Logo
শিরোনাম

দূষিত শহরের তালিকায় আজ ৫ম ঢাকা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : বিশ্বজুড়ে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউ এয়ারের তথ্য অনুযায়ী (২৭ মার্চ) ঢাকার বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর। এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ১৬০ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে ঢাকা।

এদিন ২২০ স্কোর নিয়ে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই। ১৮১ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। ১৭৩ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। ১৬৩ স্কোর নিয়ে তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে চীনের উহান।

এ ছাড়া একইসময়ে একিউআই স্কোর ১৫৩ নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে মায়ানমারের ইয়াঙ্গুন। ১৪১ স্কোর নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে চীনের শেনিয়াং। ১২৫ স্কোর নিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে সৌদি আরবের রিয়াদ। ১১৯ স্কোর নিয়ে নবম স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি। ১১৭ স্কোর নিয়ে দশম স্থানে রয়েছে নেপালের কাঠমান্ডু।

এর আগে পুরো ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার বায়ু ছিল অস্বাস্থ্যকর বা খুবই অস্বাস্থ্যকর অবস্থায়। প্রায় প্রতিদিনই দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে ছিল ঢাকা।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার দূষিত বাতাসের শহরের এ তালিকা প্রকাশ করে। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই স্কোর একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তা জানায়।

তথ্যমতে, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ সহনীয় হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকলে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকলে বিপজ্জনক বলে বিবেচিত হয়। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।

ঢাকায় বায়ু দূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বায়ুদূষণের ফলে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, কাশি, নিম্ন শ্বাসনালির সংক্রমণ এবং বিষণ্ণতার ঝুঁকি।

 


আরও খবর

রাজধানী ঢাকা এখন ফাঁকা

মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪




যাত্রাবাড়ি ও মিরপুরে ময়লার ড্রেনের ভেতর দিয়ে ওয়াসার পানির লাইন,দেখার কেউ নেই

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

রাজধানীর জুরাইন, মিরপুরসহ অনেক এলাকায় ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষের (ওয়াসা) পানির লাইন গেছে ড্রেনের ভেতর দিয়ে। 


কোনো কারণে প্লাস্টিকের পাইপ ফাটলে বা লিক হলে সেই পানির সঙ্গে মিশবে মলমূত্র। আর সেই দূষিত পানিই ব্যবহার হবে বাসা-বাড়িতে। 



সিটি করপোরেশন বলছে, ওয়াসা চাইলে তাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা দেওয়া যেত। অথচ পুরো বিষয়টিই অস্বীকার করছে ওয়াসা।



জুরাইনে ড্রেনের ময়লা পানির দৃশ্য প্রতিদিনের ব্যাপার। ড্রেন উপচে সেই ময়লা পানি মিশছে রিজার্ভ ট্যাঙ্কিতে, ফলে সংকট দেখা দেয় খাবার পানির। এই যখন পরিস্থিতি, তখন ওয়াসার নতুন পাইপ লাইন বসানোর উদ্যোগে স্বস্তি পায় এলাকাবাসী। 


কিন্তু সেটিও ঝুঁকিতে পড়েছে। কারণ জুরাইনে ড্রেনের ভেতর দিয়েই বসানো হচ্ছে ওয়াসার পানির লাইন।


সংবাদমাধ্যমকে এলাকাবাসী জানিয়েছে, ড্রেনের ভেতর থেকেই বাসাবাড়িতে লাইন টেনে দিয়েছে ওয়াসা। কোনো কারণে এই পাইপ লিক হলেই খাওয়ার পানির সঙ্গে মিশে যাবে মলমূত্র। 



ওয়াসার এ কাজে ক্ষুব্ধ সিটি করপোরেশন। বলছে, সমন্বয় করে কাজ করলেই এ পরিস্থিতি এড়ানো যেত। উল্টো সিটি করপোরেশনের ওপর দায় চাপাচ্ছে ওয়াসা।


ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ওয়াসার এই কাজের কারণে নর্দমার যে কাজ তাও ব্যাহত হবে, আর ওয়াসার কাজও ব্যাহত হবে। এভাবে পানির লাইনের কাজটা ঠিক হচ্ছে না।


এদিকে ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. এ.কে.এম সহিদ উদ্দিন বলেন, সিটি করপোরেশন পুরো এলাকাজুড়েই ড্রেন তৈরি করছে বলে, ওয়াসার পানির লাইনের জন্য কোনো আলাদা জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। 


ড্রেনের ভিতর দিয়ে ওয়াসার পাইপ টানার অভিযোগ পাওয়া গেছে ওয়ারী, যাত্রাবাড়ী ও মিরপুরে। 


আরও খবর



অন্যের এনআইডি দিয়ে ট্রেনের টিকেট অগ্রীম কেটে নিয়েছে কালোবাজারিরা!

