Logo
শিরোনাম

এবার ‘সুগার ড্যাডি’ নিয়ে ক্ষোভ ঝারলেন রূপাঞ্জনা মিত্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

শোবিজ অঙ্গনে ‘সুগার ড্যাডি’ খুব পরিচিত শব্দ। অনেক অভিনয়শিল্পী ‘সুগার ড্যাডি’ ধরে টিভি বা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ফায়দা নেওয়ার অভিযোগ শোনা যায়। এবার ‘সুগার ড্যাডি’ নিয়ে ক্ষোভ ঝারলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র।

বিষয়টি নিয়ে এ অভিনেত্রী তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেন, ‘একটা কথা বলতে চাই সেই সব মেয়েদের, যারা কাজ পাওয়ার জন্য ইন্ডাস্ট্রিতে ‘সুগার ড্যাডি’ ধরছেন। মেয়েগুলোর বয়স ১৬-২০ বছর। এরই মধ্যে আপনারা নিশ্চয় বুঝে গেছেন, ইন্ডাস্ট্রি কী নিয়মে চলে? কেউ কেউ তো আবার বার্থডে পার্টিও থ্রো করাছেন সেসব উটকো সুগার ড্যাডিদের দিয়ে। তাতে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির কিছু শিল্পী-পরিচালকরাও যাচ্ছেন।’

কলকাতার মডেল-অভিনেত্রী অর্পিতা মুখার্জির কাণ্ডে তোলপাড় পশ্চিমবঙ্গ। তার বিষয়টি উল্লেখ করে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘এই মেয়েগুলোও কি আগামী দিনে আর্পিতাদের মতো হবে। খুব চিন্তা হচ্ছে। এই মেয়েগুলোকে গাইড করার মতো অভিভাবক নেই? নিজেদের অভিভাবকরাও কীভাবে প্রশ্রয় দেন? এই ‘ফুড চেইন’ যারা পরতে চায় না তারা কি করবে? সেই মেয়েগুলো যারা মাথা তুলে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চায়। তাদের পাশে আপনারা থাকবেন তো?’

এ পোস্ট দেওয়ার পর নেটিজেনদের বড় অংশ তার অভিমতকে সমর্থন জানিয়েছেন। আবার অনেকে দ্বি-মত পোষণ করেছেন। এ নিয়ে চলছে জোর সমালোচনা। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম রূপাঞ্জনার সঙ্গে যোগাযোগ করলে আরো বেশি ক্ষোভ ঝারেন তিনি। এ অভিনেত্রী বলেন—‘এটা কি সবাই বেশ্যাখানা তৈরি করবে? যারা কষ্ট করে নিজের জায়গা তৈরির চেষ্টা করেন, তাদের কী হবে? কেউ তো ভরসাই করতে পারবে না। নতুন অভিনেতাদের একটু ভাবা উচিত।

এই প্রবণতা কীভাবে তৈরি হয়েছে? না কি ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে সব সময়ই এই ধরনের রাস্তা বেছে নিয়েছেন কিছু অভিনয়শিল্পী? এই প্রশ্নের উত্তরে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘হয়তো ছিল। কিন্তু এত বাড়বাড়ন্ত ছিল না। সেই সময়ে পরিবার, মা-বাবার একটা ভয় থাকত; দিনে দিনে এখন সেটাও উড়ে যাচ্ছে।



আরও খবর

যৌনপল্লীতে নায়িকা নিপুণ আক্তার !

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




লক্ষ্মীপুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি দিয়ে সংবর্ধনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

লক্ষ্মীপুরে দু'টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানকে সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগ।

লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতন ও মধ্য বাঞ্চানগর এন আহম্মদীয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ বিদ্যালয় মাঠে সমবেত হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যে আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের নিয়ে আসেন শাজাহান খানকে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তারা স্কুল ছুটি দিতে বাধ্য হন। এনিয়ে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তারেক মাহমুদ বলেন, অনুষ্ঠান সম্পর্কে দুই প্রতিষ্ঠানকে আগেই জানানো হয়েছিল। বিষয়টি বালিকা বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক স্বীকার করেননি। আর মধ্য বাঞ্চানগর এন আহম্মদীয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, তাদের শুধু জানিয়েছিল ছাত্রলীগ, কিন্তু অনুমতি নেয়ার অপেক্ষা করেনি।  


