Logo
শিরোনাম

কুমিল্লার কুমিল্লায় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:Tuesday ২৯ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রা‌মে ২০০৯সা‌লের ২৫জুন গৃহবধূ ঝর্ণা আক্তারকে যৌতুকের জন্য হত্যার ঘটনায় ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও দশহাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ অনাদা‌য়ে ২মা‌সের সশ্রম কারাদ‌ন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।                                          বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেষাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত। 

দণ্ডপ্রাপ্ত হ‌লেন জেলার চৌদ্দগ্রা‌মের আব্দুল কাদের। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার মালু মিয়ার ছেলে। 

নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেশাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত জানান  ২০০৯ সালের ২৪ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার আব্দুল কাদের তার স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার ৪ মাস আগেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের কথা থাকলেও তারা ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি ৩০ হাজার টাকার জন্যই তাকে হত্যা করে স্বামী আব্দুল কাদের। পরে তার লাশ পাশবর্তী একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার পর নিহতের বোন খা‌লেদা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত‌্যা  মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা,ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেটসহ ১২জ‌নের স্বাক্ষ‌্য গ্রহ‌ণ শে‌ষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর মামলার রায় দেন আদালত।  রা‌য়ে স্বামীর  মৃতু‌্যদন্ড হ‌লে এ মামলায় বাকী আসামী ২জন‌কে ‌বেকসুর খালাস প্রদান ক‌রে আদালত।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। আদাল‌তের রা‌য়ের পর আসামী‌কে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হ‌য়ে‌‌ছে। ২০০৯সা‌লের ২৫জুন গৃহবধূ ঝর্ণা আক্তারকে যৌতুকের জন্য হত্যার ঘটনায় ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও দশহাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ অনাদা‌য়ে ২মা‌সের সশ্রম কারাদ‌ন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় দেন।                                          বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালতের নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেষাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত। 

দণ্ডপ্রাপ্ত হ‌লেন জেলার চৌদ্দগ্রা‌মের আব্দুল কাদের। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার মালু মিয়ার ছেলে। 

নারী ও শিশু  নির্যাতন দমন ট্রাইবু‌্যনাল -১ এর স্পেশাল পি‌পি প্রদীপ কুমার দত্ত জানান  ২০০৯ সালের ২৪ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমার ডোগা এলাকার আব্দুল কাদের তার স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার ৪ মাস আগেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের কথা থাকলেও তারা ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি ৩০ হাজার টাকার জন্যই তাকে হত্যা করে স্বামী আব্দুল কাদের। পরে তার লাশ পাশবর্তী একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ঘটনার পর নিহতের বোন খা‌লেদা বেগম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত‌্যা  মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা,ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেটসহ ১২জ‌নের স্বাক্ষ‌্য গ্রহ‌ণ শে‌ষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর মামলার রায় দেন আদালত।  রা‌য়ে স্বামীর  মৃতু‌্যদন্ড হ‌লে এ মামলায় বাকী আসামী ২জন‌কে ‌বেকসুর খালাস প্রদান ক‌রে আদালত।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো। আদাল‌তের রা‌য়ের পর আসামী‌কে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হ‌য়ে‌‌ছে।


আরও খবর



নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় রিপোর্টার্স ক্লাবের মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত:Monday ০৬ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

জেলা প্রতিনিধি (নেত্রকোনা)

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে

সময় টিভির বার্তা প্রধান মুজতবা দানিশ ও রংপুর বিভাগের ব্যুরো প্রধান রতন সরকার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে হয়রানির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  

আজ সোমবার বিকাল সাড়ে তিনটায় কেন্দুয়া উপজেলা  রিপোর্টার্স ক্লাবের সামনের সড়কে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়।  

দেশবরেণ্য সাংবাদিক সময় টিভির বার্তা প্রধান মুজতবা দানিশ ও সময় টিভির রংপুর বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান রতন সরকার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বার বার হয়রানি এবং মানহানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে একাট্টা হয়েছেন সাংবাদিক, লেখক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজ।

ক্লাবের সম্পাদক লাইমুন হোসেন ভূইয়ার সঞ্চালনায় ক্লাবের সভাপতি আসাদুল করিম মামুন সভাপতিত্ব করেন। 

