Logo
শিরোনাম

ভিসা পাননি ৪৪ হাজার ২৬৮ হজযাত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সৌদি আরবের দেওয়া বিভিন্ন শর্ত পূরণ করতে না পারায় ভিসা পাননি ৪৪ হাজার ২৬৮ হজযাত্রী। ফলে শেষ সময়ে ফ্লাইট নিয়ে বিড়ম্বনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। রবিবার (৪ জুন) হজ এজেন্সিদের সংগঠন হাব ও ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

হজ এজেন্সির জন্য দেওয়া শর্ত পূরণ হলেই ভিসা দেয় সৌদি আরব। শর্তগুলোর মধ্যে বাড়ি ভাড়া, ফ্লাইটের টিকিট, প্রবেশ ও বের হওয়ার রুট এবং আসা-যাওয়ার তারিখ নিশ্চিত করা অন্যতম। কিন্তু অনেক এজেন্সি এসব শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় হজযাত্রীদের ভিসা মিলছে না। ফলে প্রতিদিনই বিমানের ফ্লাইট ফাঁকা যাচ্ছে। এতে শেষ সময়ে হাজীদের সৌদি আরব যেতে ফ্লাইট বিপর্যয় হতে পারে এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এটা হজ এজেন্সিগুলোর ব্যর্থতা। তাদের আরও সচেতন হতে হবে। দ্রুত শর্ত পূরণে কাজ করতে হবে।

হাবের সভাপতি শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, শেষ সময়ে ভিসা জটিলতা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ভিসার জন্য সৌদির দেওয়া প্রতিটি শর্তই পূরণ করতে হয় এজেন্সি মালিকদের। একটিও পূরণ করতে ব্যর্থ হলে ভিসা হবে না। অনেক এজেন্সি শর্ত পূরণ করতে পারেনি বলে ভিসা দিচ্ছে না। তবে হাবের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

এদিকে সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তওফিক আল-রাবিয়াহ দ্রুত বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ভিসা সম্পন্ন করতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানকে বার্তা পাঠিয়েছেন। এরপরই হজ এজেন্সিগুলোকে দ্রুত হাজীদের ভিসা করাতে তাগিদ দেয় ধর্ম মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এবার হজের খরচ বেশি হওয়ায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটা খালি রেখেই হজের সার্বিক প্রস্তুতি শেষ করেছে সরকার।

এরপর গত ২১ মে থেকে হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট শুরু হয়। রবিবার (৪ জুন) পর্যন্ত ৫০ হাজার ১৪ জন হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন। এরমধ্যে চারজন মারা গেছেন। হজ পালন শেষে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হবে আগামী ২ জুলাই। ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে ২ আগস্ট।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে টানা পঞ্চমবার জিতলেন রুশনারা আলী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে টানা পঞ্চমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী। 



টাওয়ার হ্যামলেটসের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসন থেকে জিতেছেন তিনি। এ নির্বাচনে লেবার পার্টির বিপুল বিজয় হয়েছে। রুশনারা আলী ১৫ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়ে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। 


তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আজমল মাশরুর পেয়েছেন ১৪ হাজার ২০৭ ভোট। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী রাবিনা খান ৪ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।



বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৫ জুলাই) বেলা ১২টা পর্যন্ত ৪০২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি। দলটি বড় ব্যবধান গড়ে তুলেছে কনজারভেটিভ পার্টির সঙ্গে। এই পার্টি পেয়েছে ১০৮টি আসন। লিবারেল ডেমোক্র্যাটস পার্টি জয় পেয়েছে ৬৭টি আসনে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ৩২৬ আসনে জয় প্রয়োজন।


প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি রুশনারা আলী। তার জন্ম সিলেটে। রুশনারা আলীর বয়স যখন সাত বছর, তখন যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমায় তার পরিবার।



 রুশনারা আলী অক্সফোর্ডের সেন্ট জনস কলেজ থেকে দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনে ২০১০ সাল থেকে এর আগে টানা চারবার এমপি নির্বাচিত হন তিনি।



 ২০১০ থেকে আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক ছায়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রুশনারা আলী। এরপর ২০১৩ সালের অক্টোবরে ছায়া  শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন তিনি।

 


আরও খবর



ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডে রিপোর্ট:



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


আজ শনিবার (২২ জুন) ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে তাকে স্বাগত জানান নরেন্দ্র মোদি। সেখানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে। খবর এএনআইয়ের।



অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে দুই নেতা উভয় দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা, রাজ্যের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ও কীর্তি বর্ধন সিং উপস্থিত ছিলেন।




বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী গতকাল শুক্রবার বিকেলে দ্বিপাক্ষিক সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন। ১৫ দিনের কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতে গেলেন তিনি। গত ৯ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।



শেখ হাসিনা ও মোদির মধ্যে আজ ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক হবে এবং এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনা হবে। এ ছাড়া দুই নেতা উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের উপস্থিত থাকবেন।



এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হায়দরাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদি আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। 


সন্ধ্যায় তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।



আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




নওগাঁয় আমের ওজন নিয়ে রশি টানাটানি' ভোগান্তিতে চাষীরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