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে ফল মেলার উদ্ধোধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন  ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার  বেলা ১১ টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে একদিন ব্যাপী এ মেলার আনুষ্ঠানিক প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্ধোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই আলম বাচ্চু।

 এ উপলক্ষে উপজেলা কৃষি ইনস্টিটিউটে  আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আকাশ বৈরাগী, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা খানম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারি কৃষি অফিসার আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা। এবারের মেলায়  ৩টি স্টলে বিভিন্ন প্রজাতের ফলজ প্রদশর্নী করা হয়। 


আরও খবর



ড. কামালের নেতৃত্বে গণফোরামের নতুন কমিটি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি ও ডা. মো. মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে গণফোরামের ১০১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কমিটিতে সভাপতি পরিষদ সদস্য হয়েছেন এ এইচ এম খালেদুজ্জামান, ড. কামাল হোসেন, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, এস এম আলতাফ হোসেন, মোকাব্বির খান, আবদুল আজিজ, শান্তিপদ ঘোষ, আ ও ম শফিকউল্লাহ, মেজবাহ উদ্দীন আহমেদ, মোমেন চৌধুরী, মোশতাক আহমেদ, ডা. আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ, সেলিম আকবর, সুরাইয়া বেগম, আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর, হারুনুর রশীদ তালুকদার, ইসমাইল হোসেন ও ফরিদা ইয়াছমিন।

কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন শাহ মো. নূরুজ্জামান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুজন হলেন মো. মাহফুজুর রহমান ও শফিউর রহমান খান বাচ্চু। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন অধ্যক্ষ মো. ইয়াছিন। দপ্তর সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন এম এ ওয়াহাব।

তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক নাজমুল ইসলাম সাগর, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক বকুল ইমাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোমেনা আহমেদ মুমু, সংস্কৃতি সম্পাদক ড. নীলিমা পারভীন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম সজল, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম পলাশ, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. নবাব আলী, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক (নওগাঁ), শ্রমবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রতন (গাজীপুর), নারীবিষয়ক সম্পাদক সাহিদা ইসলাম শিল্পী (ঢাকা), সমাজসেবা সম্পাদক করা হয়েছে মো. আলী লালকে।

সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল বলেন, দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা আজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও প্রশ্নবিদ্ধ। অধিকাংশ দলের আপত্তি সত্ত্বেও ইসি ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা এক ভয়ঙ্কর অশনিসংকেত।

তিনি বলেন, দেশ বর্তমানে গভীর রাজনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত। গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত, স্বৈরাচারী সরকারের গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে দেশে চরম অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দেশের অর্থনৈতির আজ চরম দুরবস্থা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

দেশের টাকা দুর্নীতি হয়ে পাচার হচ্ছে উল্লেখ করে ড. কামাল আরও বলেন, রাষ্ট্রে যারা দায়িত্বে আছেন, তারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছেন। সবাই মিলে এ রাষ্ট্রকে বাঁচাতে হবে। দেশকে বাঁচানোর সবচেয়ে বড় সুযোগ হচ্ছে একটি সত্যিকারের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।


আরও খবর



১৭ বছর পর কুমিল্লায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী রাসেলকে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা ঃ

ডাকাত পরিচয়ে এক হাজার চারশত টাকার জন্য কুমিল্লার লাকসামের শ্রীয়াং বাজারের তিন ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ১৭ বছর ধরে পলাতক আসামী মোঃ নেওয়াজ শরীফ রাসেল প্রকাশ সবুজ প্রকাশ বাবু (৩৭) কে কুমিল্লার আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

 র‌্যাব-১১ কোম্পানি কমামান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান-২০০৭ সালের কুমিল্লার আলোচিত  তিন ব্যবসায়ী হত্যাকান্ডের পলাতক আসামীকে গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লার লাকসাম থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় র‌্যাব -১১ শাকতলা কার্য্যালয়ে এক সংবাদ সমম্মেলণে তিনি এসব কথা বলেন।

