Logo
শিরোনাম

বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সাইফুদ্দিন সাইফুল : মানুষের কবিজীবনের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে বাংলা কাব্যে একজন পথিকৃৎ। আর এজন্য আমাদের কবি রবীন্দ্রনাথ প্রাণের কবি, প্রেমের কবি, মানবতার কবি, প্রকৃতির কবি, গানের কবি, নদীর কবি, পাখির কবিসর্বোপরি মানুষের ভালোবাসার প্রাণপুরুষ। কবি ও মানুষ রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যপ্রিয় প্রকৃতিপ্রিয়দের হৃদয়ের মণিকোঠায় বিশেষ স্থান দখল করে আছেন। আমরা তার রচনার দিকে দৃষ্টি দিলে দেখতে পাই, সেখানে তিনি মানুষ, প্রকৃতি ও মানবতার জয়গান গেয়েছেন। মানুষকে বিভিন্নভাবে দেখেছেন এবং বিভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেছেন। এক কথায়, মানুষকে উপেক্ষা করে তিনি কোনো সাহিত্য রচনা করেননি। তার বৈচিত্র্যময় রচনার প্রধান কেন্দ্রই হলো মানুষ।

এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ বৈচিত্র্যময় রচনার মাধ্যমে মানুষের পাশাপাশি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছেন। মূলত তিনি সাহিত্যচর্চা করেননি, করেছেন মনে-প্রাণে সাহিত্য সাধনা। সাধারণ মানুষকে করেছেন লেখার প্রধান বিষয়। রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ পাঠ করলে সাধারণ মানুষের কথায় আমাদের সামনে দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আর তাই এ সুন্দর পৃথিবীতে যত দিন থাকবে সূযর্, চন্দ্র, তারা আর পাখি গাইবে গান, নদী বইবে ধারা, তত দিন রবীন্দ্রনাথ উজ্জ্বল আলো হয়ে সাহিত্য ও মানুষের মাঝে জ্ঞানের ছন্দের রূপ ও রসের গন্ধের আলো ছড়াবেন। সত্যি কথা কি! একজীবনে বিশাল রবীন্দ্রনাথকে পাঠ করা কঠিনতর। রবীন্দ্রনাথ তার বিপুল সৃষ্টিশীল রচনা সম্ভারের জন্যই এ অপরূপ সুন্দর ভুবনে মানবের মাঝে বাঁচার আকুল প্রার্থনা করেছেন। কবি তাই বলেছেন—‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,/মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।

কবিতা-গান তো মানুষের জীবনের কথা বলে, প্রেরণার শক্তি জোগায়, চেতনার উৎস হয়ে বিবেক ও বোধে নির্মল কাজ করে। প্রেম-ভালোবাসা, সাম্য-সম্প্রীতি, সৌজন্যবোধ, সৃষ্টিশীলতা ও মননশীলতা সব সময়ের জন্য সুন্দরের সহায়ক। আর তাই রবীন্দ্রনাথ গান-কবিতা সৃষ্টি করে মানুষের মনকে করেছেন সাহিত্যের প্রতি উৎসাহিত, বিবেককে করেছেন চেতনার বন্ধু, চিন্তাকে দিয়েছেন অদম্য প্রেরণা, দিয়েছেন অসীম শক্তি আর মানুষের অন্তরে দিয়েছেন অকৃৃত্তিম ভালোবাসা। আমরা জানি, কবি রবীন্দ্রনাথ কোনোভাবেই হতাশাবাদী নন। মানুষের মধ্যেই তিনি স্বপ্ন দেখেছেন, আপনাকে সতত মানুষের একজন বন্ধু জ্ঞান করে মানুষের কথাই বারবার তার রচনার মধ্যে তুলে ধরার প্রয়াস করেছেন। তিনি সব রচনায় সব ক্ষেত্রে মানুষকে সমাজকে আশার আলো দেখিয়েছেন। আমাদের জীবনের সঙ্গে, চেতনার সঙ্গে, মননের সঙ্গে, ভাবে-ভাবনায়-আন্দোলনে ভাষার মধ্যে চেতনার জগতে দেশপ্রেমে সৃষ্টিশীলতার কর্মের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন, আছেন এবং আগামীতেও থাকবেন। অক্ষয় তার শিল্পসত্তা।

