Logo
শিরোনাম

রবিবার ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

অতিরিক্ত অপারেশন চার্জ প্রত্যাহারের দাবিতে ইন্টারনেট সেবা সাময়িক বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বাংলাদেশ (আইএসপিবি)।

ঘোষণা অনুযায়ী, রবিবার (২১ মে) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ইন্টারনেট, ডেটাসহ সেবাদানকারী সব আইএসপি প্রতিষ্ঠানের সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আইএসপিএবির প্রধান নির্বাহী মেজর (অব) মো. এনামুল হকের স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় স্থানীয় ইন্টারনেট সেবা পরিচালনার ক্ষেত্রে ক্যাবল টিভি অপারেটর প্রতিষ্ঠান বাম্বেল-বি চলতি মাস থেকে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের জন্য মাসিক পপ অপারেশন সার্ভিস চার্জ নামে বাড়তি চাঁদা দাবি করছে।

আবাসিক এলাকার অপারেশন চার্জ ২ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা এবং করপোরেট গ্রাহক সংযোগের ক্ষেত্রে ৬০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নির্ধারণ করেছে। বর্ধিত চাঁদা সংক্রান্ত বাম্বেল-বির চিঠিটি আইএসপি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ মে) আইএসপি অ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে উক্ত এলাকায় সেবা দেয়া আইএসপি প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্ণধার ও নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অপারেশনের সার্ভিস চার্জ হিসেবে ধার্য করা চাঁদা প্রত্যাহারের প্রতিবাদে রবিবার (২১ মে) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য বসুন্ধরা আবাসিক ইন্টারনেট, ডেটাসহ আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া সব ধরনের সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

 


আরও খবর

হোয়াটসঅ্যাপ নতুন ফিচার আসছে

শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪

মোবাইল আসক্তি কমাবেন যেভাবে

শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪




ভাঙ্গাড়ি দোকানের কর্মচারী হাজার কোটি টাকার মালিক নাজিম!

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে ভূমিদস্যু নাজিম উদ্দিন। এলাকাবাসি ও ভুক্তভোগিদের অভিযোগ থেকে জানা যায় ,লক্ষীপুরের এক হত দরিদ্র পরিবারে নাজিম উদ্দিনের জন্ম, পিতা-আবু তাহের, জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন । সন্তানদের বেশি লেখাপড়া করাতে না পারলেও ছোট বেলা থেকেই জামাতের আদর্শে বড় করেছেন।

পিতার অভাবের সংসারের হাল ধরতে ঢাকায় চলে আসেন নাজিম । ভাষাণটেক বস্তিতে অবস্থানকালে মাসিক  তিন হাজার টাকা বেতনে ভাঙ্গারীর দোকানে চাকুরী নেন। ধীরে ধীরে নাজিম উদ্দিন এলকার বিভিন্ন নেতাদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর ভাঙ্গারী দোকানের আড়ালে মাদক বিক্রি করে কিছু টাকা পুজি করেন । পরবর্তীতে নব্য আওয়ামীলীগ নেতা আব্বাস উদ্দিনের সাথে সখ্যতা গড়ে  ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদি নামাপাড়ায় নেতার বাড়ির পাশেই নাজিম বাসা ভাড়া করে ।

আব্বাস উদ্দিনের নির্দেশে ও অর্থায়নে নাজিম উদ্দিন ভূইয়া শুরু করেন জমি কেনা বেচার ব্যবসা। নিউগিনি প্রপার্টিজ লি: নামে সাইন বোর্ড লাগিয়ে শুরু করেন জমি দখল । এলাকার নিরীহ দরিদ্র জমির মালিকদেরকে টার্গেট করে নাজিম উদ্দিন জোর পূর্বক জমি দখল ও জমি ভরাট শুরু করেন। নিজের ভাই সাইফুল, শামীম, তাজুল, রেজাউলকে রাজননৈতিক ছায়া ও শেল্টার দেন আওয়ামীলীগ নেতা আব্বাস উদ্দিন । আর সন্ত্রাসী শাহীন, নয়ন, মিলনসহ শতাধিক অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসী নিয়ে গড়ে তোলেন নাজিম বাহিনী । নামাপাড়ার জলাধার ধীরে ধীরে গিলতে থাকে নাজিমের নিউগিনি প্রপার্টিজ।

