Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন
আত্রাইয়ে আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের উপর হামলা

বিএনপির ৫৫নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দুইজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর আত্রাইয়ে আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগে ১০জন এজাহার নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৪০-৪৫জনসহ মোট ৫৫জন বিএনপির নেতা-কর্মীদের আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে আত্রাই উপজেলার পাঁচুপুর ইউনিয়ন শ্রমীকলীগের সহ-সভাপতি কাউসার ইসলাম বাদী হয়ে আত্রাই থানায় এই মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে থানাপুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ইউনিয়ন শ্রমীকলীগের সহ-সভাপতি কাউসার ইসলাম বলেন,শুক্রবার বিকেলে পাঁচুপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা ছিল। সভা শেষে রাত অনুমান ৭টা নাগাদ স্থানীয় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে চা পান করছিলেন। এসময় আগামী ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী মহা সমাবেশের বিষয় নিয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীরা আমাদেরকে এবং আওয়ামীলীগ দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে গালা-গালি করছিল। নিষেধ করায় বিএনপির লোকজন আমাদের উপর হামলা করে। এতে তিনিসহ তিন জন আহত হন। এঘটনায় শুক্রবার রাতেই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আত্রাই থানার ওসি তারেকুর রহমান সরকার বলেন,হামলার অভিযোগে কাউসার ইসলাম বাদী হয়ে এজাহারনামীয় ১০জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৪০-৪৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে পাঁচুপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে হান্নান (৪০) এবং মধুগুরনই গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে বাহাদুর (৪০) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



ঘুষ না পেয়ে ডিবি কর্মকর্তার গায়েবি প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মিছবাহ আজাদ: চাহিদা মতো ঘুষ না দেওয়ায় চাঁদাবাজি কেন্দ্রিক আদালতে গায়েবি ও হাস্যকর প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে গিয়াস উদ্দিন নামে এক তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে করা মামলায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে তিন সংবাদকর্মীসহ চার যুবক ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট ও দুই টন রড নিয়ে গেছে উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে রীতিমতো হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন তিনি। অভিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তা কক্সবাজার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন।

তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন, 'দৈনিক খোলা কাগজ' পত্রিকার উখিয়া প্রতিনিধি মুসলিম উদ্দিন।

তার অভিযোগ, ভূমি কেন্দ্রিক একটি চাঁদাবাজি মামলার বিষয়ে ডিবি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন। ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর বাকি টাকা না পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা রড-সিমেন্ট নিয়ে গেছে বলে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রালয়-আইজিপি-ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ তিনি দাবি করেন, দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার, রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা সহ দেশজুড়ে অগণিত মামলার অভিযুক্ত আসামি বশির আহমদ ওরফে বশির জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কক্সবাজার আদালতে একটি মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করেন। আদালত উক্ত মামলা কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বাদী বশিরের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, বিতর্কিত একটি গায়েবি রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে আদালত পাড়ায় হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন।

অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে উখিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা সহ অগণিত মামলার অভিযুক্ত আসামি দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ দায়ের করা মিথ্যা ও সাজানো চাঁদাবাজি মামলা দাখিলের ক্ষেত্রে বিতর্কিত ভূমিকা রাখেন তদন্ত কর্মকর্তা। এমনকি আসামিদের সাথে গোপন বৈঠক করে অনৈতিক প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।

তার অভিযোগ, ভূমি কেন্দ্রিক একটি চাঁদাবাজি মামলার বিষয়ে ডিবি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন। ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর বাকি টাকা না পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা রড-সিমেন্ট নিয়ে গেছে বলে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রালয়-আইজিপি-ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ তিনি দাবি করেন, দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার, রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা সহ দেশজুড়ে অগণিত মামলার অভিযুক্ত আসামি বশির আহমদ ওরফে বশির জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কক্সবাজার আদালতে একটি মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করেন। আদালত উক্ত মামলা কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বাদী বশিরের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, বিতর্কিত একটি গায়েবি রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে আদালত পাড়ায় হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন।

অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে উখিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা সহ অগণিত মামলার অভিযুক্ত আসামি দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ দায়ের করা মিথ্যা ও সাজানো চাঁদাবাজি মামলা দাখিলের ক্ষেত্রে বিতর্কিত ভূমিকা রাখেন তদন্ত কর্মকর্তা। এমনকি আসামিদের সাথে গোপন বৈঠক করে অনৈতিক প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।

