Logo
শিরোনাম

ওয়াজ মাহফিল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কল্যাণকর হবে না

প্রকাশিত:Friday ২৫ November ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

স্টাফ রিপোর্টার ঃ

 ইসলামের মর্মবাণী সাধারণ মানুষের মাঝে পৌঁছিয়ে দিতে প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা ওয়াজ মাহফিলে বক্তাদের নিয়ন্ত্রণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দেয়া নির্দেশকে নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা হরণের হিসেবে দেখছে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ।

ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং ব্যক্তি বিশেষের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির দেয়া নির্দেশের প্রতিক্রিয়ায় আজ ২৫ নভেম্বর, শুক্রবার, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, সরকার মসজিদের খতিবদের নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করে এখন আবার ওয়াজ মাহফিলের বক্তাদের নিয়ন্ত্রণের নামে কন্ঠরোধ করে তাদের বাকস্বাধীনতা হরণের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। 

শহিদুল ইসলাম কবির প্রশ্ন রেখে বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় বসে যারা ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং ব্যক্তি বিশেষের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা কি অতীতে এই কাজগুলো করা থেকে বিরত থেকেছেন? তারা যদি যে কোন মঞ্চে বসে রাজনৈতিক বক্তব্য দেবার অধিকার সংরক্ষণ করে থাকেন, তবে অন্য দলের নেতাদের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন তবে অন্যরা পারবেন না কেন? এমনকি সরকারী চাকুরীজীবীরা পর্যন্ত আইন অমান্য করে অতীতে সরকারী দলের হয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং ব্যক্তি বিশেষের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়ে সরকারের আস্থাভাজন হয়ে আলোচিত হয়েছেন। এ অবস্থায়  সরকারি চাকুরীজীবিদের নিয়ন্ত্রণ না করে ওয়াজ মাহফিলের বক্তাদের নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত দূরভিসন্ধিমূলক। 

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনীতি করা ও রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়ার অধিকার দেশের প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয়ার অপচেষ্টা। দেশের সাধারণ মানুষ ওয়াজ মাহফিলে বক্তাদের কন্ঠরোধের কোন সিদ্ধান্ত মেনে নিবে না।


আরও খবর



বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Thursday ০৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : বিশ্ব অর্থনীতির কঠিন চ্যালেঞ্জের বছরেও বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার অনেক বেড়েছে। আর তাতে ভর করে বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় বিশ্বের ৫০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু ভারত বাংলাদেশ রয়েছে।

৪৬৫ বিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে বিদায়ী ২০২২ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম। এর আগের বছরে এই অবস্থান ছিল ৪১, সে সময় বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ৩৯৭ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফের পরিসংখ্যানের বরাতে কানাডার অনলাইন প্রকাশনা সংস্থা ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে গত ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়। দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) নিরিখেই তালিকা করা হয়েছে।

একটি দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় নির্ণায়ক জিডিপি। একটি দেশে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি বেসরকারি খাতের পুরো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের (পণ্য পরিষেবাসবই) মোট মূল্য উঠে আসে জিডিপিতে।

এর আগে গত বছরের ১২ জুলাই ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট বিশ্ব অর্থনীতিতে কোন দেশ কোথায়? শীর্ষক আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২১ সালে বিশ্বের ৪১তম বড় অর্থনীতি বাংলাদেশ। ওই প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্তও আইএমএফের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিল।

দি টপ হেভি গ্লোবাল ইকোনমি শীর্ষক ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশ ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে। জুলাইয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।

২০২২ সালে দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার জিডিপি নিয়ে যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থান দখল করে নিয়েছে ভারত।

তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান জার্মানি। দেশ ৪টির জিডিপি যথাক্রমে ২৫ দশমিক শূন্য , ১৮ দশমিক ৩২, দশমিক ৩০ দশমিক শূন্য ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

বিশ্বের ১০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের বাকি ৫টি দেশ হচ্ছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, রাশিয়া এবং ইতালি। দেশ ৫টির জিডিপি যথাক্রমে দশমিক ২০, দশমিক ৭৮, দশমিক ২০, দশমিক ১৩ দশমিক ৯৯ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