আওয়ামী নেতার ছত্রছায়ায় নাজিম বাহিনী রাতের আঁধারে শত শত ড্রাম ট্রাক ভরে বালু ফেলে এলাকার নিরীহ দরিদ্র লোকের জমি দখল করে ভূয়া দলিল সৃষ্টি করে শেয়ার আকারে ও প্লট আকারে  বিক্রি করতে থাকে । শত শত সেনা,নৌ,বিমান,পুলিশ বাহিনীর সদস্য সহ স্বল্প আয়ের মানুষ তাদের শেষ সম্বল দিয়ে নাজিম উদ্দিনের নাম সর্বস্ব কোম্পানিতে জমি কিনতে ছুটে আসে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর অল্প দামে প্লট/শেয়ার পাবার আশায় শত শত মানুষ নাজিমকে দেয় কোটি কোটি টাকা।

এভাবে অবৈধ টাকায় আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছেন । স্থানিয় বাসিন্দা এবং তার নিজ গ্রামের লোকজনের ধারনা নাজিমের হাতে আলাদিনের চেরাগ আছে নইলে এত অল্প সময়ে কি ভাবে এত টাকার মালিক হলেন । তার অবৈধ টাকা থেকে নামাপাড়ার ঐ আওয়ামী নেতাকে মাসিক দশ লক্ষ টাকা প্রদান করে । এর বিনিময়ে  সকল অপকর্ম হালাল করতে আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী বাহিনীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীতায় জমি দখল করে পাহারা দেয় ফলে দিন দিন ভূমিদস্যু নাজিম উদ্দিন হয়ে উঠছে শক্তিশালী ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জোয়ার সাহারা মৌজার আরএস ৫৬১, ৫৬২, ৫৬৫ দাগের প্রায় ১০ বিঘা জমি দলিল ও নামজারী ছারা শুধুমাত্র অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভূমিদস্যু নাজিম উদ্দিন দখল করে রেখেছেন। প্রকৃত মালিকগণ এসব জমির কাছে যেতে পারে না।

এ বিষয়ে নাজিম উদ্দিনের নিকট জানতে চাইলে তার মুঠো ফোনের নাম্বার টি বন্ধ পাওয়া যায়। জোর পূর্বক দখল করা ১০ বিঘা জমিতে নাজিম বাহিনী অস্ত্র হাতে নিয়ে দিন রাত পাহারা দেয় । এলাকার সকল প্রকার নির্মাণ ও উন্নয়ন মূলক কাজে নাজিম উদ্দিনের সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালিত সাপ্লায়ারদের নিকট থেকে বাজার মূল্যের বেশি মূল্যে মালামাল কিনতে বাধ্য হয় । নাজিম বাহিনীর বেধে দেওয়া চড়া দামে নির্মাণ সামগ্রী না কিনলে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় । রাতের বেলায় নাজিম বাহিনীকে চাঁদা না দিলে কোন বালুর ট্রাক ঢুকতে পারেনা । এভাবেই চলছে নাজিম উদ্দিনের অপকর্ম। ক্যান্টনমেন্ট থানায় নাজিম বাহিনীর বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় দেড় ডজন ফৌজদারী মামলা। নামে বেনামে নাজিম উদ্দিনের রয়েছে অঢেল, সম্পদ।

 ভাঙ্গারীর দোকানের কর্মচারী থেকে নাজিম উদ্দিন  হাজার কোটি টাকার মালিক । জোয়ার সাহারা মৌজার ৬১০, ৬১১, ৬১২, ৬১৩, ৬১৪, ৬১৫, ৬১৬ ও ২৫৬ দাগে রয়েছে নাজিম উদ্দিনের প্রায় বিশ বিঘা জমি। বাউনিয়া মৌজার ২৫৭ নং দাগের ১০ বিঘা, মিরপুর ডিওএইচএস এ তিন হাজার বর্গফুট আয়তনের ২টি ফ্ল্যাট। গ্রামের বাড়ীতে কিনেছে ২০ বিঘা জমি। দুবাইতে রয়েছে ২টি স্বর্নের দোকান ।

