Logo
শিরোনাম

সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক ইয়াকুব, সাংগঠনিক অনুপ

প্রকাশিত:Friday ০৬ May ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন (২০২২-২৪) অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ২০২২ সালের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ২৬জন সদস্য।

উৎসবমুখর পরিবেশে "সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাব" কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন "দৈনিক যায়যায়দিন" পত্রিকার প্রতিনিধি খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক পদে এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি ইয়াকুব আল মাহমুদ, সহ সভাপতি দৈনিক ইনকিলাব/নিউ নেশন"প্রতিনিধি বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া,দৈনিক আমাদের অর্থনীতির প্রতিনিধি মামুনুর রশীদ, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক পদে দৈনিক আমার প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন,দৈনিক আমার কাগজ প্রতিনিধি ফজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিডিটুডেইস এর  অনুপ সিংহ, "দৈনিক বাংলাদেশের খবর"প্রতিনিধি মোরশেদ আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক খবর প্রতিনিধি এম এ বি সিদ্দিক,দৈনিক নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি কোষাধক্ষ্য পদে আব্দুল মতিন, দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক সরকার প্রতিনিধি এ কে এম মহিউদ্দিন, প্রচার সম্পাদক পদে দৈনিক জাতীয় নিশান প্রতিনিধি মোহাম্মদ উল্লাহ নির্বাচিত হয়েছে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের দায়িত্ব পালন করেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শামসুল আরেফিন জাফর, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও অধ্যাপক সালাউদ্দিন পাটোয়ারী,সোনাইমুড়ী সরকারি ডিগ্রি কলেজের বাংলার প্রভাষক মহিবুল্লাহ খান ভুট্টো,প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মতিন। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশের ফোর্সও নিয়োজিত ছিলো নির্বাচনে। 

এর আগে গত ২মে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় এবং ৪মে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করা হয়। ৫মে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিলো। এবং পূর্বঘোষিত শুক্রবার (৬-মে) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব সদস্য টিএ সেলিম, শাহজাহান আলম ভূঁইয়া, আবুল কাশেম মোহাম্মদ সেলিম, মাহফুজুর রহমান, গুলজার  হানিফ, মোহাম্মদ হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম,আনোয়ার বারি পিন্টু মোশারফ হোসেন শিবলু, মামুনুর রশিদ, রবিউল হাসান।


আরও খবর



বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বিক্রির দায়ে কারাদণ্ড

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রধানমন্ত্রীর গৃহহীনদের দেয়া উপহারের ঘর বিক্রি করার দায়ে বগুড়ার জামরুল শেখ নামে একজনকে এক মাসের  কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বিক্রি করা বাড়ির দলিলও জব্দ করে আদালত।

ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক জানান বগুড়া সদরের ৪ নং এরুলিয়া ইউনিয়নের কদমতলী আশ্রয়ণ প্রকল্পে শুক্রবার দুপুরে  সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  ফিরোজা পারভীন এই অভিযান চালান । 

দন্ডপ্রাপ্ত  জামরুল শেখ ওই এলাকার মৃত ছায়েদ আলী শেখের ছেলে। 

এর আগে গত বছরের ১৬ নভেম্বর একই আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দা মো. ইদ্রিস আলী আকন্দের কাছে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে নিজের বরাদ্দ পাওয়া ঘরটি বিক্রি করেন জামরুল শেখ। একশ টাকা মূল্যের একটি স্ট্যাম্পেও অঙ্গীকারনামা লিখে এবং বিক্রি করা উপহারের ঘরের দলিল ইদ্রিস আলীকে বুঝিয়ে দেয় জামরুল ।

 ইউএনও ফিরোজা পারভীন আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য এরুলিয়া ইউনিয়নের কদমতলীতে আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়েছে৷ ওই প্রকল্পের ১২ নম্বর বাড়ি জামরুল গৃহহীন হওয়ায় বরাদ্দ পান।

তবে তিনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ওই প্রকল্পের আরেক বাসিন্দা ইদ্রিস আকন্দের কাছে ৭০ হাজার টাকায় বরাদ্দ পাওয়া ঘরটি বিক্রি করে দেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জামরুলকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 