গত ২০১৮সালের ১৪ নভেম্বর কুমিল্লার তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ, আদালতের বিচারক নুর নাহার বেগম শিউলী আলোচিত ও নিমর্ম হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ জন আসামীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ডের রায় ঘোষনা করেন, যার মধ্যে গ্রেফতারকৃত আসামী অন্যতম। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলোঃ- লাকসাম শ্রীয়াং এলাকার সেলিমের ছেলে মোঃ রাসেল, আব্দুল কাদের এর ছেলে আব্দুর রহমান, ইয়াকুব আলীর ছেলে শহীদুল্লাহ, আব্দুল মান্নানের ছেলে ফারুক হোসেন ও মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে স্বপন। দন্ডপ্রাপ্ত ০৫ জন আসামীর মধ্যে আব্দুর রহমান, শহীদুল্লাহ, ফারুক হোসেন বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। অপর আসামী স্বপন পলাতক রয়েছে। র‌্যা

র‌্যাব জানায়=-কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার শ্রীয়াং বাজারে ১ হাজার ৪০০ টাকা ডাকাতি করার জন্য তিন ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার নির্মম ঘটনাটি র‌্যাব-১১ কুমিল্লার নজরে আসে। আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর খুনসহ ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়। গোয়েন্দা সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৮ আগস্ট রাতে র‌্যাব-১১, কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আলেখারচর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ট্রিপল মার্ডার মামলার দীর্ঘ ১৭ (সতের) বছর পলাতক মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী মোঃ নেওয়াজ শরীফ রাসেল কখনো সবুজ কখনো বাবু (৩৭)’কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তার কৃত মোঃ নেওয়াজ শরীফ রাসেল  ঘটনাস্থল  লাকসামের শ্রীয়াং দক্ষিণ পাড়ার মৃত মোঃ সেলিম রেজা ছেলে। 

গ্রেফতাকৃত আসামী মোঃ রাসেল @ সবুজ @ বাবু’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঘটনার পরেরদিন সকালে রাসেল ও তার পরিবার কুমিল্লা জেলা ত্যাগ করে ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন ডগরমুরা এলাকায় তার পিতার এক বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং পরবর্তীতে স্ব-পরিবারে সেখানে ভাড়াবাসায় বসবাস শুরু করে। নিজের আসল পরিচয় গোপন রাখার জন্য আসামী রাসেল ডগরমুরা এলাকায় পরিচিতি লাভ করে সবুজ নামে। এই এলাকায় তিন থেকে চার বছর অর্থাৎ ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত হকার ব্যবসা করে খুব নিরাপত্তার সাথে বসবাস করে আসছিল। ২০১০ সালের শেষের দিকে তাদের পাশর্^বর্তী গ্রামের একটি পরিবারের ডগরমুরা এলাকায় যাতায়াত পরিলক্ষিত হলে তারা সাভার নবীনগর থানাধীন নিরিবিলি এলাকায় নতুন বাসা ভাড়া নেয়। এই এলাকায় এসে আসামী রাসেল পরিচিতি লাভ করে বাবু নামে। নিরিবিলি এলাকায় ২/৩ বছর ভ্যান গাড়িতে করে হকারী ব্যবসা করার পরে ২০১৩ সালে নীলফামারী জেলার একটি মেয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরবর্তীতে অধিক অর্থ উপার্জনের জন্য হকারী ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে সড়কে পলাশ ও নিরাপদ পরিবহণে হেল্পারের কাজ করা শুরু করে। ২০১৬ সালে তার স্ত্রী তার আসল পরিচয় ও মামলার বিষয়টি জানতে পেরে তার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ করে। তাই ভয়ে আসামী রাসেল সাভার এলাকা ত্যাগ করে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকায় বসবাস শুরু করে। পরবর্তীতে ২০২০ সালে তার পিতার মৃত্যুর পর তার পরিবার সাভার এলাকা ত্যাগ করে কুমিল্লা জেলার বরুড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। বরুড়া এলাকায় বসবাসকালীন তার মা গোপনে লাকসাম এলাকায় বিভিন্ন সময়ে যাতায়াত করে এবং বুঝতে পারে ২০০৭ সালের হত্যাকান্ডের বিষয়টি এলাকায় তেমন কোন আলোচনা নেই তাই আসামী রাসেল ২০২০ সাল থেকে বরুড়ায় তার মায়ের সাথে ভাড়াবাসায় বসবাস শুরু করে। আসামী রাসেল মূলতঃ বরুড়ায় তার বাড়ির আশেপাশে রাজমিস্ত্রির সহযোগী হিসাবে কাজ শুরু করে। ০১ বছর অতিক্রম হয়ে গেলে পদ্মা পরিবহণে হেল্পারের কাজ শুরু করে। ২০২২ সালে আসামী বোগদাদ পরিবহণে হেল্পারের কাজ শুরু করে। 

