Logo
শিরোনাম

সোনারগাঁয়ে দলিল লিখককে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

প্রতিনিধি, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ: 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাচঁপুর চেঙ্গাইন এলাকায় গত শনিবার রাতে মোশাররফ ভূইয়া(৪৫) নামের এক দলিল লিখককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত মোশাররফ ভূইয়া উপজেলার কাচঁপুর ইউনিয়নের খালপাড় চেঙ্গাইন এলাকার মৃত আঃ কাদির ভূইয়ার ছেলে।

নিহতের স্ত্রী শাহিনুর আক্তার ও মেয়ে মীম আক্তার বলেন, রাতে ৪/৫জনের একটি স্ব সশস্ত্র ডাকাত দল জোরপূর্বক তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোশাররফ কে পিটিয়ে আহত করে চলে যায়। পরে বাড়ীর লোকদের সহায়তায় স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

এঘটনায় নিহত মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী শাহিনুর আক্তার, মেয়ে মিম আক্তার সহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, হত্যাকান্ডের ঘটনাটি তদন্ত চলছে। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা হচ্ছে এটি কোন ডাকাতির ঘটনা নয় পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। মামলার প্রস্তুতি চলছে। 


আরও খবর



জনবল সংকটে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


প্রায় ২৮ লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসাস্থল নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা আধুনিক হাসপাতাল। এ হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১ হাজার ৭শ’ জন ও ইনডোরে আরও ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। নওগাঁর ১১ উপজেলা ছাড়াও পাশের বগুড়া জেলার আদমদীঘি ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকেও লোকজন আসেন এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে। কিন্তু আশানুরুপ সেবা না পাওয়ায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

এ জেলার মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় হাসপাতাল টি। তবে আগের ১০০ শয্যা হাসাপাতালের যে জনবল সেটা দিয়েই ২৫০ শয্যার কার্যক্রম চলছে এখনো। এতে করে রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা। আর উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন মানুষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার হাসপাতালে উপ-পরিচালক, শিশু, মেডিসিন, সার্জারি, ফরেনসিক, চক্ষু, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজি ইমেজিং, কার্ডিওলজি, চর্ম ও যৌন, গাইনি এ্যান্ড অবস, নাক-কান-গলা, প্যাথলজি, নিউরোসার্জারি, নেফ্রোলজি, ও মেডিকেল অফিসারসহ মোট ৪৫ চিকিৎসকের মধ্যে আছেন মাত্র ৩২ জন। ৮৬ জনের মধ্যে নার্স রয়েছেন ৭৮ জন। বর্তমানে ১৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে আউটডোর ও ইনডোরে সেবা দেয়া হচ্ছে। 

প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬/১৭শ’ এবং ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

এছাড়াও ১০০ শয্যার জন্য মঞ্জুরি করা পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, চক্ষু, অর্থোপেডিকস ও রেডিওলজি ইমেজিং, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি এ্যান্ড অবস, মানসিক, প্যাথলজি ও নেফ্রোলজি, ডেন্টাল সার্জন, মেডিকেল অফিসার চক্ষু, রেডিওলজিস্ট এবং ইনডোর মেডিকেল অফিসার কার্ডিওলজি ও মেডিসিন প্রতি পদে একটি করে শূন্য রয়েছে। হাসপাতাল পরিচালনার জন্য ১৭৬ মঞ্জুরি পদের বিপরীতে জনবল আছে ১২১ জন।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, র্দীঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অনেক সেবা প্রত্যাশীরা বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবার অনেকে বেড না পেয়ে মেঝে এমনকি বারান্দায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন। অন্যদিকে, রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের দায়িত্বরতরা। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতাল থেকে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি বাড়তি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়।

ইনডোরে রোগী দেখার পর ডাক্তার আউটডোরে গিয়ে রোগী দেখা শুরু করেন। এতে হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিতে আসাদের দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। আবার চিকিৎসক না থাকায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সেবা নিতে আসা রোগীদেরও।