কয়েকমাস আগে সেনাবাহিনীর অবসর প্রাপ্ত সার্জেন্ট বাবুল হত্যা চেষ্টা মামলায় জেল খেটেছেন নাজিম উদ্দিন। এ বিষয়ে অবসর প্রাপ্ত সার্জেন্ট বাবুল বলেন, সেনা বাহিনী থেকে অবসর গ্রহনের পর আমার উর্দ্ধতন কয়েকজন কর্মকর্তা নিয়ে জোয়ার সাহারা মৌজার ৫৬১, ৫৬২ ও ৫৬৩ নং দাগের ৫(পাঁচ) বিঘা জলাশয় জমি ক্রয় করি। নিজেদের টাকায় মাটি কিনে জমিতে ফেলে ভরাট করি। ক্যান্টনমেন্ট থানা আওয়ামীলীগের কর্মী হয়েও বারবার নাজিম বাহিনীর হাতে নির্মম অত্যাচারে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এসেছি।

প্রায় ১৫/২০ জন সেনা কর্মকর্তার জমি নাজিম বাহিনী জোর পূর্বক দখল করে রেখেছে। জমির কাছে গেলেই লাঠি সোটা নিয়ে আক্রমন করে। জীবন বাঁচাতে জমির মায়া ছেড়ে গৃহবন্ধী হয়ে আছি । পথ চলতে ভয় পাই। ২০২১ সালে বৃদ্ধ বোরহান উদ্দিনের নিকট নাজিম বাহিনী ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবী করলে বোরহান উদ্দিন দিতে অস্বীকার করলে নাজিম বাহিনী তাকে আক্রমন করে ও তার জমি দখল করে নেয়। এতে বাধা দিলে নাজিম বাহিনী রাতে তার বাড়ীতে হামলা করে ও তাকে বেদম প্রহার করে। এছাড়া এলাকার বেশ কয়েকটি বিয়েল এস্টেট ও হাউজিং কোম্পানির প্রায় ১২ বিঘা সম্পত্তি নাজিম বাহিনী জোর পূর্বক দখলে নিয়েছে। 

সিআইডি অফিসে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে, দূর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দিয়েও নাজিম উদ্দিনের অত্যাচার থেকে এলাকার নিরীহ এমন কি সরকার দলীয় লোকজনও রেহাই পায়নি। এক অদৃশ্য শক্তির বলে জামায়াতের অর্থযোগান দাতা আইনের উর্দ্ধে থেকে অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। সাধারণ জনগন নাজিম বাহিনীর অত্যাচার থেকে মুক্তি চায় এবং ভূমিদস্যু নাজিম উদ্দিনের অবৈধ দখল থেকে তাদের জমি জমা ফেরত চায় ।  শফিকুল ইসলাম লালমিয়া, ক্যান্টনমেন্ট ১৫ নং ওয়ার্ডের একজন ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা ।

জামায়াত বিএনপির কর্মী নিয়ে চাঁদাবাজী ও ভূমিদস্যুতার ইন্দন দেবার প্রতিবাদ করায় নব্য আওয়ামী নেতা আব্বাস উদ্দিন লালমিয়াকে নিজে কিল ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দিলে তার সাথে থাকা সন্ত্রাসী বাহিনী লালমিয়াকে খাবার টেবিল থেকে ডেকে নিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছে। এ বিষয়ে লালময়িার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পিতা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা।

২১ শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলায় জননেত্রীর জীবন বাঁচাতে গ্রেনেডের স্প্লিন্টার নিজের শরিরে ধারন করে কিছুদিন আগে মৃত্যুবরন করেন । তার সন্তান হয়েও নব্যআওয়ামীলীগের হাতে মাইর খেয়ে পঙ্গু হতে চলেছি।  হামলাকারি নব্যআওয়ামীলীগ নেতার নাম বাদ দিয়ে মামলা নেওয়া হলেও আসামী না ধরায় মামলা তুলে নেবার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে । এতে আমার পরিবারের চলাফেরা সীমিত হয়ে গেছে । ছেলে মেয়ের লেখা পড়াব বন্ধ হয়ে গেছে । আব্বাস উদ্দিনের সহযোগীতায় বিএনপি জামায়াতের অর্থ যোগান দাতা জামায়াত নেতা নাজিম উদ্দিনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ক্যান্টনমেন্ট থানা আওয়ামীলীগ এখন দুটি ভাগে বিভক্ত। আব্বাস উদ্দিনের আশ্রয় প্রশয়ে জামায়াত নেতা নাজিম উদ্দিন অন্যের জমি দখল করে হাজার কোটি টাকার মালিক।


