Logo
শিরোনাম

মাভাবিপ্রবিতে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার্থীদের পাশে নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ এসোসিয়েশন

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

মো: হ্নদয় হোসাইন,মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

টাংগাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাভাবিপ্রবি   নারায়ণগঞ্জ- মুন্সিগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যান পরিষদ উদ্যোগে গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের তথ্য সহায়তায় হেল্পডেস্ক ও  তৃষ্ণার্ত ব্যক্তিদের ঠান্ডা পানি,সরবত অথবা স্যালাইন বিতরণ করা হ‌য়ে‌ছে।

শ‌নিবার (২৭ এপ্রিল ) সকাল থে‌কে  মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যয় একাত্তরের সামনে  ক‌্যাম্প স্থাপন ক‌রে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আগত শিক্ষার্থীদের এই সেবা প্রদান করেন মাভাবিপ্রবি   নারায়ণগঞ্জ- মুন্সিগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যান পরিষদের শিক্ষার্থীরা।

মাভাবিপ্রবি   নারায়ণগঞ্জ- মুন্সিগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যান পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ রিয়াজ হোসেন আর সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন নেতৃ‌ত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যয় একাত্তরের  সামনে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরে তৃষ্ণার্ত ব্যক্তিদের ঠান্ডা পানি,সরবত অথবা স্যালাইন পান করা  এবং তথ্য সহায়তা ও সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।

মাভাবিপ্রবি   নারায়ণগঞ্জ- মুন্সিগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যান পরিষদের সাংগঠিন সম্পাদক  শাহ্- পরান শুভ  বলেন,

প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষার সময় নারায়নগঞ্জ -মুন্সিগঞ্জ শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিষদ  (মাভাবিপ্রবি) সর্বাত্মক চেষ্টা করে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের হেল্প করার।তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এবার ভিন্ন কিছু আয়োজন করার চেষ্টা করছি।

তীব্র গরমে দুপুরে তৃষ্ণার্ত ব্যক্তিদের ঠান্ডা পানি,সরবত অথবা স্যালাইন পান করানোর মতো মহৎ কাজ আর কি হতে পারে!

 তাই এডমিশন যুদ্ধে ছুটে আসা শিক্ষার্থী,গার্ডিয়ান সেই সাথে  মহান পেশায় জড়িত রিক্সা চালক মামা, কর্তব্যরত পুলিশ, বিএনসিসি মেম্বার, আনসার ও সেচ্ছাসেবী  সবাইকে পানীয় বিতরণ করেছি।আলহামদুলিল্লাহ আমরা আল্লাহর রহমতে ১৬০০+ গ্লাস শরবত, পানি ও স্যালাইন এর আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছি।

 এ ছাড়াও এই এরপাশাশি  আমরা হেল্প ডেস্ক ও ছাউনী ব্যবস্থা করতে পেরেছি।


আরও খবর



শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে  রিপোর্ট:

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে একযোগে কাজ করার এখনই সময়। এসডিজি ৮.৭ অর্জনে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাসহ শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও সচেষ্ট হতে হবে।


তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বাস করতেন আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, শিশুরাই তার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। এই ভাবনা থেকেই জাতিসংঘ শিশু সনদের ১৫ বছর আগে ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় শিশু নীতি প্রণয়ন করেন।


শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের শিশু, নারী ও অনগ্রসর অংশসহ প্রতিটি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মের স্থিতিশীলতা, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ ও অধিকার সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেন।



 তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থাতে (আইএলও) যোগ দেয়। শিশু শিক্ষার বিকাশ নিশ্চিত করতে তিনি প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুসহ সব নাগরিকের মৌলিক অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ২৮(৪) অনুচ্ছেদে নারী, শিশু ও সমাজের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশে শিশু শ্রম প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। শ্রমজীবী শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে প্রত্যাহারের লক্ষ্যে আমরা ‘জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০’ প্রণয়ন করেছি। 



