Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

সোনারগাঁওয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সোনারগাঁও সংবাদদাতাঃ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নাদিম সাউদ (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। 

রোববার (৮ মে) দুপুরে ইউনিয়নের পূর্ব বেহাকৈর গ্রামের কোলিয়াভিটায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাদিম সাউদ ওই গ্রামের নাসির মিয়ার ছেলে। 

গ্রামবাসী জানায়, নিজ বাড়ির পুকুরের মাটি কাটার জন্য পুকুরের পানি সেচে ফেলানোর সময় সেচ মেশিনে বিদুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতরভাবে আহত হয় সে। পরে পরিবারের লোকজন স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

২২ শে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোঃ আকরাম খাঁ হলে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) উদ্যোগে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সবাই সভাপতির বক্তব্যে  বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান ড. শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, বাংলা ভাষা হচ্ছে আমাদের স্বতন্ত্রতার স্মাক্ষর। জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি হচ্ছে বাংলা ভাষা। বাংলা ভাষা চর্চায় বিচ্যুত হলে সেটা হবে আত্মঘাতী।  কোন জাতি নিজ ভাষাকে ধারণ না করলে সংকটাপন্ন অবস্থা সৃষ্টি হয়। তাই আমাদের দ্বায়িত্ব গৌরবের সাথে বাংলা ভাষাকে তুলে ধরা। 

তিনি বলেন,  আমাদের মাইজভান্ডারী যে গান রয়েছে সেটা বাঙালী সংস্কৃতির একটা অংশ। এই বাঙালী সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে মাইজভাণ্ডারী আধ্যাত্মিক গান। একারণে বাঙালী সংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এই দেশ এবং দেশের মাটিকে নিয়েই এই দরবার শরীফ, তরিকা তৈরি হয়েছে। ধর্মীয় অঙ্ঘন থেকে অনেকেই রয়েছে যারা এই দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী না, তারা এই দেশের মুক্তির সংগ্রামের বিরোধিতা করেছে। 

তিনি আরও বলেন, এই দেশের টাকা লুটপাট করে যারা বিদেশে প্রাসাদ  তৈরি করতে চায়, দেশের সম্পদকে ধ্বংস করতে চায়, তারা কখনো দেশ প্রেমিক হতে পারে না। এই দুর্নিতীবাজ লুটেরারা আমাদের দেশকে আজকে পংগু করে দিয়েছে। যে পরিমান টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গিয়েছে সেগুলো দিয়ে আমাদের দেশের পাঁচ বছরের বাজেট করা সম্ভব। গরীব জনগণের গলা টিপে টাকা আদায় না করতে সরকারের প্রতি আমাদের আহ্ববান থাকবে যারা দেশের লক্ষ কোটি টাকা বাইরে পাচার করেছে,  প্রয়োজনে পৃথক মন্ত্রনালয় গঠন করে সে টাকা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। তাহলে আমাদের রিজার্ভ সংকট কেটে যাবে। দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারবে। 

তিনি বলেন, আজকে বাজার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে  রাতারাতি যেভাবে জিনিসপত্রের দাম দ্বিগুন হয়ে যায় সেখনে পাশের দেশ ভারতে কোন জিনিসের দাম ১০ টাকা বাড়লে মানুষ রাস্তা বন্ধ করে দেয়। আমাদের এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ,

গ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর এমিরাটস ডক্টর আনিসুজ্জামান,

অধ্যাপক ডক্টর শহীদ মঞ্জুর,গণ আজাদী লীগের চেয়ারম্যান আতাউল্লাহ খান,

বিএসপি মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ সরকার,  জাতীয় স্থায়ী পরিষদের সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আসলাম হোসাইন 


