Logo
শিরোনাম

দাবদাহে ‘কপাল পোড়ার’ শঙ্কায় কৃষক

প্রকাশিত:সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তীব্র থেকে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে সারা দেশে পথ-ঘাট-মাঠ সবকিছুই উত্তপ্ত এর বিরূপ প্রভাব দেখা যাচ্ছে ফসলের মাঠেও

কৃষকরা বলছেন, তীব্র রোদের প্রভাবে মাঠের ধান গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে, মরছে সবজির গাছ। সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানিও মিলছে না গভীর নলকূপে। এতেকরে একদিকে ফলন কমে যাবার আশঙ্কা অন্যদিকে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তায় আছেন কৃষকরা

অতিরিক্ত তাপে রাজশাহী, রংপুর খুলনা অঞ্চলের বেশিরভাগ ক্ষেতে ধান গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন জমিতে পানি দিতে হিমসীম খেয়ে যাচ্ছে কৃষক। তাদের মনে শঙ্কাও তৈরি হয়েছে এমন রোদ আর গরমে যেন ধান নষ্ট হয়ে না যায়

রংপুররে পীরগঞ্জের আলমপুরের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ধানের ভিওত পানি ধরে থোয়া যাচ্ছেনা। কিছু কিছু জমির ধান লাল হয়ে মরে যাচ্ছে। এখনতো পানির লেয়ারও অনেক নিচে। এলাকার টিউবলেও ঠিকমতো পানি ওঠে না, মেশিনেও কম পানি ওঠে, যাদের অবদা(ডিপটিউবয়েল) আছে তারা পানি দিবার পারচে(দিতে পারছে) এতো রোদের কারণে এবার ধানত চিটা হওয়ার ভয়ে আছি। আর সবজির ভিউয়ের(ক্ষেত) সবজি রোদে-পুড়ে মরে যাচ্ছে।

তাপে পোড়ার শঙ্কা, সেচে বাড়তি খরচ ফলন কমার আশঙ্কা :

চলতি মৌসুমে সারাদেশে তীব্র তাপাদহের কারণে ধান ছাড়া বাকি সফলী জমি খেত ফেটে চৌচির। রোদে পুড়ছে রোপণ করা বোরো ধান। দিতে হচ্ছে বাড়তি সেচ। বৃষ্টি না হওয়ায় পানির অভাবে ধানের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছে, এই তাপদাহে ক্ষেতের ফসল বাঁচাতে অন্য বারের তুলনায় দ্বিগুন বেশি সেচ দিতে হচ্ছে, যার ফলে উৎপাদন খরচ বাড়বে

রংপুরের পীরগঞ্জের শরীফ নেওয়াজ গভীর নলকূপ দিয়ে নিজের জমিতে পানি দেওয়ার পাশাপাশি অন্যর জমিতেও পানি বিক্রি করনে। তিনি সংবাদকে বলেন,আমার মোটর ২৪ ঘন্টা চলে। গতবছর এই সময়ে দুইদিন পর পর একটা জমিতে পানি দিতে হতো। এবার দিতে হচ্ছে একদিন পর পর। এতে আমার খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

ওই উপজেলার চতরা এলাকার কৃষক প্রদীপ চন্দ্র বলেন, বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছি। বছর ধান পাতান (চিটা) হওয়ার আশঙ্কা করছি।

তিনি আরো বলেন, সার, বীজ, তেল শ্রমিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় এমনিতেই প্রতিমণ ধান উৎপাদন খরচ বাড়ছে এখন বাড়তি সেচও দেওয়ার কারণে খরচ আরো বেড়ে গেল।

ময়মনসিংহের কৃষি উদ্যোক্তা . আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স বলেন, তাপপ্রবাহের কারণে চাইলেও সেই পানির প্রবাহ ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাপমাত্রা বেশি থাকার কারণে ধানের ফুল পলিনেশন করতে পারছে না, অনেক ফুল ঝরে যাচ্ছে। একারণে ধান চাষে ক্ষতির মুখে পড়বে কৃষক।

