Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

শীতে সুস্থ থাকতে যা খাবেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শীতে শুধু ত্বকের সমস্যা নয়, সর্দি-কাশি, জ্বরেও কাবু হয়ে পড়েন অনেকে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। অন্য দিকে, গোটা শীতকাল জুড়ে থাকে নানা উৎসবের আয়োজন। এসব উদযাপন করতে হলে শারীরিক ভাবে ফিট থাকা প্রয়োজন। এজন্য খাওয়াদাওয়ায় একটা বাড়তি নিয়ম মেনে চলতে হবে। গোটা শীতকাল যাতে সর্দি, কাশি আর গলাব্যথায় না কেটে যায়, তার জন্য নিয়ম করে কয়েকটি খাবার খেতে হবে। যেমন-

১. শরীরে ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করতে সাইট্রাসজাতীয় ফলের জুড়ি নেই। পাতিলেবু, মোসম্বি ও কমলা যেমন জোগান দিতে পারে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর, তেমনই মেটাতে পারে ফাইবারের ঘাটতি। পেয়ারাতেও প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত এসব ফল খান।

২.অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর ও ক্যানসার প্রতিরোধী গুণে সমৃদ্ধ পালং শাক শীতকালে সত্যিই হয়ে উঠতে পারে সুপার ফুড। ভিটামিন ও খনিজ তো রয়েছেই, তার সঙ্গে বাড়তি ওজন কমাতেও অত্যন্ত কার্যকর সবুজ পালং শাক।

৩. শীতকালে বাজারে প্রচুর পরিমাণে সবজি পাওয়া যায়। বিট, গাজরের মতো শীতকালীন সবজি ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করতে ও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে অত্যন্ত উপযোগী। তাই শীতকালে সুস্থতার চাবিকাঠি হতে পারে এসব সবজি।


আরও খবর



নিষিদ্ধ হচ্ছে ইমরানের পিটিআই

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ (পিটিআই) নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। ১৯৯৬ সালে নিজের হাতে এই দলটি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ইমরান খান।


দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বেশ আগে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনে (ইসিপি) একটি অভিযোগ এসেছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ২০০৩ সালে নিষিদ্ধ উৎস থেকে তহবিল সংগ্রহ করেছিল পিটিআই।

দীর্ঘদিন এই অভিযোগটি নিয়ে নির্বাচন কোনো তৎপরতা দৃশ্যমান হয়নি। তবে সম্প্রতি এ ইস্যুতে ইসিপি তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

পাকিস্তানের সংবিধান অনুসারে, যদি কোনো রাজনৈতিক দল বিদেশি কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে এবং যদি তা প্রমাণিত হয়, তাহলে সেই রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা যাবে। পিটিআইয়ের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রয়েছে এবং সেটিরই তদন্ত শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।

এছাড়া গত ৯ আগস্টের দাঙ্গা এবং রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে মামলা চলছে ইমরান খান এবং পিটিআইয়ের প্রথম সারির কয়েক জন নেতার বিরুদ্ধে। সেই মামলার রায়ও তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

যদি এসব মামলায় ইমরান ও তার দলের জেষ্ঠ্য নেতারা দোষী সাব্যস্ত হন, সেক্ষেত্রে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ হবেন তারাও। ফলে সার্বিক ভাবে এক চরম অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে পিটিআই।

২০২২ সালের ২৭ মার্চ এক জনসভায় ইমরান খান একটি চিঠি প্রদর্শন করে বলেছিলেন, তার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র চাপ দিচ্ছে এবং এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর যে তারবার্তা আদানপ্রদান চলছে, তার প্রমাণ এই চিঠিতে রয়েছে। তারপরই তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁস (সাইফার) মামলা দায়ের করা হয়।

তারপর ২০২৩ সালের ৯ মে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট চত্বরে ইমরান খান গ্রেপ্তার হওয়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন পিটিআই কর্মী-সমর্থকরা এবং পাকিস্তানের ইতিহাসে সেবার প্রথমবারের মতো সামরিক বাহিনীর স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দলের সমর্থকদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ইমরান খান ও তার দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে পাকিস্তানের একাধিক আদালতে।

পিটিআই নিষিদ্ধ হচ্ছে এই সংবাদটি অবশ্য পাকিস্তানের অপর দুই বড় রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)সহ অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলের জন্য সুখবর। কারণ এই মুহূর্তে পিটিআই পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল এবং ইমরান খান এখনও দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। বস্তুত, এখন পর্যন্ত পিটিআই এবং ইমরানের যে জনপ্রিয়তা পিএমএলএন এবং পিপিপি তার ধারে কাছেও নেই।

পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য এবং পিএমএলএন নেতা শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন সাবেক সরকারের আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রী আজম নাজির তারার অবশ্য মনে করেন, নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকলেও শিগগিরই পিটিআইকে এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে না।

এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো টালমাটাল অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনা। লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যাপক সংকটে রয়েছেন সাধারণ জনগণ। এই সংকটের সুরাহা হওয়া এখন সবচেয়ে জরুরি, সাংবাদিকদের বলেছেন আজম নাজির তারার।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




পাকিস্তানে সরকার গঠন কোন পথে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও ইমরান খান আগামী সরকার গঠনের দাবি করেছেন। তবে বিশৃঙ্খলা ও মেরুকরণ এড়াতে ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ক্ষমতাধর সেনাপ্রধান। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থিতিশীল সরকার গঠন করা সম্ভব না হলে পাকিস্তানের সংকট ও অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে।

২৬৫ আসনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ২৫৬ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ইমরান খানের দল পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি ৯৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন। আসনসংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন পেয়েছে ৭৩টি আসন। তৃতীয় স্থানে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পিপিপি পেয়েছে ৫৪টি আসন। এ ছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩৩টি আসন। দেশটিতে এবার সরকার গঠনে প্রয়োজন হবে ১৩৪টি আসনে জয়লাভ।

সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর খান জানিয়েছেন, তারা পিএমএল-এন ও পিপিপির সঙ্গে জোট গড়বেন না। অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরুর কথা জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্র ও প্রাদেশিক সরকার গঠনের লক্ষ্যে এই আলোচনায় ব্যারিস্টার গহর খানের সঙ্গে থাকবেন আসাদ কায়সার, আলি মুহাম্মদ খান প্রমুখ।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, কেন্দ্র ও পাঞ্জাবে সরকার গঠনে সম্মত হয়েছে পিএমএল-এন ও পিপিপি। পিএমএল-এন নেতা শাহবাজ শরিফ পাঞ্জাবের তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী মোহসিন নাকভির বাড়িতে পিপিপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পিপিপি নেতা আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে ওই বৈঠকে পিএমএল-এন নেতা নওয়াজ শরিফের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ৪৫ মিনিট স্থায়ী ওই বৈঠকে উভয় দল তাদের মতামত পরবর্তী বৈঠকে তুলে ধরতে সম্মত হয়েছে।

তবে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা পিএমএল-এন নেতা শহিদ খাকান আব্বাসি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, নওয়াজ শরিফের পরামর্শ মতো পিটিআইকে বাদ দিয়ে জোট সরকার গঠন করা হলে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা ও অসন্তোষ বাড়বে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আব্বাসি বলেন, এসব নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে মারাত্মক সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ফলে মানুষের চোখে তাদের কোনো বিশ্বাস যোগ্যতা থাকবে না। বৈধতা পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো ইমরান খানকে যুক্ত করা। ইমরানকে বাদ রেখে যে কোনো সমাধান কাজে আসবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এস্টাবলিশমেন্ট কি সেটা গ্রহণ করবে?

আব্বাসি এস্টাবলিশমেন্ট বলতে সেনাবাহিনীকে বুঝিয়েছেন। অনেকে মনে করেন সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা হারিয়েছিলেন ইমরান খান। এবারের নির্বাচনে তার দল-সমর্থিত প্রার্থীদের ব্যাপক বিজয়ে সামরিক বাহিনীতে অস্বস্তি তৈরির আশঙ্কা করছেন অনেকে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক বিশ্লেষক বলেছেন, পাকিস্তানে কোনো জোট সরকার গঠন হলে তাকে একাধিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হিমশিম খেতে হবে। ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের আফগানিস্তান ও পাকিস্তান স্টাডিজের পরিচালক মারভিন ওয়েনবাউম কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, জোট সরকার সম্ভবত অস্থিতিশীল ও দুর্বল হবে এবং সবচেয়ে বেশি পরাজিত হবে সেনাবাহিনী। কারণ এই ভোট করতে দেওয়ার ক্ষমতার ওপর সেনাবাহিনী সত্যিই তার সুনাম বাজি ধরেছে।

নির্বাচনের আগে পিটিআই নেতাকর্মীদের ওপর যে ধরনের নিপীড়ন চলেছে, তাতে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ। কলামিস্ট দানিয়েল আদম খান বলেন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন সম্পূর্ণ নজিরবিহীন নয়, তবে পাকিস্তানে নির্বাচনের আগে যেটা হয়েছে সেটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপহাস। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধীপক্ষকে অপমানের সংস্কৃতি প্রসারে পিটিআইয়ের নিজস্ব ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে তাদের সফলতা জনগণের সিদ্ধান্তের বিষয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক বেনজির শাহ পাকিস্তানের নির্বাচনে জালিয়াতির ইতিহাস মেনে নেওয়ার পরও বলেন, এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা তাদের রায় শুনতে বাধ্য করেছেন। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, পাকিস্তানের ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪৫ শতাংশের বেশি হচ্ছে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ঐতিহাসিকভাবে নির্বাচনে তারা বিপুল প্রভাব রাখেননি, কিন্তু এবারে ছিল তাদের ঝলক দেখানোর ও মতামত প্রকাশ করার মুহূর্ত।

