Logo
শিরোনাম

ধামরাইয়ে এক ভবনেই ২২টি মৌচাক

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন, স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকার ধামরাইয়ের বালিয়া ইউনিয়নের বালিয়া বাস টার্মিনালের পাশে বসতবাড়ির বিল্ডিংয়ে বসেছে প্রায় প্রায় ১০ বছর যাবৎ প্রায় দুই ডজন মৌচাক। এ থেকে প্রতি বছর দেড়-দুই মণ খাঁটি মধু আহরণ করে বিক্রির মাধ্যমে ভালো টাকা আয় হচ্ছে তার। ওই মৌচাকগুলো দেখতে স্থানীয়রা ভিড় করছেন।

উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের বাবুল হোসেনের বসতবাড়ির বিল্ডিংয়ের চারদিকে বসেছে মৌমাছির মেলা। গত ১০ বছর যাবৎ মৌমাছিরা ওই বিল্ডিংয়ে মৌচাক তৈরি করে মধু আহরণ করে। প্রায় পুরো বছর ধরেই ওই বাড়িতে কম-বেশি মৌমাছি থাকে।

জানা গেছে, সারাদিন আশপাশে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত থাকে । সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চারদিকে ম-ম গন্ধ ছড়িয়ে উড়ছে মৌমাছির দল।

বাড়ির মালিক মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, ২০১০ সাল থেকে আমাদের বাড়ির এই বিল্ডিংয়ে ২৫-৩০টি মৌচাক বসে। এবারও ২২ টি মৌচাক তৈরি হয়েছে। এসব মৌমাছি আমাদের কোনো ক্ষতি করে না।

তিনি আরও জানান, সারা বছরই মৌচাক থাকে। কিন্তু শীত এলে ঝাঁকে-ঝাঁকে মৌমাছি এসে তার বাড়িতে মৌচাক তৈরি করে। মাস দুয়েক পর আবার চলে যায়। গত বছর ২৫টি মৌচাক ছিল। এবার ২২টি মৌচাক বসেছে।

প্রতিবেশী স্থানীয় রহমান বলেন, আমার জানামতে, ৮-১০ বছর যাবত সাড়া বছর জুরে ওই বাড়িতে মৌচাক বসে। খবর শুনে এলাকার এবং দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন দেখতে আসেন ওই মৌচাক । মৌচাক কাটার দিন খাঁটি মধু নেয়ার জন্য মানুষ লাইন ধরে অপেক্ষা করেন।

মৌয়াল সিরাজ বলেন, আট -দশ বছর ধরেই ওই বাড়ির বিল্ডিংয়ে মৌমাছির চাকগুলো কেটে আমি মধু নামাই। অন্যান্য বছর ২৫-৩০টি চাক বসলেও এবার বসেছে ২২টি। তাই অন্যবারের তুলনায় এবার মধু কম হবে। আগেরবার প্রতি কাটায় ২৮-৩০ কেজি মধু তুললেও এবার পাওয়া যাচ্ছে ২০-২২ কেজি। বাড়ির মালিককে অর্ধেক দিয়ে বাকিটুকু আমি নিয়ে যাই।

এ ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল হাসান বলেন, সম্ভবত ওই বাড়িতে রানী মৌমাছির জন্ম বা উৎপত্তি হয়েছিল, তাই প্রতি বছরই দীর্ঘ সময় ধরে মৌমাছিরা ওই বাড়িতে নিরবে বাসা বেধে থাকে । তিনি আরও বলেন, এই এলাকায় জমিতে অধিক সরিষার আবাদ হওয়ায় ফুলের পরিমাণও বেশি। মধুর একমাত্র উৎস ফুল, তাই মৌমাছিরা এখানেই আসে।


আরও খবর



ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি শুরু

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। এই মাসের সঙ্গে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের গভীর যোগ রয়েছে। ৪৭-এ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার মাত্র সাড়ে চার বছর পরই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তান নিয়ে মোহ ভেঙে যায়। তারই প্রকাশ ঘটে অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে। তারই ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন। ধাপে ধাপে বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান এবং শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে বাংলার মুক্তিপাগল দামাল ছেলেরা ছিনিয়ে আনে রক্তে কেনা স্বাধীনতা। বাঙালির জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাঙালি পায় একটি স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ড।

