Logo
শিরোনাম

ভারতে ভোট গননা চলছে, এগিয়ে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের জাতীয় নির্বাচনে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। 


আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল আটটায় ভোট গণনা শুরু হয়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ ২৭০ আসনে এবং বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া ১৭৮ আসনে এগিয়ে রয়েছে। 



দেশটিতে লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল গত ১৯ এপ্রিল। ছয় সপ্তাহ ধরে চলা সাত ধাপের এই নির্বাচন শেষ হয়েছে গত শনিবার (১ জুন)। আজ চলছে ভোট গণনা। খবর আলজাজিরার।



ভোট গণনা শেষে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে শেষ হাসি হাসবে কে? মোদি রয়ে যাবে নাকি ভারত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখবে নতুন মুখ।


এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮ এর অনলাইন জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জোট (এনডিএ) ৪১১ আসন পেতে পারে। সরকার গঠন করতে হলে কোনো জোটকে ৫৪৩ আসনের বিপরীতে অন্তত ২৭২টি আসনে জয় লাভ করতে হবে।


ইতোমধ্যে বিভিন্ন জরিপে তৃতীয় মেয়াদেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থাকছেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার অনলাইন সমীক্ষায় দেখা গেছে, মোদির রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি লোকসভায় ৩৫০ থেকে ৩৮০টি আসন পেতে পারে।


 ২০১৯ সালের নির্বাচনেও ভারতীয় জনতা পার্টি ৫৪৩ আসনের বিপরীতে ৩০৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছিল। কিন্তু, বিরোধীদলগুলো আশা করছে, হিন্দু জাতীয়তাবাদ নিয়ে রাজনীতি করা বিজেপি সরকারের পতন সন্নিকটে।


ভারতীয় নির্বাচন কমিশন বলেছে, ‘এই বছর মোট ভোটারের উপস্থিতি ছিল ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের নির্বাচনের তুলনায় এক শতাংশ কম। অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এ বছর ভোট পড়েছে ৬৪ কটি ২০ লাখ। এটি ভারতীয় নির্বাচনের ইতিহাসে ভোটের সর্বোচ্চ রের্কড বলেও জানায় কমিশন।  



বিরোধী দলগুলো বলেছে, ভোট গণনা কীভাবে হচ্ছে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন তাদের কিছু জানায়নি। এ নিয়ে বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দলগুলো।


যদি অনলাইন সমীক্ষাগুলো বাস্তবে রূপ নেয়, তাহলে নরেন্দ্র মোদির সরকার ইতিহাস তৈরি করবে। যদি এমনটি হয় তাহলে নরেন্দ্র মোদি হবেন ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে যাচ্ছেন। এর আগে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু তিন মেয়াদে ক্ষমতায় ছিলেন।



এদিকে, ভারতীয় নির্বাচন কমিশমনের ফল ঘোষণা করা প্রথম আসন গুজরাটের সুরাট। সেখানে জয়লাভ করেছে বিজেপি। এই জয় দিয়ে বিজেপির স্বপ্নযাত্রার শুরু।


অন্যদকি, অধিকাংশ মূলধারার সংবাদমাধ্য়মে যে বুথ ফেরত সমীক্ষা দেখানো হয়েছে তাতে বলা হচ্ছে, বিপুল সংখ্য়াগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে মোদি সরকার। বস্তুত, অধিকাংশ সংবাদমাধ্য়মের সমীক্ষা বলছে, বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ ৩৫০ এর বেশি আসন পেতে চলেছে। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় ২৭২ ম্য়াজকি ফিগার। 


যে দল ২৭২টি আসন পাবে, সে দলই সরকার গঠন করতে পারবে। ২০১৯ সালে বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩টি আসন। এনডিএ পেয়েছিল ৩৩০ এর বেশি আসন। এবার সেই রেকর্ড ভাঙবে বলে বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিত।



তবে বিজেপি বুথ ফেরত সমীক্ষাকে স্বাগত জানালেও কংগ্রেস ইতোমধ্যে এর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কংগ্রেস হাইকমান্ড কর্মীদের জানিয়েছে, ভোটগণনার আগে বিরোধী শক্তিকে মানসিক চাপে ফেলতেই গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে বিজেপি। বুথ ফেরত সমীক্ষার ফলাফল তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভোটগণনার দিন কর্মচারীদের শেষ পর্যন্ত গণনা কেন্দ্রে থাকার হুইপ জারি করেছে কংগ্রেস। 


তৃণমূলসহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক দল একই কথা বলছে। তাদের বক্তব্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ক্ষেত্রেও বিজেপি মিডয়াকে ব্যবহার করেছে। যে ফলাফল দেখানো হচ্ছে, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনো মিল নেই।



আরও খবর



নওগাঁয় বিস্কুট খেয়ে ৬ বছর ও ৮ মাস বয়সী দুই বোনের মৃত্যু, এক কিশোর অসুস্থ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার দোগাছী স্কুল পাড়া গ্রামে বিস্কুট খেয়ে ৬ বছর বয়সী খাদিজা ও ৮ মাস বয়সী তাবসসুম নামে আপন দুই বোনের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের মৃত্যু হয়। একই সাথে বিস্কুট খেয়ে মইন ইসলাম নামে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর অসুস্থ হয়েছে। তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহত খাদিজা ও তাবাসসুম দোগাছী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি জহুরুল ইসলামের মেয়ে। অসুস্থ মইন একই গ্রামের পাইলট এর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর দেড়টার দিকে খাদিজা, তাবাসসুম ও মইন নামে ঐ ৩ জন শিশু ও কিশোর বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে বিস্কুট কিনে খায়। এর কিছু পরই তারা লাগাতার বমি করতে থাকে। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দ্রুত নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে নেয়ার পর চিকিৎসক তাবাসসুম কে মৃত ঘোষণা করেন এবং খাদিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করলে রাজশাহীতে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক বলেন, দুই শিশুর ঘটনা ঘটেছে। তবে কি কারনে তাদের মুত্যু হয়েছে তা ময়না তদন্তর রিপোর্ট পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে।


আরও খবর



মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সুলতান আহম্মেদের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শাহেদ হোসেন রানা,রামগড় :

পার্বত্য খাগড়াছড়ির জেলার রামগড়ে ১৯৭১ সালে পার্বত্য অঞ্চলে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সদস্য বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম সুলতান আহম্মেদ এর ২৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫শে জুন) সকাল ১০টায় রামগড় পৌরসভার মাষ্টার পাড়াস্থ কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরহুম সুলতান আহম্মেদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কবর জিয়ারত ও দোয়া-মাহফিলের মাধ্যমে সুলতান স্মৃতি সংসদ, রামগড় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন দিবসটি পালন করে।

পার্বত্য অঞ্চলের ত্যাগী এই আওয়ামী লীগ নেতা দীর্ঘ-সময় রামগড় মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরবর্তীতে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।


এছাড়াও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গঠিত ১নং সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে তাঁর অনন্য ভূমিকা ছিল, পরবর্তীতে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সদস্য পদ লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে বার্ধক্যজনিত রোগে সুলতান আহমদ মারা যান। সুলতান নানা নামে পরিচিত নির্লোভ, ত্যাগী এই আওয়ামী লীগ নেতা আগামী প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হিসেবে বেঁচে থাকবে এই প্রত্যাশা সুশীল সমাজের।


এসময় রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে মরহুম সুলতান আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রামগড় পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল আলম কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২নং পাতাছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নুরুল আলম আলমগীর, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন বাদশা, ৪নং মাষ্টারপাড়া পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আহসান উল্লাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহ আলম, প্রদেশ ত্রিপুরা, ২নং জগন্নাথপাড়া ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর শ্যামল ত্রিপুরা, সাবেক পৌর কাউন্সিলর বিষ্ণু দত্ত,  উপজেলা যুবলীগ নেতা, রুবেল বড়ুয়া, খাজা নাজিম উদ্দীন, সুমন বড়ুয়া, সুমন ত্রিপুরা, রামগড় মাদ্রাসা ছাত্রলীগ সভাপতি মো.মুজিবুর রহমান প্রমূখ।


আরও খবর



তিস্তার বুকে গৃহহারা মানুষের আর্তনাদ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ |

Image

একের পর বসতভিটা বিলীন হয়ে যাচ্ছে তিস্তার বুকে। শেষ সম্বলটুকুও হারানোর শঙ্কায় হাউ মাউ করে বলছিলেন বাড়ি নাই, ঘর নাই। হামার একটেও জায়গা নাই। মাইনষের বাড়িত যাবার নাগছি। ছাগল-গরু সউগ মাইনষের বাড়িত থোয়া নাগবে। বলেই মুখে কাপড় গুঁজে কান্না শুরু করেন বিভা রানী। মুখ লুকিয়ে ডুকরে কাঁদতে থাকেন। তিস্তার ভাঙনে বিভা রানী বসতভিটা হারিয়েছেন। নতুন করে বসতি গড়ার জায়গা নেই।

বিভা রানী কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চতুরা কালিরহাট গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর নিবারণের স্ত্রী। আগ্রাসী তিস্তার ভাঙনে তার বসতভিটার অর্ধেকেরও বেশি বিলীন হয়েছে। শেষ রক্ষা হবে না জেনে ঘর ও অন্যান্য উপকরণ সরিয়ে নিচ্ছিলেন। শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে এমন পরিস্থিতিতে কথা হয় তার সঙ্গে।

বিভা জানান, পরম যত্নে সাজানো সংসার তিস্তার ভাঙনে মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে গেছে। তারা অসহায়, নিরুপায়। বেদনার সেই কথা বলতে গিয়ে কষ্ট সংবরণ করতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন। বিভা রানীর সেই কান্না রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্বশীলদের কানে পৌঁছায় না। তিস্তার স্রোতের শব্দে সেখানেই মিলিয়ে যায়।

শুক্রবার বিদ্যানন্দের কালিরহাট বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শুধু বিভা রানী নন, তার প্রতিবেশী অনেকেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ ঘর ভেঙে উপকরণ স্কুলের আঙিনায় রেখেছেন, কেউবা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার বাড়ির বিছানাপত্র নিয়ে বাজারের দোকানের ভেতর অনিশ্চিত সংসার পেতেছেন।

গ্রামটির কয়েকশ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙনের হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে শতাধিক পরিবার, কালিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, পাকা সড়কসহ কালিরহাট বাজার। তিস্তা ভাঙতে ভাঙতে অনেক পরিবারের আঙিনায় এসে পৌঁছেছে। যদি সর্বনাশা তিস্তার অনুগ্রহ হয়, যদি শেষ রক্ষা হয়, এমন আশায় অনেকে ভাঙনের কিনারে অপেক্ষারত।

এমনই একটি পরিবার বানেশ্বর-ভারতী রানী দম্পতির। পাকা সড়কের কাছে তিস্তার ভাঙনের মুখে থেকেও এখনও বসতি সরাননি। তেমন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। আঙিনায় বসে কলা গাছের মজ্জা আর কাঁঠালের বীজ দিয়ে দুপুরে খাবারের তরকারি প্রস্তুত করছিলেন ভারতী। সেই দৃশ্য ভারতীদের আর্থিক সামর্থ্যের জানান দিচ্ছিল। পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে ভারতী বলেন, অবস্থা খারাপ। নদী ভাঙতেছে। অল্প এখনার জন্য আটক হয়া আছি। (নদী) দয়া করি যদি ফির ছাড়ি দেয়, এই আশায় আছি। না হইলে ঘর সরান লাগবে। কিন্তু জায়গা জমি নাই।

ভারতীর সঙ্গে কথা বলার সময় পাশ দিয়ে শো শো শব্দের তীব্র স্রোতে বয়ে চলছিল টইটম্বুর তিস্তা। নদীতীরের বাসিন্দারা অনেকে বসতি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ গাছপালা কাটছেন, কেউবা ভাঙনের কিনারে থাকা ক্ষেত থেকে পাট কেটে নিচ্ছেন। সবার মুখে একটাই প্রশ্ন, ভাঙন রক্ষায় কাজ শুরু হবে কবে?

