Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নওগাঁয় পশুর হাটে অতিরিক্ত টোল আদায় করার দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বাজার, হাট ও দোকান গুলোতে সরকারের বেধে দেওয়া দামে নিত্যপণ্য বিক্রি করতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে উপজেলা প্রশাসন। 

এসময় গরু-ছাগলের হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের দায়ে ও মুল্য তালিকা না থাকায় হাট কর্তৃপক্ষকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে কোন ব্যবসায়ী কিংবা কোন দোকানীরা পণ্য বিক্রিতে অবৈধ পন্থা অবলম্বন করছে কিনা সেই বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত এই ধরণের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুরে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আবাদপুকুর হাটে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসময় গরু-ছাগলের হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের দায়ে ও মুল্য তালিকা না থাকায় হাট কর্তৃপক্ষকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্য এক দোকানে ফলের দাম বেশি রাখায় ২শ' টাকা অর্থদন্ড করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইন। এসময় উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, পুলিশ সদস্য প্রমুখ ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইন বলেন সারা বছরই বাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরমধ্যে রমজান মাস একটি বিশেষ সময় বলে এই সময়ে যেন কোন ব্যবসায়ী ও দোকানীরা ক্রেতাদের জিম্মি করে সরকারের বেধে দেয়া দামের বাহিরে কোন পণ্যের অতিরিক্ত দাম না নেয় সেই বিষয়টি ঠিক রাখতেই মূলত অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়ে থাকে। সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে উপজেলার বিভিন্ন হাট, বাজার, খাবার হোটেল, বিভিন্ন দোকানে এই শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রেখেছি। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক আগামীতেও এই ধরনের  অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। 


আরও খবর



আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় বাড়ছে চালের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

চলতি বছরের শুরু থেকেই অস্থিরতা লেগে আছে দেশের মানুষের প্রধান খাদ্যপণ্য চালের বাজারে। মন্ত্রী-সচিবদের হুমকি-ধমকি এবং মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানসহ সরকারের নানা পদক্ষেপেও স্বস্তি ফিরছে না। অভিযানের পর পাইকারি চালের বাজারে তাৎক্ষণিক নামমাত্র দাম কমলেও এর প্রভাব নেই খুচরা বাজারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু ভয় দেখালে হবে না, আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মোটা চাল (স্বর্ণা ও চায়না ইরি) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৫৩ টাকায়। মাঝারি মানের চাল (পাইজাম ও বিআর ২৮) ৫২-৫৭ টাকা এবং সরু চাল (মিনিকেট ও নাজিরশাইল) ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু হাস্কিং মিলের মোটা চাল ৪২-৪৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। অথচ চলতি জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকেও এসব চালের দাম প্রতি কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। চালের অবৈধ মজুত প্রতিরোধে নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সারাদেশে কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। মাগুরা জেলায় ৩৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জয়পুরহাটে ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অতিরিক্ত মজুত রাখায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া দিনাজপুরে ৬২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নেত্রকোণায় ২২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এসময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা ও ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি মাঠে কাজ করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। দাম নিয়ন্ত্রণে নিজেই সরাসরি বাজারে যাচ্ছেন অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। সম্প্রতি অভিযান পরিচালনার সময় তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত অবস্থায় ফেলতেই অযৌক্তিকভাবে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। ডিসেম্বরের পর হঠাৎ চালের দাম বেড়ে গেছে। এটি উত্তরাঞ্চলের মিলগুলো থেকে করা হয়েছে। মিল মালিকরা বলতে চাচ্ছেন ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা এটা করেছে। তবে ধানের দাম বাড়লেও সেই ধানের চাল বাজারে আসার কথা বৈশাখ মাসে। একটি অসাধু চক্র এর আগেই দাম বাড়িয়েছে। আর যারা এটা করছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশালের ফরিয়াপট্টি, চকবাজার এলাকার পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেন এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি বলেন, এসএমএসের (ক্ষুদে বার্তা) মাধ্যমে ডিম, ব্রয়লার মুরগির মতো চালের বাজারও অস্থির করে দেওয়া হচ্ছে। মাঝে মাঝে সুযোগ নিয়ে ১৭ কোটি ভোক্তাকে প্রতারিত করছে ক্ষুদ্র কয়েকটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। এর আগে আলু, ব্রয়লার মুরগি, ডিম নিয়ে যা করছে আজ চাল, কাল পেঁয়াজ নিয়েও তা করা হচ্ছে। আর এদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে আমাদের।

