Logo
শিরোনাম

৬ সেকেন্ডে ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা সম্ভব !

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : আপনি যখন কার্ড রিডার স্লটে কার্ড ঢোকান তখন ডাটা স্কিমিং ডিভাইস দিয়ে আপনার কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ থেকে তথ্য চুরি করে প্রতারকরা। পাশাপাশি কাছাকাছি কোথাও তারা ক্যামেরা বসায় আপনার পিন চুরি করার জন্য। এরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে যখন আপনি কার্ড ঢোকালেন কিন্তু বের হতে সময় নিল, বা আঁটকে গেল। বুথে ঢুকে কোন সমস্যায় পড়লেন, হতে পারে আপনার কার্ড আঁটকে গেল, বুথের ভিতরে বা বাইরের কেউ স্বত:স্ফুর্তভাবে এসে আপনার ঘাড়ের উপর দিয়ে উঁকি দিল, আপনাকে সাহায্য করবে বলে। সতর্ক হোন, তিনি আপনার পিন চুরি করতে পারে।


আপনি যদি কার্ডের উপর পিন নাম্বার লিখে রাখেন, আর যদি সেটা বুথে আঁটকে যায়, বা হারিয়ে যায়, আপনি কিন্তু চোরকে আমন্ত্রণ দিলেন। ই-শপিং বা অনলাইনে বিল পেমেন্টের মাধ্যমে প্রতারণা হতে পারে। আপনি সেখানে কেনাকাটা বা লেনদেন করলেই আপনার কার্ডের তথ্য প্রতারকরা নিয়ে নিবে। অনেক সময় নিজের অজান্তেই কোনো সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ফেলেন। এতে প্রতারকরা আপনার কার্ডের তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংকিং তথ্য পেয়ে যেতে পারে। যদি আপনি আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করে পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লেনদেন করেন, হ্যাকারদের জন্য চুরি করার এটা একটা দারুণ সুযোগ।

 প্রতারণার এটা সবচেয়ে কার্যকরী উপায় যখন আপনি আপনার কার্ডটি সেলসপার্সনকে দিলেন সোয়্যাপ করার জন্য। কার্ডের তথ্য কপি করে পরবর্তীতে খারাপ উদ্দেশে ব্যবহার করা হতে পারে। আপনার ইমেইলের স্প্যাম মেইলের মাধ্যমে আপনার কার্ডের পাসওয়ার্ড বা অ্যাকাউন্ট নাম্বার চুরি হতে পারে। প্রতারকরা আপনার মোবাইল অপারেটরের কাছে ফোন করে ভুয়া পরিচয়ে ডুপ্লিকেট সিম তুলতে পারে।

অপারেটররা আপনার অরিজিনাল সিম নিস্ক্রিয় করে দেয়। চোরেরা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) তৈরি করে আপনার অনলাইন লেনদেন চালাতে পারে। প্রতিষ্ঠিত অ্যাপ কোম্পানির বাইরে অনেক কোম্পানি আছে যেগুলো থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করলে আপনার ফোনে তারা ঢুকে তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। চুরি যাওয়া কার্ড দিয়েও প্রতারণা হতে পারে। আবেদনপত্র বা বাতিল নথি থেকে তথ্য চুরি করে প্রতারকরা নতুন কার্ড তৈরি করেও প্রতারণা করে।
মাত্র ৬ সেকেন্ডে ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা সম্ভব ! মাত্র ৬ সেকেন্ডেই অপরাধীরা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং পাসওয়ার্ড জেনে নিতে পারেন বলে দাবি করেছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।

গবেষকরা বলছেন, সাইবার অপরাধীরা যখন ওয়েবসাইটে কার্ডের কোনো তথ্যের সন্ধান চালিয়ে যান সেটা সিস্টেমে ধরাও পড়ে না। এ গবেষণার বিষয়ে ভিসার বক্তব্য হলো- জালিয়াতি রোধে পেমেন্ট সিস্টেমে যে ব্যবস্থাগুলো রয়েছে গবেষণায় তার সবগুলোর উল্লেখ করা হয়নি।


