Logo
শিরোনাম

সব ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে আওয়ামী লীগ: কাদের

প্রকাশিত:Tuesday ২৯ November ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

আওয়ামী লীগ কাজের মধ্য দিয়ে বিএনপির সব ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে বলে জানিয়েছেন, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। একইসাথে দলের নেতাকর্মীদের মুজিব আদর্শে উদ্বুদ্ধ হবার নির্দেশও দেন তিনি।

 নোয়াখালী পৌর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এসময় নির্বাচন সামনে রেখে দলের নেতাকর্মীদের সব বিভেদ ভুলে এক সাথে কাজ করার নির্দেশ দেন। এর আগে জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তেলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। সম্মেলনে উপস্থিত আছেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্যসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।


আরও খবর



গিনেস বুকে ইলন মাস্কের রেকর্ড

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

টুইটার চিফ ইলন মাস্ক বছরের শুরুতে লজ্জার রেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম লেখালেন! এহেন নজির যে তিনি গড়বেন, তা হয়তো তার বড় শত্রুও ভাবেননি। কিন্তু সত্যিটা ভাবনার থেকেও বড় হয়ে দাঁড়াল। টুইটার কিনে বিপুল অর্থ খুইয়ে রেকর্ড গড়লেন মার্কিন ধনকুবের। ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশি লোকসান করে ইতিহাস তৈরি করেছেন মাস্ক।

এমন খবরই প্রকাশ্যে আনে গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২১ সালের নভেম্বরের পর থেকে অন্তত ১৮২ বিলিয়ন ডলার লোকসান করেছেন মাস্ক। অন্য সূত্রের আবার দাবি, হিসাবের অঙ্কটা প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ২০ হাজার কোটি টাকা!

জানা গেছে, ২০২১ সালের নভেম্বরের আগে মাস্কের মোট সম্পত্তির মূল্য যেখানে ৩২০ বিলিয়ন ডলার ছিল, সে মাসের পর থেকে নামতে নামতে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে এসে তা দাঁড়িয়েছে ১৩৭ বিলিয়ন ডলারে। এর থেকেই মাস্কের বিপুল লোকসানের অঙ্কটা অনেকটাই স্পষ্ট।

এর একটি কারণ তার কোম্পানি টেসলা স্টকের খারাপ পারফরম্যান্স। একটি সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, টুইটার কেনার জন্য প্রথম দফায় টেসলার ৭ বিলিয়ন ডলার, পরে ৪ বিলিয়ন ডলার এবং পরে আরও ৩.৫৮ বিলিয়ন ডলার স্টক বিক্রি করেছেন মাস্ক। এ বিপুল অর্থ খুইয়েই লজ্জার রেকর্ড করে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন তিনি। আর এর সঙ্গেই বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি হওয়ার তকমাও হারিয়েছেন। বিশ্বের ধনীতমদের শীর্ষে ফ্রান্সের বার্নার্ড আরনল্ট। তার সম্পত্তির মূল্য ১৯০ বিলিয়ন ডলার।


আরও খবর



বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Thursday ০৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : বিশ্ব অর্থনীতির কঠিন চ্যালেঞ্জের বছরেও বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার অনেক বেড়েছে। আর তাতে ভর করে বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় বিশ্বের ৫০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু ভারত বাংলাদেশ রয়েছে।

৪৬৫ বিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে বিদায়ী ২০২২ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম। এর আগের বছরে এই অবস্থান ছিল ৪১, সে সময় বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ৩৯৭ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফের পরিসংখ্যানের বরাতে কানাডার অনলাইন প্রকাশনা সংস্থা ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে গত ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়। দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) নিরিখেই তালিকা করা হয়েছে।

একটি দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় নির্ণায়ক জিডিপি। একটি দেশে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি বেসরকারি খাতের পুরো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের (পণ্য পরিষেবাসবই) মোট মূল্য উঠে আসে জিডিপিতে।

এর আগে গত বছরের ১২ জুলাই ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট বিশ্ব অর্থনীতিতে কোন দেশ কোথায়? শীর্ষক আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২১ সালে বিশ্বের ৪১তম বড় অর্থনীতি বাংলাদেশ। ওই প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্তও আইএমএফের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিল।

দি টপ হেভি গ্লোবাল ইকোনমি শীর্ষক ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশ ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে। জুলাইয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।

২০২২ সালে দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার জিডিপি নিয়ে যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থান দখল করে নিয়েছে ভারত।

তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান জার্মানি। দেশ ৪টির জিডিপি যথাক্রমে ২৫ দশমিক শূন্য , ১৮ দশমিক ৩২, দশমিক ৩০ দশমিক শূন্য ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

বিশ্বের ১০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের বাকি ৫টি দেশ হচ্ছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, রাশিয়া এবং ইতালি। দেশ ৫টির জিডিপি যথাক্রমে দশমিক ২০, দশমিক ৭৮, দশমিক ২০, দশমিক ১৩ দশমিক ৯৯ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

