Logo
শিরোনাম

মোবাইল আসক্তি কমাবেন যেভাবে

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

মোবাইল আসক্তিকে কিছু গবেষক সেল ফোনের উপর মনস্তাত্ত্বিক বা আচরণগত নির্ভরতার একটি রূপ হিসেবে প্রস্তাব করেছেন। এটি সবার জন্যই ক্ষতিকর। এতে ছোটদের মধ্যে বাড়ছে চোখের সমস্যা। বড়দেরও জীবনযাত্রায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অতিরিক্ত স্ক্রিন দেখার কারণে পর্যাপ্ত ঘুমের সমস্যা হচ্ছে। অনেকে চেষ্টা করছেন স্ক্রিন টাইম কমাতে কিন্তু পারছেন না। সেক্ষেত্রে থেরাপিস্টদের কিছু পরামর্শ মাথায় রাখতে পারেন।

১. মানসিকভাবে শক্ত হতে হবে। জীবনধারার যে কোন পরিবর্তন আনতে এটাই হল চাবিকাঠি। অনেকেরই রাত জেগে সিরিজ দেখা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করা অনেকটা নেশার মতো। একাকীত্ব কাটাতেও অনেকে রাত জেগে সময় কাটান সোশ্যাল মিডিয়ার। সেক্ষেত্রে নিজেকে কাছেই নিজে প্রশ্ন করুন- যা করছেন সেটা আপনার শরীরের জন্য ঠিক কিনা। তাহলে নিজেকেই অনুপ্রাণিত করতে পারবেন এই অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য।

২, স্মার্টফোনের গ্রে-স্কেল সেটিংস পরিবর্তন করুন। থেরাপিস্টরা মনে করছেন ফোনের রঙিন আলো অনেক সময় অতিরিক্ত স্ক্রিন দেখার আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে।

৩. ফোনের নোটিফিকেশন, দিনের নির্দিষ্ট সময়ের পর বন্ধ করে রাখুন। এতে মেসেজ এলেই ফোন দেখার অভ্যাসটা কমে যাবে।

৪. অফিসের কাজের ফাঁকে, পড়ার ফাঁকে, এমনকি ঘুমাতে যাওয়ার আগে অনেকের ফোন দেখার অভ্যাস আছে। নিজের সীমানা নিজেই ঠিক করুন। অল্প সময়ের বিরতিতে বরং চেষ্টা করুন কিছু এক্সারসাইজ করতে। এতে উপকার পাবেন।

৫. ঘুমাতে যাওয়ার সময় নিজের কাছ থেকে মোবাইল বা অন্যান্য গ্যাজেট দূরে রাখুন। ঘুম থেকে উঠেই মোবাইলে চোখ রাখবেন না। সে সময়টা ধ্যান বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। এতে মানসিকভাবে ভালো থাকবেন।

৬. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ স্মার্টফোন থেকে মুছে ফেলুন। ওই সময়টা বই পড়া, গান শোনা বা কোনও সৃজনশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত করে রাখুন।


আরও খবর



মোদির সামনে চ্যালেঞ্জ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

এবার ভাটা পড়ল নরেন্দ্র মোদির একক আধিপত্যে। লোকসভা নির্বাচনে জিতেও তিনি নিজের মতো করে দেশ শাসন করতে পারবেন না। পরপর দুবার দেশ শাসনে যে দাপট দেখিয়েছিলেন এবার আর সেটা সম্ভব হবে না। উঁচু গলা কিছুটা হলেও নিচু করতে হবে তাকে। 

কেননা এবার জোট সরকার গঠন করতে হবে মোদিকে। মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি নিজেদেরকে নতুন ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করে আসছে। এমনকি কংগ্রেসকে ইঙ্গিত করে তারা বলছে তাদের হাতে বর্তমান ভারত নাকি স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিমুক্ত। যদিও মোদী শাসনের বিপরীতে আছে ফ্যাসিবাদ, বেকারত্ব সমস্যা, হিন্দুত্ববাদী নীতি ও মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব সহ আরো অনেক অনেক অভিযোগ।

এবার নির্বাচনে বুথফেরত জরিপেও আশাহত হয়েছিলেন বিজেপি। কেননা ফলাফলে মোদির হ্যাটট্রিক জয়ের কথা থাকলেও তিনি পেয়েছেন মাত্র ২৪০ টি আসন। যদিও এবারের নির্বাচনে এটি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন কিন্তু এককভাবে সরকার গঠনের জন্য দরকার ছিল ২৭২ টি আসন। যেটি কোন দলই পায়নি। আর এ কারণেই জোট শরীকদের কাঁধে ভর করা ছাড়া এখন বিজেপির হাতে আর কোন উপায় নেই। 