আরও খবর



হাসপাতালে অনুপস্থিত চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

দেশের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে চিকিৎসক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিলেও তা কাজে আসছে না। এসব প্রতিষ্ঠানে এখনও প্রতিদিন অনুপস্থিত থাকেন গড়ে ৪৬ শতাংশ চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগীদের, পোহাতে হয় দুর্ভোগ। নিরুপায় হয়ে অনেকে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে বাধ্য হন। খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণে ফুটে উঠেছে এমন চিত্র।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারীদের শাস্তি না হওয়ায় উদ্বেগজনক এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে শক্ত তদারকির অভাব। দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দক্ষতায়ও ঘাটতি রয়েছে। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, দেরিতে কর্মস্থলে আসা, দ্রুত অফিস ত্যাগ ও অনুমতি ছাড়া কোনো চিকিৎসক কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তাঁকে অবশ্যই শাস্তি ভোগ করতে হবে। দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সরকার এ ব্যাপারে তদারকি আরও জোরদার করবে বলেও জানান তিনি।

ছুটির দিন ছাড়া সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের বহির্বিভাগে সেবা প্রদান শুরু হয় সকাল ৮টায়, চলে বেলা ২টা পর্যন্ত। আর ছুটির দিনগুলোতে চালু থাকে শুধু জরুরি বিভাগ, থাকেন স্বল্পসংখ্যক চিকিৎসক।

বেলা ১১টা পর্যন্ত চিকিৎসকের দেখা নেই

গত ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টায় বগুড়া ২৫০ শয্যার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বহির্বিভাগে রোগীর লাইন। কিন্তু বেলা ১১টা পর্যন্ত চিকিৎসকের দেখা নেই! শহরের আকাশতারা এলাকা থেকে আসা বৃদ্ধা শামসুন্নাহার বেগম বলেন, আগে একদিন এসে ফিরে গেছি, ডাক্তার পাইনি, আজও পেলাম না। এখন ক্লিনিকে যাচ্ছি। ওই নারী জানান, তিনি এসেছিলেন মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক রত্না রানী সরকারের কাছে।

সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. এস এম বেলালও দুদিন ধরে অনুপস্থিত বলে অভিযোগ করেন এদিন তাঁর কাছে আসা কয়েকজন রোগী। অর্থোপেডিক বিভাগের ডা. জাহিদুল কবির সুজন হাসপাতালে আসেন বেলা ১১টায়। ৬২ জন চিকিৎসকের মধ্যে প্রতিদিন এ হাসপাতালে অন্তত ২০ জন অনুপস্থিত থাকেন বলে অভিযোগ রোগীদের।

কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়ে ডা. রত্না রানী সরকার বলেন, আমি নিয়মিত হাসপাতালে যাই। তবে জরুরি একটি কাজের জন্য দুদিন যেতে পারিনি। একই কথা বলেন ডা. এস এম বেলাল হোসেন। হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. কাজী মিজানুর রহমান বলেন, চিকিৎসকরা কেন মাঝে মধ্যে ছুটি ছাড়া অনুপস্থিত থাকছেন, সে বিষয়ে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চিকিৎসকের দেখা পান না রোগীরা

খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় গাইনি ডাক্তারের কাছে আসেন রাবেয়া খাতুন। তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর জানতে পারেন চিকিৎসক হাসপাতালে আসেননি। পরে চিকিৎসক না দেখিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। একই দিন নাতির শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ১০ কিলোমিটার দূর থেকে হাসপাতালে আসেন বৃদ্ধ আব্দুল মাজেদ। বহির্বিভাগের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন দীর্ঘক্ষণ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডাক্তারের দেখা পাননি। তারাও চিকিৎসা না নিয়েই ফিরে যান। এই ঘটনা জানার পর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রেজাউল করিম বলেন, তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুপুর হলেই শূন্য হাসপাতাল

মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বেলা ১টার পর চিকিৎসক পাওয়া কঠিন। আবার বেলা ১১টার আগে বহির্বিভাগে আসেন না কেউ। সদর উপজেলার বাসিন্দা আফতাব উদ্দিন সরকার হাড়ের সমস্যা নিয়ে গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ হাসপাতালে আসেন। একই সমস্যা নিয়ে আসেন রোশনা বেগম ও চা শ্রমিক বধূ ভৌমিক। কিন্তু বেলা ১১টা পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগে তালা ঝুলতে দেখা যায়। তখন চিকিৎসক না দেখিয়েই চলে যান অনেকে।

