসেম্বরের পরও সংকট থাকতে পারে। ডলার সংকট না মেটা পর্যন্ত এ সংকট অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



রাণীনগরে চুরির ঘটনায় আরো ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার সহ গ্রেপ্তার-১

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে মোবাইল শো-রুমে চুরির ঘটনায় নাইম শাহানা (৩০) নামে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানাপুলিশ । এসময় চুরি যাওয়া আরো ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে গত ১১ নভেম্বর থানাপুলিশ আন্ত:জেলা চোর চক্রের ৫ জনকে গ্রেপ্তারসহ প্রাই আড়াই লক্ষ টাকা মূল্যের চুরি যাওয়া ১৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।

থানাপুলিশ জানায়,গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলা সদর হাসপাতাল এলাকায় সুফিয়া মার্কেটে হাসিবুল হাসানের মোবাইল শো-রুমের দোকানের তালা কেটে প্রায় আট লক্ষ টাকা মূল্যের ৪৭টি বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় দোকান মালিক ১৯ সেপ্টেম্বর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও চোর চক্রকে ধরতে মাঠে নামে পুলিশ। গত ১১নভেম্বর ভোর রাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্ত:জেলা চোর চক্রের ৫সদস্যকে গ্রেপ্তারসহ প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা মূল্যের ১৪টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। এর পর গ্রেপ্তারকৃতদের ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে সোর্পদ করলে আদাল ৩দিনের রিমান্ড মুঞ্জুর করে। আসামীদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য মতে,শুক্রবার রাতে নওগাঁ সদর উপজেলার গুমারদহ গ্রামে অভিযান চালিয়ে নাইম শাহানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার নিকট থেকে ৬টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার নাইম নওগাঁ সদর উপজেলার গুমারদহ গ্রামের শাহাদত শাহানার ছেলে। 

রাণীনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন,চুরির ঘটনায় এপর্যন্ত ৬জনকে গ্রেপ্তারসহ মোট ২০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। অবশিষ্ঠ চোরাই মালামাল উদ্ধারসহ জরিতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার নাইমকে শনিবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



সরকার জনগনকে, বিএনপিকে ভয় পায়

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মিজা ফখরুল : সরকার বলে জনগনকে ভয় পায় না : তাহলে সমাবেশে বাঁধা কেন।  

সমবেশকে বিদ্রোহ এর সমাবেশ তৈরি করেছেন। কারণ একটাই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ।  চিবিয়ে চিবিয়ে অর্থনীতি খেয়ে ফেলেছে। এখন দেশটাকে খেয়ে ফেলার চেষ্টা করছে।  প্রতিটি ক্ষেতে চুরি চুরি আর চুরি এমনকি মানুষকে ঘর দিয়ে : টাকা নেয়।  এই সরকার এমন কোন খাত নাই যেখান থেকে চুরি করছে না। 

মিথ্যা মামলা গুম খুন করেছে ৩৫ লাখ নেতাকমীদের নামে মামলা দিয়েছে।  যারা দেশকে মানুষ কে ধংস করে দেয় তাদের কি আর ক্ষমতায় রাখা যায় ? 

দুভিক্ষ যদি হয় ; তার সব দায় শেখ হাসিনা এবং আওয়ামীলীগ দুনীতি দায়ী : 

দেশ মধ্য আয়ের দেশ হয়ে গেছে : তাহলে কেন এসব মিথ্যা কঁথা বললেন কেন।   চাল ডাল চিনি ডাল ডিম এতো দাম কেন ৪২:/ ভাগ মানুষ 

মানুষকে বলছেন কম খান। আর নিজেরা চিতল মাঝ খান : ঘন ঘন বিদেশে যান। 

আবার নতুন করে জংগীবাদের ভোতা অস্ত  বের করছে আওয়ামীলীগ।  এসব যে তাদের মিথ্যা আর বিশ্বাস করে না। 

এদেশের মানুষ আর ক্ষমতায় থাকতে দেবে না।   সবাইকে নুরুল উদ্দীনের ডাকে দেন জাগো বাহে কোনঠে সবাই।   

মুক্তি যুদ্ধ কি এই ধরনের শোষন শাসনের জন্য : ১৪ বা ১৮ সালের মতো আর নিবাচন হবে না। সোজা কথা পদত্যাগ করতে হবে : সংসদ ভেংগে দিতে হবে আর নিদলীয় সরকারেরর অধীনে নিবাচন হবে।  বিএনপির এমপি হারুন , রুমিন জাহিদুর মোশাররফ , জিম সিরাজ সবাই রেডি আছে। সংসদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য পস্তুত।  আরেকবার মানুষ  যুদ্ধ করে রাহু মুক্ত করতে হবে।


আরও খবর



সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ডিএমপির কাছে চিঠি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের কাছে চিঠি দিয়েছে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে যান বিএনপির ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল। ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক আমানুল্লাহ আমান বলেন, দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গণসমাবেশ করতে চান তারা। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করা হবে জানিয়ে নেতারা বলেন, সমাবেশকে কেন্দ্র করে যাতে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া না হয় সে বিষয়েও ডিএমপি কমিশনারের কাছে জানানো হয়েছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন যায়গায় বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার বিষয়েও ডিএমপি কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে দলটি। 


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




গজারিয়ায় অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

গজারিয়া প্রতিনিধি : মুন্সগঞ্জের গজারিয়ায় ছয় কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। লাইনটির মাধ্যমে প্রায় দশ হাজার অবৈধ সংযোগ চলতো বলে তিতাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 

গজারিয়া উপজেলার লস্করদী-ভবানীপুর এলাকা থেকে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি.এম. রাশেদুল ইসলাম।

তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সুরুজ আলম বলেন, গজারিয়া উপজেলার লস্করদী-ভবানীপুর এলাকার হোসেন্দী, হোসেন্দী বাজার এলাকা, ভবানীপুর, লস্করদী, নাজির চর গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস বিতরণ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়। লাইনটির মাধ্যমে অন্তত ১০ হাজার সংযোগ চালু ছিল। গজারিয়া উপজেলায় আরো কিছু অবৈধ গ্যাস লাইন চালু আছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে অভিযান পরিচালনা করে সবগুলো লাইন বিচ্ছিন্ন করা হবে।

উল্ল্যেখ গজারিয়ার প্রায় প্রতিটি গ্রামে অবৈধ গ্যাস লাইনের ছড়াছড়ি ,তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এর আগেও বেশ কয়েকবার

সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে মধ্য বাউশিয়া, লক্ষিপুর সহ বিভিন্ন গ্রামের মহিলা পুরুষ রাস্তায় নেমে অরাজগতা সৃষ্টি করে ।

আর এর সাথে সরকারি দলের নেতারা জড়িত ।


আরও খবর