ইউএনও ফিরোজা পারভীন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বিক্রি সাথে কোন চক্র বা অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি এই ঘরগুলো প্রাপ্য মানুষদের হাতে তুলে দিতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।

মুজিব শতবর্ষে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের পূর্ণবাসনের জন্য কৃষি খাস জমি বন্দোবস্তের কবুলিয়ত নামার ১৩ এবং ১৪তম ধারায় বলা আছে, আমরা আমাদের জমির সমস্ত বা কোন অংশ বিক্রয়, দান বা অন্য কোনো প্রকার হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে চাষাবাদের প্রয়োজনে এই জমি কোনো ব্যাংক বা সমবায় সমিতির অথবা সরকারের নিকট বন্ধক রাখতে পারবে। 


আরও খবর



মৃত্যুর পরও অমর সারাহ ইসলাম

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image
রোকসানা মনোয়ার :সারাহ ইসলাম, বয়স মাত্র ২০। দশ মাস বয়সে তার ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে দীর্ঘ ১৯ বছর সংগ্রাম করেছেন তার বাবা মা। দেশে বিদেশে নানা রকম চিকিৎসাতেও কোন কাজ হয়নি। ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন; সদ্য জীবন শুরু করা ফুটফুটে এই মেয়েটি। বাবা মাকে সারাহ অনুরোধ করেছিলেন; মৃত্যুর পর তার দেহটি যাতে মানুষের কল্যানে দান করা হয়।
বুধবার রাত ১০টায় সারাহ মারা যান। তার দুটি কিডনী ও চোখের দুটি কর্নিয়া সরিয়ে নিয়ে প্রায় সাথে সাথেই চারজন মানুষের দেহে প্রতিস্থাপন করেন ডাক্তাররা। রাত ১০টা থেকে টানা ভোর পর্যন্ত চলেছে এই অস্ত্রপচার। চারজন রোগীই সুস্থ আছেন। এটি হয়তো দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার এগিয়ে যাওয়ার চিত্র। কিন্তু আমি বিস্মিত অন্য কারনে।
মৃত্যুর মতো একটি কঠিন সত্যকে মেনে নিয়ে; এমন আত্মত্যাগের জীবন গড়তে কে তোমাকে শেখালো মা ? এই সার্থপর সমাজ, চারপাশে লোভের-লাভের এতো এতো প্রতিযোগিতা; এই নষ্ট সময়ে তুমি এক তরতাজা ফুল।
স্যালুট তোমাকে মা। স্যালুট তোমার মতো বীরকন্যার জন্মদাত্রী মাকেও। যে কিনা এমন একটা পবিত্র সৌরভের জন্ম দিয়েছে।

মৃত্যুতেও অমর একজন সারাহ ইসলাম । দূরারোগ্য রোগের সাথে লড়াই করে নিজে হার মানলেও, কিডনি ও কর্নিয়া দান করে নতুন জীবন দিয়েছেন চারজনকে। সারাহর অঙ্গ নেয়া চার রোগীই এখন সুস্থ আছেন। সাহসিকা সারাহর গল্প জানালেন তার মা ।

পাঁচ বছর যাবত বোনের চিকিৎসা খরচ জোগাতে গিয়ে যখন প্রায় নি:স্ব শাহাজাদা আহমেদের পরিবার তখন সারাহ ইসলাম এসেছেন জীবনের বাক বদলকারী হিসেবে। শাহাজাদা ফিরে পেয়েছেন তার বোনকে আর দশ বছরের ছোট্ট সন্তানের কাছে তার মাকে ফিরিয়ে দিয়েছে সারাহর দান করা কিডনী।

বলছি সেই ২০ বছরের সারাহর কথা। মাত্র দশ মাস বয়স থেকেই লড়েছেন টিউবেরাস স্কেলোসিসের মত দুরারোগ্য ব্যাধির সাথে।এবার ব্রেনে বাঁধা বেসেছিলো টিউমার। হয়তো বুঝতে পরেছিলেন লড়াইয়ে এবার ফিরে নাও আসতে পারেন। মৃত্যুর পরও নিজেকে বিলিয়ে বাঁচতে চেয়েছেন সারাহ। মস্তিস্ক যখন আর সারা দিচ্ছিলো না তখন সারাহর দুই কিডনী আর চোখের কর্ণিয়া নতুন করে বাঁচার আশা যুগিয়েছে চার চারটা মানুষকে।