এদিকে না শোধরালে মজুতদারদের জেলে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রোববার নওগাঁয় এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, দেশে খাদ্য শস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সাধারণ মানুষের জন্য সরকারিভাবে ওএমএস চালু আছে। ডিজিটাল কার্ড প্রস্তুত হয়েছে। শিগগিরই ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে ওএমএস বিতরণ করা হবে। এতে এক ব্যক্তি বারবার চাল নিতে পারবেন না। চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে হলে ব্যবসায়ীদের অধিক লাভের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে। চালের দাম বৃদ্ধির পেছনে মিলার, পাইকারি, খুচরা ব্যবসায়ী ও করপোরেট সবার দায় রয়েছে। ফুডগ্রেইন লাইসেন্স স্পটে গিয়ে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। অনেকেই আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটা লাইসেন্স নিয়ে কোটি কোটি টাকার পণ্য মজুত করে ফেলেন। এটা তো হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন ২০২৩ পাস হয়েছে। বিধি প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি সংসদে অনুমোদন পেলে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আরও শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। শুধু জরিমানা করেই ছাড় নয়, অবৈধ মজুতদারেরা না শোধরালে তাদের জেলে যেতে হবে।

চালের মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে বাজারে সরবরাহের কোনো সংকট নেই জানিয়ে খাদ্যসচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে আসতে বাধ্য। না আসার কোনো কারণ নেই। সারাদেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই। আমন মৌসুম শেষ হলো। সুতরাং ভরা মৌসুমে চালের সংকট নেই। খাদ্যের সংকট হবে এমনটিও ভাবার কোনো কারণ নেই। যদি পরিস্থিতি এমন হয় মজুতদারেরা মূল্য কমাতে চাচ্ছে না, তাহলে জিরো ট্যাক্স করে আমরা বিদেশ থেকে চাল আমদানির অনুমতি নিয়ে নেব। তাহলে মজুতদারেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অপরদিকে, বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জাকির হোসেন রনি  বলেন, দীর্ঘদিন আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাদের লাগাম টানতে হবে।

এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস চেয়ারম্যান এস এম নাজের হোসাইন বলেন, এখনও চালের বাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। এখন খাদ্য মন্ত্রণালয় যে অভিযান চালাচ্ছে তার কোনো ইম্পেক্ট খুচরা বাজারে নাই। তারা যে পরিসরে অভিযান পরিচালনা করছে তা খুবই নগণ্য।

তিনি আরও বলেন, আমরা সরকার দুইটা বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছি। একটা হচ্ছে এই অভিযানটা খাদ্য মন্ত্রণালয় একা না করে জেলা প্রশাসক, ভোক্তা অধিদফতরসহ যেসব সংস্থা আছে তাদেরকে নিয়ে সমন্বিতভাবে যদি এটা করতো তাহলে এটার ফলোআপ থাকত। এখন মন্ত্রণালয় থেকে যেখানে যাচ্ছে পরবর্তীতে সেখানে আর কোনো ফলোআপ নাই। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, ব্যবসায়ীদেরকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং আইনে যে বিষয়গুলো বলা আছে তার কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে আইন প্রয়োগ হয় নাই। যার কারণে তারা বেপরোয়া হয়ে গেছে। এখন যে হাঁকডাক দেওয়া হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা তো জানে এই হাঁকডাক দুই-চার দিন থাকবে, তারপর আবার স্বাভাবিক। এজন্য আর হাঁকডাক না দিয়ে যদি অ্যাকশনে যাওয়া যায় তবে এর সুফল পাওয়া যাবে।


আরও খবর



গজারিয়ায় ৪৫'তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় কলেজ পর্যায়ে ১ম জিস্ট পলিটেকনিক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল (গজারিয়া) মুন্সীগঞ্জ: 

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় "বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী সমৃদ্ধি" স্লোগানকে সামনে রেখে গজারিয়া উপজেলা মিলনায়তন কক্ষে ৪৫'তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ্ এবং বিজ্ঞান মেলা- ২০২৪ এর সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

আয়োজিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় গজারিয়া উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করে।গজারিয়া ইন্সটিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি জিস্ট পলিটেকনিক গজারিয়া উপজেলায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে। এই অর্জনের ফলে উপজেলা পর্যায়ে টানা ২য় বারের মত ১ম স্থান অর্জন করে সফলতার ধারা অক্ষুন্ন রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২য় অর্জন করে গজারিয়া সরকারি কলেজ ও ৩য় স্থান অর্জন করে গজারিয়া কলিমুল্লাহ্ কলেজ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী সভায় গজারিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর আক্তার, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আতাউর রহমান নেকী খোকন, জিস্ট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট  অধ্যক্ষ ইঞ্জি. মোঃ মামুন শরীফ ও রেজিস্ট্রার ইঞ্জি. সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল সহ প্রমূখ শিক্ষক শিক্ষার্থী ও নানা শ্রেনী পেশার ব্যক্তিবর্গ ।


আরও খবর



নওগাঁর সংগ্রামী নারী মরিয়ম নারীদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরনা

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সংগ্রামী নারী মরিয়ম নারীদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরনা।