পরে বিষয়টি নিয়ে সমকালের সঙ্গে কথা হয় অর্থোপেডিক কনসালট্যান্ট ডা. জুনাইদ হোসেনের। তিনি বলেন, ওটি ও অন্য বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই বহির্বিভাগের চেম্বারে যেতে পারিনি। ওই দিন অর্থোপেডিক বিভাগের অন্য চিকিৎসক ছুটিতে থাকার কথা জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা অভিযোগ করেন, দুপুর হলেই এ হাসপাতালে ডাক্তার পাওয়া কঠিন। তারা নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন অথবা হাসপাতাল থেকে চলে যান।

সেবা দেন পরিচ্ছন্নতাকর্মী

গত ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় নাটোর সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বুকের যন্ত্রণা নিয়ে করিডোরে বিছানা পেতে শুয়ে আছেন রবিউল আলম। আগের রাতে হাসপাতালে আসেন তিনি। পরদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডাক্তারের দেখা পাননি। আরেকটু ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, অঞ্জলি নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী এক শিশুর ক্যানোলা খুলে দিচ্ছেন। মাঝে মধ্যেই তিনি এমন সেবা দেন। এটি তাঁর দায়িত্ব কিনা জানতে চাইলে দ্রুত সটকে পড়েন ওই নারী।

নাটোরের সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, হাসপাতালটি আড়াইশ শয্যায় উন্নীত হলেও জনবল বাড়েনি। তাই রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কোনো ডাক্তার দেরিতে হাসপাতালে এলে বা নির্ধারিত সময়ের আগে চলে গেলে তাঁকে প্রথমে মৌখিক সতর্ক করা হয় বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অভিযোগের পাহাড়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জানুয়ারি থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে অধিদপ্তরে অভিযোগ এসেছে ৭১৩টি। এর মধ্যে ৪১৭টি অভিযোগই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। একই সময়ে অধিদপ্তরে পরামর্শ আসে ১২৭টি।

এক অভিযোগকারী লেখেন, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তিনি চোখের চিকিৎসক পাননি। গত ৬ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ফোনে মেসেজ করে অভিযোগটি দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। মেসেজে তিনি লিখেছেন, এই হাসপাতালে চোখের কোনো চিকিৎসক নাই। প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ জন সেবা প্রত্যাশী ফিরে যাচ্ছেন।

অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের তথ্য বলছে, সারাদেশে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট চিকিৎসকের গড়ে ৪৬ শতাংশ প্রতিদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। তাদের ডিজিটাল হাজিরার এক সপ্তাহের উপাত্ত (১ থেকে ৮ জানুয়ারি) বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া যায়। আট বিভাগের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালে কর্মরত ৩৪ হাজার চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ১৮ হাজার ৩৬০ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন; যা মোট জনবলের ৪৬ শতাংশ। এমআইএসের উপাত্ত অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি ছিল ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৬ দশমিক ৩০ শতাংশ, এরপর রয়েছে সিলেট বিভাগ ৫৬ দশমিক ১৮ শতাংশ। চট্টগ্রামে এ হার ৫৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ, বরিশালে ৫৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ, খুলনায় ৫১ দশমিক ৮২ শতাংশ, রংপুরে ৫১ দশমিক ৭৭ শতাংশ, ঢাকায় ৫১ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং রাজশাহীতে ৫১ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ হিসাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি সবচেয়ে বেশি রাজশাহী বিভাগে।

