Logo
শিরোনাম

ভারতে নির্বাচন ঘিরে গুজবের ছড়াছড়ি, ফলাফলের অপেক্ষায় জনগণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



সিনিয়র প্রতিবেদক:


ভারতের জাতীয় নির্বাচন শুরু হয় ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল। ছয় সপ্তাহ ধরে চলা এই নির্বাচন ছিল অন্য যেকোনো বারের তুলনায় অন্যরকম। 


ঘাত-প্রতিঘাত, সংঘাতের তথ্যও ছড়িয়েছিল বিভিন্ন মাধ্যমে। তবে, অনলাইন, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া গুজব ছিল অন্য যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত। 


এ সবকিছু ছাপিয়ে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে দেশটির জনগণ। আগামীকাল মঙ্গলবার জানা যাবে, ভারতের নতুন ভাগ্য নির্মাতার নাম। খবর এএফপির।


ফরাসি সংবাদ সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের নির্বাচন হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই নির্বাচন ঘিরে অনলাইনে অনেক মিথ্যা সংবাদ, তাৎক্ষণিক বার্তা, বিকৃত ভিডিও ও মনগড়া ক্যাপশনের পাশাপাশি অসংগতিপূর্ণ ছবি পোস্ট করা হয়।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইন্ডিয়া হেট ল্যাব সংস্থাটি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং গুজব নিয়ে গবেষণা করে থাকে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ফ্যাক্ট চেকাররা ছয় সপ্তাহ ধরে সাত ধাপের ভোটদানের প্রক্রিয়াতে ৪০টিরও বেশি নির্বাচন সম্পর্কিত গুজব রটানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা রাজনৈতিক বিভাজনকে বাড়িয়ে তোলে। 



সংস্থাটির রকিব হামিদ নায়েক জানান, ভারতের এই নির্বাচনে নজিরবিহীন গুজব ছড়াতে দেখা গেছে। এমনকি, এসবের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে উসকে দেওয়ার মতো ষড়যন্ত্রও ছিল বলে দাবি করেন তিনি। 


নির্বাচন ঘিরে মিথ্যা ভিডিও তৈরি করে পোস্ট করা হয়েছে বলে জানানো হয়। বলা হয়, ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বলিউড তারকারা বিরোধী দলগুলোকে সমর্থন করছে এবং একজন ব্যক্তি একাধিক ভোট প্রদান করছে। তবে, তা মিথ্যা।



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু-জাতীয়তাবাদী ঘরানার রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ভারতের ২০ কোটিরও বেশি সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও ভয় ও বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সমালোচনার মুখে পড়ে।



 ভিডিওগুলোতে বেশিরভাগ মোদির নিজের বলা উসকানিমূলক বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায়। যেখানে বলা হয়, বিরোধীদলগুলো, বিশেষ করে কংগ্রেস মুসলমানদের পক্ষে ভারতের সম্পদ বিতরণ করার পরিকল্পনা করছে।



ইন্ডিয়া হেট ল্যাবের রকিব হামিদ নায়েক বলেন, এই ধরনের পোস্টের উদ্দেশ হলো—ধর্মীয় ভিত্তিতে ভোটারদের মেরুকরণ করা এবং মুসলমানদের প্রতি অন্যদের ভয় ও শত্রুতা সৃষ্টি করা। 


ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনে জয় লাভের জন্য ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগানোর কৌশল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কেবল দুর্বলই করেনি, সমাজে বিভাজন ও ঘৃণার বিপজ্জনক বীজও বপন করছে।


নির্বাচনে প্রথম থেকে রাজনৈতিক প্রচারণায় গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর পিছনে প্রধান লক্ষ্য ছিলেন বিরোধী কংগ্রেস দলের নেতা রাহুল গান্ধী। তার বক্তব্য, ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হতো অসম্পূর্ণ বা অপ্রাসঙ্গিক উপায়ে। 



আবার অনেক লেখায় দেখা যায়, রাহুল গান্ধী জনগণকে মোদিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, যা ছিল মিথ্যা তথ্য ও গুজব।গুজবের আরও কিছু উদাহরণের মধ্যে ছিল ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ভারতের সদ্ভাব হওয়া।