বিদায়ী ২০২২ সালে বিশ্বে দুটি বড় ঘটনা ঘটেছে। প্রথমত-বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটি পার হয়েছে। দ্বিতীয়ত-বিশ্ব অর্থনীতির আকার ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ১০১ দশমিক ৫৬ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতির আকার এই যে ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল, তাতে ছোট-বড় সব দেশের জিডিপির হিসাব যুক্ত হয়েছে। তবে এর বড় অংশজুড়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ভারত। বিশ্বের মোট জিডিপির অর্ধেকই কয়েকটি দেশের। আরও পাঁচটি দেশকে যদি এর সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তবে ১০ দেশের মিলিত জিডিপি হয় বৈশ্বিক জিডিপির ৬৬ শতাংশ। আর বিশ্বের ২৫টি দেশ বৈশ্বিক জিডিপির ৮৪ ভাগের অংশীদার।

বিশ্বের বাকি ১৬৭টি দেশের জিডিপির পরিমাণ কিন্তু খুবই কম, মাত্র ১৬ শতাংশ। নিম্ন জিডিপির দেশগুলোর বেশির ভাগই ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপদেশ।

মোট ১৯১টি দেশ নিয়ে তৈরি আইএমএফের এই তালিকায় সর্বশেষ নামটি হচ্ছে টুভালু। ৬৬ মিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে দেশটির ১৯১তম অবস্থানে রয়েছে।

যেখানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ : প্রতিবেদনে দেখা যায়, বৈশ্বিক জিডিপির তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থান ৩৫তম। বাংলাদেশের জিডিপির আকার সময় ছিল ৪৬০ বিলিয়ন ডলার বা ৪৬ হাজার কোটি ডলার। বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর অস্ট্রিয়ার মতো দেশ। আর ঠিক পরেই আছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ভিয়েতনাম।

 


আরও খবর



স্বপ্নের মেট্রোরেলের লোগো বানিয়েছেন নওগাঁর নিশান

প্রকাশিত:Friday ৩০ December ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


স্বপ্নের মেট্রোরেলের লোগো বানিয়েছেন নওগাঁর নিশান।

গত বুধবার চালু হয়েছে স্বপ্নের মেট্রোরেল। 

আর স্বপ্নের মেট্রোরেলের লোগো বানিয়েছেন নওগাঁর কৃতি সন্তান আলী আহসান নিশান। নিশান নওগাঁ জেলা সদর পৌরসভার ধামকুড়ি এলাকার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে। মূল লোগো ছাড়াও মেট্রোরেল এর স্টেশনে যে সাইনগুলো রয়েছে সেগুলোও তার করা। মেট্রোরেলের লোগো বানিয়ে ইতিহাসের অংশ হওয়া নিশানকে নিয়ে নওগাঁর মানুষ গর্বিত। নিশান এখন নওগাঁর ট্যক অব দ্য টাউন।

সৈয়দপুরে রেলের লোকোমোটিভ ওয়ার্কসপের ইঞ্জিন হল্ড কারখানার তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে কাজ করতেন নিশানের বাবা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের গ্রাফিকস ডিজাইন বিভাগ থেকে সদ্য পাস করা নিশান জানান, লোগোর মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশকে। একটা লাল সূর্য উঠছে। নিচে বাংলার চিরচেনা সবুজের মাখামাখি। দু-ইয়ে মিলে বাংলাদেশ। মেট্রোর ''এম'' অক্ষরটাও এমনভাবে বসানো, মনে হবে যেন প্লাটফর্ম। রেলটির দিকে কিছুক্ষণ তাকালেই মনে হবে ওটা স্থীর নয়, ছুটে চলেছে। উন্নয়ন-অগ্রগতিতে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়াকে ইঙ্গিত করছে ছুটে চলা রেল। বাংলাদেশের যে উন্নয়নের গতি, সেটা লোগোর দিকে তাকালে লক্ষ্য করা যাবে। সাধারণত লোগো স্থির প্রকৃতির হয়। এর রঙের ব্যবহারেও এক ধরনের ভারসাম্য থাকে। যেন চোখটা আটকে থাকে। এতে এক ধরনের গতি আছে।

নিশান তার লোগো তৈরির গল্প বলেন এভাবে, ''সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বেরিয়েছি। কোনো কাজ নেই। চলতি বছরের শুরুর দিকে একদিন বিভাগের এক শিক্ষকের কাছে যাই। তিনি আমাকে বললেন মেট্রোরেলের লোগো নির্বাচনের জন্য প্রযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারীদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। তুমি প্রতিযোগিতায় অংশ নাও। স্যারের আহ্বানে আমি ৩টি লোগো বানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে জমা দেই। অনেকেই লোগো বানিয়ে জমা দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো ৩টি লোগোর মধ্যে আমার দুটো ও অন্যজনের একটি পাঠানো হয়। এরপর জাতীয়ভাবে জমা হওয়া লোগোগুলোর মধ্যে থেকেও শর্টলিস্ট হয়। সেখান থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার লোগোটি চুড়ান্ত করেন।