তীব্র তাপ প্রবাহের কারণে আম, লটকন, মাল্টা, অ্যাভাকাডার মতো গাছের গুটি ঝরে যাওয়ার কথাও জানান তিনি। তিনি বলেন, আমার যে ফলের বাগান আছে সে বাগান থেকে বৃষ্টির অভাবে গাছ পুষ্টি না পাওার কারণে ফল ফুল ঝরে পড়ছে, যখন বৃষ্টি হবে তখন গাছ পরিপুষ্ট হতে আরো ১৫ দিন সময় নিবে কিন্ত মাঝে যে সময় গেল সেটা তো ফিরে পাওয়া সম্ভবনা। এছাড়া, ক্ষেতে যে কৃষি শ্রমিকরা কাজ করে তারাও তো তাড়াতাড়ি হাপিয়ে ওঠে এতো আমার শ্রমের অপচয় হচ্ছে।

সার্বিকভাবে বলা চলে, বৃষ্টি না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকেই চলে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি

তিনি আরো বলেন, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অন্তত ৩০ শতাংশ কম পানি উঠছে পাম্পগুলোতে। আবার দীর্ঘক্ষণ চালানোর কারণে বিল ঠিকই বাড়ছে, কিন্তু ওই পরিমাণ পানি পাওয়া যাচ্ছে না। আবার পানি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুকিয়ে যাচ্ছে, গাছ শোষণ করতে পারছে না। সব মিলিয়ে কৃষকদের একটা বাজে অবস্থা।

সংশ্লিষ্টরা যা বলছেন:

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক . মো. শাহজাহান কবীর সংবাদকে বলেন, এবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গা ৪১ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছে। এখন ধানের জন্য ক্রিটিক্যাল টেম্পেরেচার ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর উপরে যদি তাপমাত্রা উঠে এবং এসময় যদি ফুল ফোটে সেগুলো শুকিয়ে যেতে পারে।

তবে, তিনি ধানের দুইটা বিষয়ের কথা উল্লেখ করেন। যেমন; হাওরে ধান কাটা শুরু হয়েছে। সেখানে এখন যেমন রোদ আছে সেই রোদটা খুবই দরকার। আবার কোন কোন অঞ্চল আছে যেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস বা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস অতিক্রম করে যাচ্ছে। সেখানে আমরা যে আশঙ্কায় আছি- ফুল ফোটা পর্যায়ে যদি টেম্পারেচার বেশি থাকে তবে ধানের চিটা হয়ে যেতে পারে। এমন একটা আশঙ্কার মধ্যে আছি।

বিশেষ করে যেসব এলাকার তাপমাত্রা খুব বেশি সেসব এলাকার ধান নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সব কৃষককে পরামর্শ দিচ্ছি টেম্পারেচার বেশী থাকলেও যেন তারা সবসময় পানি ধরে রাখে। পানি ধরে রাখলে চিটা হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।

যেসব এলাকায় ধান পেকে গেছে সেসব এলাকায় আমরা ধান তাড়াতাড়ি কেটে ফেলার পরমর্শও তার

কৃষিতে বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় লিফলেট অ্যাপসের মাধ্যমে চাষিদের পরামর্শ দেওয়ার কথা জানালেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক(ডিজি) বাদল চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি সংবাদকে বলেন, যেসব এলাকায় ধান দেরিতে আসে সেসব এলাকায় আমরা বলেছি, ধানের গোড়ায় যেন পানি থাকে, সেই পানিটা যেন ধান গাছের শিকড় সহজে টানতে পারে


