Logo
শিরোনাম

বাইডেনের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিল জাপান

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভারত ও জাপানকে জেনোফোবিক বলে আখ্যা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসীদের আমন্ত্রণ জানায় বলে তাদের অর্থনীতি ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। চীন, জাপান, রাশিয়া ও ভারতের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের মতো নয় বলেও দাবি করেন বাইডেন।

মূলত চীন, রাশিয়ার সঙ্গে একই আসনে বসিয়ে ভারত ও জাপানকে জেনোফোবিক আখ্যা দেন জো বাইডেন। জেনোফোবিক অর্থ হলো বিদেশি বা অভিবাসীদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব। তবে বাইডেনের এই মন্তব্যকে দুর্ভাগ্যজনক ও ভুল বলে পাল্টা জবাব দিয়েছে জাপান।

এক বিবৃতিতে টোকিও জানিয়েছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক, কারণ মন্তব্যটি জাপানের নীতি যথাযথভাবে না জেনেই করা হয়েছে।

জাপান সরকার এরই মধ্যে হোয়াইট হাউজে এই বার্তা পাঠিয়েছে ও নীতি-অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে অভিবাসন নীতি একটি বড় ইস্যু। রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে যেখানে অভিবাসনবিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছেন। সেখানে ডেমোক্র্যাটরা অভিবাসনপন্থি।

বাইডেনের সমালোচনামূলক এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন কয়েক সপ্তাহ আগেই জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটন গিয়েছিলেন। সে সময় যুক্তরাষ্ট্র-জাপান জোটকে অলঙ্ঘনীয় বলে অভিহিত করেছিলেন বাইডেন।


আরও খবর



মার্কিন স্যাংশন-ভিসা নীতিকে পাত্তা দেই না: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে  ডিজিটাল ডেস্ক:


সরকার মার্কিন স্যাংশন, ভিসানীতিকে পাত্তা দেয় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।


 তিনি বলেন, আমরা দাওয়াত করে কাউকে আনিনি। তাদের এজেন্ডা আছে; তারা সেসব নিয়ে ঢাকায় এসেছে। বিএনপির সঙ্গে তাদের কী আছে, তারাই ভালো জানে। ওপরে ওপরে বিএনপি তাদের পাত্তা দেয় না বললেও, তলে তলে বিএনপি কী করে তারাই ভালো জানে।  


আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে আলোচনাকালে এমন মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক বিএনপির আন্দোলনের ব্যর্থ চেষ্টা। আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে খড়কুটো ধরে বাঁচতে চায় তারা। আসলে তাদের কোনো ইস্যু নাই। 


তারা ভারতীয় পণ্য বর্জনকে ইস্যু বানাতে চায়। আমার প্রশ্ন হলো-ভারতীয় মসলা ছাড়া কি আমাদের চলে? তিনি আরও বলেন, ভারতের মসলা ছাড়া আমাদের চলে না। শুধু মসলা কেন, ভারত থেকে শাড়ি-কাপড় আসবে, এ ছাড়া আরও কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যও আসবেই।



বিএনপি ও তাদের সমমনাদের আন্দোলনের ডাকে জনগণের সাড়া নেই জানিয়ে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, সম্প্রতি ঢাকায় বিএনপির দুটা সমাবেশই ফ্লপ হয়েছে।


 দলটির কর্মীরা হতাশ, তাদের আর নেতাদের ওপর আস্থা নেই। সে কারণেই বিএনপির কর্মীরা তাদের সমাবেশে যোগ দেয় না।


আরও খবর



বাবার লাশের এক টুকরো মাংস চাই

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

আমার বাবার লাশের এক টুকরো মাংস চাই। যে মাংসের টুকরো ছুঁয়ে দেখতে পারি। সে মাংসের টুকরোকেই বাবা মনে করে জানাজা করাতে চাই।

কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে নৃশংসভাবে হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও হত্যার পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে কাঁদতে কাঁদতে এসব কথা বলেন নিহত এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। শুক্রবার (২৪ মে) বিকেল ৫টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ডে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন। মানববন্ধন চলাকালে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কে আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাবা হারানোর ব্যথা-কষ্ট বোঝেন। তিনি আমার বাবা হারানোর বেদনা বুঝবেন। তার বাবার হত্যার বিচার করেছেন, আমার বাবা হত্যার বিচারও করবেন। হত্যার পরিকল্পনাকারীকে ধরার পরই খতিয়ে দেখা যাবে আসলে সে এত বড় অপকর্ম কেন ঘটালো। এর বিচার অবশ্যই হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার কথা হয়েছে। গতকালও কথা বলেছি। আমরা আইনের আশ্রয় নেব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আছেন, আওয়ামী লীগের দলীয় সর্বোচ্চ অভিভাবকরা আছেন, তারা আমাদের পরামর্শ দেবেন এবং তারা অবশ্যই তাদের দলীয় এমপি হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। কালীগঞ্জের মানুষের সুখে দুঃখে যিনি সবসময় পাশে থেকেছেন সেই মানুষটির হত্যার বিচার আমরা চাই। আমরা কোনো শৃঙ্খলাহানি করতে চাই না।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ। এ সময় নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান মতি, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হোসেনসহ আওয়ামী লীগের সকল ইউনিটের নেতাকর্মী ও এলাকাসী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