রবীন্দ্রনাথ এত বড় শিল্পী ও কবি হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সাধারণ মানুষের কাতারে নিয়ে এসেছেন এবং তাদেরই একজনএই পরিচয় দিতে অনেক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছেন। তিনি চারপাশের মানুষ, অসীম নীলাকাশ, পাখি, বৃক্ষ, নদী, ফুল, জল, প্রকৃতি মাটিকে এতটায় ভালোবেসেছিলেন যে, নিজেকে তাদের কাছ থেকে আলাদা ভাবতে পারেননি, তিনি এসবেরই একজন ভেবেছেন। আসলে যারা জীবনসমাজ, মানুষ ও মানুষের সুখণ্ডদুঃখণ্ডযাতনা-প্রেমণ্ডভালোবাসা ইত্যাদি নিয়ে ভাবেন, চিন্তা করেন- তারা সমাজের রাষ্ট্রের মানুষের আপনজন এবং অকৃতিম অভিভাবক। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠিক এমনই একজন মানুষ। সাহিত্য বিচারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনেক বড় মনের মানুষ ছিলেন বলেই নিজেকে সব মানুষের একজন ভেবেছেন। তাই তো তিনি অকপটে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসে বলেছেন—‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক/আমি তোমাদেরই লোক,/আর কিছু নয়/এই হোক শেষ পরিচয়।

রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার লেখা সম্পর্কে বলেছেন—‘অতি অল্প বয়স থেকে স্বভাবতই আমার লেখার ধারা আমার জীবনের ধারার সঙ্গে সঙ্গেই অবিচ্ছিন্ন এগিয়ে চলেছে। চারদিকের অবস্থা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনে এবং অভিজ্ঞতার নূতন আমদানি ও বৈচিত্র্যে রচনার পরিণতি নানা বাঁক নিয়েছে ও রূপ নিয়েছে। আর তাই রবীন্দ্রনাথের অমর কালজয়ী সৃষ্টি গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার নোবেল অর্জন করেছেন। বাংলা সাহিত্যে এ প্রথম বাঙালি কোনো কবি নোবেল পুরস্কার পেলেন।

বাঙালি জাতির জীবনে বড় অর্জনগুলোর মধ্যে একটা হলো রবীন্দ্রনাথ। সেই রবীন্দ্রচর্চা থেকে যদি আমরা পিছিয়ে পড়ি, তাহলে জাতি হিসেবে অনেক পেছনে পড়ে যাব। যেটা আমাদের কাম্য হতে পারে না। আমাদের প্রাণের টানে, জীবনের টানে, চেতনার টানে, শিল্প ও সাহিত্যের টানে রবীন্দ্রনাথের কাছে বারবার ফিরে যেতে হবে। এটাকে অস্বীকার করার কোনো অবকাশ নেই। রবীন্দ্রনাথকে দেবতার(!) চোখে নয়, মানুষ হিসেবেই দেখতে হবে। যেহেতু তিনি তার কাব্যে-গানে, ভাবে-ভাবনায়-চেতনায় এ মানুষকেই যথাযথ মূল্যায়িত করেছেন। মানুষ হয়ে মানুষের প্রভু হতে পারে না, দুর্বল মানুষ সবলের দাস হওয়া যাবে না। যুগ যুগ ধরে প্রভাবশালীরা ধর্মের দোহায় দিয়ে সমাজপতি সেজে ক্ষমতার ভয় দেখিয়ে সমাজে সাধারণ দুর্বল মানুষের প্রতি যে ব্যবহার, লাঞ্ছনা, অবহেলা ও নিপীড়ন করেছে বা করছে, তা কবিকে বড়ই আহত করেছে এবং কবিসত্তাকে বিদ্রোহী করে তুলেছে। কবি বলেছেন—‘যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু,/নিভাইছে তব আলো/তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছো,/তুমি কি বেসেছো ভালো।

বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য আর রবীন্দ্রনাথ একই সূত্রে গাঁথা। একটাকে উপেক্ষা করে অন্যটার পরিপূর্ণতার রূপ প্রকাশ পায় না, বলা যায় অপূর্ণ থেকে যায়। অমর সাহিত্যকর্মের জন্যই তিনি আমাদের কাছে, মানুষের কাছে, সব পাঠকের কাছে, চিন্তাশীল ভাবুকের কাছে আপন মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে আছেন। জয়তু বাংলা, জয়তু বাংলা সাহিত্য, জয়তু আমাদের কবি, বাংলার কবি, বাংলাভাষার কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


আরও খবর



রোববার সন্ধ্যায় তৃতীয় মেয়াদের জন্য শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


নরেন্দ্র মোদি আগামীকাল রবিবার সন্ধ্যায় টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিবেন নরেন্দ মোদি।


 মোদির দল বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) গতকাল শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেয়। এরপরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নতুন জোট সরকার গঠনের জন্য নরেন্দ্র মোদিকে আহ্বান জানিয়েছেন।


 মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আজ দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এছাড়া শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহল, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়াল ওয়াংচুক।


টানা দুই মেয়াদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ক্ষমতায় ছিল মোদির বিজেপি। তবে এবারের নির্বাচনে তারা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। যদিও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। 


সরকার গঠনের জন্য লোকসভায় ২৭৩ আসনের প্রয়োজন। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছে ২৯৩ আসন। তাই জোটের শরিকদের ওপর ভর করেই তৃতীয় বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মোদি।


 পার্লামেন্টের সেন্ট্রাল হলে আয়োজিত বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে এনডিএ জোটের সংসদীয় নেতা নির্বাচিত হন নরেন্দ্র মোদি। সেখানে মোদি বলেন, আমাদের গত ১০ বছর ছিল শুধু ‘ট্রেলার’। আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। 


দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করতে হবে। এ সময় কংগ্রেসের সমালোচনা করে মোদি বলেন, এবারের নির্বাচনেও কংগ্রেস ১০০ আসন জিততে পারেনি। বিজেপি এবার ২৪০ আসনে জিতেছে। 


গত তিন নির্বাচন মিলেও এত আসনে জিততে পারেনি কংগ্রেস। ইন্ডি জোটের লোকেরা আস্তে আস্তে ডুবছিল, এবার আরও দ্রুত গতিতে ডুবে যাবে।


নতুন জোট সরকার টিকিয়ে রাখতে নরেন্দ্র মোদিকে যাদের ওপর নির্ভর করতে হবে তাদের একজন হলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। বৈঠকে তিনি বলেন, আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, নরেন্দ্র মোদি ভারতের উন্নয়ন করবেন এবং আমরা তাকে আন্তরিকভাবে সমর্থন করব। 


আমরা সবাই আপনার নেতৃত্বে কাজ করব। আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, ভারত সঠিক সময়ে সঠিক নেতার নেতৃত্বে রয়েছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত আগামী পাঁচ বছরে প্রথম অথবা দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।



এরপর মোদি প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানী, মুরলী মনোহর জোশী এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। তাদের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে রাইসিনা হিলে রাষ্ট্রপতি ভবনে যান মোদি। সেখানে তৃতীয় বারের মতো এনডিএ জোট সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানাতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে আবেদন জানান তিনি। 



রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মোদি বলেন, এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, গত দুই মেয়াদের উন্নয়নের যে গতি বজায় ছিল, তৃতীয় দফার পাঁচ বছরেও তা থাকবে। এরপরে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি আমাকে ডেকেছিলেন। সরকার গড়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। 


