Logo
শিরোনাম

নেত্রকোনায় খাদ্য ভিত্তিক পুষ্টি(ফলিত পুষ্টি) বিষয়ে তিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: 

নেত্রকোনায় বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইস্টিটিউট(বারটান) এর আয়োজনে খাদ্য ভিত্তিক পুষ্টি(ফলিত পুষ্টি) বিষয়ে তিন দিনের  (৭-৯ মে ২৪ ইং ) প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

আজ মঙ্গলবার(০৭ মে) সকাল ১০ টায় জেলার রাজুর বাজার এলাকার বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইস্টিটিউট( বারটান) নেত্রকোনার আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অনুষ্টিত হয়।

উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোসা আলতাফ-ঊন-নাহার এর সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার ইউনিয়ন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাফরিনা আক্তার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী দীনা বেগম , মহিলা অধিদপ্তরের ফিল্ড সুপারভাইজার উম্মে সাদিয়া, নারী প্রগ্রতি সংঘের কমিউনিটি ম্যানেজার স্বপন ভট্রাচার্য্য, সদর তথ্য সেবা সহকারী দীনা বেগম ও  ইমাম, পুরোহিত, শিক্ষক-শিক্ষিকা, এনজিও কর্মীসহ মোট ৩০ জন। একই সাথে অন্য  বাচে ৩০ জন কৃষক ও কৃষাণী নিয়ে মোট ৬০ জনকে তিনদিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণে ড. মোসা আলতাফ-ঊন-নাহার  খাদ্য, পুষ্টি, ফলিত পুষ্টি, খাবারের উপাদান , দৈনন্দিন জীবনযাত্রা প্রণালি ও প্রয়োজনীয় খাবারের পরিমাণ বিষয়ে আলোচনা করেন।


আরও খবর



সারাদেশে কালও ভারী বর্ষণের আভাস, ভূমিধসের আশঙ্কা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম /সদরুল আইন:

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দেশের সব বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। 



চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার (২৭ মে) সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক এ তথ্য জানান।




ওমর ফারুক জানান, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার/ ২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (৮৯ মিলিমিটার অথবা তার চেয়ে বেশি/ ২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। ভারী বর্ষণের প্রবণতা মঙ্গলবার (২৮ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।



ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।



এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন– খুলনার লাল চাদ মোড়ল (৩৬); সাতক্ষীরার শওকত মোড়ল (৬৫); বরিশালের জালাল সিকদার (৫৫), মোকলেছ (২৮) ও লোকমান হোসেন (৫৮); পটুয়াখালীর শহীদ (২৭); ভোলার জাহাংগীর (৫০), মাইশা (৪) ও মনেজা খাতুন (৫৪) এবং চট্টগ্রামের ছাইফুল ইসলাম হৃদয় (২৬)।


 

চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা

বিকেলে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালে এখন পর্যন্ত ১৯টি জেলা ও ১০৭টি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৪শ’ ৮৩টি ঘরবাড়ি এবং আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯শ’ ৯২টি বসতবাড়ি।


 ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।  





আরও খবর



ঈদযাত্রা: বিআরটিসির আগাম টিকিট বিক্রি শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের জন্য দেশব্যাপী ‘ঈদ স্পেশাল সার্ভিস’ চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)।

আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) থেকে ঈদযাত্রার বিশেষ এ সেবা প্রদান শুরু হবে। এ লক্ষ্যে আজ সোমবার (১০ জুন) থেকে আগাম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে সংস্থাটি।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ জয়শঙ্করের

বিআরটিসির সংশ্লিষ্ট ডিপো থেকে ঈদযাত্রার এ টিকিট ক্রয় করা যাবে। বিআরটিসির বিশেষ এ সার্ভিসটি চলবে ঈদের পরদিন, অর্থাৎ ১৮ জুন পর্যন্ত।

বিআরটিসি সূত্রে জানা গেছে,  ঢাকায় সংস্থাটির মতিঝিল, জোয়ারসাহারা, কল্যাণপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপো (চাষাঢ়া) থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।