দেশব্যাপী ‘নো হেলমেট নো ফুয়েল’ কার্যকরের কড়া নির্দেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



 ডিজিটাল ডেস্ক:


সারাদেশে আজ থেকে ‘নো হেলমেট নো ফুয়েল’ কার্যকরের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।


বুধবার (১৫ মে) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭-এর অধীনে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি।

 


বনানীতে বিআরটিএর সদর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঢাকার দুই সিটি মেয়র, বিআরটিএ চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


এসময় আজ থেকেই সারাদেশে নো হেলমেট, নো ফুয়েল কার্যকরের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। 



আরও খবর



নেত্রকোনায় ‘জঙ্গি আস্তানা’য় সোয়াট টিম আরও একটি বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:



নেত্রকোনার ভাসাপাড়া গ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশের স্পেশাল উইপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকস টিম (সোয়াট)। 


রোববার (৯ জুন) সকালে এ তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি বনুয়াপাড়া নামের জায়গায় আরও একটি বাড়ি ঘেরাও করে স্থানীয়দের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।



জানা গেছে, রোববার সকাল ৮টায় সোয়াট সদস্যরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান। তবে বাড়িটি থেকে গত শনিবার পাওয়া গুলি-পিস্তল ছাড়া অন্য কিছু উদ্ধার হয়নি।


 

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমদ বলেন, সোয়াট সদস্যরা শনিবার রাতে নেত্রকোনায় পৌঁছায়। রোববার সকাল থেকে বাড়িটিতে তল্লাশি শুরু করে তারা। নেত্রকোনায় জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলত বলে আমাদের কাছে খবর ছিল। 


তাই ওই বাড়ির ওপর নজর রাখা হয়। বাড়িটিতে শনিবার দুপুর থেকে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। এরই মধ্যে কিছু আলামত পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িটি একটি জঙ্গি আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। বোমা বিশেষজ্ঞ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের কাজ শুরু করেছে।


অ্যান্টিটেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মো. সানোয়ার হোসেন ইত্তেফাককে জানান, এরই মধ্যে কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িটিতে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। তল্লাশি শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।


উল্লেখ্য, নেত্রকোনা সদর উপজেলার ভাসাপাড়া গ্রামে আব্দুল মান্নান ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুরের (ডুয়েট) শিক্ষক ছিলেন। দুই বছর আগে বাড়িটি তিনি আরিফ নামের এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দেন। বাড়িটিতে জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলত বলে পুলিশ খবর পায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বেলা একটার দিকে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল কালামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বাড়িটি ঘেরাও করে। 



এ ছাড়া নেত্রকোনা জেলা শহরের বনুয়াপাড়ায় তানভির কটেজ নামের আরও একটি বাড়িতে জঙ্গি সদস্য থাকার সন্দেহ করছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টায় বাড়িটি ঘেরাও করে তারা।


আরও খবর



ভোট কেন্দ্র ফাঁকা, পাবনায় চার ঘণ্টায় ২৬ ভোট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image


চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা:


পাবনার চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অধিকাংশ ভোট কেন্দ্র ফাঁকা ছিল। মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অলস সময় পার করতে দেখা গেছে।


 উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের কুয়াবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৬টি। 


প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাপস রঞ্জন তলাপাত্র বলেন, সকাল থেকেই ভোটার উপস্থিতি বেশ কম। এই কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৮১ জন ভোটার। তাদের মধ্যে ভোট শুরুর পর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্র ২৬টি।



মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম দেখা গেছে। এক দুজন করে ভোটার আসছেন।

 

উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ২২৮টি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫৭৯ জন। প্রিসাইডিং অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন এ তথ্য জানান। 


একই ইউনিয়নের মহেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রেসাইডিং অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাক জানালেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৯২টি। মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ২২৭ জন। 

বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং অফিসার উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এস এম শামীম এহসান।


 তিনি জানালেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ১১৭ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২১৮টি। 


মথুরাপুর ইউনিয়নের ভাদরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ২০ জন। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৩০৭টি। বিষয়টি জানালেন প্রিসাইডিং অফিসার মাহবুবুল ইসলাম। 


চাটমোহর উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপের এই নির্বাচনে ভোটারদের আগ্রহ নেই বললেই চলে। অনেকের অভিমত হয়ত ১০ ভাগ ভোটার ভোট দিতে পারেন। অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রই ছিল ফাঁকা। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা বসে বসে অলস সময় পার করেছেন। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আনসার সদস্যদেরও তেমন তৎপরতা ছিল না। 


বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভোটারবিহীন এমন নির্বাচন আগে কখনও দেখিনি। সকাল থেকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ঘুরে দেখছেন। বিজিবি ও র‌্যাবের টহল ছিল।

 

চাটমোহর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. রেদুয়ানুল হালিম বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। দিন শেষে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। 


এ জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে  ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও বিজিবি তাদের দায়িত্ব পালন করছে।


চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার।


আরও খবর