Logo
শিরোনাম

বহুল পরিচিত পাঁচ তরিকার : (কাদেরিয়া তরিকা )

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, ও গবেষক :

কুতুবে রব্বানী গাউসে সামদানী বড়পীর হযরত সৈয়্যেদ মহিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আবদুল কাদির জিলানী রহ. এই তরিকার প্রবর্তক। হযরত বড় পীর রহ.-এর নামানুসারে তাঁহার উদ্ভাবিত ও প্রচারিত তরিকার নাম কাদেরিয়া তরিকা। রাসূলুল্লাহ সা. হইতে শুরু করিয়া তরিকাতে খেলাফত প্রাপ্ত চতুর্দশ পুরুষ হইলেন গাউসুল আজম হযরত বড়পীর আবদুল কাদির জিলানী রহ.।

কালেমা তাইয়্যেবা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহযথা: লাম, আলিফ, আলিফ, লাম, হা, আলিফ, লাম, আলিফ, আলিফ, লাম, লাম, হা নোক্তা বিহীন এই বারোটি বর্ণের তালিম কাদেরিয়া তরিকার খাস তালিম। এই নোক্তা বিহীন বারোটি হরফের মধ্যে দুনিয়ার সমস্ত রহস্য লুকায়িত রহিয়াছে। এই বারোটি হরফই বিশ্ব জগতের মূল কারণ ও উৎস। তৌহিদের প্রকৃত রূপও এই কালেমা। নোক্তা শূন্য বর্ণ দিয়ে কেন কালেমার সৃষ্টি, তাহা গভীর রহস্যে নিমজ্জিত। এই কালেমাকে জানিলে, চিনিলে ও সঠিক ভাবে গবেষণা করিয়া পড়িলে তাহার নিকট সকল রহস্যের দ্বার উন্মোচিত হইয়া যায়। এই কালেমা বিশ্ব মহীরুহের মূল ও নূরে মুহাম্মদীর মূল উৎস। এই তালিম না পাওয়া পর্য্যন্ত কেহ কাদেরিয়া তরিকার সূফী-সাধক ও পীর হওয়ার যোগ্য হন না। যিনি এই কালেমার রহস্য জানেন - তিনি আরেফ বিল্লাহ ও অলিয়ে কামেল - এর মর্যাদায় আসীন হন। এই রূপ জ্ঞানী সম্পর্কেই বলা হইয়াছে:

مَن قَالَ لا الَهَ الا اللهُ مُخلِصاً دَخَلَ الجَنَّةَ

উচ্চারণ: মান কলা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিছান দাখালাল জান্নাতা।

অর্থ: যে তাহকিক (গবেষণা) করিয়া জীবনে একটি বারের জন্যও কালেমা পাঠ করিয়াছে, তাহার জন্য দোজখের আগুন হারাম।

এই কালেমা শরীফ প্রথমত: দুই ভাগে বিভক্ত। এর এক ভাগ ফানা ও এক ভাগ বাকা। ফানাকে নুজুল (অবরোহ) ও বাকাকে উরুজ (আরোহ)ও বলা হয়। কি ভাবে এই কালেমার শিক্ষা গ্রহণ করিতে হইবে, কালেমা সাবেত করিতে হইবে - তাহা সূফী-সাধক ও পীর-মোর্শেদগণ ব্যতীত সাধারণ শুষ্ক আলেমগণ (আরবী ভাষায় বিদ্বান) বলিতে পারেন না।

হযরত নবী করিম সা. এই কালেমার বিশেষ তালিম হযরত আলী রা.কে প্রদান করিয়াছিলেন। তিনি এই তালিম তাঁহার খলিফা হযরত হাসান বসরী রহ.-কে দান করেন। তাঁহার নিকট হইতে গাউসুল আজম হযরত আবদুল কাদির জিলানী রহ.- এর নিকট আসে। এই কালেমার রহস্য তাঁহার নিকট আসিবার পূর্ব পর্য্যন্ত ইহার তালিম সিনা-ব-সিনা আসিত। কিন্তু তিনি এই তালিমকে সু-বিন্যস্ত করিয়া লিখিত আকারে গুপ্ত ভাবে বিশেষ মুরিদানকে দান করেন। এতদ ব্যতীত এই তরিকার অন্যান্য পদ্ধতিও তিনি সু-সংবদ্ধ করেন।