বড় আঁকিয়ে হবেন একদিন, এমন স্বপ্ন ছিলো সারাহর চোখে। জীবন তাকে সেই সময়টুকু না দিলেও মৃত্যুতেও থমকে যাননি সারাহ! এমন সাহসী আর মানবিক মেয়েই তো চেয়েছিলেন মা শবনম।

বিখ্যাত কেউ নন কিন্তু তারপরও এমন সিলিউট থেকে সারাহ ইসলামকে চিনে নিতে আর কষ্ট হয় না। তার এই দেখিয়ে যাওয়া পথে যেদিন এমন আরও অনেক মৃত্যুঞ্জয়ের কাহিনীযুক্ত হবে সেই দিনের অপেক্ষায় সারাহর পরিবার।




আরও খবর



র‌্যাবের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের লিডারসহ ৪ জন আটক

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ January ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :


কিশোর গ্যাংয়ের লিডার সহ ৪ জনকে আটক করেছে র‌্যাব।

জয়পুরহাটের সদর থানার নতুন চাতাল বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কিশোর গ্যাংয়ের লিডার গোলাম রব্বানী সহ ৪ জনকে আটক করেছে র‍্যাব। 

সত্যতা নিশ্চিত করে র‍্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে জানানো হয়, র‍্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানার নেতৃত্বে বুধবার পূর্বরাত সাড়ে ১২ টারদিকে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, জয়পুরহাট জেলা সদর থানার নতুনহাট শেখপাড়া গ্রামের মোঃ ওবায়দুলের ছেলে মোঃ গোলাম রব্বানী (২৪), একই গ্রামের মোঃ আলতাবের ছেলে মোঃ ফাহিম শেখ (২০), মোঃ নজরুলের ছেলে মোঃ ইব্রাহীম হোসেন (২০) ও একই থানার শান্তিনগর গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে মোঃ শাহিন হোসেন (২৩)।

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ আরো জানান যে, আটককৃত ৪ জন এলাকায় কিশোর সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। এরা সবাই রব্বানী গ্রুপের সদস্য, যেখানে রব্বানি তাদের গাং লিডার। গ্যাং লিডার গোলাম রব্বানীর নামে পুর্বে একটি অস্ত্র মামলাসহ মোট ৪ টি মামলা রয়েছে এবং মোঃ শাহিন হোসেনের নামে একটি মামলা রয়েছে। তারা প্রায় ৭/৮ জন একত্রিত হয়ে জয়পুরহাট সদর থানার নতুন হাট গরুরহাটের এক পরিত্যক্ত দোকানের পেছনে সমবেত হয়ে গাঁজা ও ফেন্সিডিল সেবন করে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ধারালো টিপ চাকু, ফেন্সিডিলের বোতল, গাঁজার পুরিয়া সহ মাদক সেবন করার অন্যান্য সরঞ্জামাদিও পাওয়া যায়। এছাড়াও গত শনিবার নতুনহাট গরুর বাজারে এক গরু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই হয়। 

এরপর জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা এ ব্যাপারে নতুনহাট এলাকায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি বৃদ্ধি করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে রব্বানী  গ্যাংয়ের ৮ জন সদস্যের মধ্যে ৪ জন সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় পেনাল কোড-১৮৬০ এর ৩৯৩/৩৪ তৎসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারায় মামলা দায়ের করে বুধবার দুপুরে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়।


আরও খবর



বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Thursday ০৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : বিশ্ব অর্থনীতির কঠিন চ্যালেঞ্জের বছরেও বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার অনেক বেড়েছে। আর তাতে ভর করে বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় বিশ্বের ৫০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু ভারত বাংলাদেশ রয়েছে।