বলা যায় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম সোপান ফেব্রুয়ারি। রফিক, শফিক, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা ভাষাশহীদদের আত্মদানে মহিমান্বিত মাস ফেব্রুয়ারি। তাই ফেব্রুয়ারির সঙ্গে বাঙালির প্রাণের যোগ। এই ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ এতটাই মহিমান্বিত যে, সেটা বাংলাদেশের ছাড়িয়ে বিশ্ব পরিমণ্ডলে দ্যুতি ছড়িয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিশ্বজুড়ে পালিত হয় দিবসটি।

ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে বাংলা একাডেমির আয়োজনে চলে প্রাণের মেলা, অমর একুশে বইমেলা। এবারও যথাযথ মর্যাদায় চলবে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে অমর একুশে বইমেলা। অন্যবারের মতো এবারও আজ ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে প্রাণের মেলা। ১৮ মাঘ ১৪২৯/১ ফেব্রুয়ারি বুধবার শুরু হবে বাংলা একাডেমি আয়োজিত মাসব্যাপী ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৩।

বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৩’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. আরিফ হোসেন ছোটন। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ দেওয়া হবে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




টানা ৭ দিন বায়ু দূষণের শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

টানা সাতদিন বায়ু দূষণের শীর্ষে রাজধানী ঢাকা। যানবাহনের কালো ধোঁয়া ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধুলায় ঢাকা পড়ছে রাজধানীর আকাশ। গাড়ির কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেই। প্রকল্পে দূষণ কমানোর জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও নেই নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। এনিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বন ও পরিবেশমন্ত্রী আশ্বস্ত করলেন যে, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

কুয়াশাচ্ছন্ন রাজধানীর আকাশ। তবে আসলে এটি শীতের কুয়াশা নয়। বরং গাড়ির কালো ধোয়া ও ধুলার কারনেই আকাশে তৈরী হয়েছে কুয়াসার মতো আবরন।

কালো ধোয়া ছড়ানো গাড়ির চলাচলে আইনে নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু এখনও রাজধানীর গণপরিহনে কালো ধোয়ার দাপট। প্রতিদিন আইন শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সামনেই রাস্তায় চলছে বায়ু দূষণকারি এসব পরিবহন।

বিএসটিআই মান অনুযায়ী দেশের গণপরিবহণ ও ট্রাকে ব্যবহৃত ডিজেলে সালফারের পরিমাণ থাকার কথা ৫০ পিপিএম। কিন্তু বাস্তবে তা দু’শ থেকে তিন’শ পিপিএম। বায়ু দূষণের অন্যতম উপাদান এই সালফার।

রাজধানী জুড়ে চলছে নানা রকম উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। দূষণ রোধে প্রতিটি প্রকল্পেই আছে অর্থ বরাদ্দ। কিন্তু সেই অর্থ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা কতোটা ব্যয় করেন; তা নিয়েও নেই কোন নজরদারি। কিন্তু পরিণতিটা ভোগ করতে হচ্ছে নগরবাসিবে। বাতাসে ভাসা দূষিত সুক্ষ বা অতি সুক্ষ কণা রক্তের সাথে মিশে পৌছে যাচ্ছে মানুষের মস্তিকে। ফলাফল শ্বাস কষ্ট, উচ্চ রক্ত চাপ, কিডনী, বা হৃদরোগ।

আন্তর্জাতিক জরিপে টানা গেলো সাতদিন ধরে দেশের বায়ুর বিশ্বের সবচে দূষিত বলে উঠে আসছে। যা নিয়ে দু:খ প্রকাশ করে বন ও পরিবেশমন্ত্রী বলেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দেয়া হয়েছে কিন্তু কাজ হচ্ছে না। এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ বলে স্বীকার করলেন মন্ত্রী। 


আরও খবর



বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরতে গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

জামালপুর প্রতিনিধি :

