Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:


উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারের উখিয়ায় পৃথক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 


বুধবার (১৯ জুন) সকালে পাহাড় ধসের এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।


উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনায় মারা যাওয়াদের নাম পরিচয় জানাতে পারেননি। 


তবে ৯ জনের মধ্যে চার বছরের এক শিশু, ১২ বছরের এক কিশোর ও কয়েকজন নারী রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।



ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে দুই জন বাংলাদেশি এবং সাত জন রোহিঙ্গা। 



আরও খবর



বাজার ঊর্ধ্বমুখী, বেগুনের কেজি ১২০

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। বরবটি, করলা, বেগুনসহ বেশ কয়েকটি সবজি দাম ১২০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। পাশাপাশি সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বসে আছে শসা ও কাঁকরোল। অন্যদিকে কাঁচা মরিচের কেজি দাঁড়িয়েছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায়। এছাড়া বাজারে মাছ-মুরগির দামও বাড়তি যাচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের সবজির অতিরিক্ত বাড়তি দাম। মাছ ও মুরগির দামেও ঊর্ধ্বগতি। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিকে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে এত বাড়তি দামে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

বাজারে দেখা গেছে, প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, গাঁজর প্রতিকেজি ১০০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধন্দুল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বেগুন (লম্বা) প্রতি কেজি ৮০, গোল বেগুন প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ঢেঁরস প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, কচুর মুখি প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং কাঁকরোল প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়, সোনালী মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা, কক প্রতি কেজি ৩৩০ টাকা, লেয়ার প্রতি কেজি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আগের বাড়তি দামেই প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকায় এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০০ টাকায়।

পাশাপাশি বাজারে সব ধরনের মাছের দামও বাড়তি যাচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি পাবদা বিক্রি ৫০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, রুই প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, কাতল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, কই প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, গলসা প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা, টেংড়া প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বড় বোয়াল প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় আইড় মাছ প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বাজারে হঠাৎ করেই অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। যদিও বিক্রেতারা টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিকে সবজির অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। পাশাপাশি ক্রেতারাও সবজির হঠাৎ এমন দাম বৃদ্ধির কারণে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

রাজধানী মহাখালী বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, বাজারে সবজির এত দাম দেখে নিজেই হতাশ হয়েছি। অন্য সব ধরনের পণ্যের দামই আকাশ ছোঁয়া। সেই সঙ্গে আজ দেখছি সবজির দাম আরও বেড়ে গেছে। বরবটি করলা বেগুনসহ বেশ কয়েকটি সবজি দাম ১২০ টাকা হয়েছে। ১০০ টাকার ঘরে আছে শসা, কাঁকরোল। অন্যদিকে কাঁচা মরিচের কেজি দাঁড়িয়েছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। মাছ মাংসের দাম তো আগে থেকেই বেশি সাধারণ মানুষ যে সবজি খাবে সেগুলোর দামও দেখছি আজ আকাশ ছোঁয়া হয়ে গেছে। যখন যেভাবে ইচ্ছা ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে, সেখানে ক্রেতাদের কিছুই বলার নাই কিছুই করার নেই। কোনো সাধারণ মানুষ এত দাম দিয়ে এগুলো কিনে খেতে পারবে না।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস আলীও একই রকম অভিযোগ জানিয়ে বলেন, এক মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, আর পেঁপের কেজি ৫০ টাকা। বাকিগুলো ৮০ টাকার ঘরে। এছাড়া করলা, বেগুন, কাঁকরোল, বরবটি, শসা এগুলোতে হাত দেওয়ার উপায় নেই, কারণ এগুলো দাম ১২০ টাকা পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। বাজার মনিটরিয়ের কোনো উদ্যোগ নেই। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। দামের বোঝা সব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।

সব ধরনের সবজির বাড়তি দাম বিষয়ে রাজধানীর গুলশান লেকপাড় বাজারের বিক্রেতা খোরশেদ আলম বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই সবজির কিছুটা বাড়তি দাম। তবে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সবজির দাম আরও বেড়ে গেছে। আজ কারওয়ানবাজারেই পাইকারি সব সবজি কেনার অতিরিক্ত দাম লেগেছে। সেইসঙ্গে রাস্তা খরচসহ পরিবহন খরচ মিলিয়ে খুচরা বাজারে এর দাম আরও বেড়ে গেছে।

একই বিষয়ে কারওয়ানবাজারের সবজি বিক্রেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে জমিতেই সব ধরনের সবজির গাছগুলো হেলে পড়েছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ফসলও তুলতে পারেনি কয়েকদিন। সবমিলিয়ে পাইকারি বাজারেই সব ধরনের সবজির সরবরাহ অনেক কম। যে কারণে হঠাৎ করেই সবজির দাম বেড়ে গেছে। বৃষ্টি শেষে আবার সবজি সরবরাহ ঠিক হলে দাম ফের কমে আসবে। এছাড়াও অনেক সবজির ইতোমধ্যে মৌসুম শেষ হয়ে গেছে, শেষ সময়ের অল্প কিছু সবজি আসছে বাজারে। নতুন করে যখন আবার ফসল উঠতে শুরু করবে তখন ফের সবজির দাম কমে আসবে।