২০১৯ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যে ডাক্তার জেলায় যাবেন না বা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকবেন, তাঁকে ওএসডি করে নতুন ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর থেকে কারও বিরুদ্ধে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হাসপাতালপ্রধান অথবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর তালিকা দেখতে পারেন; ব্যবস্থাও নিতে পারেন। তাঁর দাবি এভাবে মাঝে মধ্যে কিছু চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অনেক হাসপাতালেই ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ব্যবহার হচ্ছে না। কোথাও কোথাও আবার সেটি অনেক দিন ধরে নষ্ট। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন মনে করেন, কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শক্ত তদারকি দরকার। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের আরও কঠোর হতে হবে। যারা দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, প্রতিদিন ৪৬ শতাংশ চিকিৎসক-কর্মকর্তার হাসপাতালে অনুপস্থিতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সরকার যেহেতু বেতন দেয়, তাই প্রত্যেক চিকিৎসককে অবশ্যই হাসপাতালে উপস্থিত থাকতে হবে।

 

 


আরও খবর

থাইরয়েড রোগী কী খাবেন

সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কুড়িগ্রামে নৌ পরিবহন প্রতি মন্ত্রীর উপহার কম্বল পেয়ে খুশি হতদরিদ্ররা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: 

নৌপরিবহন প্রতি মন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর  উপহার কম্বল পেয়ে খুশি হতদরিদ্ররা। বুধবার দুপুরে   কুড়িগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোলামের ১৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। 

আদর্শ পৌরবাজারের নিজস্ব কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ। এসময় উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো: ইউনুছ আলী, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলমগীর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান সাজু, দৈনিক কুড়িগ্রাম খবরের সম্পাদক এসএম ছানালাল বকসী, সাংবাদিক অলক সরকার, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক শ্যামল ভৌমিক, সাংবাদিক রেজাউল করিম রেজা, আতাউর রহমান বিপ্লব, রৌমারী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুজাউল ইসলাম সুজা, সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান তুহিন, বাদসা সৈকত, জাহিদুল ইসলাম, ফিরোজ আলম মনুসহ ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ। টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের 

কেক কাটার পর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেড় শতাধিক অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে নৌ-প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর উপহার কম্বল বিতরণ করা হয়। এছাড়াও  টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সদস্য বাদশাহ্ সৈকত এর "রঙিন কারাগার" কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা।


আরও খবর



ত্রুটিমুক্ত গণতন্ত্র কোথাও নেই : কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

ত্রুটিমুক্ত গণতন্ত্র কোথাও নেই মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের গণতন্ত্র রাতারাতি ত্রুটিমুক্ত হবে না। বিএনপি দেশে যে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে তা গণতন্ত্রকে কণ্টকাকীর্ণ করেছে। যারা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তারা কেউ ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন বলেনি।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের বলেন, জনগণের ভোটের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আজ সংসদে যোগ দেবেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্নমুখী ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হয়েছে। জনগণের প্রতি আজকের এই দিনে কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি বলেন, আজকের বিশ্ব পরিস্থিতি পৃথিবীময় অর্থনীতির ওপর চরম আঘাত এনেছে। আজকে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও দ্রব্যমূল্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আশা করি জনগণের সমস্যা সমাধানে জনপ্রতিনিধিরা কাজ করবে।

এসময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



আজ থেকে এক মাস বন্ধ সব কোচিং সেন্টার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত এক মাস বন্ধ থাকবে সব ধরনের কোচিং সেন্টার।

সম্প্রতি জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসএসসি পরীক্ষা গুজবমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।


সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পরীক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কেন্দ্র সচিব ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্র সচিব ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

 

অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ট্রেজারি-থানা হতে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারীরা কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং প্রশ্নপত্র বহন কাজে কালো কাচযুক্ত মাইক্রেবাস বা এরূপ কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না। তাছাড়া প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেয়া হবে। ট্যাগ অফিসার ট্রেজারি, থানা হেফাজত হতে কেন্দ্র সচিবসহ প্রশ্ন বের করে পুলিশ প্রহরায় সব সেটের প্রশ্ন কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন।

পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে। সে অনুযায়ী কেন্দ্র সচিব, ট্যাগ অফিসার ও পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট বিধি অনুযায়ী খুলবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ নজরদারী জোরদার করবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল, মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যবহারের অনুমতিবিহীন যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর