Logo
শিরোনাম

ভারতের ভোপালে ৪ বাংলাদেশী গ্রেফতার

প্রকাশিত:Monday ১৪ March ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন জামাত-ই-মুজাহিদিন-বাংলাদেশ (জেএমবি) এর সাথে জড়িত সন্দেহে চার বাংলাদেশীকে রোববার ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের রাজধানী ভোপালের দুটি স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (এটিএস) এক বিবৃতি দিয়ে এই কথা জানিয়েছে।

বিবৃতি অনুসারে, এটিএস-এর একটি দল রোববার ভোরবেলা আইশবাগ এবং করোন্দ এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। সেই অভিযানে গ্রেফতার হয় তাদের। অভিযুক্তরা ভাড়া করা বাসায় থাকত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘অভিযুক্ত ফজহার আলি (৩২), মোহাম্মদ আকিল (২৪), জাদুরউদ্দিন পাঠান (২৪) এবং ফজহার জয়নুল আবদিন (৩২) সকলেই বাংলাদেশের বাসিন্দা। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য তারা একটি স্লিপার সেল প্রস্তুত করছিল। এর মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে গুরুতর দেশবিরোধী ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিল।’

জানা গিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ও অপরাধমূলক নথি পাওয়া গিয়েছে। এর থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে জানা গিয়েছে যে, ধৃতরা জামাত-ই-মুজাহিদীন-বাংলাদেশের (জেএমবি) সক্রিয় সদস্য। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এটিএসের ডেপুটি আইজিপি ডাঃ আশিস। বিদিশার বাসিন্দাসহ দুজনকেও এই মামলায় আটক করা হয়েছে।

মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র এই বিষয়ে টুইট করে লেখেন, ‘ভোপালে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-ই-মুজাহিদিন বাংলাদেশের সন্দেহভাজন সদস্য। আমরা তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং নথি উদ্ধার করেছি। তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সন্ত্রাস ছড়ানোর যেকোনও প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সূত্র: টিওআই।


আরও খবর



নওগাঁর আত্রাই নদী পরিযায়ী পাখিকে ঘিরে হতে পারে পর্যটন কেন্দ্র

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

শীত এলেই ওরা চলে আসে। আসে একেবারে দলবেঁধে। সকাল এর স্নিগ্ধ কুয়াশা আর মৃদু রোদের ফাঁক দিয়ে যেন ভেসে আসে কিচিরমিচির শব্দ। নদীর স্বচ্ছ পানিতে পরিযায়ী পাখির জলকেলি সেই সাথে কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে থাকে নদীর দুই পাড়। তাদের আগমনে প্রকৃতি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। পাখিকে ঘিরে এলাকাটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবী জানিয়েছেন স্থানিয় সচেতন মহল সহ পর্যটকরা।

গত কয়েক বছর ধরে শীতের শুরুতে দল বেঁধে আসতে শুরু করে পরিযায়ী পাখি। আবাস গড়ে তোলে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার আত্রাই নদীর তীরের পুরো কুঞ্জবন এলাকাজুড়ে। নদীর স্বচ্ছ পানিতে চোখ পড়লেই দেখা মিলবে হাজারো পরিযায়ী পাখির। চলতি শীত মৌসুমে বালিহাঁস, সরালি হাঁস, পানকৌড়ি, রাতচোরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখির বিচরণ ঘটেছে এখানে। এছাড়া পিয়াং হাঁস, পাতি সরালি, লেঙজাহাঁস, বালিহাঁস, পাতিকুট, শামুকখোল, পানকৌড়ি, ছন্নি হাঁস সহ প্রায় ১২জাতের দেশি পাখির দেখা মিলবে। এসব পরিযায়ী পাখি প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নদীর স্বচ্ছ পানিতে করছে জলকেলি। কখনও জলে ভাসতে ভাসতে আবার কখনও দল বেঁধে উড়ছে নদীর চারপাশে। একসঙ্গে ওঠানামা করতে গিয়ে পা আর পাখার ঝাপটায় চারদিকে ছিটকে পড়া পানিতে সৃষ্টি হচ্ছে এক অপরূপ দৃশ্য। সারাদিন নদীতে থাকলেও রাতে পাখিগুলো ফিরে যায় পাশের রামচন্দ্রপুর ও মধুবন সহ এলাকার বিভিন্ন গাছে। ভোরে আবারও ফিরে আসে আত্রাই নদীতে। মনোমুগ্ধকর এই দৃশ্য দেখতে দুর দূরান্ত থেকে আসছেন পাখি প্রেমিরা। নিরাপদে পাখিগুলোর বসবাসের জন্য আবাস করে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন।