এর মধ্যে মতিঝিল বাস ডিপোর অধীন  ঢাকা থেকে রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, জয়পুরহাট, জামালপুর ও কলমাকান্দা রুটের অগ্রিম টিকিট বিক্রি হচ্ছে।

কল্যাণপুর বাস ডিপো থেকে বিক্রি হচ্ছে রাজশাহী, নওগাঁ, নেত্রকোনা, সৈয়দপুর, ঠাকুরগাঁও, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইলের নাগরপুর, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও শেরপুরের নালিতাবাড়ী রুটে চলাচলকারী বাসের টিকিট।

গাবতলী টার্মিনাল থেকে পাওয়া যাচ্ছে রংপুর, গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া রুটের বাসের টিকিট।জোয়ারসাহারা বাস ডিপো থেকে মিলছে রংপুর, দিনাজপুর, নওগাঁ, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও বগুড়ার বাসের টিকিট।

মিরপুর বাস ডিপোর অধীনে বিক্রি হচ্ছে ঠাকুরগাঁও, রংপুর, পঞ্চগড়, ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি, গোপালগঞ্জ ও বগুড়া রুটের বাসের টিকিট।মোহাম্মদপুর বাস ডিপো থেকে বিক্রি হচ্ছে রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, বরিশাল, খুলনা, গোপালগঞ্জ ও ময়মনসিংহ রুটের বাসের টিকিট।

যাত্রাবাড়ী বাস ডিপো থেকে কেনা যাচ্ছে রংপুর, দিনাজপুর, খুলনা, কুড়িগ্রাম, ফরিদপুরের ভাঙা ও বরিশাল রুটের বাসের টিকিট।

এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপোতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, হবিগঞ্জ, রংপুর, লালমনিরহাট, নওগাঁ, নেত্রকোনা ও বগুড়া রুটে চলাচলকারী বাসের টিকিট বিক্রি হচ্ছে।

গাজীপুর বাস ডিপো থেকে বিক্রি হচ্ছে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহ পথের বাসের টিকিট।

এর বাইরে কুমিল্লা, নরসিংদী, সিলেট, দিনাজপুর, বগুড়া, রংপুর, খুলনা, পাবনা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ও বরিশাল বাস ডিপো থেকেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচলকারী বিআরটিসির বাসের অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাবে।


আরও খবর



স্বাস্থ্যখাতে রন্ধে রন্ধে দুর্নীতি, কেরানিও শতকোটি টাকার মালিক

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



আবুল খায়ের:


রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্নীতি। এখন চারদিকে শুধুই দুর্নীতির খবর। কোটি টাকা না, শত কোটি, হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। কিভাবে এত টাকার মালিক হলেন তারা তা নিয়ে খুব বেশি অনুসন্ধানের কথা শোনা যায় না।


 আগে যেখানে এক কোটি টাকার কথা শুনলেও অনেকে চমকে উঠছেন, এখন সেখানে হাজার কোটি টাকার খবরেও কেউ অনুসন্ধান করছে না। সর্বশেষ নজরে এলো হোমিও প্যাথি ডাক্তার ডা. দিলিপ রায়ের দুর্নীতির খবর। কিভাবে তিনি এত টাকার মালিক হলেন সেটার অনুসন্ধান জরুরী। 


স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘যে অভিযোগগুলো আসছে সেগুলো অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা তালিকা করে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।’


সাবেক এক মন্ত্রীর প্রশ্রয়ে স্বাস্থ্যখাতে ঠিকাদার মিঠুর উত্থান হয়েছে। দেশের বাইরে তার হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ। নিম্নমানের যন্ত্রপাতি এবং অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি করে তিনি হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে নিয়েছেন।


 তার বিরুদ্ধে নিউজ করতে গিয়ে হুমকিতে পড়তে হয়েছে সাংবাদিকদেরও। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরও অনেক কর্মকর্তা তাকে প্রটেকশন দিয়েছেন। এরপর এলো ড্রাইভার মালেকের শত শত কোটি টাকার সম্পদের কথা। সাবেক একজন মহাপরিচালকের ড্রাইভার হিসেবে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেনাকাটাসহ সব সেক্টরেই তার হাত ছিল। 