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


ঈদের সময় কালোবাজারি করতে অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে টিকিট কেটেছিল একটি চক্র। এরপর সেই টিকিট সাধারণ যাত্রীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে তারা।


শুক্রবার (১৪ জুন) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ের স্টেশনের প্লাটফর্মে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান র‌্যাব-৩ এর সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর।  



তিনি বলেন, ‘অভিযান চালিয়ে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৩ এমন দুটি চক্রের ১২ জনকে আটক করেছে। এরমধ্যে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের বেসরকারি ট্রেনের বিক্রয় প্রতিনিধিও রয়েছেন। এসব কালোবাজারিরা আগামী ১০ দিনের প্রায় ৫০০ টিকিট কেটে রেখেছেন।’


সোহেল ও আরিফুল নামে দুইটি চক্র ঠাকুরগাঁও ও ঢাকা থেকে কালোবাজারি পরিচালনা করতেন বলেও জানান তিনি।  


ফিরোজ কবীর জানান, গতকাল রাতে তারা অভিযান পরিচালনা করেন। ঢাকা থেকে ১০ জনকে আটক করেন। আর দুইজনকে ঠাকুরগাঁও থেকে আটক করা হয়েছে। 


ফিরোজ কবীর বলেন, ‘আমরা গত রাতে অভিযান শুরু করি। এটি চলমান অভিযান ছিল। এটা দুই থেকে তিন ধাপে পরিচালনা করা হয়। ঢাকার কমলাপুর ও আশেপাশের এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ 


তিনি বলেন, ‘এখানে দুই ধরনের চক্র রয়েছে। এক ধরনের চক্র অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হলে তা ভুয়া জাতীয় পরিচয় পত্র ও মোবাইল নম্বর দিয়ে কেটে রাখতো। পরে ফেসবুক পেইজে বিজ্ঞাপন দিয়ে চড়া দামে বিক্রি করে। সফটকপি পাঠিয়ে দিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে টাকা বুঝে নেয়।’  


তিনি বলেন, ‘এমন চক্রের দুজনকে মৌচাক মোড়ের আশেপাশের এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করি। এদের একজনের নাম মানিক ও আরেকজনের নাম বকুল। এদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি মানিক মূলত সোহেল নামে একজন ও ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থানকারী আবু, রায়হান ও আনিস নামে আরও একজনের সঙ্গে কালোবাজারি ব্যবসায় আসে। 


তাদের থেকে আগামী ১০ দিনের টিকিট পাওয়া যায়। এগুলোর হার্ডকপি ও সফট কপি রয়েছে। এরমধ্যে দিনাজপুরের একতা এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম তিন হাজার টাকা করে বিক্রি করছে।’


ফিরোজ কবীর বলেন, ‘মানিক ও বকুলের মাধ্যমে আনিস ও রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়। রায়হান একটি কম্পিউটারের দোকানে কাজ করে। সেখানে ভুয়া সিম ও জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অনেকগুলো টিকিট কেটে নেন। 


এদের বড় একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। সেখানে চাহিদা ও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করা হয়।’ 


তিনি বলেন, ‘রায়হান ও আনিস টিকিট পাঠাতেন সোহেল ও মানিকের কাছে৷ আর মানিক ও বকুল ফেসবুক পেইজে বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি করতেন।’  


এই সিও জানান, ‘কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বেসরকারি ট্রেনের বুকিং সহকারী করেন আরিফুল ইসলাম। তিনিও একটি চক্র চালান। 


বেসরকারি ট্রেনের বুকিং সহকারী হলেও তার থেকে সরকারি ট্রেনের টিকিট পাওয়া গেছে। তিনি অনেকদিন ধরেই এগুলো করে আসছিলেন।’