আরও খবর



আধ্যাত্মিক শক্তি লাভের জন্য নারীর কবর খুড়তে গিয়ে যুবক আটক

প্রকাশিত:বুধবার ০২ নভেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


আধ্যাত্মিক শক্তি লাভের জন্য এক নারীর কবর খুড়তে গিয়ে এক যুবক আটক। এলাকার লোকজনের মাঝে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টিকারি এ ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বাখরপুর "তালতলা" গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বাখরপুর "তালতলা" গ্রামের আমিন সরেন এর স্ত্রী তালামনি টুডু গত সোমবার ৩১ অক্টোবর রাত ১০ টারদিকে মৃত্যুবরণ করেন। পরের দিন মঙ্গলবার ১ নভেম্বর বিকেল ৩ টারদিকে ধর্মীয় বিধি মোতাবেক বাড়ি হতে প্রায় হাফ কিলোমিটার দূরে নির্ধারিত আদিবাসী সম্প্রদায়ের সমাধিস্থলে তার দাফনকার্য সম্পূন্ন করেন স্বজনরা। ঐ দিনই রাত ৯ টারদিকে মৃত তালামনি টুডু'র এর ছেলে মন্দন সরেন লোক মুখে জানতে পারেন, কে যেন তার মায়ের কবরে মাটি খুড়ছে। এমন খবর পেয়ে মন্দন সরেন লোক জন নিয়ে সমাধিস্থলের দিকে রওনা দেন। এসময় একই পথে বিপরিদ দিক থেকে শরীরে কাঁদামাটি মেখে উজ্জল টুডু (২০) নামের এক যুবককে আসতে দেখতে পান তারা। এক পর্যায়ে যুবক উজ্জল টুডু কে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে উজ্জল টুডু তাদেরকে জানান, আধ্যাত্মিক শক্তি "লাভ" অর্জন করার জন্য তালামনি টুডু'র কবর খুঁড়ে মাটি তুলে তার শরীরে তিনি মেখেছেন। যুবক উজ্জল টুডু'র এমন কথা শুনে স্থানীয় লোকজন সহ নিহতের ছেলে মন্দন সরেন তার মায়ের সমাধিস্থলে গিয়ে দেখতে পায় কবরের মাঝখানে প্রায় এক ফুট গর্ত করে মাটি খোঁড়া হয়েছে। পরে '৯৯৯' নম্বরে ফোন দিয়ে ঘটনাটি জানালে সাপাহার থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌছে যুবক উজ্জল টুডু কে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়।

এঘটনায় অনুভূতি তে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে থানায় মামলা করেন মন্দন সরেন। মামলার পর উজ্জল টুডুকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার ২ নভেম্বর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করেন সাপাহার থানা পুলিশ।

যুবককে আটক সহ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন

সাপাহার থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান 


আরও খবর



রায়পুরায় র‍্যাব ১১ এর অভিযানে দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দুলাল গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

নরসিংদীর রায়পুরায় র‍্যাব ১১ এর অভিযানে দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দুলাল, জুয়েল সুজন নামের তিনজন গ্রেফতার। ৬টি ওয়ান শুটার, ১১ রাউন্ড গুলি ও শতাধিক ককটেল উদ্ধার করেছে। রবিবার ভোররাতে এ অভিযান চালায়।

র‌্যাব-১১, 'র নরসিংদীর ক্যাম্প কমান্ডার খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সম্প্রতি সময়ে নরসিংদী জেলায় সংঘটিত হত্যা, মাদক, চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ দমনে র‌্যাব-১১ অভিযান জোরদার করেছে। এর ধারাবাহিকতায় রবিবার ভোররাতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি, নরসিংদীর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার তুলাতুলী চকবাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে ৩ জন দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার তুলাতুলী গ্রামের মোঃ ইউনুছ মিয়ার ছেলে মোঃ দুলাল ওরফে নুরুল হক (৪২) একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে 

জুয়েল হোসেন (৩২) ও মৃত বাচ্চু মিয়া এর ছেলে আমিনুল ইসলাম সুজন (৩২)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৩৮ টি ককটেল, ৬টি দেশীয় ওয়ান শ্যুটারগান, শট গানের কার্তুজ ১১ টি, ৪টি মোবাইল, ৬ টি সীমকার্ড ও নগদ ৬ হাজার ৫শ" টাকা উদ্ধার করা হয়। 

‌র‌্যাব জানায়,  গ্রেফতারকৃতরা পলাতক আসামী ও সহযোগী আসামীদের সহায়তায় নরসিংদীর রায়পুরা থানা ও রায়পুরার দুর্গম চরাঞ্চলে দেশীয় প্রযুক্তিতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য প্রস্তুুত করে এবং নিজেরা ব্যবহারসহ অর্থের বিনিময়ে অন্যের নিকট সরবরাহ করে মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নরসিংদীর রায়পুরা থানায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন বলেও তিনি জানান।