পাখি দেখতে আসা দর্শনার্থী আব্দুল হাকিম, খবির উদ্দিন সাজ্জাদ হোসেন মন্ডল সহ অনেকেই বলেন, এখানে এসে অতিথি পাখি দেখে মনটা ভরে যায়। খুব সুন্দর পরিবেশ ও মনোমুগ্ধকর এই জায়গা। অতিথি পাখির অবাধ বিচরণ। এলাকাটিতে যদি পাখির অভয়ারণ্য গড়ে তোলা যায় সেক্ষেত্রে প্রতি বছর এখানে পরিযায়ী পাখি আরো বেশি করে আসতো। এসব পাখিকে ঘিরে এলাকাটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি উড়ে এসে পানিতে পড়ছে। আবার কেউ বাঁশের ওপর বসে আরাম করছে। এখানে যাতে কোনক্রমেই ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি না হয় সেদিকে প্রশাসন ও স্থানীয়দের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সামাজিক সংগঠন নিরাপদ নওগাঁর চেয়ারম্যান ও গনমাধ্যম কর্মী এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এখানে আগত অতিথি পাখিদের নিরাপত্তা প্রদানে আমরা কাজ করে আসছি। পাখিদের বিচরন স্থান গুলোকে অভয়ারন্য হিসেবে ঘোষনা করতে প্রশাসনের সঙ্গে একাত্ত হয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। শুধু অতিথি পাখিই নয় পুরো দেশের পরিবেশে ও জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় আমরা বদ্ধ পরিকর। মহাদেবপুর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাকসুদুর রহমান বলেন, আত্রাই নদীতে যেসব স্থান পাখিদের অবাধ বিচরণ আছে সেই সব স্থানে যাতে কেউ নৌকা দিয়ে মাছ শিকার করার কারণে পাখিদের অবাধ বিচরণে বাধাগ্রস্থ না হয় এবং কেউ যেন পাখি শিকার করতে না পারে সে বিষয়ে মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে নজরদারি রয়েছে। এছাড়া কেউ যদি পাখি শিকার করে, আমরা জানতে পারলে বনবিভাগের সাথে সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু হাসান বলেন, আত্রাই নদীতে যেসব স্থান পাখিদের অবাধ বিচরণ আছে সেই সব স্থানে যাতে কেউ নৌকা দিয়ে মাছ শিকার করার কারণে পাখিদের অবাধ বিচরণে বাধাগ্রস্ত না হয় এবং কেউ যেন পাখি শিকার করতে না পারে সেই বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অতিথি পাখিদের আবাসস্থলকে নিরাপদ করে অভয়ারন্যে পরিণত করে পর্যটকমুখি করতে গৃহিত পদক্ষেপগুলো দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে।


আরও খবর



গ্যাস–বিদ্যুতে এত ভর্তুকি দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Sunday ০৫ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এত বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দেওয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়।

প্রধানমন্ত্রী রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নবনির্মিত ‘বিনিয়োগ ভবন’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান। 

বহির্বিশ্বেও গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বেড়েছে জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ইংল্যান্ড ১৫০ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এটা সবার মনে রাখতে হবে। আমরা কিন্তু সেই পর্যায়ে যাইনি। গ্যাস-বিদ্যুৎ দেওয়া যাবে ক্রয়মূল্যে। আর কত ভর্তুকি দেওয়া যায়। আর এ ক্ষেত্রে কেন দেব? আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি কৃষিতে, খাদ্য উৎপাদনে।’

১ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১২ টাকা খরচ হয় উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘সেখানে আমরা নিচ্ছি মাত্র ৬ টাকা। তাতেই আমরা অনেক চিৎকার শুনি। গ্যাস-বিদ্যুৎ সাপ্লাই দেওয়া যাবে, যদি সবাই ক্রয়মূল্য যা হবে, সেটা দিতে রাজি থাকে। তাহলে দেওয়া যাবে। তা ছাড়া আর কত ভর্তুকি দেওয়া যায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে পেরেছি। আমাদের লক্ষ্যই ছিল প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পোঁছে দেওয়ার। আমরা পৌঁছে দিয়েছি। জেনারেটরের ওপর যে ট্যাক্স ছিল, সেই ট্যাক্স আমি প্রত্যাহার করে নিয়েছি। শিল্প-কলকারখানা যাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, সেই ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন

প্রকাশিত:Friday ০৩ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ভ্যান শ্রমীক ও মাঝিমাল্লা অসহায় দরিদ্রদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে সংসদ সদস্যের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করেন প্রধান অতিথি বাগেরহাট-৪, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা আসনের সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন।  

ছোলমবাড়িয়া, ফেরিঘাট, সানকিভাঙ্গা খেয়াঘাটের মাঝি ও বারইখালীর বিভিন্ন স্ট্যান্ডের ভ্যান চালক দেড়শতাধিক শ্রমীকদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. তাজিনুর রহমান পলাশ, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, পৌর যুবলীগের আহবায়ক আসাদুজ্জামান বিপু,  উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মহিদুজ্জামান মহিদ, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. শফিক কাজীসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

 সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সমাজের অসহায় মানুষের কথা সার্বক্ষনিক ভাবেন। তিনি আপনাদের কাছে এ উপহার পাঠিয়েছেন পুনরায় আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকে শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে বিজয় করতে হবে। তাহলেই অসহায় মানুষ ভালো থাকবেন আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য সকলে দোয়া করবেন। 


আরও খবর



টাইগারদের নতুন কোচ হাথুরুসিংহে

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :টাইগারদের নতুন বস হলেন তাদেরই সাবেক গুরু চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেলেন এই শ্রীলঙ্কান।

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সংবাদ মাধ্যমে আজ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০ ফেব্রুয়ারিতে টাইগারদের সঙ্গে যোগ দিবেন সাকিব-তামিমদের পুরাতন গুরু।

ডিসেম্বরে ভারতের সঙ্গে সিরিজ শেষে ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানিয়ে দিয়েছিলেন, জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে বড়সড় রদবদল আসছে। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে রদবদলের আভাস দিয়েছিলেন। এরপরই নিজের ভবিষ্যতের কথা টের পেয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন রাসেল ডমিঙ্গো।

ডমিঙ্গো বাংলাদেশের প্রধান কোচ থাকা অবস্থাতেই বিসিবি কোচ খুঁজছিল। সেই সময় একাধিক কোচের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়। যে তালিকায় নাম ছিল বাংলাদেশের সাবেক কোচ শ্রীলঙ্কার চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, দক্ষিণ আফ্রিকার ল্যান্স ক্লুজনার ও অস্ট্রেলিয়ার মাইক হাসি।

তবে টাইগার শিবিরে হাথুরুসিংহেকেই ফিরিয়ে আনতে বেশি আগ্রহী বিসিবি। কারণ, দায়িত্ব সচেতন ও কর্তৃত্বপরায়ন হাথুরুসিংহে ক্রিকেটারদের শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখেন। তাছাড়াও সাকিব, তামিম, মিরাজদের বেশ ভালোভাবেই চেনা-জানা তার। তাই এই লঙ্কানই আবারও হলেন টাইগারদের প্রধান কোচ।

এর আগে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত। এরপর বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন। নিজ দেশ শ্রীলঙ্কার কোচও ছিলেন। এরপর ২০২০ সালে আবার নিউ সাউথ ওয়েলসে ফিরে যান। সেখানে থেকে আবার টাইগারদের ডেরায় ফিরলেন হাথুরুসিংহে।


আরও খবর



দেড় মাসে ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৭৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : গত দেড় মাসে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শিশুসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন ডায়রিয়ায় মারা গেছেন। নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে জানুয়ারির ৯ তারিখ পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের শীতজনিত রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর এক বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রোগী চট্টগ্রামে। এ বিভাগে ১৪ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ হাজার রোগী এ রোগে ভুগছেন।

ময়মনসিংহে তিন হাজার ৫৮২ জন, রাজশাহীতে এক হাজার ৮৩৬ জন, রংপুরে এক হাজার ৪৭২ জন, খুলনায় ছয় হাজার ৬১৭ জন, বরিশালে তিন হাজার ৩২১ জন ও সিলেট বিভাগে দুই হাজার ৮৬৬ জন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে মারা যাওয়া ৭৩ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এ বিভাগে মারা গেছেন ৪৯ জন। এছাড়া ময়মনসিংহে ২০ জন, খুলনায় দুজন ও বরিশালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি বিভাগগুলোতে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ দুই লাখ ২৮ হাজার ৫২১ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে ১৪ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে কেউ মারা যাননি। তবে চট্টগ্রাম বিভাগে এসময়ে ডায়রিয়ায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আর বিভাগটিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার।


আরও খবর