অতিথি পাখির কলরব, পানির কলকল শব্দ আর দূর থেকে ভেসে আসা মাঝির গানে নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী বিলে এক অন্যবদ্য প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্য ফোটে উঠেছে। নওগাঁ শহর থেকে ২৫কিলোমিটার দূরে প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে হাঁসাইগাড়ী বিল অবস্থিত। প্রতি নিয়তই বিভিন্ন স্থান থেকে বিলের সৌন্দর্য্য দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষের ঢল নামে। সেই হাসাই গাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মেঠো পথের প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন অদম্য নারী সংগ্রামী মরিয়ম আক্তারী। হাসাইগাড়ি গ্রামের শাহাদত হোসেন এর স্ত্রী মরিয়ম আক্তারী'র দু' ছেলে। বড় ছেলে পড়ালেখা শেষ করে বেসরকারী একটি কোম্পানীতে চাকরী করছেন আর ছোট ছেলে ডিপ্লোমায় পড়ালেখা করছে। 

নারী সংগ্রামী মরিয়ম আক্তারী জানান ছোট বেলা থেকেই দূরন্ত প্রকৃতির সঙ্গে গ্রামের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেরিয়েছেন সব সময়। তিনি ভাই-বোনদের মধ্যে সবার ছোট। ছোট বেলা থেকেই পরোপকারী অন্যের কষ্ট দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারতেন না। চঞ্চল ছোট সেই মেয়েটি কে এখন সবাই গ্রামের এক সংগ্রামী নারী হিসেবে চেনে। পুরো পরিবারের সহযোগিতা নিয়ে তিনি গরীব-দুঃখিদের পাশে থেকে সব সময় নিজের সাধ্যমতো সহযোগিতা করে আসছেন। পিছিয়ে পড়া নারীদের সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কাজ করে আসছেন বছরের পর বছর। নওগাঁ সদর উপজেলার হাসাইগাড়ি ইউপির অপরাজিতা সদস্য মরিয়ম অপরাজিতা প্রশিক্ষণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং নিজেকে অধিদপ্তরের লাইভস্টক প্রভাইডর হিসেবে নিজ ইউনিয়নে গোবাদী পশু পালনে সহায়তা করছেন। 

তিনি আরো জানান, ইতো মধ্যেই তিনি  প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের সরকারী সহায়তা উন্নত পশু পালনের জন্য ১৪০টি পরিবারে নূন্যতম ৩ হাজার ৪শ' টাকা থেকে ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত এক কালীন অনুদান প্রদান করেছেন। ৬শ' ১০ টি পরিবারের কৃমিমুক্ত গোবাদি পশু পালনে কৃমির ঔষধ বিনামূলে বিতরন করেছেন এবং ৩শ' জন কৃষকের নাম তালিকা ভুক্ত করেছেন যাদের আগামী এপ্রিল-২০২৪ থেকে উন্নত প্রযুক্তিতে গরু পালনের প্রশিক্ষণ প্রদাণ করবেন। তিনি প্রতিটি ওর্য়াডে নারীদের একটি করে টিম করে দিয়েছে প্রশিক্ষণের জন্য যাতে করে কোনো নারীই বেকার না থাকে। তিনি চেষ্টা করছেন গ্রামের মেয়েদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী করতে। তিনি শুধু প্রণোদনায় নয় প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারী আইনী সহায়তা, বাল্যবিয়ে, মাদক, মহামারি করোনা ভাইরাস সচেতনতা বিষয়ক উঠান বৈঠক করে থাকেন। দূর-দূরান্তে প্রতিদিন পথ হেটে চলেছে নারীদের অধিকার আদায়ের জন্য।  

মরিয়ম আক্তারীর স্বপ্ন সম-অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাচনে সাধারণ আসন থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্ব›দ্বীতা করবেন বলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। একটি সমতার সমাজ যেখানে, ব্যবধান থাকবে না নারী আর পুরুষের মাঝে, নারীদের কাজে সহায়তা করবে পুরুষ উভয়ে মিলে-মিশে গড়বে এমন এক সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন মরিয়ম আক্তারীর হৃদয়ে। তিনি মনে করেন, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের সিঁড়ি। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠা করতে হলে নারীকে অর্থনৈতিক সাবলম্বিতা অর্জন করতে হবে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নারীকে স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলে।

নওগাঁ জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আবু তালেব জানান মরিয়ম সমাজের সকল নারীর জন্য একটি অনুপ্রেরণার বাতিঘর। তাকে দেখলে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস মনে জন্ম নেয়। তাই জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে সব সময় মরিয়মকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। আগামীতেও মরিয়মদের মতো এগিয়ে যাওয়া নারীদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত থাকবে। 


