Logo
শিরোনাম

ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

আমাদের দৈহিক মানসিক সুস্থতার জন্য ঘুম অপরিহার্য। পর্যাপ্ত আরামদায়ক ঘুম আমাদেরকে সক্রিয় সতেজ করে তোলে। সাধারণভাবে স্বাস্থ্যকর ঘুম বলতে প্রতি রাতে একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমকে বুঝানো হয়। একে অনেকে ঘুমের পরিমাণ হিসাবে ধরে নেয়। যদিও ঘুমের পরিমাণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটি ভালো ঘুমের জন্য এর পরিমাণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো গুণগত মান। নিয়মিত আরামদায়ক সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘুম আমাদের সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন। বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন রাজধানীর ইনজিনিয়াস পালমো ফিটের স্লিপ কনস্যালট্যান্ট ডা. ফাতেমা ইয়াসমিন

ঘুমের পরিমাণ কী?

ঘুমের পরিমাণ বলতে বোঝায় আপনি প্রতি রাতে কত ঘণ্টা ঘুমান। বয়সভেদে মানুষের ঘুমের সময় তারতম্য হয়।

* বয়স : ঘুমের চাহিদা (২৪ ঘণ্টায়)

* নবজাতক (- মাস) : ১৪-১৭ ঘণ্টা

* শিশু (-১২ মাস) : ১২-১৬ ঘণ্টা

* বাচ্চা (- বছর) : ১১-১৪ ঘণ্টা

* প্রি-স্কুল (- বছর) : ১০-১৩ ঘণ্টা

* স্কুল বয়সের শিশু (-১২ বছর) : -১২ ঘণ্টা

* কিশোর (১৩-১৮ বছর) : -১০ ঘণ্টা

* প্রাপ্তবয়স্ক (১৮-৬৪ বছর) : প্রতি রাতে - ঘণ্টা

* প্রাপ্তবয়স্ক (৬৫+ বছর) : প্রতি রাতে - ঘণ্টা

এটি একটি সাধারণ নির্দেশিকা করা হয়েছে। এমন অনেক লোক রয়েছে যাদের তাদের বয়সের জন্য প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি বা কম ঘুমের প্রয়োজন। এমনকি কিছু নিয়মের ব্যতিক্রমগুলো বিবেচনা করেও এমন অনেক লোক রয়েছে যারা নিয়মিত তাদের প্রয়োজনীয় পরিমাণ ঘুমায় না। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ৫০ থেকে ৭০ মিলিয়ন আমেরিকানরা কোনো না কোনো ধরনের ঘুমের রোগে ভুগছেন এবং প্রায় ৩৫ শতাংশ আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্করা প্রতি রাতে প্রয়োজনীয় সাত ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমায়। অপর্যাপ্ত ঘুমে সড়ক দুর্ঘটনা, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা এবং জটিল রোগের ঝুঁকিগুলোও দেখা যায়। অপর্যাপ্ত ঘুমের প্রভাব আমাদের মস্তিষ্কের উপর সরাসরি পড়ে। হার্ভার্ড মেডিকেলের গবেষণায় দেখা গেছে যারা পাঁচ ঘণ্টা ঘুমান তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি শতকরা ১৫ ভাগ বৃদ্ধি পায়। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে আমাদের শরীরে কর্টিসল নামক একটি হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে আমাদের উচ্চ রক্তচাপ রক্তের উচ্চ মাত্রার গ্লুকোজের উপর। অপর্যাপ্ত ঘুমের প্রভাবে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং দ্রুত মুড পরিবর্তন হয়।

ঘুমের গুণগত মান কী

ঘুমের গুণমান বলতে বোঝায় আপনি কতটা ভালো ঘুমান।

সঠিক মানের ঘুমের জন্য রয়েছে ৫টি উপকরণ :

* ঘুমিয়ে পড়ার সময় : আপনি কত দ্রুত এবং কত সহজেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। সাধারণত বেশিরভাগ মানুষ বিছানায় যাওয়ার ২০-২৫ মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে সক্ষম হয়।