তিস্তাতীরের বাসিন্দা ফজলুল হক ঘরবাড়ি ভেঙে ট্রাক্টরে করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছিলেন। প্রবীণ এই বাসিন্দা বলেন, আমরা অসহায়। বাড়িঘর সব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমি ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছি। এর আগে সাড়ে ৬ একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন ভিটাটাও যাচ্ছে। ভাঙন রোধে আজ কাজ করে, কাল কাজ করে বলেও কাজ করছে না। সরকারের কাছে অনুরোধ, আমাদের এলাকাটা রক্ষা করেন। নাহলে কয়েকশ পরিবার বিলীন হয়ে যাবে।

বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সেফারুল ইসলাম বলেন, তিস্তার ভাঙনের কবলে পড়ে একের পর এক পরিবারের বসতি বিলীন হচ্ছে। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোনার জুম্মা এলাকা থেকে মৌলভীপাড়া পর্যন্ত তীরবর্তী শতাধিক পরিবার ভাঙনের হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, তিস্তায় ভাঙন চলছে। বিদ্যানন্দের কালিরহাট বাজারের ভাটির দিকে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। মন্ত্রী মহোদয়কে (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী) বিষয়টি জানানোর পর প্রতিরক্ষা কাজের অনুমতি পাওয়া গেছে। আমরা আপাতত ২০০ মিটার স্থানজুড়ে জিও ব্যাগ ফেলবো। দু-একদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

তবে কত পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর পাউবো জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ শুরু করবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।


আরও খবর



ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তিন দিনের অর্ধবেলা কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন চলছে।

বুধবার কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে শিক্ষকরা তাদের নিয়মিত কার্যক্রম থেকে বিরতি নেন। এদিন কোনো ক্লাস হয়নি। তবে পরীক্ষা থাকলে তা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন অর্ধবেলা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, তিন দিনব্যাপী চলমান এ কর্মসূচিতে পরীক্ষা আওতামুক্ত থাকবে। তবে ক্লাস নেওয়া হবে না। কোনো শিক্ষক তাদের অফিসে যাবেন না, স্বাভাবিক কার্যক্রম থেকে বিরতি নেবেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, দ্বিতীয় দিনও আমরা আমাদের অর্থবেলা কর্মবিরতি জারি রেখেছি এবং ক্লাসগুলো নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষা যদিও এসব থেকে মুক্ত। এছাড়া পূর্বঘোষিত কর্মসূচির ভিত্তিতে আমরা আজও অবস্থান কর্মসূচি পালন করব। এতে কোনো ব্যতয় ঘটবে না। দাবি অনাদায়ে ৩০ তারিখ আমরা পূর্ণবেলা ও ১ তারিখ থেকে যতদিন পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে ততদিন সম্পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাবেন শিক্ষকরা। এতে পরীক্ষাও অন্তর্ভুক্ত হবে।


আরও খবর



সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জঙ্গিরা তৎপর: র‍্যাব ডিজি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জঙ্গিরা তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।

সোমবার (১ জুলাই) হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

র‍্যাব ডিজি বলেন, জঙ্গি তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব অনেক আধুনিক হয়েছে। একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে সব ধরনের সক্ষমতা রয়েছে র‌্যাবের।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগের পাশাপাশি জঙ্গিরা ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডেও তৎপর। পলাতক জঙ্গিদের নজরদারি মধ্যে রাখা হয়েছে।




অনেকে মনে করেছিল বাংলাদেশ আফগানিস্তানে পরিণত হবে: এসবি প্রধান

এ সময় বাংলাদেশে আর কখনই জঙ্গিবাদের উত্থান হবে না জানিয়ে হারুন অর রশিদ বলেন, ভবিষ্যতে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ এদেশে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ একটি নিরাপদ দেশ।


উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের পয়লা জুলাই রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা স্তম্ভিত করেছিল গোটা দেশকে। জঙ্গিরা ১৮ জন বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জনকে হত্যা করে।


নারকীয় ওই হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। পরে সেনা অভিযানে হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী তামিম চৌধুরীসহ আট জঙ্গি নিহত হয়।


জঙ্গিদের ভয়াবহ ওই হামলার ঘটনায় করা মামলায় ২০১৯ সালে ৭ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দেন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। 


পরে গত বছর গেল বছর ৭ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। কিন্তু এখনও সেই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়নি।


আরও খবর