নওগাঁর নিয়ামতপুর থেকে পায়ের চিকিৎসা করাতে এসেছেন রমজান আলী। তার সঙ্গে আসা মেয়ে নিলুফা খাতুন বলেন, অর্থোপেডিক ডাক্তারের কক্ষের সামনে এতই ভিড় বাবাকে যে পাশে কোথাও বসিয়ে রাখবো সেই ব্যবস্থাও নেই। ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাবাকে ডাক্তার দেখাতে পারিনি। বাধ্য হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছি। অন্যকোনো দিন আবার আসবো আর না হয় রাজশাহীতে নিয়ে যাবো।

একই অবস্থা মেডিসিন বিভাগের সামনেও, দীর্ঘ লাইনে প্রায় ৫০-৬০ জনের মত সেবাপ্রত্যাশী দাঁড়িয়ে আছেন। আমেনা বেগম নামে এক সেবা প্রত্যাশী বলেন, দুইদিন হলো ঘুরে গেলাম। সেই সকাল ১০টায় এসেছি এখন ১২টা বেজে গেল। কিন্তু এখনও ডাক্তারের কাছে যেতেই পারলাম না। অনেকে বাধ্য হয়ে ফিরে গেছে। আমি চলে যাবো। আর কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি আরও অসুস্থ্য হয়ে পড়বো। একসাথে তিন -চারটি কক্ষে যদি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রোগী দেখতেন, তাহলে এতো ভোগান্তি পোহাতে হতো না।

হাসপাতালের নতুন ভবনের সার্জারী ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অনেকে মেঝেতে ও বাড়ান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। কামরুল হোসেন নামে একজন বলেন, আমার ভাইকে ভর্তি করা হয়েছে। বেড সংকট তাই মেঝেতেই চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। কি আর করার, বাধ্য হয়েই এসেছি সরকারি হাসপাতালে।

রেনুকা বেগম নামে এক রোগী বলেন, বেড নাই তাই বারান্দা থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসা পাওয়াতো আমাদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু চিকিৎসাটাও ভালো ভাবে পাই না আমরা। বারান্দায় এভাবে থাকা যে কতটা কষ্টের, তা বুঝাবো কি করে? টাকা খরচ করে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখানে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে মিলাদুল ইসলাম এসে ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ দেয়া হয়েছে। আর বেশি ভাগ ওষুধ বাইরে থেকেই কিনতে হয়েছে।

নওগাঁ নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এ.কে.এম ফজলে রাব্বী বকু জানান, ২৮ লাখ মানুষের ভরসা নওগাঁ সদর হাসপাতাল। চিকিৎসক সংকটের কারণে যদি কেউ সময়মত সেবা না নিতে পারে তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক কি আর হতে পারে। হাসপাতালে যদি সেবার মান ভালো না হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে সেবা নিতে? চিকিৎসক সংকটসহ হাসপাতালের সার্বিক সমস্যা দূর করে যেন সেবার মান বৃদ্ধি করা হয় সেই দাবি জানান তিনি।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, ২৫০ শয্যা বলা হলেও ১০০ শয্যার হাসপাতাল চালাতে যে পরিমাণ জনবল দরকার তাও এখানে নেই। এতে করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬শ' জন ও ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেবার মান বৃদ্ধির জন্য চাহিদা পত্রের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি চাহিদা গুলোর অনুমোদন পেলে ডাক্তার, সেবিকা, ওষুধ ও অবকাঠামো সহ সার্বিকভাবে সেবার মান আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশে ১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ২ হাজারের বেশি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৬২৭টি ধর্ষণ হয়েছে ২০২০ সালে। সে বছর দেশে করোনা মহামারি শুরু হয়। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় দেশে ৯ হাজার ৬৫৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৭৯টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সে তুলনায় মামলা হয়েছে অনেক কম।

২০১৯ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩টি এবং এরমধ্যে মামলা হয়েছে ৯৯৯টি। ২০২০ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৬২৭টি এবং মামলা হয়েছে ১ হাজার ১৪০টি। ২০২১ সালে ১ হাজার ৩২১টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৯১৬টি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৭৩৪টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫০৩টি। গত ১০ বছরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৫৭২ জনকে এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১০৩ জন।