আমি তাকে জানিয়েছি, ৯ জুন রবিবার সন্ধ্যায় শপথগ্রহণ হলে ভালো হয়। তার মধ্যেই মন্ত্রীদের তালিকা আমি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেব। সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি স্থানীয় সময় রবিবার সন্ধ্যায় শপথ নেবেন। 


লোকসভায় কংগ্রেসের আসন বেড়ে ১০১

সংসদীয় রীতি অনুযায়ী না হলেও ভারতের লোকসভায় কংগ্রেসের আসন ১০০ পার হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সাংলি লোকসভা আসন ও বিহারের পূর্ণিয়া আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী কংগ্রেসের সঙ্গে থাকার কথা জানিয়ে দিয়েছেন। 


মহারাষ্ট্রের সাংলি থেকে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিশাল পাটিল বৃহস্পতিবার দিল্লি এসে কংগ্রেসের সঙ্গে থাকার কথা জানিয়ে দেন। বিহারের পূর্ণিয়া থেকে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজেশ রঞ্জন ওরফে পাপ্পু যাদবও একই কথা জানিয়েছেন। খবর: এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমস।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




হজ করতে গিয়ে ৩১ বাংলাদেশি হাজীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছর হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে মৃত্যু এক হাজার ছাড়িয়েছে। তীব্র তাপদাহের কারণে ওই হজযাত্রীরা মারা গেছেন। মারা যাওয়া হাজীদের মধ্যে ৩১ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

শুক্রবার (২১ জুন) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা ও সৌদি আরব সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।

বুলেটিনে জানানো হয়, মারা যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। মক্কায় ২৪ জন, মদিনায় ৪ এবং মিনায় দুজন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩০ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। একজনের পরিচয় এখনও প্রকাশ করতে পারেনি হেল্প ডেস্ক।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পর যারা মারা গেছেন তারা হলেন, ঢাকার মোহাম্মদপুরের জহিরুল ইসলাম (৭৩), মাদারীপুর শিবচরে ইদ্রিস খান (৫৬), ঢাকার বাড্ডার উম্মে কুলসুম (৪৭), ঢাকার বংশালের মনির হোসেন (৫৯), কিশোরগঞ্জের ফাতেমা ইয়াসমিন (৫৩), পিরোজপুরের নার্গিস (৬০), ঢাকা নিউ মার্কেটের আমিনুল ইসলাম (৬৫), নোয়াখালীর মোয়াজ্জেম হোসেন (৬৮), রংপুরের সিদ্দিকুর রহমান (৪৮), ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে মানিক তোফাজ্জল হক (৭০), ঢাকা মোহাম্মদপুরের রওশন আরা বেগম (৭২), বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার রেজাউল করিম মন্ডল (৬১), টাঙ্গাইল সদরের আলমগীর হোসেন খান (৭৩)।

এছাড়া হজের আনুষ্ঠানিকাতা শুরুর আগে গত ১২ জুন সৌদিতে দুজন মারা যান। তারা হলেন-মো. শাহ আলম (৭৭) ও সুফিয়া খাতুন (৬২)। তাদের বাড়ি কুমিল্লা ও কিশোরগঞ্জ। চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে গত ১৫ মে মো. আসাদুজ্জামান নামে এক হজযাত্রী মারা যান।