আরও খবর



নওগাঁর সুমিষ্ট ও সুস্বাদু আম এখন দেশের বাজারে

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

অবশেষে নওগাঁ সহ দেশের বাজারে আসা শুরু করলো নওগাঁর সুমিষ্ট ও সুস্বাদু আম। প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়সূচী অনুযায়ী নওগাঁর বাগান থেকে বুধবার (২২মে) স্থানীয় জাতের/গুটি আম নামানোর মধ্যে দিয়ে এই আম পাড়া শুরু হলো। তবে নওগাঁর ঐতিহ্য আম্রপালি অন্যান্য জাতের সুস্বাদু ও সুমিষ্ট আম পেতে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে ভোক্তাদের। চলতি বছর নওগাঁ জেলা থেকে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার আম বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়। এছাড়াও এবছর নওগাঁ থেকে ১হাজার মেট্টিক টন আম বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী ২৮ মে থেকে গোপালভোগ, ২ জুন ক্ষীরসাপাত/হিমসাগর, ৭ জুন নাক ফজলি, ১০ জুন ল্যাংড়া ও হাঁড়িভাঙা, ২০ জুন ফজলি, ২২ জুন আম্রপালি এবং ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা, বারি আম-৪, গৌড়মতি ও কাটিমন আম সংগ্রহ করা যাবে। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে চলতি বছর জেলার ৩৩ হাজার ৩শ' হেক্টর জমির বাগানে আম চাষ হয়েছে। এসব বাগানে ব্যানানা ম্যাংগো, মিয়াজাকি, কাটিমন, গৌড়মতি, বারি আমসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ১৬ জাতের আম চাষ করেছেন চাষিরা। নওগাঁ থেকে এ বছর অন্তত ৪ লাখ ৩১ হাজার ৫০০টন আম উৎপাদনের আশা করছে নওগাঁর কৃষি বিভাগ। নওগাঁ জেলা কৃষি সসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজ থেকে স্থানীয় জাতের/গুটি আম পাড়া তারিখ নির্ধারণ নির্ধারণ করে দেওয়া ছিলো। সেই সময় অনুযায়ী চাষিরা গুটি আম নামাবেন। এছাড়াও উন্নত জাতের যেসব আম আছে সেগুলো বাজারে আসতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। পরিপক্ব ও ক্ষতিকারক কেমিক্যাল উপাদানমুক্ত আম নিশ্চিত করতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে যদি কোনো বাগানে আম পেকে যায় চাষীরা উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে সেগুলো নামাতে পারবেন। ভোক্তাদের কাছে নওগাঁর পরিপক্ক ও বিষমুক্ত আম পৌছে দিতে জেলা কৃষি বিভাগ বদ্ধ পরিকর 


আরও খবর



সাগরে মিলছে না ইলিশ, হতাশ জেলেরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

জাটকা রক্ষায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরতে নদীতে নেমে হতাশ জেলেরা। তারা বলছেন, জালে মাছ ধরা পড়েছে না। যে দু-চারটা ইলিশ পড়ছে, তা বেচে নৌকার (ইঞ্জিনচালিত) তেল খরচই উঠছে না।

জাটকা ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে সপ্তাহ দুয়েক আগে। তাই বুকভরা আশা নিয়ে নদীতে নেমে হতাশ হয়ে ফিরছেন। জেলেরা জানান, নৌকায় ১৫শ টাকার তেল নিয়ে গেলে মাছ পাওয়া যায় ৮শ টাকার। তাই তারা এখন নদীতে যেতে পারছে না। এ ছাড়া ২-৩ হাজার টাকার মাছ সংগ্রহ করতে হলে তেল খরচ হয়ে যায় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকার। মাছ না পাওয়া তাদের চলাফেরায় কষ্ট হচ্ছে।

মৌসুমের এই সময়টাতে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে সরগরম হয়ে ওঠে ভোলার মেঘনা পাড়ের অর্ধশতাধিক ছোট-বড় মাছঘাট। কিন্তু সেখানে এখন সুনসান নীরবতা। খালি পড়ে আছে মাছের বাক্স। অলস সময় পার করছেন আড়ৎদাররা।

আড়ৎদাররা জানান, তুলনামূলক মাছ না হওয়ায় জেলেরা নদীতে যাচ্ছে না। ফলে বাজারে মাছের দাম বাড়তি।