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




কিশোরদের হাতে লেগুনার স্টিয়ারিং

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মো. রাসেল হোসাইন : রাজধানীতে বেপরোয়া একটি পরিবহনের নাম ‘লেগুনা’ যা সরকারি খাতায় ‘হিউম্যান হলার’ নামে পরিচিত। রাজধানীতে গণপরিবহনের ২৫১টি রুটের ১৫৯টিতেই লেগুনা চলছে। এসব লেগুনা ‘যেমন খুশি তেমন’ চলছে। ভাড়া থেকে শুরু করে স্ট্যান্ড নির্ধারণ সবকিছুই লেগুনা মালিকরা নিজেদের ইচ্ছামতো করেন। রাজধানীতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লেগুনা চালাচ্ছে অপ্রাপ্তবয়স্ক ১০-১৫ বছরের কিশোররা। যাদের এখন স্কুলে যাওয়ার কথা অথচ তাদের দিয়ে কিছু অসাধু লেগুনা ব্যবসায়ী লেগুনার স্টিয়ারিং হাতে তুলে দিচ্ছেন।

লেগুনা মালিকদের মতে তারা এই ছোট শিশুদের দিয়ে কম টাকা লেগুনা পরিবহনটি চালিয়ে নিতে পারছেন। ফলে তাদের ব্যবসা ভালোই হচ্ছে। লেগুনা চালিয়ে উপার্জনের টাকা দিয়ে অধিকাংশ কিশোররা মাদক ও নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। এদের মধ্যে শিক্ষার ছোঁয়া না থাকায় এদের দ্বারা রাস্তাঘাটে স্কুল-কলেজপড়ুয়া ছাত্রীরা ইভটিজিংয়ের শিকার হয়। এসব কিশোর ওস্তাদের কাছ থেকে শিখে কোনো প্রকার লাইন্সেস ছাড়াই তারা বসছে চালকের আসনে। অদক্ষ হাতে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন অসংখ্য যাত্রী। তারা এতটাই বেপরোয়াভাবে লেগুনা চালায় একজন অসুস্থ ব্যক্তি বা স্কুল শিশুদের যাতায়াত সুবিধা না থাকায় রাখে না বাধ্য হয়ে এই লেগুনাতে চলাচল করতে হয়।

ওরা লেগুনা স্টিয়ারিং চালু করার পর আকাশে উড়ছে নাকি রাজধানীরে হাজারো মানুষের চলাচল করা ব্যস্ত রাস্তায় আছে তা যেন ওরা ভুলেই যায়। ছোট ছোট শিশু চালকদের কাছে রাজধানীর ব্যস্ত রোডগুলো প্রতিযোগিতার মাঠের মতো। পেছন থেকে একটা লেগুনা আসা দেখা মাত্রই ওরা অস্থির হেয়ে যায়, কোনোভাবেই তাকে সামনে আসতে দেওয়া যাবে না। একইভাবে পেছনে থাকা লেগুনা মরিয়া ওঠে যেকোনো মূল্যেই হোক সামনেরটাকে ওভারটেক করতেই হবে। এতে যাত্রী অথবা পথচারীদের দিকে তাকানোর কেনো কোনো তোয়াক্কা না করেই তাদের এগিয়ে যাওয়া।

অপ্রাপ্তবয়স্ক, অদক্ষ, অবৈধ চালক দিয়ে যখন গণপরিবহন চালানো হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই এরা যানজটের দিকে লক্ষ্য করে না, নিরাপত্তার ইস্যুটাও তাদের চিন্তায় থাকে না। তাদের চোখ কিন্তু রাস্তার দিকে থাকে না, চোখ থাকে যাত্রীর দিকে কখন মাঝ রাস্তায় কে ওঠার জন্য হাত জাগায়। এদের না আছে লাইসেন্স, না আছে কোনো সংকেত সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা। সীমাবদ্ধ হাতের স্টিয়ারিং আর পায়ের ব্রেকে উড়ছে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও লাইসেন্সবিহীন এ চালকরা রাজাধানীর হাইওয়ে রোডগুলোতে যাত্রী পরিবহন করে চলছে প্রসাশনের নাকের ডগায়। প্রশাসন যেন ওদের চোখেই দেখছে না। তথ্য মতে, প্রশাসনকে সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তি দিয়ে প্রতিটি লেগুনা প্রভাবশালী ও ক্ষমতাশীন ব্যক্তি লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন লেগুনা বিভিন্ন রোডে দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছে।