আরও খবর



সরে দাঁড়ালেন বিলাওয়াল

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নির্বাচনের পর পাকিস্তানে নতুন সরকার গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাঝে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থিতা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারে তার দল পিপিপি যোগ দেবে না বলে জানিয়েছেন বিলাওয়াল।

দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) বৈঠকে পিপিপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিলাওয়াল বলেছেন, এটা সত্য যে, পিপিপির কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের ম্যান্ডেট নেই। আর এই কারণে আমি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থিতায় থাকছি না।

তিনি বলেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং পিএমএল-এন জাতীয় পরিষদে তার দলের চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পিপিপির সাথে কোনও সংলাপে জড়াবেন না বলে ঘোষণা দেওয়ায় দেশে পিটিআই বা স্বতন্ত্রদের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের কোনও সম্ভাবনা নেই।

দেশটির তরুণ এই রাজনীতিক বলেন, পিপিপি কেন্দ্রে সরকার গঠনের অবস্থানে না থাকায় কোনও মন্ত্রণালয়েও যোগ দেবে না। তিনি বলেন, আমরা দেশে বিশৃঙ্খলা বা দেশে চিরস্থায়ী সংকট দেখতে চাই না।

লোভনীয় পদে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীকে সমর্থন করার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে বিলাওয়াল বলেন, পিপিপি দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে পিএমএল-এনের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে, ইমরান খানের পিটিআই দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য মজলিস-ই-ওয়াহদাত-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) পার্টির সাথে জোট করবে বলে জানিয়েছে। ইমরান খানের নির্দেশে কেন্দ্র এবং পাঞ্জাব প্রদেশে দলটির সাথে পিটিআই এই জোট গড়বে বলে পিটিআইয়ের মুখপাত্র রউফ হাসান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ইসলামাবাদে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তানের (এমকিউএম-পি) সাথে সরকার গঠনের সব ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে এমডব্লিউএমের সাথে জোট করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি সংরক্ষিত আসন নিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশে জামায়াত-ই-ইসলামির (জেআই) সঙ্গে পিটিআইকে জোট করতে বলেছেন তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯২টি আসনে জয় পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া পিএমএল-এন ৭৯ ও পিপিপি ৫৩ আসনে জয় পেয়েছে। দেশটিতে কোনও দলই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ব্যাপক রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

এর মাঝেই দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে পিএমএল-এন এবং পিপিপির তাদের সংসদীয় অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দলে ভেড়ানোর জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে এমডব্লিউএম। এখন এই দলটির সাথে কেন্দ্রে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিটিআই। আর পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদে ইমরান খানের দলের সমর্থিত ১১৬ প্রার্থী জয় পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীদের যেকোনও একটি দলে যোগ দিতে হবে। যদি কোনও দলে যোগ দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে সংরক্ষিত আসনের বরাদ্দ পাবে না পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ীরা।

দেশটির সংবিধানে বলা আছে, রাজনৈতিক দলগুলোকে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি অথবা নির্বাচনের দিন থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সরকার গঠন করতে হবে। দেশটির জাতীয় পরিষদে মোট ৩৩৬টি আসন রয়েছে। যার মধ্যে ২৬৬টি আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় পরিষদে ৭০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৬০টি নারীদের এবং ১০টি অমুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত। জাতীয় পরিষদে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান অনুযায়ী এসব আসন বণ্টন করা হয়।

সূত্র: জিও নিউজ, ডন।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




বায়ুদূষণে নীরবে ধুঁকছে ঢাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

দিনের পর দিন অস্বাস্থ্যকর থাকছে রাজধানীর বাতাস। মাঝেমধ্যে সারা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে উঠে আসছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বায়ুমান সূচক ছিল ২৬৬, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

সূচক ২০০ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে তা খুব অস্বাস্থ্যকর। অনেক জেলা শহরেও দূষণ ঝুঁকির পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমনকি কখনও কখনও ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেছে রংপুর-সিলেটের মতো কিছু শহর। তবু সরকার এ বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করছে না; বরং দূষণের মাত্রা কমিয়ে দেখাচ্ছে। বায়ুদূষণে অ্যাজমা, নিউমোনিয়ার মতো রোগীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার টানা দুইদিন ঢাকার বাতাসের মান আজ খুব অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আর আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ২৪ মিনিটে ২৩৯ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিয় রাজধানী ঢাকা।

গত ৬ দিন সকালে ঢাকার বাতাসের মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ২৬৩, ২৫৭, ২৮৬, ২৩২, ২৮৮ ও ২৬৬।

পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের দিল্লি ও কলকাতা এবং ইরাকের বাগদাদ যথাক্রমে ২২৩, ২১৯, ১৯৯ ও ১৮৭ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান দখল করেছে।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩) ।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।


আরও খবর

ফুটপাতের চাঁদার টাকা খায় কারা ?

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু প্যারিস খালের

শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4