মাছের এমন খরার বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর বলছে, তীব্র তাপদাহ আর অনাবৃষ্টির কারণে বেড়েছে লবণাক্ততা। ফলে গভীর জলাশয়ের খোঁজে সাগরমুখী হচ্ছে মাছ। আর তাই ধরা পড়ছে না জেলেদের জালে।

ভোলা সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এ এফ এম নাজমুস সালেহীন বলেন, ইলিশের অভয়াশ্রমে ছোট মাছ আশ্রয় নেয়। এই ছোটমাছগুলো সাগরের দিকে চলে গেছে। এর ফলে নদীতে ইলিশের ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত এই মৌসুমে বৃষ্টিপাতের সংখ্যা অনেক কম। এই কম হওয়ার কারণে সাগরের নোনা পানিটা এখন বেশি প্রবেশ করছে। এর ফলে মাছ যে ডিম পাড়তে আসে এই সংখ্যা খুবই কম। এই কারণে বর্তমানে জেলেরা ইলিশ খুব কম পাচ্ছে।

চলতি বছর জেলায় ১লাখ ৯২ হাজার টন ইলিশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা।


আরও খবর



চোখের যত্নে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

চোখ আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল অঙ্গগুলির একটি। চোখের সঠিক যত্ন পরিচর্যা করা আমাদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনযাত্রা কাজের ধরন পরিবর্তিত হওয়ায় চোখের যত্নের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘ সময় কম্পিউটার, মোবাইল টেলিভিশনের সামনে কাটানোর ফলে চোখের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অপ্টোমেট্রিস্ট হলেন প্রাথমিক চোখের চিকিৎসক, যারা চোখের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং ব্যবস্থাপনার কাজে নিযুক্ত থাকেন। তারা চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন মায়োপিয়া (দূরদৃষ্টি সমস্যা), হাইপারোপিয়া (কাছের দৃষ্টি সমস্যা), অ্যাসটিগমাটিজম এবং প্রেসবায়োপিয়ার মত সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করে থাকেন।

অপ্টোমেট্রিস্টদের প্রধান কাজ হল চোখের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা করা এবং রোগ নির্ণয় করা। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তারা রোগীর চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে ধারণা পান। এছাড়াও, অপ্টোমেট্রিস্টরা চোখের গ্লুকোমা, ক্যাটারাক্ট এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো জটিল রোগগুলি সনাক্ত করতে সাহায্য করে।

একটি নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করার মাধ্যমে অপ্টোমেট্রিস্টরা চোখের সমস্যাগুলি প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এর ফলে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা যায় এবং দৃষ্টিশক্তি ক্ষতির ঝুঁকি কমে যায়। অপ্টোমেট্রিস্টরা রোগীদের সঠিক চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স নির্বাচনেও সাহায্য করে, যা দৈনন্দিন জীবনে স্পষ্ট দৃষ্টি নিশ্চিত করে।

বর্তমান সময়ে, ডিজিটাল স্ক্রিনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে চোখের সমস্যার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যাগুলির সমাধানে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তারা রোগীদের সঠিক পরামর্শ প্রদান করে, যেমন প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোন বস্তু দেখার পরামর্শ দেন (২০-২০-২০ নিয়ম), যা চোখের ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।

অপ্টোমেট্রিস্টরা শিশুদের চোখের যত্নেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শৈশব থেকেই নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করার মাধ্যমে শিশুরা সুস্থ দৃষ্টিশক্তি নিয়ে বড় হতে পারে। এছাড়া, তারা শিশুদের চোখের সমস্যা সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

সাধারণ মানুষের চোখের যত্নে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ নিশ্চিত করতে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অপরিহার্য। তাদের দক্ষতা এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। অতএব, নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা এবং অপ্টোমেট্রিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী চলা প্রত্যেকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান যুগে চোখের যত্ন সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে চোখের যত্নের ক্ষেত্রে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপ্টোমেট্রিস্টরা চোখের স্বাস্থ্য দর্শন সংক্রান্ত সমস্যাগুলি নির্ধারণ চিকিৎসায় বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত।