তরিকার নিয়মানুসারে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে অজিফা পাঠ, বিশেষ দরূদ শরীফ, নফী-এসবাতের জিকির ও মোশাহাদা করিতে হয়। মুরিদের মনের অবস্থা ও পরিবেশ বা পারিপার্শ্বিকতা ভঙ্গ করিয়া জিক্রে জলী বা জিক্রে খফী উভয় প্রকার জিকির করিবার নিয়ম এই তরিকায় রহিয়াছে। কাদেরিয়া তরিকা ভুক্ত অনেক উপ-তরিকা রহিয়াছে। তন্মধ্যে প্রধান ও আদি নয়টি উপ-তরিকা রহিয়াছে, যথা: হাবিবিয়া, তারফুরিয়া, কারখিয়া, সকতিয়া, জুনায়দিয়া, গাজর দিদিনিয়া, তুরতুসিয়া, কারতুসিয়া ও সোহরাওয়ার্দিয়া। এই তরিকা ভুক্ত জুনায়েদিয়া উপ-তরিকা মতে সামারও প্রচলন রহিয়াছে।

আওলাদে রাসূল সা. হযরত বাবা ফতেহ আলী ওয়াইসী পাক রহ.-এর প্রিয়তম মুরিদ-খলিফা হযরত শাহ সূফী সৈয়্যেদ আহমদ আলী ওরফে জানশরীফ শাহ সুরেশ্বরী রহ. কাদেরিয়া তরিকা সম্পর্কে স্ব-রচিত র্সিরেহক্ক জামেনূরকিতাবে একটি ভিন্ন অধ্যায় রচনা করিয়াছেন। নিম্নে উহার অংশ বিশেষ তুলিয়া ধরা হইল:

কাদেরিয়া তরিকার সাধনা কোন লতিফার সহিত সম্পৃক্ত নহে। বরং খোদা প্রেমিকের যেই স্থানে আল্লাহ শব্দের প্রভাব পড়িবে, সেখানেই জিকির জারী হয়। সেইখান হইতে তাহা সমস্ত শরীরে শিহরিত হয়। অতঃপর সেখানে বিশেষ অবস্থা ও নূর সমূহ বিচ্ছুরিত হইবার পর তাজাল্লী বা আলোক প্রভার বিকিরণ এবং ঊর্ধ্ব জগতের ভ্রমণ সংঘটিত হয়। ফলে এমন আবেগের উত্থান এবং অবস্থার পর্য্যায়ক্রমিক উন্নতি সাধিত হয়, যাহা বলা বা লেখা যায় না।
মোর্শেদের তাওয়াজ্জুহ্ ব্যতীত সালেকের এই পথে সফল হওয়া খুবই কঠিন। যখনই এই সকল বিশেষ অবস্থার উন্নতি সাধিত হয়, তখনই মোর্শেদ তাহাকে নিজের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা বলে উন্নততর মনজিলে পৌঁছার পথ নির্দেশ করেন। প্রকৃত মকসুদে পৌছাইবার পথ বাতলাইয়া দেন। সালেক চলার পথে যখনই ধীরে ধীরে নূরানী জগতে অগ্রসর হয় এবং বিশাল বিশাল ভয়ানক সমুদ্র অতিক্রম করিবার পর জাতী তথা মূল নূরের প্রভাবে ফানার মাকামের বহিঃপ্রকাশ ঘটে, তখনই মূল সত্তার দরিয়ায় ডুবিয়া যায়। সমুদ্রের মতো যাহার কিনারায় মূলের মূল, শাখার শাখা বিভিন্ন পর্য্যায়ে ওয়াহ্দাতুল ওজুদ বা অস্তিত্বের একত্বের অলি-গলিতে ঘুরিতে থাকে। ইহারই মধ্যে শাহে লা-তায়াইউন বা অসীম অমূর্ত বা নির্বস্তুক জগতের আবির্ভাব ঘটে, যাহার কূল-কিনারা নাই।


( চলবে...)