ভুক্তভোগীদের পক্ষে সংবাদকর্মী মুসলিম উদ্দিন জানান, আমি জাতীয় দৈনিক 'খোলা কাগজ' পত্রিকার একজন নিয়মিত সাংবাদিক। সংশ্লিষ্ট এই মামলায় অভিযুক্ত অপরাপর আসামীরাও স্থানীয় সংবাদকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। অন্যদিকে অভিযোগকারী মামলার বাদী একজন ধূর্ত প্রকৃতির কুখ্যাত শিবির ক্যাডার ও রাষ্ট্র বিরোধী। তার কথিত মামলায় মানিত সাক্ষীরা সকলেই আমার বোনকে হত্যা চেষ্টা মামলার মামলার আসামি। এসব তথ্য জানা থাকার পরও তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আমাদের তাঁর কার্যালয়ে ডেকে নেন। অফিস খরচের কথা বলে টাকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সেখানে নানা ধরণের বেআইনি প্রস্তাব দেন। তিনি তদন্ত প্রতিবেদন আসামিদের পক্ষে দিবেন মর্মে এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। ওই সময় তিনি বলেন টাকা না দিলে চাঁদাবাজির প্রতিবেদন দাখিল করলে মামলায় আট বছর থেকে শুরু করে সর্ব নিম্ন চাঁদাবাজি মামলায় পাঁচ বছর সাজা হবে। কি করবেন দেখেন বলেন, অন্যথায় ১মাসের মধ্যে জেলের ভাত খাওয়াবে বলে হুমকি দেন।

এছাড়াও মামলার খরচ আছে দাবি করলে, আমার বন্ধু সাইফুলের মাধ্যমে ধার করে টাকা এনে খামে ভরে ৩০ হাজার টাকা দিই। এরপরে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে আমি অপারগতা প্রকাশ করি। তার পরেও আমি সেখানে সাফ জানিয়ে দিই- ঘুষ হিসেবে কোনো টাকা দিতে পারবো না। অভিযোগের বিষয়ে যা সত্য তাই প্রতিবেদন দিবেন। এটাই আপনার পেশাদারিত্ব। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন উক্ত প্রতিবেদনে আমাদের পূর্বের মামলার আসামিদের 'নিরপেক্ষ সাক্ষী' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এবং প্রতিবেদনটিতে বাদীর আর্জির পুনরাবৃত্তি করেছেন। বাদী তার আর্জিতে অভিযোগ করেছে, আমরা নাকি বাদীর কাছে চাঁদা না পেয়ে রাত ১১টায় বাদীর বসত ঘর থেকে ২টন রড আর ১শ ব্যাগ সিমেন্ট নিয়ে এসেছি। যা হাস্যকর কথা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নিরপেক্ষ সাক্ষী বানানো হয়েছে তারা মামলার অভিযুক্ত মুসলিম উদ্দিনের দায়ের করা জিআর- ৪৮৩/১৯ইং ও তার বাবা বাদী হয়ে দায়ের করা জিআর- ৩৮৯/১৯ইং মামলার আসামি যা আইন সংগত নয়। এছাড়াও উক্ত মামলার বাদীর সাথে পূর্ব বিরোধের কারণে বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী মুসলিম উদ্দিনসহ তার পরিবারকে হত্যা, খুন,গুম, মিথ্যা-বানোয়াট মামলা, হামলার হুমকি দেওয়ার কারণে মুসলিম উদ্দিন বাদী হয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর-২৩ইং থানায় সাধারণ ডায়েরি লিপিবদ্ধও করি। যার নং- ৬৪৪/২৪ইং। 

ভুক্তভোগীর এমন অভিযোগের ভিক্তিতে (ভুক্তভোগীর দাবিকৃত মিথ্যা মামলার) বাদীর ফৌঃ দরখাস্ত ও তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বশির আহম্মদ বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগ তুলে গত ৩১ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দেন। তদন্তের জন্য মামলাটি আদালত থেকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে পৌঁছলে অফিসার ইনচার্জ গত ০৫ জানুয়ারি হাওলা করেন। অফিসার ইনচার্জ তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলা হাওলা করার মাত্র ২৫দিনের মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিনও বাদীর অভিযোগের সাথে মিল রেখে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন- 'অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে' বলে টাকা না পেয়ে বাদীর কাছ হতে অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করে বিত্তহীন একটা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

মামলায় উল্লেখ করা নির্মাণাধীন ভবনের আশেপাশে বসবাসকারী মোমেনা খাতুন, রাশেদা, মিসবাহ আজাদ, শাকুর মাহমুদ, ছকিনা খাতুনসহ স্থানীয়রা বলেন, এলাকায় চাঁদা দাবি কিংবা চাঁদা না পেয়ে লোহার রড-সিমেন্ট নিয়ে যাওয়ার মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। এছাড়াও ১শ ব্যাগ সিমেন্ট ও ২ টন লোহার রড নিয়ে যেখানে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিকের বেগ পেতে হয়; সেখানে শুধুমাত্র ৪ জনই এত ভারী মালামাল নিয়ে যাওয়ার গল্প পাগল-শিশুও বিশ্বাস করবেনা। 