হাইওয়ে ছাড়া রাজধানীর জিগাতলা-ফার্মগেট রুটে প্রায় সব লেগুনাই চলে। এ রুট ছাড়াও ফার্মগেট থেকে ৬০ ফিট, আজিমপুর ট্যানারি মোড় থেকে নিউমার্কেট, নিউমার্কেট থেকে ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হল, মোহাম্মদপুর থেকে শ্যামলী, গুলিস্তান থেকে আজিমপুর ঠ্যানারি মোড়, মিরপুর এক নাম্বার থেকে মিরপুর ১২ নাম্বার ঢাকার ভেতরে এমন অনেক রুটেই লেগুনা চলে। এসব লেগুনার অল্প কিছু ডিজেলচালিত। বাকি সব চলে সিএনজিতে। বিএআরটি থেকে এদের নির্দিষ্ট কোনো ভাড়া ঠিক করা না থাকায় যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করে। লেগুনা গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের হাল ধরার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই শিশু হেল্পাররাও। সব জেনেও বাধ্য হয়েই লেগুনায় উঠছেন সাধারণ যাত্রীরা। লেগুনার লাইসেন্স ও ফিটনেস ঠিক রেখে এবং প্রাপ্তবয়স্ক দক্ষ চালক দিয়ে চালানোর অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) ও সরকারের নিকট বিনীত আবেদন, লেগুনা পরিবহনের শৃঙ্খলা ফেরাতে ইতিবাচক উদ্যোগ এবং বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে দৃষ্টি দিন।

লেখক : শিক্ষার্থী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

[email protected]


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের শঙ্কা দেখছে না..ডব্লিউএফপি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বিশ্বের অনেক দেশে এখন খাদ্য সংকটের পরিস্থিতি থাকলেও বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের শঙ্কা দেখছে না বলে বাংলাদেশ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপির প্রতিনিধি ডমেনিকো স্কালপেলি। বিষয়টি রাজনৈতিক বলে তিনি সরাসরি গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাননি।

১৭ নভেম্বর সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ডব্লিউএফপির প্রতিনিধিদল। তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন আমন কাটা চলছে। তিনি (ডমেনিকো) আমাকে বলেছেন, তাদের কাছ তথ্য আছে, কোনো ক্রমেই বাংলাদেশে খাদ্য সংকট বা দুর্ভিক্ষ হওয়ার সামান্যতম আশঙ্কা নেই। তবে যেহেতু এটি একটি রাজনৈতিক ইস্যু তাই তিনি এটা নিয়ে সরাসরি কথা বলবে না। আমি জানতে চেয়েছিলাম, তাকে রেফার করতে পারব কিনা। তিনি সম্মতি দিয়েছেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন মাল্টিলেটারাল ডোনার অনুমান করছে পৃথিবীতে একটি খাদ্য সংকট হওয়ার আশঙ্কা আছে অতিসত্বর। কাজেই এটাকে বিবেচনায় নিয়েই সরকার কাজ করছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ও কাজ করছে। তিনি বলেন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কান্ট্রি রিপ্রেজেনটিটিভ আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। সংকটের কথা অনেকেই বলছে। পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে তারা কীভাবে দেখছে এবং কীভাবে ভবিষ্যতে এখানে তারা কাজ করবে, এসব অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

স্বাধীনতার পর থেকেই খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বিডব্লিউএফপি বাংলাদেশকে সহযোগিতা করলেও এখন সামান্য সাহায্যই দেয় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা গত ১৫ বা ১২-১৩ বছর ধরে নেইনি। ইউএসএইড বছরে এক লাখ টনের মতো গম আমাদের দেয়। এটা ছাড়া আমরা কোনো খাদ্য সহযোগিতা বিদেশ থেকে গ্রহণ করিনি। তবে গত ছয় বছর ধরে রোহিঙ্গাদের জন্য যে খাদ্য প্রয়োজন, সেটিও বিশ্ব খাদ্য সংস্থার মাধ্যমেই দেয়া হয় বলে মন্ত্রী জানান।