আরও খবর

আত্মিক জ্ঞান ও বাহ্যিক জ্ঞান

শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২

সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন

বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২




গুজরাটে সেতু ধসের ঘটনায় নয়জন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ভারতের গুজরাটে ঝুলন্ত সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় এটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কোম্পানির নয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৪০ বছরের পুরোনো সেতুটি ধসে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১ জন।

 আরও শতাধিক মানুষ এখনো নিখোঁজ। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজকোট রেঞ্জের মহাপরিদর্শক অশোক যাদবের জানিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়েরের পর নয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ওরেভা গ্রুপের ব্যবস্থাপক এবং টিকিট ক্লার্কও রয়েছেন। কিছুদিন আগেই সেতুটি সংস্কারে দুই কোটি রুপি খরচ করেছে বলে দাবি করেছিল ওরেভা গ্রুপ। অশোক যাদব জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে। 


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




নওগাঁয় বাবা-মেয়ের মৃত্যু, মা-মেয়ে হাসপাতালে

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁর পত্নীতলায় ট্রাক ও মোটরসাইকেল এর সংঘর্ষে শিশু মেয়ে জান্নাতুন ফেরদৌস (১১) এর মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে তার বাবা আবু সাইম সরকার (৩৮) এর ও মৃত্যু হয়েছে। একই দূর্ঘটনায় নিহত আবু সাইম সরকারের স্ত্রী মোসাঃ শান্তনা আক্তার (৩১) ও ছোট মেয়ে মোসাঃ লামিয়া জান্নাত (৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের বাড়ি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তর গ্রামে।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধার দিকে আবু সাইম সরকার তার স্ত্রী ও দুই শিশু মেয়েকে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে শশুর বাড়ী নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আমন্ত গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-সাপাহার সড়কের আত্রাই নদীর সেতুর উপর পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে মটরসাইকেল এর সংঘর্ষে তারা সবাই ছিটকে রাস্তার উপর পরে মারান্তকভাবে আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌসকে মৃত ঘোষনা করেন এবং অপর ৩ জনের মধ্যে আবু সাইম সরকার ও শান্তনাকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর ৪টার দিকে আবু সাইম সরকার এর মৃত্যু হয়।

সত্যতা নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, এ দূর্ঘটনায় শিশু মারা গেছে এবং ৩ জন কে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধী অবস্থায় শনিবার ভোরে আবু সাইম সরকারের মৃত্যু হয়েছে। 


আরও খবর



আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে স্ট্রোক রোগী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

দেশে স্ট্রোকে আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ব্রেইন স্ট্রোকে মারা গেছেন ৮৫ হাজার ৩৬০ জন, যা আগের বছর ২০১৯ সাল ছিল ৪৫ হাজার ৫০২ জন। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিসের রোগীর স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি দেড় থেকে দুই গুণ বেশি।