আরও খবর



রাজনৈতিক তদবিরে কাউকে বদলি করা যাবে না

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

রাজনৈতিক তদবিরে কাউকে বদলি করা যাবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রবিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কার অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো রাজনৈতিক তদবিরে কাউকে বদলি করা যাবে না। এক্ষেত্রে আগে বিআরটিএতে প্রচুর লেনদেন হতো। তার বিনিময়ে কর্মকর্তাদের বদলির কাজ চলত। সেটি অনেকাংশে বন্ধ হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। তবে বিভিন্ন স্থানে অনেক অপকর্ম হয়। সর্ষের মধ্যে দালালদের মতো ভূত রয়েছে জনস্বার্থে কোনো প্রকল্প দরকার সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে।

সৎ থাকলে দুর্নীতির সুযোগ কম মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মন্ত্রী, সচিব ও কর্মকর্তারা সৎ থাকলে দুর্নীতি হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। দুর্নীতি এখন বেপরোয়া গতিতে বিস্তার লাভ করছে। কিন্তু ধরা পড়ে অনেক পরে। দুর্নীতির জন্য যে মূল্য দিতে হয়, সেটা আমাদের জন্য সত্যিই দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক। আমরা কোনো অবস্থাতেই শ্রীলঙ্কার দৃষ্টান্তের পুনরাবৃত্তি চাই না।

সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুতে ১ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা সাশ্রয় করা হয়েছে। মেঘনা গোমতীসহ তিন সেতুতে ১১০০ কোটি টাকা সেভ করা হয়েছে। যারা মেগাপ্রকল্পে মেগা দুর্নীতির কথা বলে, তাদের বলতে চাই, পদ্মা সেতুতে ১৮৩৫ কোটি টাকা সেভ করেছি। মেঘনা গোমতীসহ তিন সেতুতে ১১০০ কোটি টাকা সেভ করেছি। সরকার মেগা দুর্নীতি করে না, মেগা সেভ করে।

কোটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আর পেনশন স্কিম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সময়মতো সমাধান হয়ে যাবে বলে বিশ্বাস করি।


আরও খবর



সাজেকে আটকা পড়েছে ৭ শতাধিক পর্যটক

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

ভারী বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে যানবাহন চলাচল। এতে সাজেকে থাকা শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। এ ছাড়া রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ওপর পানি উঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। 

গত কয়েক দিনে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে রাঙামাটিতে বড় ধরনের কোনো পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি। তবে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাঘাইছড়ির অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের মাচলং এলাকায় পানি উঠায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুবর্ণ দেব বর্মণ জানান, বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের মাচলং এলাকায় পানি উঠে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে ৬০০ থেকে ৭০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। 

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার জানান, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কাচলং নদীর পানি বেড়ে বাঘাইছড়ি সদরের অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে পর্যটকরা আটকা পড়েছেন। পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত কিছু করার নেই। 

এদিকে, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সোমবার রাতে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের সাপছড়ির ফুরমোন এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। খবর পেয়ে সকালের দিকে সড়ক ও জনপথের কর্মীরা সড়ক থেকে মাটি ও গাছ সরিয়ে দিয়েছে। সকাল ৯টা থেকে যান চলাচল শুরু হয়েছে। এ ছাড়া রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের হেগেঙলছড়ি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে সিএনজি চলাচল করছে। 

রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুবজ চাকমা জানান, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ওপর মাটি ধসে পড়ার খবর পেয়ে ৯টার মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মীরা মাটি সরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে সিএনজি চলাচল করলেও ভারী যান বন্ধ রয়েছে। 


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




দেশে টানা ৮ দিন অতিভারি বর্ষণের শঙ্কা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র প্রবল অবস্থায় থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা আট দিন অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাস ও সামুদ্রিক সতর্কবার্তা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সংস্থাটি জানায়, শনিবার (২৯ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

রবিবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

সোমবার (১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সৃষ্টি লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে। বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




নোয়াখালীতে তিন শিক্ষককে অব্যাহতি

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image
নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালীর চাটখিলে চলমান উচ্চমাধ্যমিক, আলিম ও সমমান পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিন শিক্ষককে চলতি বছরের পরবর্তী পরীক্ষাসমূহের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

আব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরা হলেন, উপজেলার কড়িহাটি ফাযিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হাবিব উল্লাহ মেসবাহ, মল্লিকাদিঘীর পাড় ফাযিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক জহির উদ্দীন এবং খোয়াজের ভিটি ফাযিল মাদরাসার প্রভাষক তকদীর হোসেন।

রোববার (৭ জুলাই) উপজেলার চাটখিল কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থীদের বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এই ঘটনা ঘটে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বোরবার বেলা সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান কেন্দ্রের সুপারভাইজিং অফিসার ও চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দীন। এসময় তিনি কেন্দ্রের ১ নম্বর এবং ৩ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত কক্ষ প্রত্যবেক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি দেখতে পেয়ে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরে আনেন। পরবর্তীতে চাটখিল কামিল মাদরাসা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বশির উল্লাহ ওই তিন শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।  তিনি বলেন, সকালে আমি কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যাই। পরীক্ষা হলে গিয়ে দেখি পরীক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে কথা বলছে এবং তারা একজন আরেক জনের থেকে দেখে লিখছে। এরপর বিষয়টি কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মো.বশির উল্যার জানালে তিনি তিন শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।


আরও খবর