বিজেপির নেতৃত্বাধীন নরেন্দ্র মোদির সাথে জোট সরকারের গুরুত্বপূর্ণ শরিক হিসেবে থাকবে অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডুর দল টিডিপি এবং বিহারের নীতিশ কুমারের দল জেডিইউ। এছাড়াও, লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) ও একনাথে শিন্ধের শিবসেনাসহ এমডিএ দলের ছোট ছোট দশটি শরিক দল রয়েছে।

ফলাফল প্রকাশের পর শরীকদের সাথে সরকার গঠনের জন্য মোদি সবরকম তোরজোর চালাচ্ছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক মহলগুলোতে আলোচনা চলছে- এককভাবে দেশ শাসন করা মোদি এখন শরিকদের কাঁধে ভর করে দেশ শাসন করতে পারবেন কিনা!

কারন, শরিকদের সাথে জোট সরকার গঠন করলে মোদীর সামনে থাকবে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ। এর আগে, পরপর দুবার বিজেপির নেতৃত্বাধীন মোদি তার শাসনামলে নিজের সাম্প্রদায়িক উগ্র হিন্দুত্ববাদী চিন্তাধারা সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। আর এখন সেই মোদিকেই কোন সিদ্ধান্তের জন্য নির্ভর করতে হবে জোট সরকারের ওপর। যা মোদির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর



মেট্রোরেল চলাচলে বিঘ্ন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


বন্ধ থাকার পর রাজধানীতে সোমবার (২৭ মে) সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে আবার মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়েছে। তবে সেটি চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেলে থাকা এক যাত্রী। 


ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের কোম্পানি সচিব (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মেট্রোরেল চলাচলের জন্য যে ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই রয়েছে টেকনিক্যাল কারণে সেটি ফল করেছিল।


 শেওড়াপাড়া থেকে বিজয় সরণি অংশে এ সমস্যা দেখা দেয়। ফলে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছিল।



সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে মেট্রোরেল ছেড়েছে বলে জানান এক যাত্রী। তবে সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জানান, ছেড়ে আসা ওই মেট্রোরেলে বিঘ্ন ঘটেছে। অন্য লাইন দিয়ে মেট্রোরেলটি যাচ্ছে।


 সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী স্টেশন গিয়ে মেট্রোরেল না পেয়ে ঘুরে এসেছেন বলে জানান এক যাত্রী।


এর আগে সোমবার সকাল ৭টার কিছু পরে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় স্টেশনগুলো থেকে কিছুক্ষণ পর পর মাইকিং করে জানানো হয় সাময়িক বিলম্ব হবে।


এতে সকাল থেকেই যাত্রীরা মেট্রোরেলের অপেক্ষায় বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় আছেন। হুট করেই ট্রেন বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েন অপেক্ষারত যাত্রীরা।


গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর চলাচল শুরু হয়।



আরও খবর



শিশুসাহিত্যে প্রেরণা পদক পেলেন পলাশ মাহবুব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক পেয়েছেন জনপ্রিয় লেখক, নির্মাতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক পলাশ মাহবুব। শিশুসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা ও পরিবেশ রক্ষায় অবদানের ওপর ভিত্তি করে ২০২৮ সাল থেকে আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর দুটি প্রতিষ্ঠান এবং তিনজন ব্যক্তিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

পলাশ মাহবুব যখন ছড়া লেখেন, তাঁর ছড়ায় একটি বক্তব্য থাকে। তিনি যা বলতে চান, তা স্পষ্ট বোঝা যায়। সে ছড়ায় হাস্যরস থাকে। সে ছড়ায় ছড়ার উপাদান থাকে। তিনি যখন গল্প লেখেন, সে গল্পের ভেতরে একটি গল্প থাকে। তিনি যে উপন্যাস লেখেন, তার শক্ত গাঁথুনি থাকে। দীর্ঘ কাহিনী বলে খেই হারায় না।

নিজের কাজের জন্যেই তিনি গণমাধ্যমে পরিচিত মুখ দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কাজ করছেন সাহিত্য ও সাংবাদিকতার বিভিন্ন শাখায়। ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেছেন গণমাধ্যমের পরিচিত মুখ।