আসক সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত ৯টি জাতীয় দৈনিক ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর বাইরেও সংবাদে প্রকাশ হয়নি এমন ধর্ষণের ঘটনাও তাদের তথ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের  অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, ধর্ষণের সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক আছে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একজন পুরুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় তার শক্তি প্রদর্শনের চিন্তা। তাছাড়া বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এসব কিছুর সঙ্গেও ধর্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। যখন দেশে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তখনই তা নিয়ে আলোচনা হয়। এর বাইরে কোনো আলোচনা হয় না। মানুষের নৈতিক শিক্ষারও অভাব রয়েছে। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ায় অনেকেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে চান না জানিয়ে রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, ধর্ষণের কোনো ঘটনা প্রকাশ পেলে উল্টো ভুক্তভোগীকেই সমাজ দোষীর চোখে দেখে এবং তাকেই কটুকথা শোনায়। অনেক সময় তার ওপরই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং ধর্ষককে নিরপরাধী হিসেবে তুলে ধরা হয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দুটি প্রবৃত্তি থাকে। তার মধ্যে একটি হলো পাশবিক প্রবৃত্তি। যারা ধর্ষণ করেন, তারা এই পাশবিক প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হন। এটিকে কোনোভাবেই মানসিক সমস্যা বলার সুযোগ নেই। করোনার সময় ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, করোনার সময় মানুষ ঘরের মধ্যে এক ধরনের বন্দিজীবন কাটানোর ফলে সামাজিক কর্মকা- খুব কম হয়েছে। সামাজিক সম্পর্ক মানুষ চালিয়ে যেতে পারছিল না। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়েমি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে; যা মানুষকে নানা অপরাধের দিকে প্ররোচিত করে। তাছাড়া বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যায়।



আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




তত্ত্ববধায়কের ভূত ভুলে ঠিকই নির্বাচনে যাবে বিএনপি : সবুর

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কু‌মিল্লার আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামীলীগ ত্রি বা‌র্ষিক স‌ম্মেলন।   

বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা কাজী আবুল বাসার‌কে সভাপ‌তি ও তা‌রিকুল ইসলাম জু‌য়েল‌কে সাথারণ সম্পাদক ক‌রে ৭১সদস‌্য বি‌শিষ্ট ক‌মি‌টি ঘোষণা ।

 আওয়ামীলী‌গের বিজ্ঞান ও প্রযু‌ক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর ব‌লে‌ছেন, খু‌নের রাজনী‌তি জিয়া রহমান শুরু ক‌রে‌ছে ।তা‌দের কা‌ছে বাংলা‌দেশ নিরাপদ নয়।খা‌লেদা‌জিয়ারা বাংলা‌দেশ‌কে পা‌কিস্তান বানা‌তে চায়। বঙ্গবন্ধুর আদ‌র্শের নেতাকর্মীরা বে‌চে থাক‌তে তা হ‌বে না।

রোববার কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কু‌মিল্লা নগ‌রের টাউনহল  মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর  বলেন, ‌বিএন‌পি ২১হাজার নেতাকর্মী‌দের হত‌্যা ক‌রে‌ছে। বার বার দূর্নী‌তি‌তে চ‌্যা‌ম্পিয়ান হ‌য়ে‌ছে। ও‌দের কা‌ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানায় না। বাংলা‌দে‌শে আর তত্ত্বাবধ‌ায়ক সরকার আর আস‌বে না।

এর আগে সকালে কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আবুল বাসার এর সভাপতিত্বে  কু‌মিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ,ক,ম বাহা উ‌দ্দিন বাহার সন্মেলন উদ্ধোধন করেন।বি‌শেষ অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন কু‌মিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলী‌গের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত,‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি ও জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান ম‌ফিজুল ইসলাম বাবলূ , বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখী,মহানগর আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি জ‌হিরুল ইসলাম সে‌লিম,সদর উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান এড আ‌মিনুল ইসলাম টুটুল, সাধারণ সম্পাদক তা‌রিকুর ইসলাম জু‌য়েল,যুগ্ন সম্পাদক আহ‌মেদ নিয়াজ পা‌ভেলসহ আওয়ামীলী‌গের নেতৃবৃন্দরা।

এদিকে সম্মেলনে ৬‌টি ইউ‌নিয়‌ন আওয়ামীলী‌গের নেতাকর্মীরা ঢল নামে নগ‌রের টাউনহল  অংশ নেন। টাউনহল মাঠের। প‌্যা‌ন্ডে‌লে দলের কর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ মিছিল নিয়ে, উৎসব উ‌দ্দিপনায় ঢাকঢোল বাজিয়ে সম্মেলনস্থলে আসেন।