গ্রেফতারকৃত আসামী, গোয়েন্দা রিপোর্ট মাধ্যমে জানা যায়, আজ থেকে কয়েক বছর পূর্বে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায়শই রাস্তায় সাধারণ মানুষ ডাকাতের কবলে পড়তো এবং এতে করে সাধারণ মানুষের জান ও মালের বেশ ক্ষয়-ক্ষতি হতো। আজ থেকে প্রায় ১৭ (সতের) বছর পূর্বে ০৬ জানুয়ারি ২০০৭ ইং তারিখ রোজ শনিবার প্রচন্ড ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার একটি রাতে গ্রেফতারকৃত আসামী শরীফ রাসেল @ সবুজ @ বাবু সহ আরো কয়েকজন ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার শ্রীয়াং এলাকার বদির পুকুর পাড় সংলগ্ন একটি জঙ্গলে লুকিয়ে ছিলো। এমন সময় লাকসাম উপজেলার শ্রীয়াং বাজারের দোকান বন্ধ করে কাচাঁমাল ব্যবসায়ী মনোহরগঞ্জ উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামের মনিন্দ দেবনাথ’র ছেলে উত্তম দেবনাথ ও পরীক্ষিত দেবনাথ এবং পান ব্যবসায়ী লাকসাম উপজেলার জগৎপুর গ্রামের সামছুল হকের ছেলে বাচ্চু মিয়া বাড়ি ফিরছিলেন। তারা বদির পুকুর পাড় এলাকায় এসে পৌঁছালে আকস্মিকভাবে জঙ্গল থেকে আসামী রাসেল @ সবুজ @ বাবু ও তার সহযোগীরা চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে এবং যার যা কিছু আছে সব কিছু দিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দ্বারা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ভিকটিমরা তাদের টাকা-পয়সা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামী রাসেল @ সবুজ @ বাবু সহ তার সহযোগীরা ভিকটিমদেরকে অনবরত কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। একপর্যায়ে ভিকটিমরা তাদের সাথে থাকা টাকা-পয়সা বাধ্য হয়ে আসামীদের দিয়ে দেয়। হঠাৎ ভিকটিম উত্তম দেবনাথ আসামী রাসেল ও তার সহযোগীদের চিনতে পেরেছে এবং পরেরদিন স্থানীয় মেম্বার ও চেয়ারম্যানের নিকট তাদের বিরুদ্ধে নালিশ করবে মর্মে চিৎকার করে উঠে। যেহেতু ভিকটিমরা আসামীদের চিনে ফেলেছে তাই আসামী রাসেল ও তার সহযোগীরা ভিকটিমদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে আসামীরা ভিকটিমদেরকে পাশর্^বর্তী একটি মাঠে নিয়ে চাপাতি ও ছোরা দিয়ে গলা কেটে নিমর্মভাবে হত্যা করে। এই ঘটনায় ভিকটিম বাচ্চু মিয়ার ভাই কবির হোসেন ০৭ জানুয়ারি ২০০৭ ইং তারিখে বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানায় খুন সহ ডাকাতি মর্মে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০২, তারিখ-০৭ জানুয়ারি ২০০৭, ধারা-৩৯৬ পেনাল কোড-১৮৬০।


আরও খবর



হিমালয় জয় বাংলার মেয়েদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

আজ তো বিশেষণ দেওয়ারই দিন। হিমালয়ঘেঁষা নেপালের দশরথ স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়েছে বাংলার মেয়েরা। স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে নিয়েছেন সাবিনারা।

চোটে থাকা সত্ত্বেও শিরোপা লড়াইয়ের ম্যাচে স্বপ্নার ওপর ভরসা রেখেছিলেন বাংলাদেশের কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন। ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে শুরুর একাদশে মাঠে নামিয়েছেন স্বপ্নাকে। তবে দুর্ভাগ্য স্বপ্নার। ইনজুরির কারণে ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যে দলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকারকে উঠিয়ে শামসুন্নাহার জুনিয়রকে মাঠে নামান কোচ। তার এই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে মাত্র ৪ মিনিট সময় নেন শামসুন্নাহার।