মন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হওয়ার দিন সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১২ টাকা আর চিনির দাম কেজিতে ১৩ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। তবে রাজ্জাক দাবি করলেন, এই মুহূর্তে দেশে খাদ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা নেই। গত তিন-চার দিনে শীতকালীন সবজির দাম অর্ধেক হয়ে গেছে দাবি করে তিনি এও বলেছেন, আগামীতে দাম আরো কমে আসবে। মন্ত্রী বলেন, খাদ্যের দাম কমেছে বলেই মুদ্রাস্থীতি গত মাসে কমে এসেছে। তবে আমি মনে করি এখন আমনের মৌসুম, ধান কাটার মাস, দাম আরো কমা উচিত ছিল। আমি বলি, গরিব মানুষ আছে, তাদের কষ্ট হচ্ছে, সীমিত বা নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তবে টাকা নিয়ে খাবার কিনতে পারছে না এমন পরিস্থিতি হয়নি।

শঙ্কার মধ্যেও এবার আমনের ভালো ফলন হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। বলেন, শ্রাবণ মাসে মাত্র একদিন বৃষ্টি হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম কৃষকরা হয়তো ধান লাগাতেই পারবে না, উৎপাদন কমে যাবে। কিন্তু এই প্রতিকূলতার মধ্যেও সেচ দিয়ে কৃষকরা ঠিকই ধান লাগিয়েছে। সবাই বলছে যে, স্মরণাতীতকালে সবচেয়ে ভালো ধান হয়েছে।

বর্ষায় বৃষ্টি কম হওয়ার কারণে আমন চাষ বেশি হয়েছে বলেও জানান রাজ্জাক। বলেন, অনেক নিচু এলাকায় অন্য সময় ধান লাগান যেত না। কারণ, বিলে পানি এসে যায়, ডুবে যায়। বছর বৃষ্টি না হওয়ায় এই বিলের জমিতেও ধান লাগিয়েছে। তারা বলে যে, অতীতে যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো আমন পাবে। আমাদের এবার যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, তার চেয়েও ভালো ধান হয়েছে। আগামী মৌসুমের জন্য দেশে পর্যাপ্ত সার মজুদ আছে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, আগামী আলু বোরোর জন্য যে সার দরকার আমাদের তা আছে। আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি আছে।

ডলার সংকটের কারণে খাদ্য আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নে জবাব আসে, আমরা বলেছি সার আমদানিতে কোনো সমস্যা তৈরি করা যাবে না। এটার পেমেন্ট স্মুথ করতে হবে। খাদ্য আমদানিতে কিছু প্রভাব পড়ছে। গত জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত গত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পরিমাণ খাদ্য আমদানি হয়েছে। এই যে এত সংকটের কথা বলা হচ্ছে, এত কম আমদানির পরেও কি দেশে খাদ্য নিয়ে কোনো কথা আছে ? হয়নি তো।

 


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




নওগাঁয় গাছে ঝুলছিলো যুবকের মৃতদেহ --উদ্ধার করলো পুলিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ

নওগাঁর ধামুরহাট উপজেলার একটি মাঠের মধ্যে "আকাশ মনি" গাছের সাথে ঝুলছিলো পত্নীতলা উপজেলার সামছুল আলম ওরফে স্বপন (৩৬) নামের এক যুবকের মৃতদেহ-খবর পেয়ে ধামুরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরত হাল রির্পোট অন্তে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছেন।

নিহত শামসুল আলম ওরফে স্বপন নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার বড়ইল গ্রামের ওসমান আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার ৮ নভেম্বর সকাল সারে ১০ টারদিকে ধামইরহাট উপজেলার খেলনা ইউনিয়ন এর সাতবিলা দিঘির পার্শ্ববর্তী এলাকা "ধান ক্ষেতের" মাঠের ভেতর একটি আকাশ মনি গাছের সাথে ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে ঘটনাটি থানা পুলিশ কে জানান স্থানিয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে  থেকে ঝুলন্ত মরদেহ টি উদ্ধার করেন থানা পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শামসুল আলম ওরফে স্বপন কিছুটা মানসিক রোগী ছিলেন। মাঝের মধ্যেই তিনি নিখোঁজ থাকতেন।

মৃতদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত  করে ধামইরহাট থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, মৃতদেহ এর খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।


আরও খবর