বিদায়ী ২০২২ সালে বিশ্বে দুটি বড় ঘটনা ঘটেছে। প্রথমত-বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটি পার হয়েছে। দ্বিতীয়ত-বিশ্ব অর্থনীতির আকার ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ১০১ দশমিক ৫৬ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতির আকার এই যে ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল, তাতে ছোট-বড় সব দেশের জিডিপির হিসাব যুক্ত হয়েছে। তবে এর বড় অংশজুড়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ভারত। বিশ্বের মোট জিডিপির অর্ধেকই কয়েকটি দেশের। আরও পাঁচটি দেশকে যদি এর সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তবে ১০ দেশের মিলিত জিডিপি হয় বৈশ্বিক জিডিপির ৬৬ শতাংশ। আর বিশ্বের ২৫টি দেশ বৈশ্বিক জিডিপির ৮৪ ভাগের অংশীদার।

বিশ্বের বাকি ১৬৭টি দেশের জিডিপির পরিমাণ কিন্তু খুবই কম, মাত্র ১৬ শতাংশ। নিম্ন জিডিপির দেশগুলোর বেশির ভাগই ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপদেশ।

মোট ১৯১টি দেশ নিয়ে তৈরি আইএমএফের এই তালিকায় সর্বশেষ নামটি হচ্ছে টুভালু। ৬৬ মিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে দেশটির ১৯১তম অবস্থানে রয়েছে।

যেখানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ : প্রতিবেদনে দেখা যায়, বৈশ্বিক জিডিপির তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থান ৩৫তম। বাংলাদেশের জিডিপির আকার সময় ছিল ৪৬০ বিলিয়ন ডলার বা ৪৬ হাজার কোটি ডলার। বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর অস্ট্রিয়ার মতো দেশ। আর ঠিক পরেই আছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ভিয়েতনাম।

 


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




নেপালে শক্তিশালী ভূমিকম্প

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো নেপাল। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪৩ মিনিটে দেশটিতে আঘাত হানে এ ভূকম্পন। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯ ।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ভূমিকম্পের রেশ ছিল প্রায় ২৫ সেকেন্ড। আতঙ্কিত মানুষজন বাড়ি-ঘর ও অফিস ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। তবে এখন পর্যন্ত এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জুমলা শহর থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৫ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে। শক্তিশালী এ ভূমিকম্পের প্রভাব সুদূর দিল্লিতেও অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। 


আরও খবর



পাকিস্তানজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

পাকিস্তান জুড়ে সোমবার সকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এতোটাই ব্যাপক যে, রাজধানী ইসলামাবাদের পাশাপাশি লাহোর ও করাচির মতো বড় শহরসহ দেশের বিশাল অংশে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে।

দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি সিস্টেম সোমবার সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে ডাউন হয়ে গেলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক বিভ্রাট দেখা দেয়। ‘সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে বলেও জানানো হয়। এদিকে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের জ্বালানি মন্ত্রী খুররম দস্তগীর বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে ‘বড় ধরনের কিছু নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাজধানী ইসলামাবাদ, করাচি, কোয়েটা, পেশোয়ার এবং লাহোরসহ পাকিস্তানের বিশাল অংশ বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে।


আরও খবর



গণধর্ষণের শিকার কিশোরী থানায় মামলা

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধি :


নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।  

আসামিরা হলেন,উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের আপ্তারামপুর গ্রামের মুন্সি বাড়ির মৃত মো.সাহাব উদ্দিনের ছেলে জুয়েল (২৪) এবং একই ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ইমন (২৩)।  


মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে গ্রাম পুলিশ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।


মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,ওই কিশোরীর বাবা পাঁচ বছর আগে মারা যায়। মা বিয়ে করে অন্যত্র চলে যায়। এরপর থেকে ভিকটিম ও তার এক প্রতিবন্ধী বোনসহ তাদের ঘরে বসবাস করে আসছে। তার প্রতিবন্ধী বোন অসুস্থতার কারণে খালার বাড়ি চলে যায়। এই সুযোগে আসামি জুয়েল গত ৫ জানুয়ারি ও ৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে নয়টা ও ১০টার দিকে কৌশলে বসত ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক কিশোরীকে ধর্ষণ করে। গত ৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রধান আসামির সহযোগীতায় ইমন কিশোরীকে মুঠোফোনে কল দিয়ে দরজা খুলতে বলে। ভিকটিম ভয়ে দরজা খুললে তাকে মুখ চেপে ধরে বসত ঘর থেকে তুলে নিয়ে রান্না ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে ভিকটিমের নিকটতম কোন আত্মীয় না থাকায় গ্রাম পুলিশ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।  

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন,এই ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।  পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে।


আরও খবর



গুরুত্বপূর্ন সড়ক ধান ব্যবসায়ীদের দখলে

দশমিনায় ভোগান্তিতে যানচলাচলসহ পথচারী

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে ফড়িয়ারা দখল করে ধানের ব্যবসায় করায় ভোগান্তিতে পড়েছে যানচলাচলসহ পথচারীরা। এতে করে সড়কে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানজটসহ নানা দুর্ঘটনা। মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক, স্কুলের সামনের সড়ক দখল করে ধান ফড়িয়াররা ব্যবসা করছে। উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের যৌতা গ্রামে ৬৯ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কের এপাশ ওপাশে প্রায় ২শ’ বস্তা ধান রেখে উচু টিলা বানিয়ে রেখেছে তারা। এছাড়া উপজেলার আরজবেগী বাজারের দক্ষিন পাশে প্যাদাবাড়ির সামনের সড়ক জুড়ে ধানের বস্তার স্তুপ। উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের বড়গোপালদী বাজারের পুর্ব ও পশ্চিম পাশের সড়কজুড়ে ধানের বস্তা রাখা হয়েছে। উপজেলার টাকুরের হাটে সড়ক জুরে ধানের বস্তা, তারপাশে দাড়িয়ে আছে ট্র্যাক এতে করে দেখা দিয়েছে যানজট। সড়কে ধানের বস্তা ও ট্র্যাক রাখায় রাস্তার এক-তৃতীয়াংশ দখল করে ধান বস্তা, ট্র্যাকে উঠানো এবং ভ্যানগড়ী দিয়ে এনে নামানোর কাজ করছে দিনভর ধান ব্যবসায়ীরা।

দশমিনা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও বড়গোপালদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আহম্মেদ ইব্রাহিম অরবিল বলেন, দশমিনা-পটুয়াখালী ও দশমিনা-বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে লোকজন গুরুত্বপূর্ন কাজে যায় এ সড়ক দিয়ে আসা-যাওয়া করেন, রোগী বহন কারি এ্যাম্বুলেন্স এবং মালামালবাহী মিনি ও বড় ট্র্র্যাক আসা যাওয়া করে কিন্তু ধানের বস্তায় সড়কের বেশিরভাগ জায়গা দখল করায় যানজট সৃষ্টি হয়। এতে করে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় যানচলাচলকারী গাড়ির। আমার প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা যাওয়াতে সময় ও জীবনের ঝুঁকি থাকে। 

বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ঠাকুরের হাট এলাকার বাসিন্দা খোকন মাঝি, রিপন ও কার্তিক চন্দ্র বলেন, এ বাজারটি সন্ধ্যার পর এলাকার বিভিন্ন পেশার লোকজন এসে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা-বেঁচা করে। এখন বাজারটি জুড়ে ধানের বস্তার স্তুপ। কেউ দেখার নেই মনে হচ্ছে ফড়িয়ারদের ধান ব্যবসা করার জন্য এই রাস্তা নির্মান করা হয়েছে। এস্তুপের তলে শিশু ও বৃদ্ধরা যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে।  

এ বিষয়ে দশমিনা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়াডে সদস্য রিপন কর্মকার বলেন, এলাকার বিভিন্ন সড়ক দখল করে রাখা হচ্ছে ধানের বস্তা। এতে করে রাস্তায় যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমি বিষয়টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে জানাবো।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে ধান ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।


আরও খবর