ইতোমধ্যে নির্বাচনের কোনো স্পষ্ট ফলাফল না থাকার জেরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির সব রাজনৈতিক দলকে পরিপক্বতা ও ঐক্য প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ২৫ কোটি জনসংখ্যার কোনো প্রগতিশীল দেশের জন্য রাজনৈতিক মেরুকরণ ভালো কিছু নয়। নির্বাচন কেবল প্রতিযোগিতায় জয় বা পরাজয় নয়, এটা জনগণের রায় নির্ধারণের এক ধরনের চর্চা।

এদিকে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন বলেছে, নতুন সরকার যারাই গঠন করুক তাদের একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। সবচেয়ে আগে যে চ্যালেঞ্জ নতুন সরকারের সামনে রয়েছে তা হলো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পরিপালন। নতুন করে ঋণ পেতে হলে দেশটিকে বেশ কয়েকটি অগ্রগতি অর্জন করতে হবে। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ধীর প্রবৃদ্ধির কারণে এসব শর্ত পূরণে মারাত্মক চ্যালেঞ্জে পড়বে সরকার।

গত আগস্ট থেকে কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান খান। বিভিন্ন মামলায় প্রায় ২৪ বছরের দণ্ড দেওয়া হয়েছে তাকে। নির্বাচনের ফলে এগিয়ে থাকার পরও সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী জেলে থাকলে নিশ্চিতভাবে ক্ষুব্ধ হবেন সমর্থকরা। তবে গতকাল শনিবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে থাকা নয়টি মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। সহিংসতার এসব মামলায় জামিন পেলেও তার মুক্তি এখনো সম্ভব নয়। নতুন সরকারকে এই রাজনৈতিক চাপও সামাল দিতে হবে।

নির্বাচনী প্রচারের সময়েও পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটতে দেখা গেছে। গত ১৮ মাসে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। তবে পাকিস্তানের দুর্বল আর্থিক অবস্থা নতুন করে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার খরচ জোগানো কষ্টসাধ্য করে তুলবে। এ ছাড়া আফগানিস্তান সীমান্তে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত সামাল দিতেও হিমশিম খেতে হবে।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




জিকির-বয়ানে মশগুল মুসল্লিরা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিন শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি)। ময়দানে জিকিরে ও বয়ানে মশগুল রয়েছেন মুসল্লিরা। ভোরে ফজরের নামাজের পর চলছে ধর্মীয় বয়ান। ফজরের পরে বয়ান করছেন ভারতের মাওলানা সাঈদ বিন সাদ। বাংলা তরজমা করছেন মুফতি ওসামা ইসলাম। আসরের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে যৌতুক বিহীন গণবিয়ে।

আগামীকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে শুরু হবে আখেরি মোনাজাত। আর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সাদপন্থীদের তাবলীগ জামাতের এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

ইজতেমার আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ইজতেমা ময়দানের ৮৯টি খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন দেশ-বিদেশি লাখো মুসল্লি। ফজরের নামাজের পর পিনপতন নিরবতায় ধর্মীয় বয়ান শুনছেন তারা। বয়ানের পর এগুলো থেকে নেওয়া শিক্ষা নিয়ে প্রতিটি খিত্তায় দল বেঁধে নিজস্ব আমিরের (দলনেতা) নেতৃত্বে হবে আলোচনা।

সকাল সাড়ে ১০টায় তালিমে হালকা মোয়াল্লেমেরদের নিয়ে কথা বলবেন মাওলানা আব্দুল আজিম।

তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরুব্বিরা আরবি, উর্দু ও হিন্দিতে বয়ান করলেও তাৎক্ষণিকভাবে এগুলো বাংলা, ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া যারা তাবলীগের দাওয়াতী কাজে বের হবেন খিত্তা অনুযায়ী তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।

ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম বলেন, ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে যোহরের নামাজের পরে বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা শরিফ, বাংলা তরজমায় মাওলানা মাহমুদুল্লাহ, আসরের পরে বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা ওসমান, বাংলা তরজমায় মাওলানা আজিম উদ্দিন। বয়ানের পরে অনুষ্ঠিত হবে যৌতুক বিহীন গণবিয়ে।