তাদের মতে, তদন্ত কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে অতি উৎসাহী হয়ে একটি সাজানো মামলার অদ্ভুত প্রতিবেদন দিয়ে হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। এই ধরনের কর্মকর্তাদের কারণে ভবিষ্যতে যে কেউ যে কারো বিরুদ্ধে সাজানো মামলা করতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজারের সভাপতি ও নাগরিক আন্দোলনের সদস্য সচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, উখিয়ায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত সাজানো মামলায় সিমেন্ট আর লোহার রড নিয়ে যাওয়ার মতো একটি বিষয়ে দুইজন তরুণ সংবাদকর্মীকে যেভাবে জড়িয়ে তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত রিপোর্ট জমা দিলেন তা হাস্যকর লাগল। ঘটনাস্থলের আশপাশের কেউ দেখল না জানল না সাংবাদিকরা সিমেন্ট আর লোহার রড মাথায় করে নিয়ে যেতে কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা সেটি দেখেছে মতো করে রিপোর্ট দিলেন যা দুঃখজনক বিষয়।মনে হচ্ছে উক্ত তদন্ত কর্মকর্তা সাংবাদিকদের উপর পূর্বের কোন ক্ষোভ থেকে নয়তো প্রতিপক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে  প্রতিহিংসা মূলত রিপোর্ট দিয়েছে। বিষয়টি আমি আরো অধিকতর তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে অ্যাডভোকেট সাইফুদ্দিন খালেদ বলেন, এখন ডিজিটাল যুগ। মামলায় অভিযুক্তরা ঘটনাস্থলে ছিল কিনা সহজে লোকেশন শনাক্ত করা যায়। লোকেশন সংশ্লিষ্টের উপস্থিতি আদৌ আছে কিনা নিশ্চিত হওয়া তদন্ত অফিসারের দরকার। এছাড়াও ১শ ব্যাগ সিমেন্ট ২ টন রড ৪ জন কীভাবে নিয়ে যায়? সেটিও হাস্যকর। মিথ্যা রিপোর্ট দিয়ে হয়রানি করলে তদন্ত অফিসারকে আদালতে জবাবদিহিতা করতে হবে।

এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি তদন্তে যা পেয়েছেন তাই আদালতে জমা দিয়েছেন।


আরও খবর



বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং চোরাচালান মুক্ত সীমান্ত নির্মানের অঙ্গীকারে বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল সারে ১১ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত নওগাঁ জেলাধীন পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এবং প্রতিপক্ষ (ভারত) ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ, পতিরাম এর মধ্যে সীমান্ত পিলার ২৬৮/৯-এস এর নিকট বর্তী আলতাদিঘি ( জিআর-৮৫৯৮৬১ মানচিত্র ৭৮সি/১৬) নামক স্থানে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফ এর আহবানে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর পক্ষে ৭ জন সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন লেঃ কর্নেল মোঃ হামিদ উদ্দিন, বিজিবি, এমএস, পিএসসি, অধিনায়ক, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি)। অপরদিকে ভারতের ৭ সদস্য বিশিষ্ট বিএসএফ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন শুকভীর ধাংঘার কমান্ড্যান্ট ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ, আরাদপুর, ভারত। পতাকা বৈঠকে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ হামিদ উদ্দিন, বিজিবিএমএস, পিএসসি প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট কে ঐতিহ্যবাহী  আলতাদিঘী পূনঃখননে অবশিষ্ট অংশের কার্যক্রমের সহযোগিতা কামনা করলে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়াও অধিনায়ক, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) জয়পুরহাট জেলার (কড়িয়া কোম্পানীর দায়িত্বপূর্ন এলাকায়) সৌলাগাড়ি বিলের জলবদ্ধতা নিরসনে বিএসএফ কর্তৃক সার্বিক সহযোগিতার জন্য প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্টকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এবং প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ এর মধ্যে সু-সমন্বয় ও দ্বি-প্রাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এর ফলে বিগত দু বছরে সীমান্তে কোন ধরনের অনাকাংক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং উভয় দেশের অধিনায়ক এ ধারা আগামীতেও অব্যাহত রাখার জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ-সীমান্ত লঙ্ঘন, চোরা চালান প্রতিরোধ সহ সীমান্ত বর্তী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় সীমান্ত বর্তী জন সাধারণের নিরাপত্তা এবং সীমান্তে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে উভয় অধিনায়ক এক সাথে কাজ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরিশেষে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।  


আরও খবর



ফুটবলে এবার চালু হলো নীল কার্ড

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

ফুটবল খেলায় লালকার্ড ও হলুদকার্ডের পাশাপাশি শাস্তিমূলক আরও একটি কার্ডের অবতারণা করালো আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি)। গতকাল শুক্রবার ভিন্নধর্মী শাস্তির জন্য নীলকার্ডের ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ফুটবলের নিয়মনীতি প্রণয়নকারী সংস্থাটি।