বক্তব্য রাখেন,  কেন্দুয়া উপজেলা উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি সাংবাদিক লেখক রাখাল বিশ্বাস,  সাবেক রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ সভাপতি ভোরের ডাকের সাংবাদিক আবুল কাশেম আকন্দ, সাবেক সহ সভাপতি যুগান্তরের সাংবাদিক মামুনুর রশীদ মামুন, সাংবাদিক আয়নাল হক, ইত্তেফাক ও ঢাকা পোস্টে সাংবাদিক জিয়াউর রহমান জীবন, দৈনিক সংবাদের হুমায়ুন কবির,  কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সদস্য ও মানবজমিন সাংবাদিক মজিবুর রহমান, মানবাধিকারকর্মী মামুনুল কবীর খান হলি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা রসেল মিল্কী, সাংবাদিক কায়সার তালুকদার ও আলপনা বেগম প্রমুখ।  

প্রতিবাদে কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিক,  উদীচী উপজেলা কমিটি,  মানবাধিকার সংগঠন ছাত্র শিক্ষক সহ নেত্রকোনা জেলার সাংবাদিকরাও অংশ নিয়ে প্রতিবাদ জানান।   

বক্তারা বলেন, দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমের বার্তা প্রধানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা নামক আইনের মাধ্যমে অবিলম্বে পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়। ডিজিটাল আইন নামক কালো আইন প্রণয়ন এর পর থেকে বিভিন্ন ভাবে সাংবাদিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে এ আইন প্রয়োগ করে। এ আইনের ফলে সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতার জন্য এই আইনের সংশোধন প্রয়োজন।

সাংবাদিক রতন সরকারসহ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথা প্রত্যাহার করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। 


আরও খবর



অস্তিত্ব সংকটে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী দখল ও দূষণে পড়েছে রীতিমতো অস্তিত্ব সংকটে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে মৃতপ্রায় এ নদী উদ্ধারে এগিয়ে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নদীর ৫০০ একর ভূমি উদ্ধারে ১৫৭ জন প্রভাবশালী দখলদারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এই সংস্থা। ইতোমধ্যে কিছু দখলদারকে নোটিশও দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর উপসহকারী পরিচালক জানান, পর্যায়ক্রমে বাঁকখালী নদীর সব দখলদারের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বাঁকখালী দখলদারদের তালিকা তৈরি করে তাদের উচ্ছেদ এবং দূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নদীর তীরে চিংড়ি চাষ, তামাক বা ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ইজারা প্রদান থেকে বিরত থাকতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ ১০ সরকারি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

কিন্তু আদালতের নির্দেশনার ছয় বছর পরও জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা কক্সবাজার পৌরসভা কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। দখলবাজ চক্র নদী তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার পাশাপাশি বাঁকখালী নদীর জমি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ গ্রহণের নজিরও রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে নদী দখলদারদের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে প্রভাবশালী অনেকের নাম বাদ পড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে ওই তালিকার বাইরে থাকা দখলদারদের বিরুদ্ধেও দুদক তদন্ত করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের উত্তর নুনিয়াছড়া থেকে মাঝেরঘাট পর্যন্ত নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় ভরাট ও দখল তৎপরতা বেশি। কস্তুরাঘাটের বিআইডব্লিউআইটি টার্মিনাল সংলগ্ন নদীর ভরাট জমিতে গড়ে উঠেছে নানা স্থাপনা। তৈরি হয়েছে চিংড়িঘের, লবণ উৎপাদনের মাঠ, প্লট বিক্রির হাউজিং কোম্পানি, নৌযান মেরামতের ডকইয়ার্ড, ময়দা ও বরফ কল, শুঁটকি মহালসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি।

শহরের চারটি পয়েন্টে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদীর তলদেশ ভরাট করছে খোদ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ভরাট নদীতে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিনের কারণে কেওড়া ও বাইন গাছের প্যারাবন মরে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।

আদালতের নির্দেশের পর প্রশাসন কতিপয় দখলদারের একটি তালিকা তৈরি করে নোটিশ জারি করেছিল। এরপর কয়েক দফা লোকদেখানো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ হয়নি। উচ্ছেদ হয়নি অবৈধ দখলদারও। প্রায় ৮০ কিলোমিটারের এই নদীর বাংলাবাজার থেকে নুনিয়াছড়া পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার অংশে দখলের ঘটনা বাড়ছে। এসব এলাকায় দখলদারের সংখ্যা অন্তত এক হাজার।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁকখালী নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। খুব শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আরও খবর