দেশের আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে আমচাষী সমিতি ও প্রশাসন এবং আম ব্যাবসায়ী সমিতির মধ্যে সৃষ্ট রশি টানাটানির মধ্যে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ আম চাষীরা।

জানা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও আমের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যাপারিগন বিভিন্ন আড়তে সেলটার নিয়ে বিগত কয়েক বছরের মত ৫২ কেজিতে (ক্যারেটসহ) ১মন আম হিসেবে ক্রয়-বিক্রয় চালিয়ে আসছিলো। এরই মধ্যে অন্যান্য বছরের মত এবারেও আমচাষী সমিতির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ১০/১২ কেজি আমের বিষয়ে আলোচনা সমালচনা শুরু হলে কয়েক দফায় উপজেলা প্রশাসনের মধ্যস্থতায় আম চাষী ও আম ব্যাসায়ী সমিতির কর্মকর্তাদের সাথে দফায় দফায় মিটিং বসে। সর্ব শেষ গত ২৩ জুন মাননীয় খাদ্য মন্ত্রী সাপাহারে এক সরকারী সফরে এলে বিষয়টি তার নজরেও আসে এবং তাৎক্ষনিক এক জরুরী সভায় তিনি উভয়ের লাভ লোকশানের কথা বিবেচনা করে ৪৮ কেজিতে (ক্যারেটসহ) ১মন আম ক্রয়-বিক্রয় এবং প্রতি কাঠায় কৃষকের নিকট থেকে ৭০ টাকা আদায় করার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। তারই ধারাবাকিতায় গত ২৫ জুন সাপাহার সদর ইউনিয় পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তার নেতত্বে

বাজার মনিটরিং কমিটির এক বৈঠক বসে। উক্ত বৈঠকে আম ব্যাবসায়ীর পক্ষে সমিতির সভাপতি শ্রী কার্তীক সাহা ৪৮ কেজিতে ১মন আম ক্রয় করার জন্য ব্যাপারীদের নির্দেশ দেয়ার কথা স্বীকার করলেও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ৭০ টাকার বদলে ৮০টাকা আদায়ের ঘোষনা প্রদান করেন।

বৈঠক শেষে অজানা করণে ব্যাপারীগন বাজারে আম কেনা কার্যক্রম বন্ধ করে আড়তে বসে থেকে কালক্ষেপন করতে থাকেন। অপরদিকে সকাল ৭টা হতে বাজারে আসা হাজার হাজার আমচাষীগনও প্রচন্ড রোদ ও গরম উপেক্ষা করে সারাটা দিন তাদের আম নিয়ে রাস্তায় বসে থাকেন। অবশেষে সন্ধার পর সারা দিন জিম্মি হয়ে বসে থাকা কিছু আমচাষী তাদের অতি প্রয়োজনে দু’একটি আড়তে বাধ্য হয়ে ৫০/৫২ কেজি হিসেবে প্রতি মন আম কম দামে বিক্রি করে তাদের প্রয়োজন মিটিয়েছেন। এছাড়া অধিকাংশ আমচাষীগন মনের রাতে তাদের আম বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আম বিক্রি না হওয়ায় বাসায় ফিরিয়ে নেয়া সাপাহার উপজেলার গোয়ালা গ্রামের আমচাষী, ফয়জুল ইসলাম, গৌরীপুরের রেজাউল, পিছলডাঙ্গার আব্দুল করিম, নিশ্চিন্তপুরের আবু সাঈদ এর সাথে কথা হলে তারা ক্ষোভের সাথে জানান যে, আম বাড়ীতে নিয়ে পচে ফেলব তার পরেও ব্যাসায়ীদের অন্যায় দাবীর কাছে মাথা নোয়াবনা বা তাদের কাছে জিম্মি হবো না।

এদিকে ব্যাপারীগন ও তাদের পূর্বের নেয়া ৫০-৫২ কেজিতে মন ছাড়া আম ক্রয় করবে না বলে আম ক্রয়করা থেকে বিরত রয়েছেন। বর্তমানে সাধারণ আমচাষীগন সৃষ্ট সমস্যার মধ্যে পড়ে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন এবং এক প্রকার জিম্মি হয়ে ব্যাপারিদের কথা মত ৫০-৫২ কেজিতে মন ও তাদের নির্ধারণ করা দামেই আম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এবিষয়ে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, প্রশাসনিক ভাবে যে ৪৮ কেজি আম কেনা-বেচার সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই, বিষয়টি জোরালোভাবে খতিয়ে দেখার জন্য তিনি বাজার মনিটরিং কমিটির উপর দায়িত্বভার অর্পন করেছেন বলেও জানিয়েছেন। অচিরেই এই সমস্যা নিরসনে তারা আমচাষী সমিতি ও আম ব্যাবসায়ী সমিতির দৃষ্টি আকর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। গত মঙ্গলবার হতে আজও চাষীদেরকে আমভর্তি পরিবহনের গাড়ির পশরা নিয়ে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা গেছে।


আরও খবর



২০ বছর পর ভারতের পার্লামেন্টে বিরোধী দলের আসনে গান্ধী পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image