আরও খবর

তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

রবিবার ২১ এপ্রিল ২০২৪




বান্দরবানে থমথমে পরিস্থিতি

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

বান্দরবানে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী কেএনএফের সন্ত্রাসী হামলা, ব্যাংক লুটের পর সেনা-পুলিশের যৌথ চেকপোস্টে আক্রমণের ঘটনায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জেলার রুমা ও থানচি উপজেলায় দুটি ব্যাংকের তিনটি শাখায় হামলা অস্ত্র ও টাকা লুটের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে রুমায় তিনটি ও থানচিতে একটি। এ মামলাগুলোতে পুলিশ বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে এই মামলাগুলো দায়ের করা হয়। থানচি বাজারে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দোকানপাট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সব বন্ধ রয়েছে। রুমার পরিস্থিতি আগের চেয়ে কিছুটা ভালো হলেও জনমনে আতঙ্ক এখনো কাটছে না।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো: সৈকত শাহীন জানিয়েছেন, রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় পুলিশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি টহল বাড়িয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে রুমার সোনালী ব্যাংকে হামলা অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট, সেই সাথে ব্যাংক ম্যানেজার নেজামউদ্দিনকে অপহরণ এবং পরপর থানচি উপজেলায় আরো বেশ কয়েকটি হামলা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় র্যাব-সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে রুমা উপজেলার ব্যাথেলপাড়া থেকে অপহৃত ম্যানেজার নেজামউদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়। গতকাল শুক্রবার সকালে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-কেএনএফের একটি সশস্ত্র দল রুমা উপজেলার সোনালী ব্যাংকে হামলা করে। সেখান থেকে ১৪টি অস্ত্র গোলাবারুদ লুটের পর ম্যানেজার নেজামউদ্দিনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পরদিন সকালে থানচি উপজেলায় হানা দিয়ে সোনালী ও কৃষি ব্যাংকের প্রায় ১৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় কেএনএফ। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে থানচি বাজারে ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় আবার হামলা করে কেএনএফ। এ সময় পুলিশ ও বিজিবির সাথে সন্ত্রাসীদের গুলিবিনিময় হয়। এছাড়া গভীর রাতে থানচি-আলীকদম ডিম পাহাড় সড়কে সেনা-পুলিশের একটি যৌথ চেকপোস্টে গুলিবর্ষণ করে তারা। তবে এসব হামলার ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আবার হামলা হতে পারে এ আশঙ্কায় অনেকেই এলাকা ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় সরে গেছে।


যৌথ অভিযান শুরু : এদিকে গতকাল বেলা ১১টায় বান্দরবান জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার নেজামউদ্দিনের উদ্ধার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে র্যাব। এ সময় পাহাড়ের নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) বিরুদ্ধে গতকাল শুক্রবার থেকেই যৌথ সাঁড়াশি অভিযান শুরুর কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ এই অভিযান কেএনএফ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত চলবে। সন্ত্রাসীদের দমনে পাহাড়ে জঙ্গিবিরোধী অভিযানের মতো সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হবে। সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন সাংবাদিকদের জানান, র্যাবের কৌশল ও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানের কারণে অপহৃত ম্যানেজার নেজামউদ্দিনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে কেএনএফ আগামীতে আরো বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা অপহৃত ম্যানেজারের ল্যাপটপ ব্যবহার করে সাইবার হামলা চালাতে চেয়েছিল বলেও জানান তারা। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন র্যাবের এ কর্মকর্তা। এ সময় পরিচালক জানান, ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের পর পাহাড় ও ঝিরি পথে দীর্ঘক্ষণ পায়ে হেঁটে তাদের আস্তানায় নিয়ে যায় কেএনএফ সন্ত্রাসীরা। এরপর থেকে ব্যাংক ম্যানেজারকে উদ্ধারে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় অভিযানে নামে র্যাব।