গত বছরের নভেম্বর থেকে ফুটবলে নতুন কার্ড আনার প্রস্তাব করেছিলেন ফুটবল সংশ্লিষ্ট আইনপ্রণেতারা। তারা মনে করছেন, মাঠে ম্যাচ অফিসিয়ালদের প্রতি খেলোয়াড়দের আচরণকে নিয়ন্ত্রণে আনতে এই নিয়ম দরকার; যেন খেলোয়াড়রা ম্যাচের কর্মকর্তাদের সম্মানের দিয়ে কথা বলেন।

আবার বলা হয়েছে, খেলার মাঠে যদি কোনো খেলোয়াড় কৌশলগত ভাবে এমন কোনো ফাউল করেন যেটা আসলে লালকার্ড দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়; আবার হলুদকার্ডও কম শাস্তি হয়ে যায়, তখন রেফারি নীলকার্ড ব্যবহার করবেন।

যেমন, ২০২০ সালের ইউরো আসরের ফাইনালে গোল করতে যাওয়ার পথে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড় বুকায়ো সাকাকে পেছন থেকে জার্সিতে টেনে ধরছিলেন ইতালির ডিফেন্ডার জর্জিও চিয়েললিনি। তখন যদি নীলকার্ডের প্রচলন থাকতো তাহলে ইতালিয়ান ডিফেন্ডারকে হয়তো এই কার্ড দেখানো হতো।

নিয়মে বলা হয়েছে, যদি কোনো খেলোয়াড় নীলকার্ড দেখেন, তাহলে ১০ মিনিটের জন্য তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে। এই নিয়মকে সিন-বিন বলে। ম্যাচের কোনো কর্মকর্তার প্রতি অশোভন আচরণ করলেও এই শাস্তি দেওয়া হবে।

এরই মধ্যে নিম্ন-স্তরের খেলায় এই কার্ডের ব্যবহার হচ্ছে। তবে এখনো ফুটবলের বড় আসর ও ম্যাচগুলোতে এর ব্যবহার হয়নি। গত এক বছর ধরেই এই কার্ড আন্তর্জাতিক খেলায় যুুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়ে আসছিল। অবশেষে গতকাল ঘোষণা এলো আনুষ্ঠানিকভাবে।

ঘোষণা আসলেও এখনই নীলকার্ডের কার্যক্রম শুরু হয়নি। কারণ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, কোপা আমেরিকা ও ইউরো ২০২৪ এই কার্ড ব্যবহারের প্রতি তেমন আগ্রহ দেখায়নি। কবে নাগাদ বাস্তবতায় রূপ নেবে নীলকার্ড, সেটি এখনো চূড়ান্ত নয়। বিষয়টি নিয়ে আগামী ১ মার্চ বৈঠকে বসবে আন্তজার্তিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তখন দিক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবে ফিফা।

 


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নওগাঁয় ঝুলন্ত (গলায় ফাঁস দেওয়া) অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছেন থানা পুলিশ।

রবিবার সকালে নওগাঁর রাণীনগর 

উপজেলার চরকানাই গ্রামে নিজ বাড়ির শয়ন ঘরে আব্দুস সাত্তার (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পেয়ে রাণীনগর থানায় খবর দেন স্থানিয়রা। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট অন্তে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

আব্দুস সাত্তার চরকানাই গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। 

তার মৃত্যুর সঠিক কারন না জানাতে পারলেও সে আত্নহত্যা করেছে বলেই প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছেন নিহতের স্বজন সহ প্রতিবেশীরা।


আরও খবর



ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ জানালেও, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর এবং দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও বাইডেন প্রশাসনের আগ্রহের কথা জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

গত ৭ জানুয়ারি শান্তিপূর্ণভাবে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেন সাধারণ মানুষ। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসে ১১ দেশের ১২৭ জন পর্যবেক্ষক। দফায় দফায় সংবাদ সম্মেলনের পর তারা মতামত দেন, নির্বাচন হয়েছে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য।

সরাসরি উপস্থিত থেকে বিভিন্ন দেশের পর্যবেক্ষকরা যখন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে জানান, তখন পর্যবেক্ষক না পাঠিয়েই ভিন্ন সুর ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। ভোট নিয়ে নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা জানায় তারা।

তবে এবার বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়টি নিশ্চিত করলো ওয়াশিংটন। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ এবং নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে ভবিষ্যতে কাজ করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।

এসময় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানান, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত তারা।

তিনি বলেন, এ ধরনের সম্পর্ক বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গেই আছে আমাদের। আমরা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। বাংলাদেশের ক্র্যাকডাউন নিয়েও আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি। তবে এর মানে এই নয় যে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার দায়িত্ব নেই আমাদের।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন নাশকতাসহ দেশে-বিদেশে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। তবে এসবকে পাত্তা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। এর আগেও নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছে দেশটি।

 


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