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




তারল্য সংকট ব্যাংক ঋণে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, উচ্চ সুদহার এবং তারল্যসংকটের প্রভাব পড়েছে ব্যাংকের ঋণ বিতরণে। পর্যাপ্ত নগদ টাকা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় কমেছে। 


এপ্রিলে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৯.৯০ শতাংশ, যা বিগত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তার আগে মার্চে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ১০ শতাংশ। সরকারের ঋণের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যের নিচে নেমে এসেছে। 


আর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১২.৬২ শতাংশ। এরপর টানা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে।



একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঋণ বিতরণ বেড়েছিল। কিন্তু ঈদের পরেই এপ্রিলে এসে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে। আর অর্থনীতির গতি কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা সম্প্রসারণে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। 


আবার গত বছরের জুলাইয়ের পরই ঋণের সুদহার বেড়েছে অনেক বেশি। জুনের পর সর্বোচ্চ সুদহারের সীমা ৯ শতাংশ তুলে দেওয়ার পরই তা ক্রমান্বয়ে বেড়ে ১৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সে জন্য ব্যবসায়ীরা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদহারকেও বিবেচনায় নিয়ে কম ঋণ নিচ্ছেন। আবার অনেক ব্যাংক নগদ টাকার সংকটে ঋণ বন্ধ রেখেছে। 


এজন্য ঋণের প্রবৃদ্ধি ক্রমান্বয়ে কমছে। এছাড়া ধারাবাহিকভাবে ডলারের রেট বাড়ছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি করার ক্ষেত্রে নানা হিসাব করছেন; যার কারণে ঋণের প্রবৃদ্ধি হ্রাসে একটা প্রভাব দৃশ্যমান হয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.২৮ শতাংশ। এই ঋণ বিতরণের হার কমে মে মাসে দাঁড়ায় ১১.১১ শতাংশ। জুন মাসে প্রবৃদ্ধির হার কমে হয় ১০.৪০ শতাংশ এবং জুলাই মাসে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.২৮ শতাংশ। 


আগস্টে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৭৫ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৬৯ শতাংশ। তবে অক্টোবরে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১০.০৯ শতাংশ হয়। পরে নভেম্বরে কমে তা হয় ৯.৯০ শতাংশ। ডিসেম্বরে সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০.১৩ শতাংশে। 


এরপর আবার কমতে শুরু করে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কমে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৯.৯৫ শতাংশ এবং ৯.৯৬ শতাংশে। কিন্তু মার্চে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয় বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি। 


মার্চে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ। তার পরের মাস এপ্রিলে আবার কমে তা এক ডিজিটের ঘরে নেমে আসে। এ মাসে ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯.৯০ শতাংশ।


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




জঙ্গি হামলার হুমকি, ভেস্তে যাচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ক্রীড়া ডেস্ক:


বাংলাদেশ সময় আগামী ২ জুন আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর।


 রেকর্ডসংখক ২০ দলের অংশগ্রহণের এই বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।


আগামী ৯ জুন নিউইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামে বিশ্ব আসরে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচ ভারত-পাকিস্তান লড়াই। কিন্তু বিশ্বকাপের এ ম্যাচে হামলার হুমকি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন প্রো-আইএসআইএস গ্রুপ।


ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে জঙ্গি হামলার কথা জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে জঙ্গি সংগঠনটি। ভিডিওটিতে জঙ্গি এ হামলার নাম বলা হচ্ছে ‘লোন উলফ’। যে কেউ এই হামলা চালাতে পারে বলে উল্লেখ্য করা হয়েছে প্রকাশিত ভিডিওতে।


হুমকি পাওয়ার পরপরই সতর্ক নিউইয়র্ক পুলিশ। হুমকিটিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে নিরাপত্তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাসাউ কাউন্টির পুলিশ কমিশনার প্যাট্রিক রাইডার।


 স্থানীয় গণমাধ্যমে তিনি বলেন, একটি ভিডিও বার্তায় জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘লোন উলফ’ হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। যেখানে এত বড় একটা ম্যাচ এবং প্রচুর দর্শক আসবেন, সেখানে কোনও কিছুই হালকাভাবে নেওয়া যায় না।



রাউডার জানান, এ ধরনের হুমকি প্রথম নন। এর আগে চলতি বছর এপ্রিলে থেকে আরেক জঙ্গি সংগঠন আইএস-খোরাসান একই রকম হামলার হুমকি দিচ্ছে। তবে কোথায় বা কী ধরনের হামলা করা হবে সে বিষয়ে পরিস্কার তথ্য ছিল না।