 

একটানা ৩০ ঘণ্টা অভিযানের পর কেএনএফ সন্ত্রাসীরা র্যাবের পাতা ফাঁদে পা দেয় এবং অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারকে মোটরসাইকেলে করে রুমার একটি জায়গায় রেখে চলে যায়। সেখান থেকে র্যাব তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এসময় তিনি আরো বলেন ব্যাংক ম্যানেজারকে জীবিত উদ্ধারের কারণে আমরা হার্ডলাইনে যাইনি তবে আজ থেকে আমরা সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করব বিভিন্ন বাহিনীর সহযোগিতায়। কারণ কেএনএফ সন্ত্রাসীরা নিজেদের অবস্থান জানান দিতে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে, ভবিষ্যতে হয়তো তারা আরো বড় ধরনের হামলা করতে পারে। সন্ত্রাসীদের ছাড় দেয়া হবে না সিসিটিভি ফুটেজ শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।


যৌথ তল্লাশি চৌকিতে আক্রমণ, থানচিতে গোলাগুলি : আলীকদম থেকে আমাদের সংবাদদাতা মমতাজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে আলীকদম-থানচি সড়কের ২৬ কিলোমিটার এলাকায় আলীকদম জোনের আওতাধীন একটি তল্লাশি চৌকিতে হামলা চালিয়েছে কেএনএফ সন্ত্রাসীরা। এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রাত পৌনে ১টার দিকে ২৬ কিলোমিটার এলাকার এ যৌথ তল্লাশি চৌকিতে হামলা চালানো হয়। সন্ত্রাসীরা গাড়িতে করে এসে চৌকি ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে তারা গুলি চালায়। এ সময় চৌকিতে থাকা পুলিশ সদস্যরা পাল্টা গুলিবর্ষণ করেন। পরে হামলাকারীরা পিছু হটে।

এছাড়া যৌথ চেকপোস্টে হামলার আগে থানচি বাজার ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় পুলিশ ও বিজিবির সাথে সন্ত্রাসীদের ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় থানচি বাজার ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টার বেশি এ গোলাগুলি চলে। স্থানীয় সাংবাদিক অনুপম মার্মা ও শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা ভালো নেই। স্থানীয়রা চরম আতঙ্কে অনেকটা গৃহবন্দীর মতো অবস্থায় রয়েছেন।


অস্ত্রধারীরা এখনো দেড় কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করছে : বান্দরবানের থানচি থানার এক থেকে দেড় কিলোমিটারে মধ্যে এখনো বিভিন্ন পাড়ায় কেনএনএফ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার দুপুরে এ কথা জানান থানচি থানার ওসি জসীম উদ্দিন।

গতকাল দুপুরে সরেজমিন থানচি থানা ঘুরে দেখা গেছে সেখানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। থানার প্রবেশমুখে ভারী অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছেন পুলিশ সদস্যরা। জানতে চাইলে ওসি জসীম উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বৃহস্পতিবারের হামলার পর সন্ত্রাসীরা থানার এক থেকে দেড় কিলোমিটার এলাকার মধ্যে অবস্থান করছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। আমাদের ধারণা, পুলিশের ওপর হামলা করে তারা নিজেদের শক্তির জানান দিচ্ছে ও অস্ত্র লুটের পরিকল্পনা করছে। থানার জন্য বাড়তি ফোর্স আনা হয়েছে এবং আরো ফোর্স আনা হচ্ছে। সবাই অস্ত্র নিয়ে থানায় চার পাশে সতর্ক অবস্থানে আছে।


আরও খবর

তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

রবিবার ২১ এপ্রিল ২০২৪




মাভাবিপ্রবিতে দোল পূর্ণিমা উদযাপিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

মো: হ্নদয় হোসাইনমা ভাবিপ্রবি প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি)তে আজ সনাতন ধর্মাবলাম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব দোল পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে।