এ সময় একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হিন্দু মন্দিরের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দাবি করা হয় মন্দিরটি ধ্বংসের জন্য রাহুল গান্ধী দায়ী, যা মূলত পাকিস্তানের একটি মন্দিরের ছবি ছিল।



আরও খবর



সেনাপ্রধান হলেন ওয়াকার-উজ-জামান

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।



 নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় তিনি সদ্য বিদায়ী সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন।


 আগামী তিন বছরের জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।



গত ১১ জুন আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগামী ২৩ জুন অপরাহ্ন থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চিফ অব জেনারেল স্টাফকে (সিজিএস) জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দিয়ে ওই তারিখ অপরাহ্ন থেকে তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



আজ রোববার (২৩ জুন) বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গণভবনে নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমানবাহিনী ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নবনিযুক্ত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে ব্যাজ পরিয়ে দেন।



 পরে সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।


আরও খবর



হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামী ওহাবকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব ১৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব নিয়মিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সঙ্গবদ্ধ অপরাধী, অপহরণকারী, ধর্ষণকারী, মাদক, ছিনতাইকারী, ডাকাতসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৪ ইং তারিখ বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বালা কৈগাড়ী গ্রামস্থ আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব(৩৭) ও তার সহযোগীদের নির্মম আঘাতে ও শ্বাস রোধ করে ভিকটিম ইউনুছ আলী (৬৫) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় যে, বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বালা কৈগাড়ী গ্রামস্থ ভিকটিমের বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বড় ছেলে মোঃ শাহিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ০১ নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব এর স্ত্রীকে হাত ধরিয়া রাস্তা হতে সরিয়ে দেয়। উক্ত ঘটনা জের ধরে ০১ নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মোঃ শাহিন’কে মারধর করে। উক্ত ঘটনা ভিকটিমের ছোট ছেলে ও মামলার বাদী মোঃ গোলাম রসুল জানতে পারে এবং বালা কৈগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্বে কাচা রাস্তার উপর দিয়ে গত ২২/০৬/২০২৪ ইং তারিখ যাওয়ার সময় ০১ নং আসামীকে দেখতে পেয়ে মারধরের কারন জিঙ্গেস করলে ০১নং আসামীসহ তার সহযোগীরা ভিকটিমের ছোট ছেলে মোঃ গোলাম রসুলকে এলোপাথাড়ী মারধর শুরু করে। তার চিৎকারে পাশে থাকা ভিকটিম দৌড়ে ঘটনাস্থলে আসলে ০১ নং আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে এলোপাথাড়ী মারধর করে এবং ঘাড়সহ মাথা চাপিয়া শ্বাস রোধ করে মৃত্যূ নিশ্চিত করে।


এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৩, রংপুর উক্ত চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এক পর্যায়ে তথ্য উপাত্ত পর্যালচনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫/০৬/২০২৪ ইং তারিখ ০৪.১৫ ঘটিকার সময় রংপুর জেলার সদর থানাধীন বিদ্যিবান গ্রামস্থ্য জনৈক আরমান আলী, পিতা-রফিক উদ্দিন এর বসত বাড়ীর পশ্চিমে নদীর কিনার হতে অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব(৩৭), পিতা-মোঃ জিল্লুর রহমান, সাং-বালা কৈগাড়ী, থানা-সদর, জেলা-বগুড়া’কে গ্রেফতার করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী স্বীকার করে যে, ভিকটিম ইউনুছ আলী (৬৫)’কে নির্মমভাবে আঘাতের মাধ্যমে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে ধৃত আসামীকে বগুড়া জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সালমান নূর আলম সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) পক্ষে অধিনায়ক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



যাত্রাবাড়িতে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক দম্পতির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ভোরে যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া এলাকার পশ্চিম মোমেনবাগের আড়াবাড়ি বটতলার বাসা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।


নিহতরা হলেন শফিকুর রহমান (৬০) ও তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন (৫০)।



পুলিশ জানায়, আজ সকালে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা বাসার নিচতলার পার্কিংয়ে শফিকুরের লাশ দেখতে পায়। 


তার গলা ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পরে দোতলায় গিয়ে শোবার ঘরে মশারির ভেতর স্ত্রী ফরিদার লাশ পাওয়া যায়। তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।


পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, এটি ডাকাতির ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা প্রাথমিকভাবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বাসার ভেতর সব আলমারি খোলা পাওয়া গেছে।



যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে। শফিকুর নামাজ পড়ে ফেরার সময় ওৎ পেতে থাকা খুনিরা তাকে প্রথমে হত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তারা দোতলায় উঠে তার স্ত্রীকে হত্যা করে। 


বাসার নিচের প্রধান ফটক ও ঘরের দোতলার দরজা খোলা ছিল। শফিকুরের কাছে বাসার প্রধান ফটকের চাবি পাওয়া গেছে। বাসার পেছনের দেয়াল–লাগোয়া একটি ভবন বেয়ে এই ভবনে ওঠা যায়। 


বাসার ভাড়াটেরা দাবি করেছেন, তারা কেউ বিষয়টি টের পাননি।


আরও খবর



পিএসসির তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্কঃ

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পরীক্ষাসহ গত ১২ বছরে ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (বিপিএসসি) তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (৮ জুলাই) রাতে সিআইডির পক্ষ থেকে রাজধানীর পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আসামির সংখ্যা অর্ধ শতাধিক দেখানো হয়েছে। আর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ১৭ জনকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আজাদ রহমান বলেন,  প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে ও পলাতকদের গ্রেপ্তারে পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলায় ১৭ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড চাওয়া হবে।

বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে সিআইডি। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর, উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক এস এম আলমগীর কবির, সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়, চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন ও অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান। বিপিএসসির কোনো নিয়োগ পরীক্ষা এলেই প্রশ্নফাঁস করে অর্থ লোপাটে মেতে উঠতো সংঘবদ্ধ চক্রটি।

সিআইডি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসি’র উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম।

এছাড়া আছেন- সাবেক সেনা সদস্য নোমান সিদ্দিকী, ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের রাজনীতি করা এবং বর্তমানে মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সায়েম হোসেন ও বেকার যুবক লিটন সরকার।

প্রকাশিত সংবাদে বিসিএসের প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচনায় আসেন সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ও তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম। 

সেই বাবা-ছেলেকেও গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। অন্যদিকে সংগঠনের নীতি ও নৈতিকতা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সোহানুর রহমান সিয়ামকে।


আরও খবর



নওগাঁয় পথচারী বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিলো মোটরসাইকেল চালক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টারঃ

নওগাঁয় পথচারী মা ও শিশু সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে শ্যালো মেশিন চালিত স্টিয়ারিং ভুটভুটির চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই শিমুল হোসেন (৩২) নামের এক মোটরসাইকেল চালকের মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হয়েছে। এ দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকাল ৬ টারদিকে নওগাঁ টু রাজশাহী মহাসড়কের মহাদেবপুর থানাধীন চৌমাশিয়া বাজার (চেংকুড়ি মোড়) নামক স্থানে। নিহত শিমুল হোসেন নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার মধ্য দূর্গাপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে নিহত সিমুল হোসেন আরো দু'জন কে সাথে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে  হোটেলে ব্যবহারের জন্য কড়াই কিনতে নওগাঁ থেকে (চৌমাশিয়া) নওহাটা মোড় বাজারে আসছিলেন। চৌমাশিয়া (চেংকুড়ি) মোড় নামক স্থানে পৌছালে এসময় এক নারী তার শিশু সন্তান কে নিয়ে সড়ক পারাপার হচ্ছিল। মা ও শিশু সন্তান কে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও পথচারী মা ও শিশুকে আঘাত লেগে মোটরসাইকেল সড়কের উপর পড়ে এবং চালক শিমুল হোসেন সিটকে সড়কের উপর পড়লে নওহাটা থেকে হাট-চকগৌরীগামী দ্রুতগতীর একটি স্টিয়ারিং ভুটভুটি চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিমুল হোসেন এর। স্থানিয়রা জানান, পথচারী মা ও মেয়ে শিশুকে জখম অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এছাড়া মোটরসাইকেলের অপর দু'জন আরোহী আহত হলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে নওহাটা মোড় ফাঁড়ি পুলিশ দ্রুত দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা সহ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আরও খবর