স্কুলকে মোবাইল অ্যাপে নিয়ে আসলেন ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শিখন ব্যবস্থাপনা অ্যাপ তৈরি করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে উপজেলা প্রশাসন।       নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সোহেল রানার উদ্ভাবিত মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে উপজেলা ও জেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের শিখন ব্যবস্থাপনায় এনেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। রুটিন থেকে শুরু করে লেসন প্ল্যান, শিক্ষা সহায়ক ডিজিটাল উপকরণসহ শিখন কার্যক্রমের পুরোটা এখন চলছে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। নতুন বছরের শুরুতে অ্যাপ ভিত্তিক শিখন শেখানো কার্যক্রম হাতের মুঠোয় পেয়ে চরম খুশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নেও এ অ্যাপ হতে পারে দারুণ সহায়ক।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে শিখন কার্যক্রমকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হয়। তবে, বাংলাদেশের স্কুল কলেজের জন্য এক নতুন ধরণের লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উদ্ভাবন করলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও সোহেল রানা। ‘শিক্ষায়তন’ নামের এই লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম একটি স্যাস ( সফটওয়ার এজ এ সার্ভিস) মডেল অনুসারে তৈরী করা ই-সার্ভিস এপ্লিকেশন যাতে দুইটি ওয়েব বেজড প্ল্যাটফর্ম ও একটি মোবাইল এ্যাপ। পুরো সিস্টেমটির স্পেসিফিকেশন ডিজাইন করেছেন ইউএনও সোহেল রানা। এই ডিজাইনটিকে বাস্তবায়ন করতে জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা পরবর্তীতে বিজনেস একসিলারেট বিডি নামে একটি টেকনোলজি পার্টনার নিযুক্ত করে যারা সফলভাবে এই লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেভেলাপ করে। সফল পাইলটিং শেষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্তমানে কুমিল্লার ৫টি স্কুলে বাস্তবায়নাধীন আছে সফটওয়ারটি। স্কুল ৫টি হলো কুমিল্লার কালেক্টরেট স্কুল, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলাধীন শিদলাই আশরাফ স্কুল, ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ওশান হাই স্কুল এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। 

মূলত এই প্ল্যাটফর্মে স্কুলের সকল কার্যক্রম প্রধান শিক্ষক ওয়েব প্ল্যাটফর্মে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মোবাইল অ্যাপে করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিটি কোর্সে আলাদা আলাদাভাবে সাজানো আছে। কোর্সের ভেতরে সেই কোর্সে সকল ক্লাসের আলাদা ডাইনামিক সেকশন আছে যেখানে শিক্ষকেরা অতিরিক্ত লার্নিং ম্যাটেরিয়াল জমা করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরা তা দেখতে পাবেন। শিক্ষকেরা  অ্যাপে লেকচার নোট আপলোড করতে পারবেন, শিক্ষার্থীদের গ্রুপে ভাগ করতে পারবেন, ক্লাসে নোটিফিকেশন পাঠাতে পারবেন, এসাইনমেন্ট দিতে পারবেন ও জমা নিতে পারবেন, গ্রেড বসাতে পারবেন। ক্লাসে বসে সফটওয়্যার ব্যবহার করে শিক্ষকেরা হাজিরা নিতে পারবেন। অর্থাৎ স্কুলের সকল কার্যক্রম মোবাইল অ্যাপে করতে পারবেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও, প্রত্যেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের রয়েছে নিজস্ব ওয়েব পেইজ। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে  ইউএনও সোহেল রানা বলেন, ‘ লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ধারণাটি বেশ পুরনো। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্যানভাস, মুডল, স্কুলজি, ব্ল্যাকবোর্ড ইত্যাদি নানা ধরণের লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আছে। এগুলো স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার থেকে কিছুটা ভিন্ন ধাচের। তবে, নানা ধরণের সফটওয়্যার এর ডিজাইন বিশ্লেষণ করে, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনান্তে স্থানীয় চাহিদা নআমরা কুমিল্লার সকল স্কুলে এটি বাস্তবায়ন করতে চাই ও পরবর্তীতে সরকার বড় পরিসরে পুরো বাংলাদেশে এটি ছড়িয়ে দিতে পারে। শিক্ষার মানোন্নয়নে ও সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে, এটি বাস্তবায়নের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে যেগুলো মোকাবিলা করে সামনে এগুতে হবে।’ 

কু‌মিল্লার সাবেক জেলা প্রশাসক  ও বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান,“ আমি জেলা প্রশাসনে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করে আসছি। কাজ করতে গিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে যুগোপযোগি করে তোলার কথা মাথায় আসে। ব্রাহ্মণপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল রানা শিক্ষাক্ষেত্রে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আধুনিকায়নের কথা বললে আমরা সেই অভাব পূরণের লক্ষ্যে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরী করার উদ্যোগ গ্রহণ করি এবং পরবর্তীতে তা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেই। সেখান থেকেই মূলত শিক্ষায়তনের যাত্রা শুরু।”