মারা যাওয়া অন্য হজযাত্রীরা হলেন- নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মো. আসাদুজ্জামান (৫৭), মো. ভোলা জেলা মো. মোস্তফা (৯০), কুড়িগ্রাম জেলার লুৎফর রহমান (৬৫), ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জের মুরতাজুর রহমান (৬৩), চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার মোহাম্মদ ইদ্রিস (৬৪), ঢাকা জেলার মোহাম্মদ শাহজাহান (৪৮), কুমিল্লা জেলার আলী ইমাম ভুঁইয়া (৬৫), কক্সবাজার জেলা মহেশখালী উপজেলার মোঃ জামাল উদ্দিন (৬৯), কক্সবাজার জেলা রামু উপজেলার মোহাম্মদ নুরুল আলম (৬১), কক্সবাজার জেলা চকরিয়া উপজেলার মাকসুদ আহমদ (৬১), ফরিদপুর জেলার মমতাজ বেগম (৬৩), ঢাকার রামপুরার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম (৫৭), গাইবান্ধা জেলা গোবিন্দপুর উপজেলার মো. সোলাইমান (৭৩), রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাহজাদ আলী (৫৫) এবং রংপুরে তারাগঞ্জের গোলাম কুদ্দুস (৫৪)।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজ যাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে জানাজা হয়।


আরও খবর



সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩ হাজার হজযাত্রী, ৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৫৩ হাজার ১৮০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এসব হজযাত্রীর মধ্যে মারা গেছেন আট বাংলাদেশি।



শনিবার (১ জুন) সকালে হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


এতে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত ২টা পর্যন্ত মোট ৫৩ হাজার ১৮০ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৭৪৭ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪৯ হাজার ৪৩৩ জন। এখন পর্যন্ত হজকেন্দ্রিক সৌদি আরব যাওয়ার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে ১৩৬টি।


চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন এবারের হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার প্রথম ফ্লাইট শুরু হয় গত ৯ মে। আগামী ১০ জুন পর্যন্ত হজযাত্রার এ ফ্লাইট চলবে। হজ শেষে ২০ জুন থেকে শুরু হবে ফিরতি ফ্লাইট। দেশে ফেরার ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই।


এদিকে, এখন পর্যন্ত সব হজযাত্রীর ভিসা হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এ বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে মোট ৮৫ হাজার ২৫৭ জন বাংলাদেশি হজ করতে যাবেন।


 তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬২ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে ৮০ হাজার ৬৯৫ জন।


ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে মারা গেছেন। তাদের সবাই পুরুষ। এর মধ্যে মক্কায় ছয় এবং মদিনায় মারা গেছেন দুজন।



আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




প্রধানমন্ত্রীর এপিএস হাফিজুর, ডিপিএস তুষারের নিয়োগ বাতিল

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



মাজহারুল ইসলাম মাসুম/ সদরুল আইন:


প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব (ডিপিএস) হাসান জাহিদ তুষার ও প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস-২) গাজী হাফিজুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।



বুধবার তাদের নিয়োগ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।



‘এমপি আনার হত্যার উদ্দেশ্য এখনও অজানা’

পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্পাদিত চুক্তিপত্রের অনুচ্ছেদ-৮ অনুযায়ী হাসান জাহিদ তুষারের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ১ জুন থেকে বাতিল করা হলো। 


এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস-২) গাজী হাফিজুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল সেই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সম্পাদিত চুক্তিপত্রের অনুচ্ছেদ-৮ অনুযায়ী তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ১ জুন থেকে বাতিল করা হলো।


প্রসঙ্গত, মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণকারী হাসান জাহিদ তুষার দীর্ঘদিন ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


 সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি তুষারকে ফের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব পদে নিয়োগ দেয়া হয়। এর প্রায় চার মাস পর তার নিয়োগ বাতিল হলো।


এদিকে গাজী হাফিজুর রহমান ২০০৮ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ পদে নিয়োগ পান। 


তিনি ছাত্রজীবনে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভিপি ছিলেন। পরবর্তীতে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি জিটাল ডেস্ক :


ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


শনিবার (৮ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে ১০ জুন দুপুরে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।



 বুধবার টেলিফোনে আলাপকালে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান নরেন্দ্র মোদি। শেখ হাসিনা এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেন।


আগামী ৯ জুন নরেন্দ্র মোদির শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ২৯৩টি এবং ইন্ডিয়া জোট ২৩৩টি আসনে জিতেছে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