বিডি টুডেস  ডিজিটাল ডেস্ক:



ভারতের ১৮তম লোকসভায় বিরোধী দলনেতার আসনে বসলেন কংগ্রেসের এমপি রাহুল গান্ধী। এর মাধ্যমে ২০ বছর পর গান্ধী পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল। 



সর্বশেষ রাহুলের মা সোনিয়া গান্ধী বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছিলেন লোকসভায়। তিনি ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিরোধী দলনেতা ছিলেন। আর রাহুলের বাবা রাজীব গান্ধী বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত।



গত ৮ জুন দিল্লিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বর্ধিত বৈঠকে রাহুলকে লোকসভার বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। এরপর বিষয়টি রাহুলের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। 



গত মঙ্গলবার রাতে দিল্লিতে বিজেপি-বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে এ বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়। এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল বলেন, কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেত্রী সোনিয়া গান্ধী লোকসভার প্রোটেম স্পিকারকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, রাহুল গান্ধীকে বিরোধী দলনেতা পদে মনোনীত করা হয়েছে।



২০১৪ সালে ৪৪ এবং ২০১৯-এ ৫২টি আসনে জেতা কংগ্রেস এবার লোকসভা নির্বাচনে ৯৯টি আসন জিতে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করেছে। এর মাধ্যমে এক দশক পরে লোকসভায় ফিরেছে বিরোধী দলনেতার পদ।


এবারের লোকসভা নির্বাচনে কেরালার ওয়েনাড় এবং উত্তর প্রদেশের রায়বরেলি দুটি আসন থেকেই সাড়ে তিন লাখেরও বেশি ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন রাহুল। এই পরিস্থিতিতে তাকে বিরোধী দলনেতা করার জন্য কংগ্রেসের অন্দরে জোরালো দাবি উঠেছিল।



বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে গতকালই নির্বাচিত স্পিকারকে শুভেচ্ছা জানান রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘আপনার সফল নির্বাচনের জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। এই হাউজটি ভারতের জনগণের কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং আপনি সেই কণ্ঠের চূড়ান্ত বিচারক।



 সরকারের রাজনৈতিক ক্ষমতা আছে কিন্তু বিরোধী দলও ভারতের জনগণের কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করে। এবং এবার, বিরোধীদল গতবারের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। বিরোধীরা আপনার কাজে সাহায্য করতে চাইবে। এই হাউজে বিরোধীদের কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 



আমরা নিশ্চিত যে, বিরোধীদের কথা বলার অনুমতি দিয়ে, ভারতের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দিয়ে, আপনি ভারতের সংবিধান রক্ষায় আপনার দায়িত্ব পালন করবেন।’


আরও খবর



কুড়িগ্রামে ৪১ ইউনিয়নে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:


ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী, নুনখাওয়া ও হাতিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।


 অপরদিকে দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করায় তলিয়ে যাচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।



বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী ৪১টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের দুই শতাধিক গ্রাম। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যমতে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় থাকলেও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের হিসাব মতে দুর্যোগ কবলিত হয়েছে ৬২ হাজার দুইশ মানুষ।



শনিবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ৬৮ সেন্টিমিটার ও হাতিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৭২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং দুধকুমার নদের পানি বেড়ে পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র।


বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় বানভাসি পরিবারগুলো বসতবাড়িতে বাঁশের মাচান, নৌকা ও কলাগাছের ভেলায় আশ্রয় নিয়ে দুর্ভোগকে সঙ্গী করে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অধিকাংশ পরিবারে ৫দিন ধরে চুলা জ্বলছে না। চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকটে গবাদিপশু নিয়ে সংকটে পড়েছে বানভাসীরা।



বানভাসীদের অনেকেই গবাদি পশুসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের কাঁচা-পাঁকা সড়কগুলো বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বানভাষীদের মাঝে খাদ্য, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও শুকনো খাবার এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে বন্যা কবলিতরা।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্রসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি আরও ৪৮ ঘণ্টা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। ব্রহ্মপুত্রের পানি তিনটি পয়েন্টে এবং দুধকুমারের ১টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যন্য নদ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। 

 

কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, এখন পর্যন্ত বানভাসীদের জন্য ৯ উপজেলায় ২৮২ মেট্রিক টন চাল ও ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মজুত আছে ৩৯৫ মেট্রিক টন চাল ও ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার- যা পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।


কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, স্থানীয় প্রশাসন বন্যার্তদের পাশে থেকে দুর্ভোগ কমাতে সবধরনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবার রংপুর বিভাগীয় বিভাগীয় কমিশনার মো. জাকির হোসেন কুড়িগ্রাম সদর ও উলিপুর উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন এবং বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।


তিনি আরও জানান, জেলার ৯ উপজেলার মধ্যে ৮ উপজেলা বন্যাকবলিত। ৪০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন এক হাজার ২৪৬জন। শুক্রবার ৭ উপজেলায় ২ হাজার ৮৫০টি পরিবারের মাঝে ২৮ মে.টন চাল বিতরণ করা হয়। এছাড়া শুকনো খাবার, তেল, ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।




আরও খবর