Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

কুমিল্লায় শিশু অপহরণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে এডভোকেট মোঃ খোরশেদ আলমের শিশু সন্তান আনাস ইসলাম নুহিনকে অপহরণসহ মুক্তিপণ আদায়ের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে  কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০১ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন। রায় প্রদানকালে এ মামলার আসামি আবু ইউসুফ আদাল‌তের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়- ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় সময় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা হালে লালমাই উপজেলাধীন রাইপুর গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়মিত সদস্য এডভোকেট খোরশেদ আমলের শিশু সন্তান ভিকটিম আনাস ইসলাম নাহিদ (১০) আইসক্রিম খাওয়ার জন্য দশ টাকা নিয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নতুন পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ভাড়া বাসা হতে বের হয়ে পাশের দোকানে গেলে ভিকটিম নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে বাসায় ফিরে না আসায় অনেক খোঁজাখুজি না পেয়ে পরদিন সদর দক্ষিণ মডেল থানায় সাধারণ ডায়রী করে (যাহার নং ৪১৬)। পরবর্তীতে ঐদিন সকাল ৯টায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মোবাইল হতে ভিকটিমের পিতার ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন করে জানায় যে, ভিকটিম আনাস ইসলাম নাহিদ আসামির হেফাজতে রহিয়াছে, ভিকটিমকে সুস্থ ফেরত পেতে হলে ৪০,হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবী করিলে নচেৎ ভিকটিমকে প্রাণনাশ করিয়া ফেলিবে। ভিকটিমের পিতা নিরুপায় হয়ে তিনধাপে ৩৫হাজার টাকা নগদে পাঠালে কুমিল্লা মডেল থানাধীন আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের উত্তর পাশে ছেড়ে দেয়। ভিকটিমের পিতা সংবাদ পেয়ে সন্ধ্যা ৬টায় ভিকটিমকে উদ্ধার করেন। সেই সূত্রধরে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খালেকুজ্জামান ভিকটিমের অপহৃতের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহপূর্বক আসামি আবু ইউসুফকে গ্রেফতার করিলে আসামি স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দেন।তৎপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খালেকুজ্জামান তদন্তপূর্বক ২০২১ সালের ২৫ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩) এর ৭/৮ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট দাখিল করিলে আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন। তৎপর ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানী অন্তে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার আসামি আবু ইউসুফকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭ ধারায় দোষী সাব্যস্তক্রমে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ৮ ধারায় দোষী সাব্যস্তক্রমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায়ে আরও উল্লেখ্য করেন যে, উভয় সাজার মেয়াদ একত্রে কার্যকর হবে এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির হাজতকালীন সময় তার সাজার মেয়াদ হতে কর্তন হবে। 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু ইউসুফ হলেন নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার  ঠনারপাড় ( আবুল খায়ের মেম্বারের বাড়ী) নিবাসী মোঃ ইসমাইলের ছেলে।  

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজী‌বি এডভোকেট প্রদীপ কুমা দত্ত বলেন- এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ খুশি।

ভিকটিমের পিতা এডভোকেট খোরশেদ আমল বলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০১ এর বিচারক আজকে যে যুগান্তকারী রায় দিয়েছে আমি সন্তুষ্ট। এরফলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমি মনে করি।


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আতঙ্কে তুমব্রু সীমান্তবাসী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

অস্ত্রসহ পালিয়ে আসা তিন শ বিজিপি ও জান্তা সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের মধ্যে সন্ত্রাসী দলের সদস্য হলে তা রোহিঙ্গাদের মতো বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এদের মধ্যে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর গুপ্তচর থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা। এই জান্তা বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

সীমান্ত এলাকা পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা মুসলিম নিধনে যারা অংশ নিয়েছিল পালিয়ে আসাদের মধ্যে তারাও থাকতে পারে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্থিরতা সৃষ্টি কিংবা বাংলাদেশে গুপ্তচরবৃত্তি করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার বলেও তিনি মনে করছেন।