* ঘুমের ধারাবাহিকতা বজায় : একবার ঘুমিয়ে পড়লে একটানা আপনার ঘুমিয়ে থাকার ক্ষমতা। ভালো মানের ঘুম হয় ক্রমাগত, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায় না।

* ঘুমের কার্যকারিতা : ঘুমের কার্যকারিতা মানে আপনি কতটা সময় ঘুমিয়েছেন বনাম আপনি কতটা সময় ঘুমানোর জন্য বিছানায় কাটিয়েছেন। সঠিক মানের ঘুমের জন্য ঘুমের কার্যকারিতা মোট সময়ের অন্তত ৮৫ শতাংশ মানদণ্ড হিসাবে ধরা হয়।

* ঘুমের সময় : ঘুমের সময় বলতে বোঝায় যখন প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমানো। আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি নির্দেশ করে প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং জেগে ওঠা।

* ঘুমের তৃপ্তি : ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ লাগা সারা দিন উদ্যমী থাকা। এভাবে ঘুমের পরিতৃপ্তি পরিমাপ করা হয়।

খারাপ মানের ঘুমের ক্ষতি কী?

খারাপ মানের ঘুমের স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি উভয় ক্ষেত্রেই গুরুতর স্বাস্থ্য ঘাটতি দেখা যায়। যেমন-কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, ভুলে যাওয়া প্রবণতা, মনোযোগ কমে যাওয়া, মানসিক চাপ বৃদ্ধি, বিষণ্নতা এবং উদ্বেগ দেখা দেয়। সকালে ঘুম থেকে উঠতে সমস্যা হচ্ছে অথবা খিটখিটে মেজাজ নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা, সারা দিন ক্লান্তি ভাব থাকা, দিনের বেলা ঘুমানো, দিনে অনেক বেশি ঘুমানো। ছাড়া ওজন বৃদ্ধি এবং স্থূলতা, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কলস্টেরল, হৃদরোগ এবং স্ট্রোক হয়।

রাতের আরামদায়ক ঘুমের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ঘুমের কিছু চিহ্ন আছে। যেমন-

* সকালে ঘুম থেকে উঠেই সতেজ অনুভূতি

* সারা দিন সতেজ থাকা

* ভালো মেজাজে থাকা

* পরিষ্কার-মাথা অনুভব করা

কীভাবে ঘুমের পরিমাণ এবং গুণগত মান উন্নত করা যায়

ভালো স্বাস্থ্যকর ঘুম পেতে আপনি যে পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন তার মধ্যে রয়েছে-

* ঘুমের সমস্যা নির্ণয় করা : আপনি যদি মনে করেন যে আপনার ঘুমের সমস্যা আছে যা আপনার ঘুমকে প্রভাবিত করছে, তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।

* জীবনযাত্রায় পরিবর্তন করুন : যদিও আপনার জীবনের কিছু অংশ অন্যদের তুলনায় পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে, আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন যা সম্ভবত আপনার ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে এবং আপনার ঘুমকে ব্যাপকভাবে উন্নত করতে পারে। যেমন-নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান, অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইন বাদ দিন।

* ঘুমের পরিবেশ নিশ্চিত করুন : বেশিরভাগ লোক তাদের ঘুমের পরিবেশের গুরুত্বকে অবমূল্যায়ন করেন। যদিও প্রত্যেকেরই নিজস্ব পছন্দ রয়েছে, মানুষ সাধারণত অন্ধকার, শান্ত, আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমাতে পছন্দ করে।

* ফোন ট্যাব বন্ধ : গবেষণায় দেখা গেছে শোওয়ার সময় ফোনের ব্যবহার ঘুমের ব্যাঘাত হয়। বিছানায় ফোন এবং অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহার করায়, ঘুমের সময়ের গতি হারাতে পারেন এবং আপনার প্রকৃত শোওয়ার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে দেরি হতে পারে।

স্বাস্থ্যকর ঘুমের অভ্যাস কীভাবে প্রয়োগ করবেন তা আপনি নিশ্চিত না হলে, আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

 