শিক্ষায়তনের টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন বিজনেস একসিলারেটের সিইও কামরুল হাসান সুমন। তিনি বলেন এ ধরণের সফটওয়্যারের ব্যবহার দেশে নেই। “ দেশে প্রচলিত সফটওয়্যারগুলোতে  ক্লাসরুমে কি পড়ানো হচ্ছে সে বিষয়টি সংযোগ করার অপশন কম। শিক্ষায়তনের মাধ্যমে অভিভাবক, শিক্ষার্থীরা জানতে পারবেন তার বাচ্চারা কি পড়ছে। যেগুলো আছে (যেমন টেন মিনিট স্কুল) তাদের অধিকাংশ কনটেন্ট নির্ভর সেবা দেয়। আমাদের এই সফটওয়্যার কনটেন্ট নির্ভর নেই। জেলা প্রশাসনের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে এরকম সফটওয়্যার এর ডিজাইন অভাবনীয়। আমরা এই উদ্যোগের অংশীদার হতে পেরে গর্বিত এবং ভবিষ্যতে এটিকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে ইচ্ছুক।” 

ভগবান সরকারি স্কুলে শিক্ষায়তন বাস্তবায়ন করছেন বিজ্ঞান শিক্ষক মহিউদ্দিন পলাশ। তিনি  জানান শিক্ষায়তন এমন একটি সফটওয়্যার যেখানে এক কথায় শ্রেণি কার্যক্রমের সবকিছু রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মোবাইলের মাধ্যমে উন্নত মানের শিক্ষা সেবা গ্রহণ করতে পারবে। অ্যাপের  মাধ্যমে শিক্ষকদের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। বিশেষ করে তদের টিচিং প্ল্যান সাজানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।    

বর্তমানে www.sikkhayton.gov.bd   ইউআরএলের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা যাবে ও গুগল প্লে স্টোরে এপের নাম ‘শিক্ষায়তন’ অথবা ‘sikkhayton’ নামে এন্ড্রয়েড অ্যাপটি পাওয়া যাবে। শিক্ষায়তন নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে চাইলে আগ্রহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা অথবা উপজেলা প্রশাসন, ব্রাহ্মণপাড়ার সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।


আরও খবর



ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহত শতাধিক

প্রকাশিত:Monday ০৬ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

তুরস্ক এবং সিরিয়ায় সাত দশমিক আট মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১১৮ জন নিহত হয়েছে। তুর্কি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, দেশটিতে নিহত হয়েছে ৭৬ জন। আহত ৪৪০ জন।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দেশটিতে নিহত হয়েছে ৪২ জন। আহত হয়েছে দুই শতাধিক। ধসে গেছে বহু আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন। আটকে পড়েছে অনেকে। একই ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে লেবানন এবং সাইপ্রাসে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, ভোর চারটায় তুরস্কের কাহরামানমারাস প্রদেশের পাজারসিক জেলায় ভুমিকম্প আঘাত হানে। ভুকম্পনের উৎপত্তি ১৭ দশমিক নয় কিলোমিটার গভীরে। ৪৫ সেকেন্ডের মতো ভূকম্পন স্থায়ী হয় বলে জানায় বিবিসি। ১৫ মিনিট পর তুরস্কের গাজিয়ানটেপে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ১৯৯৯ সালে দেশটির উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৭ হাজার মানুষ নিহত হয়। 


আরও খবর



র‌্যাবের অভিযানে ৩১০ বোতল ফেন্সিডিল সহ যুবক আটক

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার  :

র‌্যাবের অভিযানে ৩১০ বোতল ফেন্সিডিল সহ মাদক কারবারি যুবক আটক।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, কাম্প থেকে প্রতিবেদক কে জানানো হয়, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এর নেতৃত্বে সোমবার ১৬ জানুয়ারি ভোর সকালে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার করিয়া বর্ডার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৩১০ বোতল ফেন্সিডিল সহ মাদক কারবারি বেলাল হোসেন (৩২) নামে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেন। আটককৃত বেলাল হোসেন পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম করিয়া গ্রামের সায়েম উদ্দিন এর ছেলে।

র‌্যাব আরো জানান, আটককৃত বেলাল হোসেন কোরিয়া সীমান্ত এলাকার একজন বড় মাদক ব্যবসায়ী। সে ওই এলাকায় ফেন্সিডিলের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করত। আজ আমরা খবর পেয়েছি যে, আসামিরা সীমান্ত এলাকা থেকে ফেন্সিডিলের একটি বড় চালান আনতে যাচ্ছে। আর ভোরবেলা সেই মাদক অন্য পার্টিকে পৌঁছে দেওয়া হবে। এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে কোরিয়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। এব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।


আরও খবর