৪৬৫ বিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে বিদায়ী ২০২২ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম। এর আগের বছরে এই অবস্থান ছিল ৪১, সে সময় বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ৩৯৭ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফের পরিসংখ্যানের বরাতে কানাডার অনলাইন প্রকাশনা সংস্থা ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে গত ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়। দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) নিরিখেই তালিকা করা হয়েছে।

একটি দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় নির্ণায়ক জিডিপি। একটি দেশে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি বেসরকারি খাতের পুরো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের (পণ্য পরিষেবাসবই) মোট মূল্য উঠে আসে জিডিপিতে।

এর আগে গত বছরের ১২ জুলাই ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট বিশ্ব অর্থনীতিতে কোন দেশ কোথায়? শীর্ষক আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২১ সালে বিশ্বের ৪১তম বড় অর্থনীতি বাংলাদেশ। ওই প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্তও আইএমএফের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিল।

দি টপ হেভি গ্লোবাল ইকোনমি শীর্ষক ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশ ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে। জুলাইয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।

২০২২ সালে দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার জিডিপি নিয়ে যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থান দখল করে নিয়েছে ভারত।

তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান জার্মানি। দেশ ৪টির জিডিপি যথাক্রমে ২৫ দশমিক শূন্য , ১৮ দশমিক ৩২, দশমিক ৩০ দশমিক শূন্য ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

বিশ্বের ১০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের বাকি ৫টি দেশ হচ্ছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, রাশিয়া এবং ইতালি। দেশ ৫টির জিডিপি যথাক্রমে দশমিক ২০, দশমিক ৭৮, দশমিক ২০, দশমিক ১৩ দশমিক ৯৯ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

বিদায়ী ২০২২ সালে বিশ্বে দুটি বড় ঘটনা ঘটেছে। প্রথমত-বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটি পার হয়েছে। দ্বিতীয়ত-বিশ্ব অর্থনীতির আকার ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ১০১ দশমিক ৫৬ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতির আকার এই যে ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল, তাতে ছোট-বড় সব দেশের জিডিপির হিসাব যুক্ত হয়েছে। তবে এর বড় অংশজুড়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ভারত। বিশ্বের মোট জিডিপির অর্ধেকই কয়েকটি দেশের। আরও পাঁচটি দেশকে যদি এর সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তবে ১০ দেশের মিলিত জিডিপি হয় বৈশ্বিক জিডিপির ৬৬ শতাংশ। আর বিশ্বের ২৫টি দেশ বৈশ্বিক জিডিপির ৮৪ ভাগের অংশীদার।

বিশ্বের বাকি ১৬৭টি দেশের জিডিপির পরিমাণ কিন্তু খুবই কম, মাত্র ১৬ শতাংশ। নিম্ন জিডিপির দেশগুলোর বেশির ভাগই ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপদেশ।

মোট ১৯১টি দেশ নিয়ে তৈরি আইএমএফের এই তালিকায় সর্বশেষ নামটি হচ্ছে টুভালু। ৬৬ মিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে দেশটির ১৯১তম অবস্থানে রয়েছে।

যেখানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ : প্রতিবেদনে দেখা যায়, বৈশ্বিক জিডিপির তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থান ৩৫তম। বাংলাদেশের জিডিপির আকার সময় ছিল ৪৬০ বিলিয়ন ডলার বা ৪৬ হাজার কোটি ডলার। বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর অস্ট্রিয়ার মতো দেশ। আর ঠিক পরেই আছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ভিয়েতনাম।

 


আরও খবর



মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থান আইন সংশোধন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :মালয়েশিয়া এমপ্লয়মেন্ট (কর্মসংস্থান) আইন সংশোধন করেছে। যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনের ৬০ ধারা সংশোধন করে লেবারের ডিরেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এজন্য নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু বাধ্যতামূলক শর্ত রয়েছে; যেমন—এমপ্লয়মেন্ট আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ইস্যু পেন্ডিং থাকা যাবে না; এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে প্রদত্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ বা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা; সকসো, মিনিমাম বেতন এবং মিনিমাম আবাসনের শর্ত প্রতিপালন না করার কারণে নিয়োগ কর্তাকে কোনো দণ্ড আরোপ করলে এবং সে মোতাবেক অবস্থার উন্নয়ন না করলে; মানবপাচার ও জবরদস্তিমূলক শ্রমের জন্য নিয়োগকর্তা শাস্তি পেলে নিয়োগের অনুমতি পাবে না।