অপ্টোমেট্রিস্টদের কাজ দায়িত্ব

অপ্টোমেট্রিস্টরা মূলত চোখের পরীক্ষা সঠিক চশমা বা কনট্যাক্ট লেন্স নির্ধারণ করে থাকেন। তাঁরা চোখের সাধারণ জটিল সমস্যা শনাক্ত করতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সাধারণ চোখের সমস্যা যেমন মায়োপিয়া (নিকট দৃষ্টি), হাইপারোপিয়া (দূর দৃষ্টি), অ্যাস্টিগমাটিজম এবং প্রেসবায়োপিয়া সনাক্ত করা তাদের চিকিৎসা করা তাঁদের কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া, অপ্টোমেট্রিস্টরা চোখের রোগ যেমন গ্লুকোমা, ক্যাটারাক্ট, এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো গুরুতর সমস্যাগুলিও শনাক্ত করতে সক্ষম।

বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রিস্টদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও, তাদের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও চোখের যত্ন সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখে না। প্রাথমিক পর্যায়ে চোখের সমস্যা চিহ্নিত চিকিৎসা করা না হলে তা ভবিষ্যতে জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে চোখের যত্নের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। এইসব অঞ্চলে অপ্টোমেট্রিস্টদের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষদের মাঝে চোখের যত্ন রোগ নির্ণয়ের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে তারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন। এছাড়া, বিভিন্ন স্কুল কলেজে নিয়মিত চোখের পরীক্ষা সচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করা অপ্টোমেট্রিস্টদের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত।

বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রিস্টদের প্রয়োজনীয়তা:

বাংলাদেশে চোখের সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত প্রায় সব জায়গাতেই চোখের চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে ক্যাটারাক্ট গ্লুকোমা রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। এছাড়া, শিশুদের মধ্যে রঙের দৃষ্টি সমস্যা এবং অন্যান্য চোখের সমস্যা নির্ধারণ করতেও অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

চোখের যত্নে সচেতনতা বৃদ্ধি:

অপ্টোমেট্রিস্টদের এক অন্যতম ভূমিকা হল চোখের যত্ন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। তাঁরা নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করার গুরুত্ব, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, এবং চোখের ব্যায়ামের উপকারিতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে কাজ করে থাকেন। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় চোখের ক্লান্তি চোখের সমস্যাগুলি সঠিক তথ্য সচেতনতার অভাবে আরও জটিল হয়ে যায়।

প্রযুক্তির ব্যবহার:

বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রিস্টরা অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি প্রযুক্তি ব্যবহার করে চোখ পরীক্ষা করে থাকেন। ডিজিটাল রেটিনাল ফটোগ্রাফি, অপটিক্যাল কোহেরেন্স টোমোগ্রাফি (OCT), এবং অটোমেটেড রিফ্রাকশন সিস্টেমের মাধ্যমে তাঁরা আরও নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম।

অপ্টোমেট্রিস্টদের শিক্ষা প্রশিক্ষণ:

বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রিস্টদের যথাযথ শিক্ষা প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পেশাদার অপ্টোমেট্রিস্টরা প্রশিক্ষিত হয়ে বেরিয়ে আসেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সেবা প্রদান করেন।

অপ্টোমেট্রিস্টদের অবদান কর্মক্ষেত্রের গুরুত্ব শুধু শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও চোখের সেবা পৌঁছে দিতে তাঁদের ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশের চোখের যত্ন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অপ্টোমেট্রিস্টদের এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হওয়া উচিত।

অপ্টোমেট্রিস্টদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সেবা আমাদের চোখের সুস্থতা সুরক্ষায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন করছে, যা আমাদের সমাজের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে।

বাংলাদেশে চোখের যত্ন অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে অপ্টোমেট্রিস্টদের আরও অন্তর্ভুক্ত করা, তাদের প্রশিক্ষণ উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মশালা সেমিনারের আয়োজন করা হচ্ছে।