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে হোলি উৎসব উৎসবটি পালন করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার  (২৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা হোলি খেলায় মেতে ওঠেন। দিনটি উপলক্ষ্যে আবিরের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছিল প্রাঙ্গণ। সনাতন ধর্মাবলাম্বী শিক্ষার্থীরা জানান, এই দিনে শ্রী কৃষ্ণ বেত্রাসুর নামে এক অত্যাচারি অসুরকে হত্যা করে তার রক্তে হোলি খেলেছিলেন। আবার ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথির এই দিনে শ্রী কৃষ্ণ আবির ও গুলাল নিয়ে তার সখী রাধা ও তেত্রিশ হাজার গোপীর সঙ্গে রঙ ছোড়াছুড়ির খেলায় মেতেছিলেন। এজন্য হিন্দু ধর্মাবলাম্বীরা বহু আগে থেকেই দোলযাত্রা বা হোলি উৎসব পালন করে আসছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইএসআরএম বিভাগের শিক্ষার্থী সৈকত মন্ডল জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব হলো দোল পূর্ণিমা বা হোলি উৎসব। উৎসবটি দোলযাত্রা নামেও পরিচিত। দোলযাত্রা ও গৌর পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ ১১ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণে প্রথম বারের মতো সম্পূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে হোলি উৎসব পালন করা হয়। আয়োজিত এই হোলি উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। হোলি উৎসব সবার জীবনে নিয়ে আসুক অনাবিল আনন্দ।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্দির না থাকায় অতীতে ক্যাফেটেরিয়া প্রাঙ্গনে উৎসবটি উদযাপিত হতো। তাই কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মানের দাবিও জানান তারা। এবছর গোপালবাড়ি মন্দিরে তারা হোলি উৎসব পালন করেন।


আরও খবর



মাদক সেবনরত অবস্থায় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ এপ্রিল ২০24 |

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

লালমনিরহাটে মাদক সেবনরত অবস্থায় আদিতমারি উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সহ আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ। 

সোমবার (২৫ মার্চ) রাতে লালমনিরহাট শহরের কোর্ট বিল্ডিংয়ের দক্ষিন পার্শ্বে মডেল মসজিদ সংলগ্ন রেলের পরিত্যাক্ত ভবন থেকে মাদক সেবনরত অবস্থা তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আদিতমারি উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের খাতাপাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রশিদ এর ছেলে ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাসেল মাহফুজ ওরফে ডেন্টিস্ট (৩৮)। তালুক খুটামারা এলাকার মৃত অপুর আলীর ছেলে নুর ইসলাম (৩৬)। মডেল মসজিদ এলাকার মৃত হোসেন আহমেদের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৫২)। মদিনাপাড়া এলাকার মৃত ফজলার রহমানের ছেলে নুরে হাসান সিদ্দিক (৩২)। 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক বলেন, আসামীদের  পুলিশ আইনের ৩৪ (৬) ধারা মোতাবেক গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।


আরও খবর



গরম নিয়ে দুঃসংবাদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ এপ্রিল ২০24 |

Image

কয়েক দিনের টানা গরমের দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ায় আবহাওয়া কিছুটা শীতল হয়েছে। তবে গত কয়েক দিন অধিকাংশ জায়গায় আবহাওয়া শীতল থাকার পর ফের উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা আবহাওয়া অফিসের। কয়েক জেলায় তাপপ্রবাহ বিস্তার লাভ করতে পারেও ধারণা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সকালে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ দুঃসংবাদ জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এ পরিস্থিতিতে আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে এ সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় সোমবার (৮ এপ্রিল) দেশের সর্বোচ্চ ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। আজ মঙ্গলবার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস বলছে, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি এবং পটুয়াখালীর ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা এ তাপপ্রবাহ বিস্তার লাভ করতে পারে। এ সময় সারা দেশেই তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়া বুধবার (১০ এপ্রিল) সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য বাড়তে পারে। এরপর বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে বর্ধিত ৫ দিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।ঐ দিনের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


আরও খবর

তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

রবিবার ২১ এপ্রিল ২০২৪