শখ করে বকশীগঞ্জের লাউচাপড়া পর্যটন বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরতে এসে ছিলেন শামীম মিয়া (২৬)। ফেরার পথে মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন লাশ হয়ে। রোববার দুপুরে উপজেলার লাউচাপড়া-গাজীর বাজার সড়কে মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় মারা যান শামীম। নিহত শামীম প্রতিবেশী ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের মালমারা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। 

জানা যায়, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের মালমারা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে শামীম রোববার সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাড়া বিনোদন পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে আসে। বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরাঘুরি শেষে বাড়ি ফেরার পথে গাজীর বাজার নামক স্থানে মোটর সাইকেল নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে তার। এতে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মুহাম্মদ আজিজুল হক জানান,গাছের সাথে ধাক্কা লাগায় ছেলেটি মাথায় ও বুকে প্রচন্ড আঘাত পেয়েছিলো। হাসপাতালে পৌছাঁর আগেই মারা যায় সে।

গোয়ালেরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুর রহিম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,সকালে লাউচাপড়া ঘুরতে যায় শামীম। আর দুপুরেই ফিরলো লাশ হয়ে। বিষয়টি দু:খজনক। এই ঘটনায় নিহত শামীমের বাড়িতে শোকের মাতম বইছে।


আরও খবর



নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত

প্রকাশিত:Friday ০৩ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় মা ও বোনকে সাথে নিয়ে হিন্দুবাঘা মেলায় যাওয়ার পথে ১০ম শ্রেণীতে পড়ুয়া বিজয় সরকার (১৬) নামে এক স্কুল ছাত্র নিহত। এদূর্ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহত ছাত্রের মা ও ছোট বোন। মর্মান্তিক এ সড়ক দূর্ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের মহাদেবপুর উপজেলার হাট চকগৌরী নামক স্থানে। 

নিহত স্কুল ছাত্র বিজয় নওগাঁ পৌর শহরের পুরাতন রেজেস্ট্রি অফিস পাড়ার সুশীল সরকার ওরফে বাদলের ছেলে এবং নওগাঁ সরকারি জিলা স্কুলের ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্র।

নিহতের স্বজন ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে স্কুল ছাত্র বিজয় তার মা বর্ষা রাণী ও ছোট বোনকে সাথে নিয়ে একটি অটোরিকশা যোগে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর এলাকার হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যবাহী হিন্দুবাঘা মেলায় যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের হাট চকগৌরী এলাকায় পৌঁছালে এসময় পেছন থেকে আসা একটি বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল তাদের বহণকারী অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি সড়কের উপর উল্টে স্কুল ছাত্র বিজয়, তার মা বর্ষা রাণী ও ছোট বোন শ্রদ্ধা সরকার আহত হোন। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক বিজয় কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত মা ও মেয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দূর্ঘটনায় এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার ওসি  মোজাফফর হোসেন জানান, সড়ক দূর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছালেও পুলিশ পৌছার পূর্বেই দূর্ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেল ও অটোভ্যান নিয়ে পালিয়ে যান চালকরা। এছাড়া নিহতের পরিবার বা স্বজনরা কেউ কোন অভিযোগ করেন নি। যদি অভিযোগ পাওয়া যায় আইনানুগ পদক্ষেপ হবে বলেও জানান ওসি।


আরও খবর



উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে গেছে নওগাঁর সড়কগুলোর দৃশ্যপট

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে পাল্টে গেছে নওগাঁর সড়ক মহাসড়ক গুলোর চিত্র। ২০০৯ ইং সাল থেকে ২০২২ ইং সাল পর্যন্ত নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিনে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য প্রকল্পগুলো হলো নওগাঁর নজিপুর-ধামইরহাট-জয়পুরহাট সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, নওগাঁ-বদলগাছী-পত্নীতলা সড়ক উন্নয়ন এবং মহাদেবপুর ও বদলগাছী ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মহাদেবপুর এবং বদলগাছী সেতু নির্মাণ, পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা-রহনপুর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, পিএমপি প্রোগ্রামের আওতায় আত্রাই সিংড়া সড়ক, মান্দা-বাঘমারা-আত্রাই সড়কে আহসানগঞ্জ সেতু নির্মাণ প্রমুখ। যার মোট বরাদ্দ ছিলো ৯৩১০৫.২৪ লাখ টাকা। 