সম্মেলন স্থল নেতাকর্মী শ্লোগা‌নে মুখ‌রিত হ‌য়ে  উৎসবের আমেজ বিরাজ ক‌রে।


আরও খবর



বিদ্যালয়ের জমি বিক্রয়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:বুধবার ০২ নভেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের জমি বিক্রয় করে অর্থ আত্মসাত, দ্বায়িত্বে অবহেলা সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও তার নিকট তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য জানতে চাইলেও তিনি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার, ১ নং মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয়টি। যা ১৯৯৪ সালে স্থাপিত হয়। এ সময় ফুলগাছ এলাকার বাসিন্দা মোঃ জালাল উদ্দিন বিদ্যালয়ের নামে ১১০ শতক জমি কবলা করে দেন। অভিযোগকারীর তথ্য মতে মোঃ জালাল উদ্দিন ১১০ শতক ও মোঃ জহির উদ্দিন ৪০ শতক জমি প্রতিষ্ঠানের নামে কবলা করে দেন। এতে মোট ১৫০ শতক জমি ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯৭ সালে ফুলগাছ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নামে খারিজ করেন।

জানা যায় , ফুলগাছ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৯ সালে নিম্ন মাধ্যমিক ও ২০০১ সালে মাধ্যমিক শাখা এমপিও হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক হিসেবে দ্বয়িত্ব পালন করেন মোঃ শাহজাহান আলী। সূচনা লগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব সম্পত্তি মনে করে আসছেন প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী। তিনি নিজের ইচ্ছেমত সকল কাজ করে আসছেন বলেও বিভিন্ন জনের নিকট তথ্য পাওয়া যায়। তারই ধারাবাহিকতায় বিদ্যালয়ের ১১০ শতক জমি বিক্রয় করে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করেন প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে বর্তমানে মুরগীর খামার রয়েছে। 

এবিষয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে সাক্ষাত করতে ৪ (চার) দিন স্বশরীরে বিদ্যালয়ে গেলেও তার দেখা পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন অজুহাতে তিনি বিদ্যালয়ে থাকেন না। অবশেষে তার বিদ্যালয়ের দ্বায়িত্ব ছেড়ে তিনি বাড়িতে অবস্থানের কারন জানতে চাইলে সহকারি প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম শফি ও সহকারি শিক্ষক দীনেশ চন্দ্র জানান তিনি বাড়িতে বসে বোর্ডের খাতা মূল্যায়ন করতে বাসায় আছেন। সহকারি দীনেশ চন্দ্র আরও বলেন আমরাই প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব পালন করি। তার বিদ্যালয়ে অবস্থান করা নিয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় লোকজন জানান তিনি প্রতিদিনই দুপুর ১২ টা বা ১ টা বাজলেই বাড়িতে চলে যান আর আসেন না। মোবাইলে তার নিকট তথ্য জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন। 

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি বিক্রয়ের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবো।

জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব আব্দুল বারি- এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি বিক্রয়ের বিষয়ে আমার নিকট তথ্যএসেছে, অচিরেই আমি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আরও খবর



নওগাঁয় "মানবতার দেয়াল" এর উদ্বোধন

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি নওগাঁ জেলার উদ্যোগে নওগাঁয় "মানবতার দেয়াল" এর উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ৫ নভেম্বর 

নওগাঁ জেলা সদর উপজেলা পাহাড়পুর বাজারে "মানবতার দেয়াল" এর উদ্বোধন করেন মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি নওগাঁ জেলার সভাপতি নাহিদুজ্জামান রনি। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বক্তারপুর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাকিম, আওয়ামীলীগ নেতা হেলাল হোসেন (ডাবলু), বক্তারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ও মানবিক সৈনিক মাহবুবুর রহমান রুমন, পাহাড়পুর ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক হাকিম, আওয়ামিলীগ নেতা শাহিন, বক্তারপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা মানবিক সৈনিক রাব্বি, বাবু শাহ সহ আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


আরও খবর