প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হবার পরও সেই লোগো নিয়ে কয়েক বার কাজ করতে হয়েছে জানিয়ে নিশান বলেন, এখন লোগোতে থাকা ''এম'' অক্ষরটি লিখে যে প্লাটফর্ম বোঝানো হয়েছে, প্রথমে তা ছিল না। বিশ্বের ৩৫টি দেশে মেট্রোরেলের লোগোতে ''এম'' রয়েছে। ওটাকে যুক্ত করার সময় একটু নতুনত্ব আনা হয়েছে। এছাড়া লোগো যখন বানানো শুরু করি তখন মেট্রোরেল দেখতে কেমন সেটাও জানা ছিল না। তাই প্রথম যে রেলটা ব্যবহার করেছিলাম সেটি দেখতে বুলেট ট্রেনের মতো ছিল। পরে যখন মেট্রোরেলের ইঞ্জিন দেখলাম তখন কিছুটা পরিবর্তন করে দেওয়া হলো।

আরো বলেন, পুরো কাজ শেষ করতে ৬ মাসের মতো সময় লেগেছে। চলতি বছরের মে মাসে যখন কাজ'টি হলো আমি ভীষণ উত্তেজিত ছিলাম। অনেক প্রতিষ্ঠানে লোগো করেছি কিন্তু এতটা ভালো লাগা কাজ করেনি। বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ হওয়ার আনন্দ অবশ্যই অন্যরকম।

মেট্রোরেরেলের সাইনের কাজ করতে গিয়ে দেশের সব স্তরের মানুষ যেন চিহ্ন গুলো দেখে বুঝতে পারেন কোন দিকে যেতে হবে, টয়লেট কোন দিকে, টিকিট কোথায় পাবেন-এসব ভাবতে হয়েছে।

নিশান এর গ্রামের বাসিন্দা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নওগাঁ জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্বপ্নের মেট্রোরেলের লোগো বানিয়েছে আমাদের গ্রামের সন্তান নিশান। দোয়া করি, ইতিহাসের অংশ হওয়ার মতো নিশান যেন আগামীতে আরো ভালো, ভালো কাজ করতে পারে। 

নওগাঁর সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদ নওগাঁর সভাপতি ডিএম আব্দুল বারী বলেন, নিশানের মধ্যে যে শিল্পী সত্ত্বা আছে, আশা করি ভবিষ্যতে তার আরও অনেক ভালো কাজ দেখতে পারব। তার দ্বারা দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।


আরও খবর



মির্জাগঞ্জে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৭ দোকানিকে জরিমানা

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি,পটুয়াখালী :


পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৭ টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পটুয়াখালী জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার কলেজ রোড থেকে সুবিদখালী বাজারের ষ্টীল ব্রিজ পর্যন্ত ৭ টি দোকান থেকে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মো.শাহ শোয়াইব মিয়ার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় মির্জাগঞ্জ থানার এসআই মো.ইব্রাহীম,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মাখসুদুর রহমান খান অভিযানে সহয়তা করেন।

সুবিদখালী কলেজ রোডস্থ সকাল সন্ধ্যা হোটেলকে ৬ হাজার,হোটেল সালামকে ৩ হাজার,মৃধা স্টোরকে ১ হাজার,স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন রোগ মুক্তি ফার্মেসীকে ৩ হাজার,অন্তরা মেডিকেল হলকে ১০ হাজার এবং নান্নু শপিং কমপ্লেক্সের সুরাইয়া ফ্যাশনকে ৪ হাজার ও শেফা ফ্যাশন হাউসকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মো.শাহ শোয়াইব মিয়া বলেন,মির্জাগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপন্য তৈরি ও সংরক্ষন করা,মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধ বিক্রয় ও বিক্রয় প্রস্তাব করা,এমআরপি থেকে অতিরিক্ত দামে ঔষধ বিক্রয় করা,বিক্রয় নিষিদ্ধ কসমেটিক্স বিক্রয় করা ও কসমেটিকসের মোড়কে খুচরা মূল্য উল্লেখ না থাকার কারণে ৭ টি  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে বাজার তদারকি মূলক এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

একযোগে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শত সেতু- শত সড়ক উদ্বোধনের পর এবার অর্ধশত মসজিদের উদ্বোধন হলো।এ সময় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে ইসলামের সঠিক আদর্শে জীবন যাপনের আহবান জানান।

গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি, যুক্ত হয়ে রংপুর সিলেট ও খুলনায় এসব মসজিদের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।নান্দনিক স্থাপত্যে ও ইসলাম চর্চার সুযোগ সুবিধা নিয়ে তৈরি হওয়া মসজিদগুলো একেকটি সংস্কৃতিকেন্দ্র হিসাবেও কাজে লাগবে। যেখানে হজযাত্রীরা প্রশিক্ষণ ও নিবন্ধনসহ প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো করতে পারবেন। থাকছে ইমাম প্রশিক্ষণ, নারী- পুরুষের নামাজের ব্যবস্থা, লাইব্রেরি , অটিজম কর্ণার, শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রসহ- পূর্ণাঙ্গ ইসলাম চর্চার সবকিছু। 


আরও খবর