Logo
শিরোনাম

তীব্র তাপপ্রবাহে সুস্থ থাকার উপায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

আবহাওয়া অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, কোনো এলাকায় যদি তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে তাহলে তাকে বলে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রচণ্ড এই গরমে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তাপমাত্রা হলে তা যেকোনো স্বাস্থ্যবান লোকের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই তীব্র এই গরমে সুস্থ থাকার জন্য কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি-

১. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পানি ধীরে ধীরে পান করুন। ঠান্ডা ও বরফজাতীয় পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এই সময়ে খুব বেশি ঠান্ডা পানি পান করলে মানবদেহের ছোট রক্তনালিগুলো ফেটে যেতে পারে।

২. বাইরে যখন তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রিতে পৌঁছে যায়, তখন আপনি বাইরে থেকে ঘরে ফিরে কখনোই ঠান্ডা পানি পান করবেন না। সব সময় ধীরে ধীরে উষ্ণ পানি পান করুন।

৩. যদি বাইরে থাকার সময় হাত-পা রোদের সংস্পর্শে থাকে, তাহলে বাসায় ফিরেই তড়িঘড়ি হাত-পা ধোবেন না। এক্ষেত্রে গোসল বা হাত-পা ধোয়ার আগে কমপক্ষে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করুন।

৪. তীব্র গরমের এই সময়ে যতটা সম্ভব বাইরে বের না হওয়াই ভালো। বিশেষ করে বেলা ১১টার পর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। এই সময়ে ঘরে থাকাই ভালো।

৫. বাইরে বের হতে হলে ছাতা, টুপি সঙ্গে রাখুন। পা ঢাকা জুতা ও হালকা, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন। স্কিন টাইট বা সিনথেটিক কিছু পরবেন না।

৬. তৃষ্ণার্ত বোধ না করলেও নির্দিষ্ট সময় অন্তর পানি পান করুন। সব সময় পানীয় সঙ্গে রাখুন।

৭. শরীরে অস্বস্তি হলে ওআরএস স্যালাইনে পান করতে পারেন। বাড়িতে শরবত, ফলের রস, লাচ্চি বানিয়েও পান করতে পারেন। এভাবে শরীরকে সবসময় হাইড্রেটেড রাখতে হবে।

৮. বাইরে বের হলে বেশিক্ষণ রোদে থাকবেন না। যাদের পেশার জন্য রাস্তায় রোদে থাকতেই হবে, তারা কিছু সময় অন্তর ছায়া বা ঠাণ্ডায় থাকার চেষ্টা করুন।

৯. যারা বেশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে থাকেন, যাদের কনকনে ঠান্ডা পানি পানের প্রবণতা থাকে এবং গরম থেকে বেরিয়েই দীর্ঘ সময় এসি ঘরে কাটান তাদের অসুখ চট করে ধরে নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রচণ্ড গরম থেকে এসে এসি ঘরে ঢোকার আগে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আবার এসি থেকে বেরিয়েও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। শরীরকে স্বাভাবিক তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সময় দিতে হবে।

১০. হিট স্ট্রোক ও হিট ক্র্যাম্প এড়াতে শরীর ঠান্ডা রাখতে হবে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ছায়ায় বা অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে যান। চোখে-মুখে পানির ঝাপটা দিন। পারলে ঠান্ডা পানিতে গা স্পঞ্জ করিয়ে দিন।

১১. পুরোনো বা বাসি খাবার এড়িয়ে চলুন।

১২. প্রতিদিন অবশ্যই গোসল করুন।


আরও খবর

ঈদে বালুচর এর পাঞ্জাবি

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪

বালুচরে শীতের পাঞ্জাবি-কটি

বুধবার ২০ ডিসেম্বর ২০23




আজিজ আহমেদের দোষ নেই: দুদক চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:



সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের দুই ভাইয়ের ‘মিথ্যা তথ্যে ই-পাসপোর্ট ও এনআইডি জালিয়াতি’র অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেছেন, এতে আজিজ আহমেদের দোষ নেই। 


তবে অভিযোগ দুটি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।


আজ সোমবার গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশনের (র‌্যাক) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।



মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, একজন আইনজীবীর দেওয়া একটি অভিযোগে বলা হয়েছে, তার (আজিজ আহমেদ) দুই ভাই মিথ্যা তথ্য দিয়ে ই-পাসপোর্ট নিয়েছেন। এটা আজিজের দোষ না, তার দুই ভাই এবং পাসপোর্ট ডিপার্টমেন্টের লোক জড়িত।


 আর দ্বিতীয় অভিযোগ হল, (তারা) ন্যাশনাল আইডি কার্ড নিয়েছেন। এগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য দুই ডিপার্টমেন্টে পাঠিয়ে দিয়েছি।


দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি প্রমাণ করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। দুদকের একার পক্ষে সব ধরনের দুর্নীতি দমন করা সম্ভব নয়। মন্ত্রণালয়গুলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তারা ব্যবস্থা নিলে এত অভিযোগ দুদকে আসত না। 


তাদের পক্ষ থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে দুদকে অভিযোগ কম আসবে—দুদক এটাই চায়। সব ক্ষেত্রে দুর্নীতি যেন না হয় তার জন্য প্রতিরোধ করা জরুরি। সাংবাদিকেরা যে কাজ করে, আর দুদক যে কাজ করে—এসব কাজ একে অপরের পরিপূরক।



জানা গেছে, শুধু এনআইডি নয়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে পাসপোর্টও তৈরি করেছেন আলোচিত আজিজের দুই ভাই হারিছ আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফ। তাদের স্ত্রীরাও একই কাজ করেছেন। সেনাপ্রধান থাকার সময়ই আজিজ আহমেদের ভাইদের ভুয়া তথ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট করানোর ক্ষেত্রে তার প্রভাব খাটানোর বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।


সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ভাই হারিছ ২টি এবং আনিস ১টি খুনের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ তাদের সাজা মওকুফের প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


১৯৯৬ সালে মোহাম্মদপুরের ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান হত্যা মামলার আসামি ছিলেন জোসেফ। এ মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এ রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। পরে আপিল বিভাগ সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। 


২০১৮ সালে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফ রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পান।


আজিজ আহমেদ ২০১৮ সালের ২৫ জুন থেকে ২০২১ সালের ২৩ জুন পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগে সম্প্রতি এই সাবেক সেনাপ্রধানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।


আরও খবর



উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩৮ শতাংশ: ইসি সচিব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


তৃতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩৮ শতাংশ: ইসি সচিব 

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭ উপজেলায় ৩৮ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিদায়ী সচিব জাহাংগীর আলম। 


তিনি বলেন, ভোট পড়ার এ হার আরও বাড়তে পারে। কারণ এখনো ৮৭ কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি।


আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বিদায়ী সচিব ও নবাগত সচিব শফিউল আজিমের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।


 গতকাল বুধবার ভোটপরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল জানিয়েছিলেন, তখন পর্যন্ত তাদের হাতে থাকা তথ্য পর্যালোচনায় ভোটার ৩৫ শতাংশের কম-বেশি হতে পারে। নিশ্চিত করে বলতে আরও সময় লাগবে।




আরও খবর



ভোট কেন্দ্র ফাঁকা, পাবনায় চার ঘণ্টায় ২৬ ভোট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image


চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা:


পাবনার চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অধিকাংশ ভোট কেন্দ্র ফাঁকা ছিল। মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের অলস সময় পার করতে দেখা গেছে।


 উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের কুয়াবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৬টি। 


প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তাপস রঞ্জন তলাপাত্র বলেন, সকাল থেকেই ভোটার উপস্থিতি বেশ কম। এই কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৮১ জন ভোটার। তাদের মধ্যে ভোট শুরুর পর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্র ২৬টি।



মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম দেখা গেছে। এক দুজন করে ভোটার আসছেন।

 

উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের বনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ২২৮টি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫৭৯ জন। প্রিসাইডিং অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন এ তথ্য জানান। 