বর্তমান আইন অনুযায়ী বিদেশিকর্মী নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে নিয়োগকর্তাদের এবং অবশ্যই কোন পদে বা কোন কাজের জন্য নিয়োগ করবে তা স্পষ্ট উল্লেখ করা; কর্মরত স্থানীয় কর্মীর সংখ্যা; কর্মরত বিদেশি কর্মীর সংখ্যা, কোম্পানির নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কোম্পানির ঠিকানা ও অবস্থান; কোম্পানির যোগাযোগের তথ্যাদি; সেক্টর; কোম্পানি বা ব্যবসা শুরুর তারিখ; কোম্পানির বর্তমান অবস্থা; সকসো নম্বর তথ্য দিতে হবে।

জি-টু-জি প্লাসের নিয়োগের সময় বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম উইং ডিমান্ড এটেস্টেশন করার পূর্বে সরেজমিন নিয়োগকর্তা বা কোম্পানির উপযুক্ততা নির্ণয়ের জন্য যেসব বিষয়াদি যাচাই করেছিল ঠিক সে বিষয়গুলো মালয়েশিয়া সংশোধিত এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে এনেছে।

হাইকমিশনের শক্ত অবস্থানের কারণে জি-টু-জি প্লাসের সময় তুলনামূলক ভালো এবং শতভাগ কর্মসংস্থান হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়ার সংসদেও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। সিন্ডিকেট এবং অতিরিক্ত অভিবাসন খরচের ইস্যুর ভিড়ে ভালো কর্মসংস্থানের ইস্যুটি চাপা রয়ে গেছে।

এমন কি কোম্পানির পরিচালকের সাক্ষাৎ এবং লিখিত ঘোষণাও নিয়েছিল যেন বাংলাদেশি কর্মীরা ভালো থাকে। উপযুক্ততা না থাকায় অনেক কোম্পানির এটেস্টেশন করেনি এবং পদ্ধতি অনুসরণ না করায় মালয়েশিয়ার বিমান বন্দরে আগত কর্মীকে নিয়োগকর্তা নিজ খরচে ফেরত পাঠিয়ে এবং পুনরায় যথা নিয়মে মালয়েশিয়ায় আনয়ন করেছিল।

সে সময়ের লেবার কাউন্সিলর সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের যৌক্তিক এবং নিরাপদ মাইগ্রেশন অর্থাৎ সঠিক কোম্পানিতে কাজ পাওয়া এবং ভালোভাবে থাকার বিষয়টি ছিল চ্যালেঞ্জের এবং অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল। ফলে অনেক চাপ ও বিরোধিতা এবং নেতিবাচক প্রপাগান্ডা সত্ত্বেও আমরা নিয়োগকর্তার ও কোম্পানির অবস্থা যাচাই না করে এটেস্টেশন করিনি। এতে দীর্ঘদিনের কাজ না পাওয়া, অমানবিক অবস্থার শিকার হওয়ার যে দুর্নাম ছিল সেখান থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব হয়েছে।

করোনার আগে মালয়েশিয়ায় আগমনে বিদেশি কর্মীদের উচ্চ অভিবাসন খরচ এবং কর্মীদের মানহীন আবাসনের কারণে আমেরিকা ও ইউরোপ মালয়েশিয়ায় উৎপাদিত পণ্য গ্রহণ না করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

আন্তর্জাতিকভাবে এ দুটিকে মানবপাচার এবং জবরদস্তিমূলক শ্রম অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ দুটি অভিযোগ মালয়েশিয়ার উন্নত দেশের স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য মালয়েশিয়া সরকার জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং দেশীয় এনজিওদের সঙ্গে কাজ করছে।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়া সরকার আইএলও কনভেনশনে সই করেছে। বর্তমান সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োজন প্রক্রিয়া বেশি সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার কাজ করছে।


আরও খবর