আরও খবর

যোগাসনে ব্যায়াম হবে পুরো শরীরের

সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

খালি পেটে কাঁচা রসুন কেন খাবেন

শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




মোরেলগঞ্জ জমি নিয়ে বিরোধে দু’গ্রুপের সংর্ঘষে আহত ৬

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট : 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংর্ঘষে উভয় পক্ষের গৃহবধূসহ ৬ জন আহত। আহতদের জন্য চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

  প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, সদর ইউনিয়নের পূর্ব সরালিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সেকেন্দার আলী শিকদারের পরিবারের সাথে তারই আপন ছোট ভাইয়ের সাথে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুপুরে সংর্ঘষে মারপিটে মুক্তিযোদ্ধার পুত্রবধূ জেসমিন বেগম (৩৮), তার ছেলে শাহ আলম শিকদার (৪২), নাতি শাহিন শিকদার (২৫) কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এর মধ্যে গুরুত্বর জখমী জেসমিন বেগমকে মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 আহত জেসমিন বেগম জানান, তাদের ভোগদখলীয় ৫ কাটা জমিতে রোপা আমন বীজপাতা জোরপূর্ব হামলা চালিয়ে ৪/৫ জন লোক তুলে ফেলে এ সময় তাদেরকে বাঁধা দিলে হামলাকারিরা তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তার স্বামী ও সন্তানকেও পিটিয়ে আহত করে হামলাকারিরা। অপর পক্ষের  ৩ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 


আরও খবর



মোরেলগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার বিকেল পৌনে ৪টায় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম মোজাম্মেল হক ভার্চুয়ালি ভবনটি উদ্বোধন করেন। 

স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান,  জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহ্-ই-আলম বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.জাহাঙ্গীর আলম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. লিয়াকত আলী খানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত চারতলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি রবিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 


আরও খবর



শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শিরক একটি আরবি শব্দ যার অর্থ অংশ। ইসলামী পরিভাষায় সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালার সঙ্গে কাউকে শরিক করা, কাউকে তাঁর সমকক্ষ ভাবা কিংবা অংশীদার করাকে শিরক বলে।

এটি একটি জঘন্য অপরাধ এবং কবিরা গুনাহ। মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালা শিরককে বড় মিথ্যা এবং জুলুম বলে আখ্যায়িত করেছেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসে বলা হয়েছে- আল্লাহ তার বান্দার যে কোনো গুনাহকে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু শিরকের গুনাহকে ক্ষমা করেন না। আমাদের সমাজে আল্লাহতায়ালার সঙ্গে বিভিন্নভাবে এবং বিভিন্ন পন্থায় শিরক করা হয়ে থাকে। মানুষ পাথর, অগ্নি, গাছ ও কবর পূজা ইত্যাদির মাধ্যমে শিরক করে। তা ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি, বিবাহশাদি, রোগ-শোক, আয়-রোজগার ইত্যাদির ক্ষেত্রেও বিভিন্নভাবে এবং বিভিন্ন পন্থায় শিরক করা হয়। শিরক চার ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। ১. আল্লাহর মূল সত্তায় শিরক, ২. আল্লাহর গুণাবলিতে শিরক, ৩. আল্লাহর অধিকারে শিরক, ৪. আল্লাহর এখতিয়ারে শিরক। পবিত্র কোরআনে শিরকের পরিণাম সম্পর্কে সতর্ক করে বলা হয়েছে- এটি একটি ক্ষমাহীন অপরাধ।

ইরশাদ করা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তার সঙ্গে কাউকে শরিক করে। এ ছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং কেউ আল্লাহর সঙ্গে শরিক করলে সে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়। তারা তার পরিবর্তে শুধু দেবীরই পূজা করে এবং বিদ্রোহী শয়তানের পূজা করে।’ (৪-সুরা নিসা : ১১৬-১১৭)। যারা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে উপাস্য হিসেবে মানে তারা পথভ্রষ্ট। ইরশাদ করা হয়েছে- স্মরণ কর, যখন ইবরাহিম তার পিতা আজরকে বললেন : ‘তুমি কি প্রতিমাগুলোকে উপাস্য মনে কর? আমি দেখতে পাচ্ছি যে, তুমি ও তোমার সম্প্রদায় প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট।’ (৬ সুরা আনয়াম : ৭৪)। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। শিরকমুক্ত ইবাদতের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধান করতে পারে।

সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত পথে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। হজরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে দুনিয়ার বুকে প্রথম নবীর আগমন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের মাধ্যমে পৃথিবীতে নবী রসুলের আগমন পর্বের সমাপ্তি টানা হয়েছে। মহানবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর পৃথিবীতে আর কোনো নবী আসবেন না। তিনি হলেন বিশ্ববাসীর জন্য মনোনীত নবী।

কেয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ পৃথিবীতে আসবে তারা তার উম্মতের মধ্যেই গণ্য হবে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকার এ মহান জিম্মাদারি তার উম্মতের মধ্যে যারা কোরআন হাদিসের জ্ঞানে জ্ঞানী তাদের ওপর দিয়েছেন। মহানবীর আগে যে হাজার হাজার নবী রসুল এসেছেন তাদের বিশেষ সম্প্রদায়ের নবী রসুল হিসেবে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আখেরি নবীর আগমন ঘটেছে সমগ্র মানবজাতির জন্য। ইরশাদ করা হয়েছে- ‘হে নবী আমি তোমাকে সারা বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।’ (২১ সুরা আম্বিয়া : ১০৭)।


আরও খবর

শারদীয় দুর্গোৎসব কাল শুরু

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেট

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

আজ মাঠে গড়াচ্ছে নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেটের অষ্টম আসর। উদ্বোধনী ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ থাইল্যান্ড। সিলেটে খেলা শুরু হচ্ছে সকাল ৯টায়। দিনের আরেক ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে লড়বে শ্রীলঙ্কা।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অপরাজিত টাইগ্রেসদের সামনে সহজ প্রতিপক্ষ থাইল্যান্ড। পুরো শক্তির দল নিয়ে মাঠে নামবে নিগার বাহিনী। ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেছেন পেসার জাহানারা আলম ও ফারজানা হক। বাদ পড়েছেন মারুফা আক্তার। এ ফরম্যাটে দুদলের শেষ ৫ বারের দেখায় সবগুলো জয় লাল সবুজদের। এবারের আসরের খেলা হবে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে। 


আরও খবর

নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেট

রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2

বিশ্বকাপ নিশ্চিত নারী ক্রিকেট দলের

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২




জাপায় অন্তঃকলহ দিন দিন বাড়ছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দলের নেতৃত্ব নিয়ে ভুল বোঝাবুঝিতে পার্টিতে এখন ভাঙনের সুর বেজে উঠেছে। বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদপন্থিরা ২৬ নভেম্বর কাউন্সিল করতে অটল। আর জি এম কাদেরপন্থিরা কাউন্সিল ঠেকাতে তৎপর। এ নিয়ে এরই মধ্যে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ সব পদপদবি থেকে মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মসিউর রহমান রাঙ্গাও পাল্টা হুশিয়ারি দিয়েছেন। 

সাম্প্রতিক টানাপড়েন প্রশ্নে জাতীয় পার্টির নেতারা বলছেন, দলে কোণঠাসা নেতারা জি এম কাদের এবং বিরোধীরা রওশন এরশাদকে ভুল বুঝিয়েছেন। পার্টির ভেতরে সর্বশেষ দ্বন্দ্বের পেছনেও কোণঠাসা বোধ করা নেতারা রয়েছেন বলে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের অভিযোগ। পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এই অংশটিকে তৃতীয় শক্তি বলে উল্লেখ করেছেন।

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে একাংশের নেতৃত্ব দিতে থাকেন রওশন এরশাদ। তবে এরশাদ তার ভাই জি এম কাদেরকে দলের নেতৃত্ব দিয়ে যান। এরপর জি এম কাদের রওশনকে দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক করেন। পাশাপাশি তিনি জাতীয় সংসদে হন বিরোধীদলীয় উপনেতা। সে সময় জি এম কাদের ও রওশনের মধ্যে যে মীমাংসা হয়, সে অনুসারেই সবকিছু চলছিল।