তিনি কিশোর উপন্যাসের সিরিজ যেমন রচনা করেছেন, ছড়া লিখে বাংলাদেশ ও ভারত থেকে পেয়েছেন সম্মানজনক পুরষ্কার। সম্প্রতি এ লেখক অর্জন করেছেন- আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক। শিশুসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউএসএআইডি/বাংলাদেশ এর মিশন ডিরেক্টর রিড এশলিম্যান, আরটিভির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি, আরটিভির সিইও সৈয়দ আশিক রহমানসহ অনেকে।

সাম্প্রতিক সময়ে তার লেখা প্রবচন পমার বচন তুমুল পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। লেখালেখির জন্য পলাশ মাহবুব পেয়েছেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমী শিশুসাহিত্য পুরস্কার, ইউনিসেফ মীনা এওয়ার্ড, নাট্যসভা পদক, পশ্চিমবঙ্গের অন্নদাশঙ্কর রায় শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ বেশ কিছু পুরস্কার। তিনি বর্তমানে কাজ করছেন শিশুদের নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ-এ যে প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তুমুল জনপ্রিয় সিসিমপুর অনুষ্ঠানের নির্মাতা। এছাড়াও পলাশ মাহবুব ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) মিডিয়া স্টাডিজ ও জার্নালিজম বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক।


আরও খবর

ভালো থাকুক পৃথিবীর সব মা

রবিবার ১২ মে ২০২৪




ভারতের ২ ব্র্যান্ডের মসলা বিক্রি নিষিদ্ধ করল নেপাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের পর এবার ভারতের দুই ব্র্যান্ডের মসলা বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করল নেপাল। এভারেস্ট এবং এমডিএইচ ব্র্যান্ডের পণ্যগুলোতে ক্ষতিকারক রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। খবর ইন্ডিয়া টুডে।


বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ওই দুই ব্র্যান্ডের মসলায় ইথিলিন অক্সাইডের মাত্রা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা করা শুরু করেছে নেপালের খাদ্য প্রযুক্তি ও গুণমান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ। এই উপাদানটি মানবদেহে ক্যানসার সৃষ্টি করে।



নেপালের খাদ্য প্রযুক্তির মুখপাত্র মোহন কৃষ্ণ মহারজান এএনআইকে বলেন, ‘এভারেস্ট ও এমডিএইচ ব্র্যান্ডের মসলা আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমরা এগুলো বাজারে বিক্রিও নিষিদ্ধ করেছি। মসলায় ক্ষতিকারক রাসায়নিকের উপস্থিতির খবরের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘এই দুটি বিশেষ ব্র্যান্ডের মসলায় রাসায়নিকের উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা চলছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।’



এভারেস্ট ও এমডিএইচ ব্র্যান্ডের মসলা কয়েক দশক ধরেই ভারতের গৃহস্থালি পণ্য হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। এমনকি এগুলো মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশে রপ্তানিও করা হয়। নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াতেও এই দুই ব্র্যান্ডের মশলাগুলো নিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।


নিউজিল্যান্ডের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত উপ-মহাপরিচালক জেনি বিশপ রয়টার্সকে বলেন, ‘ইথিলিন অক্সাইড এমন একটি রাসায়নিক যা মানবদেহে ক্যানসার সৃষ্টি করে। 


খাদ্য জীবাণুমুক্ত করার কাজে এই রাসায়নিকের ব্যবহার নিউজিল্যান্ড ও অন্যান্য দেশে পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হয়েছে। যেহেতু এমডিএইচ এবং এভারেস্ট ব্র্যান্ডের মসলা নিউজিল্যান্ডে পাওয়া যায় তাই আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি।’


গত এপ্রিলে হংকং খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থা দুটি ব্র্যান্ডের চারটি মমলা পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এরপর সিঙ্গাপুরের ফুড এজেন্সিও (এসএফএ) ইথিলিন অক্সাইডের মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে এভারেস্টের ফিশ কারি মাসালা প্রত্যাহার করে।


ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই) ইতোমধ্যে এমডিএইচ ও এভারেস্টের পণ্যের গুণমান পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে৷ প্রতিষ্ঠানটি হংকং ও সিঙ্গাপুরের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রকদের কাছ থেকেও বিস্তারিত জানতে চেয়েছে।






আরও খবর



শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। 


সেনা সমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


কারাগারের থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির মুখে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। 


এরপর থেকে দিনটি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো।


মুক্তি পেয়েই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাকে।


এরপর ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাকে। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত হয় মহাজোট সরকার।


সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।






আরও খবর