তিনি বলেন, মূল বয়ান মঞ্চের পাশে শরীয়া আইন অনুযায়ী কনের অনুপস্থিতিতে তার অভিভাবক, বর ও আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন ভারতের মুফতি ইয়াকুব, বাংলা তরজমায় মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

রবিবার ফজরের পরে বয়ান করবেন ভারতের মুফতি মাকসুদ, বাংলা তরজমা করবেন মাওলানা আব্দুল্লাহ। বয়ানের পরেই হেদায়াতি বয়ান ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। মজলিশে শূরার সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন ভারতের মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।

এদিকে, ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১৫ হাজার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ময়দানের ভেতরে ও বাইরে কাজ করছে। সিসিটিভি ও ওয়াচ টাওয়ার দিয়ে পুরো ময়দান ও আশেপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন, সরকারের বিভিন্ন দফতরের লোকজন সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

 


আরও খবর



কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌণ হয়রানীর মিথ্যা মামলা' শিক্ষিকা ও শিক্ষক বরখাস্ত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) ওয়াহেদুল্লাহ প্রামাণিক এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি অভিযোগ এনে ‘মিথ্যা’ মামলা করায় আফরোজা রুমা (৪৪) নামে এক শিক্ষিকা কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে এই মিথ্যা করতে সাহায্য করা সহ বিভিন্ন সময়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করায় একই বিদ্যালয়ের আরেক সহকারী শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম কে ও রবিবার থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম।

বরখাস্তকৃত দু'জন শিক্ষক হলেন, নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আফরোজা রুমা ও মোঃ মোরশেদ আলম। 

নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত বরখাস্তের চিঠির সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ সদর উপজেলার সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, জনাব আফরোজা রুমা, মোকাম নওগাঁ বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত-১ মামলা নং-২৪/২০২৪ নারী ও  শিশু ট্রাইবুনাল মামলায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয় এবং জেল হাজতে অবস্থান করায় তাঁকে বি এস আর পার্ট-১ এর ৭৩ নং বিধির নোট (২) মোতাবেক তাকে ১৪ ফেব্রুয়ারী (জেল হাজতে অবস্থানের দিন) হতে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্ত কালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।


বরখাস্তের অপর চিঠির সূত্রে জানা যায়, মোঃ মোরশেদ আলম, সহকারী শিক্ষক, সুলতানপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নওগাঁ সদর, নওগাঁ এর বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩ এর অনুচ্ছেদ (খ) এর অধীনে কার্যক্রম গ্রহণ করায় উক্ত বিধির ১২ ধারা মোতাবেক আদেশ জারির তারিখ হতে সরকারি চাকুরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্ত কালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

এবিষয়ে জানতে বরখাস্তকৃত শিক্ষিকা আফরোজা রুমার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে জানতে চাইলে, বরখাস্তকৃত শিক্ষক মোঃ মোরশেদ আলম বলেন, বরখাস্তের চিঠি আমি দেখেছি। কিন্তু কি কারণে আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে তা আমি বুঝতে পারছি না। তার বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করার কথা এবং শিক্ষিকা আফরোজা রুমাকে মিথ্যা মামলায় সহযোগিতা করার কথাও তিনি অস্বীকার করেন।

এবিষয়ে নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই দু'জন শিক্ষক চাকুরীবিধি বহির্ভূত কার্যকলাপ করেছে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে ওপর শিক্ষককে নিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে তার সম্মানহানী করেছে। এছাড়াও শিক্ষক আফরোজা রুমা জেল হাজতে ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ফৌজদারী মামলা চলমান রয়েছে।


আরও খবর



জননিরাপত্তা নিশ্চিতে অপচেষ্টা প্রতিহত করুন : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সাহস ও আন্তরিকতার সাথে রুখে দাঁড়াতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তম বাহিনী হিসেবে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অশুভ তৎপরতা প্রতিহত করতে হবে। আপনাদের সততা, সাহস ও আন্তরিকতার সাথে এটা করতে হবে।

সোমবার  সকালে গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ৪৪তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তি বজায় রাখা তার সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।

 

তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুষ্ঠু অর্থনৈতিক পরিবেশ ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা অব্যাহত রাখা পূর্বশর্ত। দেশে এমন পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের অর্জিত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকে সততার সাথে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি দেশের সরকারি-বেসরকারি কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সর্ববৃহৎ বাহিনী আনসার-ভিডিপির ৬১ লাখ সদস্যের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

বৃহৎ এই বাহিনীটিতে দুটি নারী ব্যাটালিয়ন এবং একটি বিশেষায়িত ব্যাটালিয়নসহ মোট ৪২টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে।


সূত্র : ইউএনবি

 


আরও খবর