একজন ড্রাইভার কিভাবে এত টাকার মালিক হলেন। এর পর এলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (পরিচালক) এডুকেশনে বিভাগে কেরানি আফজালের কাহিনী। কানাডায় তার বাড়ি আছে। কেরানি কিভাবে এত বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হলেন সেটাও এখনো অজানা। 


দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, ‘এসব দুর্নীতিবাজদের মূল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান হল সচিবালয়। সচিবালয় থেকে এগুলো বন্ধ করা না গেলে এদের কখনই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’ ঠিক তাই হচ্ছে। স্বাস্থ্যের মতো সব জায়গায় দুর্নীতির বিশাল নেটওয়ার্ক। সবাই মিলেই গড়ে তুলেছে সিন্ডিকেট। 


যে দুর্নীতির ভাগ পায় সবাই। ফলে এখন মন্ত্রণালয়ও কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে পারছে না। গত নির্বাচনের আগে আমলা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দুই শতাধিক ব্যক্তির দুর্নীতির তালিকা ছাপা হয়েছিল। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তারা এখন আরও বেশি বেপরোয়া। 


দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার জহিরুল হক বলেন, ‘আমরা নিজেরাও অনুসন্ধান করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। পাশাপাশি কারোর বিরুদ্ধে মিডিয়ায় খবর এলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আমরা তদন্ত করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো। কাউকে ছাড় দেবো না।’


অথচ স্বাস্থ্য খাতে যাদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া কথা সেই চিকিৎসকরাই বঞ্চিত হচ্ছেন। এখন হাসপাতালে অনেক শিক্ষকের পদ শূন্য। ছাত্ররা সুশিক্ষা থেকে বঞ্জিত হচ্ছে। শিক্ষকদের পদোন্নতি হচ্ছে না। মেধাবীরাও আসতে আগ্রহী হচ্ছেন না। 


একজন চিকিৎসকের চাকরি নেওয়ার পর অধ্যাপক হতে আর চাকরির বয়স থাকে না। দলবাজ না হলে পদোন্নতিও হয় না। পুরো স্বাস্থ্য খাতে যেন অশনি সংকেত। চিকিৎসকরাও কাজে উৎসাহ হারাচ্ছেন। জুনিয়রদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন অনেকে। ফলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। 


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে দুর্নীতি দেখার কেউ নেই। সুযোগ সুবিধা না পেলে কেন তারা এই পেশায় থাকবেন? ফলে সামনের দিনে চিকিৎসা সেক্টরে ব্যাপক শূন্যতার সৃষ্টি হতে পারে।


বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক দুলাল বলেন, ‘আসলে দুর্নীতি এমন ভয়াবহ পর্যায়ে গেছে। যারা দুর্নীতি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে দুর্নীতি বেড়ে গেছে। অনেক বড় কর্মকর্তাও এর সঙ্গেও জড়িত। সবাইকে জবাবদিহিতার মধ্যে না আনা গেলে বা পেছনে যারা আছে তাদের খুঁজে বের করে জবাবদিহিতায় আনতে না পারলে দুর্নীতি বন্ধ করা যাবে না।’  


সর্বশেষ দুর্নীতির তথ্য সামনে এসে ডা. দিলীপ কুমার রায়ের। পনের বছরের ব্যবধানে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়। রাজনীতির জাদুর ছোঁয়ায় তিনি হোমিও মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক থেকে হয়েছেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথী বোর্ডের চেয়ারম্যানও।


 রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারে সিদ্ধহস্ত দিলীপ কুমার রায় টানা পাঁচ মেয়াদে ১৫ বছর ধরে হোমিও বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ দখলে রেখেও গড়েছেন রেকর্ড।


বোর্ডে দুর্নীতি হালাল করতে নীতিকে পাল্টে অনিয়মকেও তার ব্যক্তিগত নিয়মে পরিণত করেছেন। চা-পোষা হোমিও চিকিৎসক সেই দিলীপ কুমার এখন রাজনীতিতে বড় নেতা, স্বর্ণ, ডায়মন্ড, ইটভাটা, খাদ্য ও ওষুধের এক্সেসরিজের ব্যবসায়ীও। 