তবে এবারই প্রথম নির্দিষ্ট করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হামলার কথা বলা হচ্ছে। এর আগে দুই মহারথীর লড়াইয়ের ভেন্যু নাসাউ স্টেডিয়ামের উপর দিয়ে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। 


সেখানে লেখা ছিল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের তারিখ ‘৯/৬/২০২৪’। এরপরই নড়চড়ে বসে নিউইয়র্ক প্রশাসন।


নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আলাদা করে মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সংশয় তৈরি হয়নি। তবে আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি।



 নিউইয়র্কের মানুষ এবং বাইরে থেকে যারা ওই ম্যাচ দেখতে আসবেন তারা যাতে সুরক্ষিত থাকেন তার ব্যবস্থা গ্রহণ করব আমরা।’


আরও খবর



গৃহহীনের অভিশাপমুক্ত হলো আরো ৭০ উপজেলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

দেশের আরও ২৬টি জেলা এবং ৭০ উপজেলাকে ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫৮ জেলা ও ৪৬৪টি উপজেলা ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত হলো।

 ১১ জুন বেলা ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে পঞ্চম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৮ হাজার ৫৬৬ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।

এ সময় ঢাকা, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোণা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফেনী, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, সাতক্ষীরা, যশোর, খুলনা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, বরিশাল, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ; এই ২৬ জেলাকে ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা জেলার ধামরাই; গোপালগঞ্জের গোপালগঞ্জ সদর; শরিয়তপুরের নড়িয়া, জাজিরা; ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা; নেত্রকোণার খালিয়াজুরী; কক্সবাজারের কক্সবাজার সদর, মহেশখালী, ঈদগাঁও; চট্টগ্রামের চন্দনাইশ, সন্দ্বীপ, সীতাকুন্ড; চাঁদপুরের হাইমচর, চাঁদপুর সদর; লক্ষীপুরের

রামগতি, কমলনগর; নোয়াখালীর হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর; কুমিল্লার আদর্শ সদর, মুরাদনগর; ফেনীর সোনাগাজী; গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি, সাঘাটা; কুড়িগ্রামের কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, নাগেশ্বরী, রাজারহাট, চররাজিবপুর, রৌমারী; রংপুরের গংগাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ; লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট সদর, পাটগ্রাম, হাতিবান্ধা, আদিতমারী; নীলফামারী সৈয়দপুর, সিরাজগঞ্জের চৌহালী; বগুড়ার শেরপুর; সাতক্ষীরার আশাশুনী; যশোরের মনিরামপুর; খুলনার পাইকগাছা, কয়রা, দাকোপ; নড়াইলের লোহাগড়া, নড়াইল সদর; বাগেরহাটের বাগেরহাট সদর, শরণখোলা, রামপাল, মোল্লাহাট, ফকিরহাট, চিতলমারী, মোরেলগঞ্জ, মোংলা, কচুয়া; ভোলার বোরহানউদ্দিন, চরফ্যাশন, মনপুরা; বরগুনার বরগুনা সদর, আমতলী; বরিশালের বরিশাল সদর, হিজলা, গৌরনদী; হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ; সুনামগঞ্জের দিরাই, ছাতক, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ এই ৭০ উপজেলাকে সম্পূর্ণ ভূমিহীন এবং গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহার আগে শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসেবে ঘর পেলেন অসহায় এসব পরিবার।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপকার ভোগীদের হাতে জমির দলিল এবং ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন।

পরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, ভোলার চর ফ্যাশন ও কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকার উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গৃহহীনদের পুনর্বাসন কর্মসূচি শুরু করেন।

বঙ্গবন্ধুর এ কর্মসূচিকে অনুসরণ করে তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহ ও ভূমিহীনদের ঘর ও জমির মালিকানা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

আশ্রয়ণ প্রকল্প ও অন্যান্য প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯০৪ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের প্রায় ৪৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। শুধুমাত্র আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৩ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের ২৯ লাখ ১০ হাজার ২৬৫ জনকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। শুধুমাত্র মুজিব শতবর্ষে ২ লাখ ৬৬ হাজার ১২টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