তবে সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে দেশের বাইরে থাকাকালে দলের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট হন রওশন এরশাদ। জি এম কাদের ও তার অনুসারীরা তার খোঁজ না নেওয়ায় গত ২ জুলাই দলের একটি মতবিনিময় সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন রওশন।

এ সভায় দলে মধ্যে কোণঠাসা নেতারা উপস্থিত থাকলেও পার্টির মূল দলের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। রওশনের এই অসন্তোষের সুযোগ নিয়ে রওশনকে দিয়ে নতুন নেতৃত্বের কথা বলেন। এ নিয়ে শুরু হয় দ্বন্দ্ব।

জাপার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ২৬ নভেম্বর সম্মেলনের আহ্বান করার পাশাপাশি দলটির নিষ্ক্রিয়, ত্যাগী, বঞ্চিত ও বিভিন্ন দলে চলে যাওয়াদের জাপায় ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে দলের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, সম্মেলন ডাকার এখতিয়ার নেই রওশন এরশাদের।

সম্মেলন ডাকার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতার পদ থেকে রওশন এরশাদকে সরাতে দলের ২৩ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেওয়া হয় স্পিকারকে। দলটির প্রেসিডিয়াম সভাও এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে জি এম কাদেরপন্থিরা প্রেসিডিয়াম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা করতে সংসদীয় দলের সভার প্রস্তাবনার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সভায় আরো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে কেউ হাত মেলালে তাকে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বহিষ্কার করা হবে। সভায় ইঙ্গিত দেওয়া হয় রওশনপন্থিদের কাউন্সিল ঘিরে কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি করলে যত বড় নেতাই হোক না কেন তাকে বহিষ্কার করা হবে।

যদি কাউকে বহিষ্কার করা হয়, সে ক্ষেত্রে দল আরেক দফা ভাঙনের মুখে পড়বে। পার্টির একাধিক নেতার মন্তব্য, জাপার নেতৃত্বে নতুন মোড় নিতে পারে শিগগির।

এ বিষয়ে রওশন এরশাদের রাজনৈতিক সচিব গোলাম মসীহ বলেছেন, আমরা কাউন্সিলের দিকে এগিয়ে যাব। ২৬ নভেম্বর জাতীয় পার্টির কাউন্সিল হবে। পার্টির সংসদীয় দল স্পিকারের কাছে যে চিঠি দিয়েছে তাতে আমরা বিক্ষুব্ধ, বিস্মিত। বেগম রওশন এরশাদ এ মাসেই দেশে ফিরবেন। পরবর্তী পদক্ষেপ তিনি জানাবেন।

জি এম কাদের বিরোধী হিসেবে পরিচিত ও এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশিদ বলেন, কোনোভাবেই জি এম কাদেরের সঙ্গে কোনো মীমাংসা হবে না। শুধু যদি তিনি (জি এম কাদের) রওশন এরশাদের নেতৃত্ব মেনে নেন, তাহলেই মীমাংসা হওয়া সম্ভব।

তাদের ‘দলবিরোধী ষড়যন্ত্রে’ লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ তোলা হচ্ছে উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, ‘আপনারা অপেক্ষা করেন। দেখেন কার সঙ্গে কে থাকে। এদিকে গত বুধবার জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ সব পদপদবি থেকে মশিউর রহমান রাঙ্গাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ।

এদিকে দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দলটির বনানী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির শক্তি বেড়েছে দাবি করেন। তিনি বলেন, দল থেকে কেউ চলে গেলেও জাতীয় পার্টি থাকবে। দল দলের জায়গায় থাকবে। দল ভাঙবে না। রওশন এরশাদকে দলের দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তিনি রাজি হননি। রওশন এরশাদই জি এম কাদেরকে দায়িত্ব নিতে বলেছেন।

এ সময় প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ জাপার সব পদ থেকে মশিউর রহমান রাঙ্গাকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন দলটির মহাসচিব। তিনি বলেন, সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের জন্য রাঙ্গাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২