অপ্টোমেট্রিস্টদের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চোখের যত্ন সেবা পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে সাধারণ মানুষের চোখের সমস্যা নিরাময় এবং চোখের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

চোখের যত্ন অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা বাংলাদেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সেবার মাধ্যমে চোখের সমস্যা নিরাময় এবং প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব। সঠিক পরিকল্পনা উদ্যোগের মাধ্যমে চোখের যত্নের সেবা আরও সম্প্রসারিত করা সম্ভব হবে এবং দেশের মানুষদের সুস্থ দৃষ্টিশক্তি নিশ্চিত করা যাবে।


লেখক : ডক্টর মহাম্মদ মিজানুর রহমান :

 অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরম্যানেজমেন্ট এন্ড সাইন্স ইউনিভার্সিটি , মালয়শিয়া


আরও খবর



মাভাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা প্রকল্পের উদ্বোধন

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

মো: হ্নদয় হোসাইন,মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  "ডিজিটাল স্কিল ফর স্টুডেন্টস  ইউনিভার্সিটি অ্যাক্টিভিশন প্রোগ্রাম" বিশ্বিবদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের হল রুমে ১৫ মে, ২০২৪  সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের অধীনে   কম্পিউটার কাউন্সিলের ইনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্মেন্ট ইকোনমি ( ইডিজিই) প্রকল্পের   আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন।

 বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  প্রকল্প পরিচালক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ।  স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের  কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও প্রকল্প সমন্বয়কারী ড.  মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান তালুকদার।  এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও প্রশিক্ষনার্থীদের পক্ষে থেকেও বক্তব্য রাখেন। 

উল্লেখ্য, সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে দেশের  বর্তমান শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল  দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য  অন্যান্য  বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান  ও  প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই বিভাগের তত্বাবধানে  গত ৯ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে এ প্রকল্পের ট্রেনিং প্রোগ্রামের  ক্লাশ । 

১৮ মাস মেয়াদি  এ প্রকল্পের আওতায়  ২৪ টি ব্যাচে ২৫ জন করে ৬শ শিক্ষার্থীকে ৫টি ল্যাবে হাতে কলমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। 

প্রশিক্ষণ কোর্সে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের এবং টাঙ্গাইলের বিভিন্ন কলেজের অনার্স এর ৩য় বর্ষ থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত আগ্রহী  শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করেন।

শনি থেকে বুধবার অফিস সময়ের পরে বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা এবং বৃহস্পতি ও শুক্রবার দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সের ক্লাশ চলে। প্রতিটি ব্যাচের জন্য ২০ টি করে ক্লাশ নেয়া হয়। ৯ মার্চ থেকে কার্যক্রম শুরু হলেও আজকে এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  করা হয়।  

প্রধান অতিথি বলেন, এ প্রকল্পের অধীনে যে সকল শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে তারা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে।  এভাবে যদি আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলে তাহলে ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নেও তরান্বিত করবে।


আরও খবর



আগামী সপ্তাহে আবারও তাপপ্রবাহের শঙ্কা

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ |

Image

গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে দেশের অনেক জেলাতেই তাপপ্রবাহ কিছুটা কমার পাশাপাশি বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে।

শনিবার দেশের তিনটি বিভাগে (খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর) মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। তবে আগামী সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে আবারও তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে গতকাল সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক ছিল। তবে পাবনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাট জেলার ওপর দিয়ে গতকালও তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যায়।

চাঁদপুর ও মৌলভীবাজার জেলা এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা বিভাগের বিভিন্ন অংশে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আজ রবিবার ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, আজ থেকে দেশের কিছু স্থানে যে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে, তা শেষ হওয়ার পরই বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী ভারতের ওপর দিয়ে আবারও তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে।

আজ সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি। সোমবার ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি হ্রাস পেতে পারে।


আরও খবর