আর ১৭২১৫৫.৭৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। চলমান প্রকল্পগুলো হচ্ছে নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ১টি আঞ্চলিক ও ২টি মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরন প্রকল্পের আওতায় বদলগাছী-পাহাড়পুর-জহয়পুরহাট সড়ক উন্নয়নের কাজ, নওগাঁ-আত্রাই-নাটোর মহাসড়কের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ, পিএমপি প্রোগ্রামের আওতায় এনায়েতপুর-মহাদেবপুর-পাটাকাটাহাট-মান্দা সড়কের উন্নয়ন কাজ, নওহাটামোড় চৌমাসিয়া, আব্দুল জলিল পার্ক এবং বশিপুর মোড়ে ইন্টারসেকশন নির্মাণ কাজ, পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা-রহনপুর সড়কের ওভারলেকরণ উন্নয়নের কাজ ও নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক ও ৩টি জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ কাজ। 

নওগাঁ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান জানান, বর্তমান সরকারের অধীনে পুরো দেশের সঙ্গে নওগাঁর সড়ক ব্যবস্থায় আধুনিকতা ও উন্নয়নের যে ছোঁয়া স্পর্শ করেছে তা বিগত সময়ের কোন সরকারের আমলেই করা হয়নি। বিশেষ করে আত্রাই উপজেলার আত্রাই নদীর উপর নির্মিত সেতু, নওগাঁ থেকে রাজশাহী যাওয়ার মহাসড়ক নতুন করে করে নির্মাণ, ঐতিহাসিক পাহাড়পুর মহাসড়কটি নতুন করে নির্মাণ ও বছরের পর বছর বন্ধ হয়ে থাকা নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ নতুন করে শুরু করাসহ সবগুলো প্রকল্পই নওগাঁকে দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে নতুন করে আধুনিকমানের উন্নয়নের মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যার ফলে পুরো নওগাঁর লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। এই সব নতুন করে নির্মাণ হওয়া সড়কের আশেপাশের অঞ্চলের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বদলে গেছে। এই সড়কগুলোকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের যার কারণে এই সব অঞ্চলের মানুষের জীবন-যাপনেও এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। 

তিনি আরো জানান, আমরা চেস্টা করেছি সরকারের গৃহিত মিশন ও ভিশনকে শতভাগ সফল করতে এই প্রকল্পগুলোকে যথাযথ মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার। তবে বিশেষ কিছু কারণে অনেক প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা না গেলেও সেগুলোও আমরা যথাযথ পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে শেষ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে প্রবেশের লক্ষ্যে নওগাঁ সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে সব সময় সকল প্রকল্পগুলোকে সঠিক সময়ে ও সঠিক তদারকির মাধ্যমে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে চেস্টা অব্যাহত রেখেছি। আগামীতেও নওগাঁর সড়ক বিভাগের এমন কর্মতৎপড়তা অব্যাহত থাকবে বলে আমি শতভাগ আশাবাদি। 

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই। এমন কোন খাত নেই যেখানে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া স্পর্শ করেনি। বিগত জোট সরকারের আমলে এই অঞ্চলে সর্বহারা নামক সন্ত্রাসীরা দিনে-দুপুরে মানুষকে গলা কেটে হত্যা করতো। যার কারণে পুরো দেশসহ বিশ্বের কাছে নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে পরিচিতি পায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯সালে সরকার গঠনের পরই এই রক্তাক্ত জনপদে বইতে শুরু করে শান্তি সুবাতাস। প্রধানমন্ত্রী কঠোর হাতে সর্বহারা ও জেএমবিকে দমন করেন। 

তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তবে বিশেষ করে আমার নির্বাচনী এলাকা নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ২২কিমি কালীগঞ্জ সড়কের নতুন পাকাকরণের কাজ ও আত্রাই নদীর উপর নির্মাণ করা আত্রাই সেতু আধুনিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই দুই উপজেলার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট পাল্টে দিয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একাডেমিক ভবনগুলো এলাকার মানুষদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে অগ্রনি ভূমিকা রাখছে। তাই দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ, গৃহিত মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন, শান্তি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আগামীতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই। 


আরও খবর