 বারডেম জেনারেল হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. রুমানা হাবিব বলেন, ডায়াবেটিসের রোগীর স্ট্রোক ঝুঁকি দেড় থেকে দুই গুণ বেশি। এই ঝুঁকি বেশি হওয়ার কারণ হলো যে প্রত্যেক ডায়াবেটিস রোগীর উচ্চ রক্তচাপ থাকে। তাদের কোলেস্টেরল বেশি হওয়ার আশঙ্কা এবং ওজনজনিত সমস্যা থাকার কারণেও আশঙ্কা বেশি। এ ধরনের রোগীর বয়স যদি আবার ৫৫ বছরের বেশি হয় এবং ধূমপান ও অ্যালকোহলের অভ্যাস থাকে, তাহলে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়তে থাকে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ২০১৮ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রতি হাজারে স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন ১১ দশমিক ৩৯ জন মানুষ। প্রায় ২০ লাখ স্ট্রোকের রোগী রয়েছে বাংলাদেশে। স্ট্রোকের ঝুঁকি ৬০ বছরের বেশি মানুষের মধ্যে ৭ গুণ বেশি। নারীর চেয়ে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ। স্ট্রোকের প্রকোপ শহরের চেয়ে গ্রামে কিছুটা বেশি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বব্যাপী যত অসংক্রামক ব্যাধি আছে, সেগুলোর মধ্যে মৃত্যুর দিক থেকে হৃদরোগের পরেই স্ট্রোকের অবস্থান এবং শারীরিক অক্ষমতার জন্য স্ট্রোক সবচেয়ে বেশি দায়ী। প্রতিবছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। যাদের মধ্যে প্রায় অর্ধকোটি মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রায় অর্ধকোটি মানুষ সারা জীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেন।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




আত্রাইয়ে পাঁচ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ শিশু ইব্রাহিমের

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর আত্রাইয়ে গত পাঁচ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ ৬বছরের শিশু ইব্রাহিম আলীর। সকালে বাড়ী থেকে খাবার খেয়ে বের হওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে। এঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। গত পাঁচ দিনেও শিশুর খোঁজ না পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে পরিবার। শিশু ইব্রাহিম আত্রাই উপজেলার শ্রীধর গুড়নই গ্রামের হজরত আলীর ছেলে।

 শিশুর বাবা হজরত আলী বলেন, শিশু ইব্রাহিম স্থানীয় মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেনীতে পড়াশোনা করে। গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসায় যায়নি। দুপুরে গোসল করানোর জন্য শিশুকে খোঁজতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেক খোঁজা করে সন্ধ্যা পর্যন্ত সন্ধান মেলেনি। এর পর নদীর পানিতে ডুবে যেতে পারে এমন আশংকায় আত্রাই ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম এসে পরের দিন গুড়নই নদীর সম্ভাব্য ঘাটে তল্লাশী করেও কোন হদিস মেলেনি।এঘটনায় গত শুক্রবার আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

আত্রাই থানার ওসি তারেকুর রহমান সরকার বলেন, শিশু নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। শিশুকে দ্রুত খুঁজে বের করতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের হীরক জয়ন্তী পালিত

প্রকাশিত:বুধবার ০২ নভেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

 ঐতিহ্যবাহি কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের হীরক জয়ন্তীতে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করেছে শিক্ষাবোর্ড।

বুধবার সকালে বেলুন উড়িয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ৬০ বছর পূর্তির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল নাসের। শোভাযাত্রাটি শিক্ষাবোর্ড প্রাঙ্গন থেকে নগরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরের উদ্যোনে গিয়ে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ।

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নবীণ-প্রবীণের মেলবন্ধনে দেশের সেরা শিক্ষার্থীসহ শিক্ষাবোর্ডের শিক্ষক,শিক্ষার্থীসহ অবসরে যাওয়া শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তারা অংশ নেন।


কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেণী, নোয়খালী ও লক্ষীপুর ৬ জেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা কার্যক্রম সফল ভাবে চালিয়ে আসছে।

১৯৬২ সালে যখন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় তখন মাত্র ২৭টি কলেজ এবং ৫৩২টি মাধ্যমিক স্কুলের দায়িত্ব পালন করে এই প্রতিষ্ঠানটি। আর বর্তমানে ৪২৬টি কলেজ এবং ১৯৬৫টি মাধ্যমিক স্কুলের দায়িত্ব পালন করছে কুমিল্লা বোর্ড। 

একসময় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের সকল জেলার দায়িত্ব পালন করেছে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বোর্ড আলাদা হয় এবং আরো পরে সিলেট বোর্ডও স্বতন্ত্র দায়িত্ব পায়।


আরও খবর