একই ইউনিয়নের মহেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রেসাইডিং অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাক জানালেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৯২টি। মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ২২৭ জন। 

বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং অফিসার উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এস এম শামীম এহসান।


 তিনি জানালেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ১১৭ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২১৮টি। 


মথুরাপুর ইউনিয়নের ভাদরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ২০ জন। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৩০৭টি। বিষয়টি জানালেন প্রিসাইডিং অফিসার মাহবুবুল ইসলাম। 


চাটমোহর উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপের এই নির্বাচনে ভোটারদের আগ্রহ নেই বললেই চলে। অনেকের অভিমত হয়ত ১০ ভাগ ভোটার ভোট দিতে পারেন। অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রই ছিল ফাঁকা। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা বসে বসে অলস সময় পার করেছেন। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আনসার সদস্যদেরও তেমন তৎপরতা ছিল না। 


বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভোটারবিহীন এমন নির্বাচন আগে কখনও দেখিনি। সকাল থেকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ঘুরে দেখছেন। বিজিবি ও র‌্যাবের টহল ছিল।

 

চাটমোহর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. রেদুয়ানুল হালিম বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। দিন শেষে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। 


এ জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে  ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও বিজিবি তাদের দায়িত্ব পালন করছে।


চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার।


আরও খবর



নিম্নচাপে পরিণত সাগরের লঘুচাপ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। শুক্রবার (২৪ মে) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ অবস্থায় সব সমুদ্রবন্দরে তোলা হয়েছে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

নিম্নচাপটি শুক্রবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে শনিবার। তখন এর নাম হবে রিমাল, নামটি ওমানের দেওয়া।


আরও খবর



নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কিনবে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


ভারতের জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে পাঁচ বছরের জন্য ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার। যার প্রতি ইউনিট ব্যয় হবে ৮ টাকা ১৭ পয়সা।



আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে এ জলবিদ্যুৎ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে পণ্য ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এটিসহ আরও ১৫টি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।



উখিয়া ক্যাম্পে রোহিঙ্গাকে পিটিয়ে হত্যা

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় জুলাই থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে সিঙ্গাপুর থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার, যেখানে শুধু জাহাজ ভাড়া বা প্রিমিয়াম পড়বে ১৩ হাজার ৮৭৬ দশমিক ৫৩ কোটি টাকা। 


টিসিবির মাধ্যমে সরকার স্থানীয়ভাবে ডাল ও ভোজ্যতেল কিনবে। মসুর ডাল কিনবে ১০ হাজার মেট্রিক টন, যার মোট খরচ ২০৫ কোটি টাকা। আর ৩৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকায় সয়াবিন তেল কিনবে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার। সরকার সারও কিনবে বিভিন্ন উৎস থেকে।


তিউনিশিয়া থেকে ১১৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার, কানাডা থেকে ১২৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার, মরক্কো থেকে ২২৫ কোটি ৫২ লাখ টাকায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার, কাতার থেকে ১১০ কোটি ২৮ লাখ টাকায় ৩০ হাজার বাল্ক গ্র্যানিউলার ইউরিয়ার সার এবং কাফকো থেকে ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকায় ৩০ হাজার বাল্ক গ্র্যানিউলার ইউরিয়ার সার কেনা হবে।


এছাড়া আগামী ১ বছরের জন্য জিটুজি পদ্ধতিতে কাতার ও সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে।



বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, 'ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসবে এই বিদ্যুৎ। ভারত হয়ে ওই বিদ্যুৎ আসবে বলে ভারতকে ট্রেডিং মার্জিন হিসেবে দিতে হবে ইউনিট প্রতি দশমিক ০৫৯ রুপি। ভারতকে ট্রান্সমিশন খরচও দিতে হবে; তবে তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। '


এই বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ৫ বছরের জন্য ৬৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়েছে।


মাহমুদুল হোসাইন খান আরও জানান, নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এ বিষয়ে চুক্তি করবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নেপাল সফরের সময় কবে থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে, সেই বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।



আরও খবর