তিনি আরো বলেন, তাদের এখন ফেরত না পাঠিয়ে এখানে ডিটেনশনে রাখা উচিত। কারণ এই বাহিনীটা মিয়ানমারে গণহত্যার জন্য দায়ী। রোহিঙ্গা গণহত্যা এবং জাতিগত নিধনে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিচারে প্রয়োজনে আর্ন্তজাতিক আদালতের সহায়তাও চাইতে পারে বাংলাদেশ।

মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে গোলাগুলি থেকে রক্ষা পেতে, এবার বাড়িঘরেই বাঙ্কার তৈরি করে থাকছেন তুমব্রুবাসী।

রোববারও মিয়ানমারের এক সৈনিকের লাশ ভেসে এসেছে পালংখালীতে। তবে ২৪ ঘণ্টায় তেমন কোনো গোলাগুলির শব্দ না আসায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে।

ঘটনাস্থল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু থেকেও আরো পাঁচ কিলোমিটার ভেতরে কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীদের একটি নজরদারি চৌকি। সেখানে একটি টং ঘরের মধ্যে পাঁচজন বসে আছেন। যাদের মধ্যে আরাকান আর্মির ইউনিফর্ম পড়া একজন আর বাকিরা সাধারণ পোশাকে। তাদের সবাই অস্ত্রধারী। মাঝেমধ্যে নিজেরা কথা বলছেন।

এলাকাবাসী বলছেন, এরা সবাই আরাকান আর্মির সদস্য। সাত দিনেরও বেশি সময় সঙ্ঘাতের পর, এখন রাখাইন রাজ্যটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আরাকান আর্মি। তারাই পাহারা দিচ্ছে সীমান্তে। এপার থেকে তাদের স্পষ্ট দেখা যায়।

ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তের বিভিন্ন সীমান্ত প্রাচীরে আরাকান আর্মির সদস্যদের সশস্ত্র অবস্থায় পাহারা দিতে দেখা গেছে। সেখানে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সেনাবাহিনীর কোনো উপস্থিতি চোখে পড়েনি। ২৪ ঘণ্টাতে তেমন কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক এখনো কাটেনি।

তুমব্রুর হেডম্যান পাড়ার সামনে মনিরুল ইসলাম নামে একজনের দোকান আছে। মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষীদের যে ক্যাম্প রয়েছে, ঠিক সেই পাহাড়ের নিচেই তার দোকান। তিনি জানান, গুলি থেকে বাঁচতে রাস্তার নিচের পানি চলাচলের বাঁধকে তিনি এখন বাঙ্কার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

এলাকার অনেক বাড়িতেই এখন এ রকম বাঙ্কারের মতো গর্ত খুড়ে নিজেদের নিরাপত্তা নিজেরাই নিশ্চিত করেছেন এলাকাবাসী। খুব প্রয়োজন ছাড়া মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সীমান্তের কাছাকাছি নিজের জমিতেও যাওয়া নিষেধ করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদগুলো।

ঘুমধুমের ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি উন্নতির পর এখন স্বাভাবিকভাবে মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। কিন্তু সীমান্তে বসবাসকারীদের মাঝে পুরোপুরি আতঙ্ক কাটেনি। গতকাল রোববার রাতে দুটি গুলির শব্দ শোনা গেলেও আজ সোমবার বেলা ১২টা পর্যন্ত কোনো প্রকার গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে, তুমব্রু সীমান্তে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে পড়ে থাকা দুটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেডযুক্ত রকেটের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। রোববার বিকেল ৪টার দিকে তমব্রু সড়কের দুই শ গজ দূরে ব্রিজ ও সড়কের পাশে দুটি মর্টার শেল নিষ্ক্রিয় করা হয়।

শনিবার সকালে তুমব্রু সীমান্তের পশ্চিমকুলে ফসলের ক্ষেতে কাজ করার সময় অবিস্ফোরিত রকেট লঞ্চার দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে বিজিবিকে জানানো হলে বেলা ১১টায় দুটি রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করা হয়। পরে একটি স্থানে নিরাপদে রেখে দেয়া হয়, চারপাশে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয় লাল পতাকা।

অন্যদিকে রোববার দুপুরে সীমান্তের বেশ কয়েক কিলোমিটার ভেতরে খালের মধ্যে ভেসে আসে একটি লাশ। নিহতের মাথায় হেলমেট, গায়ে ইউনিফর্ম ও লাইফ জ্যাকেট পরা। তাকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সৈনিক বলেই মনে করা হচ্ছে।