ফরিদপুরের বোয়ালমারী এলাকার ধোপা পরিবারের সন্তান দিলীপ কুমার এখন প্রতিষ্ঠিত এক স্বর্ণ ও হিরা ব্যবসায়ীর নাম। কারখানা গড়ে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন খাদ্য, ওষুধ ও ওষুধের এক্সেসরিজ খাতেও। অথচ ৮০-এর দশকে হোমিওপ্যাথী মেডিকেল কলেজে ছিলেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। 


পাশাপাশি হাঁটতেন রাজনৈতিক এক নেতার অনুসারী হয়ে। এরপর দিলীপ কুমারের উত্থান যত না আকাশচুম্বী ততই রহস্যে ঘেরা।


অথচ ২০১৫ সালের ৩০ জুন ডা. দিলীপ কুমার রায়কে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ অনুসন্ধান করেন দুদকের উপ-পরিচালক এসএম মফিদুল ইসলাম। তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দিলীপ কুমার রায়কে অব্যাহতি দেয় কমিশন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি কোন কলেজে কাউকে চাকরি দিতে পারি না। এই চাকরি দেন ডিসিরা। সামনে আওয়ামী লীগের সম্মেলন আসছে। সে কারণে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।'


আরও খবর



মেট্রোরেল চলবে পাঁচ মিনিট পরপর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

যাত্রীদের চাহিদার কথা ভেবে চলতি মাস থেকেই পাঁচ মিনিট পরপর চলবে মেট্রোরেল। ভবিষ্যতে এটি সাড়ে তিন মিনিটে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক। এদিকে, মেট্রোরেল নির্মাণে নেওয়া ঋণের ৭৫ কোটি টাকা এরই মধ্যে পরিশোধ করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে অফিসের সময় বা পিক আওয়ারে ৮ মিনিট এবং অফিস সময়ের পর যেকোনো স্টেশন থেকে ১০ থেকে ১২ মিনিট অন্তর মিলছে মেট্রোরেল। কিন্তু দেখা গেছে অফিস সময় ছাড়াও বিকেল কিংবা সন্ধ্যায়ও যাত্রীতে ঠাসা থাকে মেট্রোরেল। অনেক সময় ব্যর্থ হয়ে পরের ট্রেনের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের। এসব দিক বিবেচনা করে মেট্রো চলাচলের সময় আরো কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

মেট্রোরেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক জানান, চূড়ান্ত লক্ষ্য দুই ট্রেনের মাঝে বিরতি সাড়ে তিন মিনিটে নামিয়ে আনা। তবে এখন পিক আওয়ারে কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের সুবিধার জন্য ৫ মিনিট অন্তর ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি চার ঘণ্টার পিক আওয়ারও বাড়ানো হতে পারে।

মেট্রোরেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা আর বাকি টাকার যোগান দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এবার সেই ঋণের কিস্তি শোধ করতে শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

মেট্রোরেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, এরই মধ্যে তিন কিস্তির ৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ৪০ বছর ধরে ঋণের পুরো টাকা শোধ করবে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



কোরবানির পশুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট

ঢাকায় সর্বোচ্চ ৬০ টাকা, বাইরে ৫৫ টাকা নির্ধারণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে  ডেস্ক:

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার ঢাকার মধ‍্যে কোরবানি গরুর চামড়ার দাম ধরা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫৫-৬০ টাকা।


 আর ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০-৫৫ টাকা।


সোমবার সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।


বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর উপস্থিতিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন মজুমদার।


গতবারের চেয়ে এবার প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ৫ টাকা বাড়ানো হলো। সেই সঙ্গে প্রতি পিস চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঢাকায় প্রতি পিস গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার টাকা।


বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জানান, এবারের ঈদে খাসির চামড়ার ক্রয়মূল্য প্রতি বর্গফুট ২০-২৫ টাকা এবং বকরির চামড়ার ক্রয়মূল্য ১৮-২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


গত বছর ঢাকার মধ‍্যে কোরবানি গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ৫০-৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪৫-৪৮ টাকা।


আর খাসির চামড়ার ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১৮-২০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১২-১৪ টাকা।


আরও খবর