শামসুন্নাহার-কৃষ্ণার দারুণ ফিনিশারে নেপালের জালে ৩ গোল দিয়ে ছিনিয়ে আনলেন শিরোপা। এই জয়টা তাদেরই প্রাপ্য। সাফের এই ঐতিহাসিক জয়কে কোনোভাবেই আর অবিশ্বাস্য বলা চলে না। নেপালের দশরথ স্টেডিয়ামে ১৫ হাজার দর্শককে স্তব্ধ করে, তাদের সাক্ষী রেখে শামসুন্নাহার-কৃষ্ণারা সেখানকার আকাশে-বাতাসে লিখে দিয়ে এলেন দক্ষিণ এশিয়ার সেরা নারী ফুটবল দল আমরাই।

ম্যাচের প্রথম মিনিটেই আক্রমণে যায় বাংলার মেয়েরা। ডি-বক্সের বাইরে থেকে মারিয়া মান্ডার জোরালো শট আটকে দেন নেপাল গোলরক্ষক। ফিরতি শটে সিরাত জাহান স্বপ্না চেষ্টা করলেও লক্ষ্যভেদ হয়নি।

ম্যাচের ১০ মিনিটে গর্জে ওঠা দশরথ স্টেডিয়ামে নীরবতা নামিয়ে আনেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। চোট পাওয়া স্বপ্নার জায়গায় মাঠে নেমে মনিকা চাকমার ক্রস থেকে ডান পায়ের দারুণ ভলিতে গোল করেন তিনি। এই টুর্নামেন্টের প্রথমবারের মতো গোল হজম করে স্বাগতিক নেপাল।

পিছিয়ে পড়ে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উইং ধরে বেশ ক’বার আক্রমণে উঠেছিল নেপাল। এদিন গোলরক্ষক রুপনা চাকমা ও ডিফেন্ডারদের কঠিন পরীক্ষাই নিয়েছেন নেপালি ফরওয়ার্ডরা। তবে বিপদ হতে দেননি তারা। ৩৫ মিনিটের মাথায় নেপালের আনিতা বাসনেতের দারুণ এক ফ্রিকিক দুর্দান্ত রিফ্লেক্সে রুপনা ঠেকিয়ে দিলে কর্নার পায় নেপাল।

সেই কর্নার থেকে জটলার মধ্য দিয়ে লক্ষ্যভেদের চেষ্টা করেও ব্যর্থ নেপাল। গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করেন ডিফেন্ডার মাসুরা পারভীন। ঝিমিয়ে পড়া দশরথ স্টেডিয়াম আবারও জেগে ওঠে তখন। তবে ৪২ মিনিটে কৃষ্ণা রানীর বাঁ-পায়ের দারুণ এক ফিনিশিংয়ে আবারও নীরবতা নেমে আসে গ্যালারিতে। নেপালি ডিফেন্ডারদের ভুলকে কাজে লাগিয়ে অধিনায়ক সাবিনার বল বাড়ান ডি-বক্সে। সেখান থেকে বাঁম পায়ের দারুণ এক ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কৃষ্ণা। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে বাংলাদেশ।

টানা আক্রমণের ফল নেপাল পেয়েছে ম্যাচের ৭০ মিনিটে। আনমার্কড অবস্থায় থাকা আনিতার জোরালো শটে প্রথম গোলের দেখা পায় নেপাল কিন্তু সেটা কেবল ব্যবধানই কমায়।

ঘুরে দাঁড়াতে প্রত্যয়ী নেপালের জালে তৃতীয় গোলটা দেন কৃষ্ণা। কাউন্টার অ্যাটাকে ম্যাচের ৭৭ মিনিটে মনিকার বাড়ানো থ্রু ঠাণ্ডা মাথার দারুণ ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই কৃষ্ণা। ৩-১ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সাবিনারা।



আরও খবর

বিশ্বকাপ নিশ্চিত নারী ক্রিকেট দলের

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুকুট নিয়ে আজ ফিরছে বাঘিনীরা

বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২