উখিয়া থানার ওসি শামীম হোসেন জানান, উপজেলার বালুখালী কাস্টমস এলাকায় লাশটি দেখা যায়। মাথায় জলপাই রঙয়ের হেলমেট আর খাকি পোশাক পরা লাশটি মিয়ানমার থেকে ভেসে বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয়রাও মনে করছেন, লাশটি মিয়ানমার থেকে ভেসে আসার সম্ভাবনা বেশি। গোলাগুলি কমেছে, মিয়ানমারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি ও আরকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের হাত থেকে প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ৩৩০ জন সৈন্য বিজিবির কাছে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। দুদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনার পর তাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়। এরই মধ্যে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।


আরও খবর



লাগামহীন সবজির বাজার

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

ভরা মৌসুমে বাজারে প্রচুর সরবরাহ থাকার পরেও ফের লাগামহীন সবজির দাম। ৬০ টাকার নিচে তেমন কোনো সবজি নেই বললেই চলে। মৌসুম শুরু হলেও কিছুতেই কমছে না আলুর দাম। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে মুরগি ও পেঁয়াজের দাম।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, গোল বেগুন ৮০-৯০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ পিস, বাঁধাকপি ৪০-৫০ টাকা, শিম ৮০-১০০ টাকা, টমেটো ৭০-৮০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৭০-৮০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৭০-১০০ টাকা, শসা ৫০-৬০, মূলা ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে কিছুটা কমে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও শাকের মধ্যে সরিষা শাক আঁটি ১৫ টাকা, ডাটা শাক ১৫ টাকা, মূলার শাক ১৫ টাকা, লাউ শাক ৪০-৫০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় ভ্যানে কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোতে প্রত্যেক সবজির দাম ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বাজারে প্রচুর নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ প্রচুর থাকলেও কমছে না দাম। ভরা মৌসুমেও হলেন্ডের আলু ৫০-৫৫ টাকা, দেশি আলু ৭০-৮০ টাকা, পেঁয়াজ ৮০-৯০ টাকা, রসুন ২৬০-২৮০ টাকা, আদা ২০০-২২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে অস্বস্তি রয়েই গেছে মাছ-মাংসের বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লা মুরগির দাম ১০ টাকা কমলেও বিক্রি হচ্ছে ১৯০-১৯৫ টাকা কেজি। সোনালি ৩০০-৩৩০ টাকা। আবারও গরুর মাংস ৭০০-৭৫০ টাকায় দাম উঠেছে।

মাছের বাজারে তেলাপিয়া ২০০-২২০ ও পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও একই দামে বিক্রি হয়েছে। অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এছাড়াও ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। মাছ যত বড় তার দাম ততো বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

 


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাণীনগরে লুট হওয়া ৫০০টি হাঁস উদ্ধার, গ্রেফতার চার

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ)  :

নওগাঁর রাণীনগর থেকে লুট হওয়া ৫০০টি হাঁস উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ঘটনার সাথে জড়িত চারজনকে আটকসহ লুটের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও একটি পিকআপ গাড়ী জব্দ করা হয়েছে। শনিবার তাদেরকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ জানান,সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মহেশ রৌহালী গ্রামের রাশেদ আলীর তিনজন কর্মচারী রাণীনগর উপজেলার ভাটকৈ এলাকায় হাঁসগুলো দিনভর মাঠে ছেরে দিয়ে খাওয়ানোর পর রাস্তার পাশে রেখে ঘুমাচ্ছিলেন। এসময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হাঁস ওই তিনজন কর্মচারীকে বেঁধে রেখে ৫০০টি হাঁস এবং ৬০০টি ডিম ও দুইটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। এঘটনায় হাঁসের মালিক রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে শুক্রবার সকালে রাণীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে ওই দিন বিকেলে অভিযান চালিয়ে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বেজার গ্রামের এরশাদুলের ছেলে আহাদ আলী (২৮) কে সান্তাহার এলাকা থেকে লুটের কাজে ব্যবহৃত একটি মটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে, রাত ভর মোহাম্মদ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে  হিমেল (২৫), সাকিবুর (২৫) ও রাহিদ (২২)কে আটক করে। এসময় তাদের নিকট থেকে লুটের ৫০০টি হাঁস,একটি মোবাইল ফোন,লুটের কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়। আটক হিমেল নওগাঁ সদরের খাস নওগাঁ মফিজ পাড়া গ্রামের ছামছুর রহমানের ছেলে,সাকিবুর নওগাঁর মান্দা উপজেলার পারসিমলা গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে এবং রাহিদ বগুড়া সদর থানার কুমিরা পশ্চিমপাড়া গ্রামের হানিফের ছেলে।  শনিবার বিকেলে তাদেরকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা অস্ত্রসহ আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে একটি এলজি ও এক রাউন্ড কার্তুজসহ চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক রাকিব  হোসেন সুমনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার গোলাম মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এর আগে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ জানান, একই দিন র‌্যাব তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে থানায় হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে একই থানায় আরও একটি মামলা রয়েছে। অস্ত্র্রসহ আটককৃত সুমন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামের তুলাতলি এলাকার লোকমান হোসেনের ছেলে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কাজী মামুনুর রশিদ বাবলুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।  

পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, সুমন দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হিসেবে এলাকায় আধিপত্ত বিস্তার করে আসছে। সে আটক হওয়ার আগেও  বেশ কিছুদিন ধরে চন্দ্রগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মারামারি ও দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ নানাবিধ অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা হতো। তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলাসহ অনেকগুলো অভিযোগ রয়েছে। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে এক রাউন্ড কার্তুজ ও একটি এলজিসহ তাকে আটক করা হয়।  

র‌্যাব ১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার গোলাম মোর্শেদ বলেন, অস্ত্র আইনে সুমনের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



কেমন আছেন ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image
  1. মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

হাতে গোণা যে ক'জন মানুষকে এখনো গুরুজন বলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে ইচ্ছে করে তাদের মধ্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক (ডলার মল্লিক) চাচা অন্যতম। প্রিয়ভূমি ধামরাইয়ের এই কৃতি সন্তান পঞ্চাশের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাজশাহী কলেজের একজন তুখোড়  ছাত্রনেতা হিসাবে প্রগতিশীল ও বামধারার রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রভাষার দাবি রাজশাহীর ছাত্র জনতার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং সংস্কৃতির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনন্য অবদান রেখেছেন। যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়েছে। রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভুবন মোহন পার্কে নির্মিত ভাষা সৈনিক স্মারক স্মৃতিস্তম্ভে তাঁর নাম সগৌরবে স্থান পেয়েছে। পেশাগত জীবনে অধ্যাপনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন। ব্যাংকিং সেক্টরে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের অর্থনীতিবিদদের সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এখন অবসর জীবন যাপন করছেন। এই মানুষটির কাছে গেলে মনে হয় খর রৌদ্রে বটের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছি। তিনি শুধু আমাদের গুরুজন নন, অকৃত্রিম শুভাকাঙ্ক্ষীও বটে। দেখা হলেই বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন, কপালে একটা চুমু দেন। ত্রিকালদর্শী এই গুণী মানুষটির স্নেহ সান্নিধ্যে সময় কাটাতে পারাটাও সৌভাগ্যের। তাঁর  পাশে বসলে অনায়াসে ঘুরে আসা যায় ইতিহাসের নানা বাঁকে। আলাপচারিতায় তাঁর জ্ঞানগর্ভ কথাবার্তা সেদিন শুনছিলাম আর অনুপ্রাণিত হচ্ছিলাম। প্রখর জীবন বোধের মানুষ অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক। এমন জ্ঞানী প্রাজ্ঞজনের মুখোমুখি মাঝে মধ্যে বসলে নিজেকে বিশুদ্ধ করার তালিম পাওয়া যায়। আমাদের জাতীয় চেতনার স্মারক অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমাদের ধামরাইবাসীর অহংকার ও গর্বের প্রতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি অধ্যাপক এল. আর. মল্লিকের প্রতি অতল শ্রদ্ধা জানাই আর প্রার্থনা করি তিনি শতায়ু হোন..


আরও খবর