এ নীতি বাস্তবায়নে জাতীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ, উপজেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটি, জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটি এবং বিভাগীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ গঠন করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শিশুদের জন্য ৪৩টি কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবে চিহ্নিত করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।


শেখ হাসিনা বলেন, এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘শিশুশ্রম নিরসন ও পুনর্বাসন প্রকল্প’ নামে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যা এ বছর শেষ হবে।



 গৃহকর্মে শিশুশ্রম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫’। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অনুযায়ী আমরা দেশকে সব ধরনের শিশুশ্রম থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২১-২৫ প্রণয়ন করেছি এবং এটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।


তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকার ‘জাতীয় শিশুনীতি-২০১১’, ‘শিশু আইন-২০১৩’, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭’ প্রণয়ন করেছে। এ ছাড়া সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পুনর্বাসন এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বিকাশে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতে বিনামূল্যে নতুন বই প্রদান করা হচ্ছে। প্রায় শতভাগ শিশু আজ স্কুলে যাচ্ছে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া শিশুশ্রম নিরসনে আমরা বেসরকারি খাতগুলোকে সম্পৃক্ত করেছি। সহিংসতা ও শোষণ থেকে শিশুদের সুরক্ষা সম্পর্কে নিয়োগদাতাদের প্রশিক্ষিত করার বিষয়টিতে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি।



আরও খবর



শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচনে সবশেষ ফলাফল যা বলছে

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:

প্রশাসন ও ইসির সাথে বিরোধে জড়িয়ে নির্বাচন থেকে ছিটকে পড়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলীর বড় ভাই এড. জামিল হাসান দুর্জয়।


ইসির মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণার বিরুদ্ধে তিনি গত বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন,চেম্বার জজ আদালতে যার শুনানী অনুষ্ঠিত হবে রোববার বিকেল ৩ টায়।

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সকল মানুষের দৃষ্টি এখন আগামিকালের রায়ের দিকে।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রায় তার পক্ষে আসার সম্ভাবনা কম।কারন তিনি ইসি ও স্থানীয় প্রশাসের সাথে বিরোধে জড়িয়েছেন এবং তার নির্বাচনী আচরন বিধি ভঙ্গের শক্ত প্রমান রয়েছে নির্বাচন কমিশনের হাতে।

অনেকে বলছেন, রায় তার পক্ষে যাবে। তবে তার পক্ষে গেলেও তা তার কোন উপকারে আসবে না।যদি রায় পক্ষেও যায় তবে ইসি লীভ পিটিশন দায়ের করতে পারেন।গড়াতে পারে প্রধান বিচারপতি পর্যন্ত।কারন হিসেবে তারা মনে করছেন, ইসি ও প্রসাশন দুর্জয়ের বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং বারবার আইন ভাঙার কারনে সংঘটিত যে বিরোধ তাতে নাখোশ তারা।

মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পরও তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় শুক্রবারও চষে বেড়িয়েছেন।তার এ একগুয়েমি ও আইন না মানার ঐদ্ধত্যকে ইসি ও স্থানীয় প্রশাসন ভাল চোখে দেখছে না।ফলে রায় তার পক্ষে গেলেও প্রশাসনের মানসিকতা তার পক্ষে যে থাকবে না তা প্রতিটি ভোটার তা অনুধাবন করতে পারছেন।

এছাড়াও প্রার্থিতা বাতিলের প্রভাব ইতিমধ্যেই ভোটারদের উপর পড়েছে এবং রোববারের রায় পক্ষে গেলেও তিনি আর প্রচারণায় আসতে পারছেন না, প্রচারণার নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়ার কারনে।

বেশিরভাগ মানুষ মনে করছেন, যেহেতু নির্বাচনী মাঠ তার জয়ের পথে অনুকূলে ছিল কিন্তু অরাজনৈতিক আচরনের কারনে আজকের এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।নিশ্চিত জয়ের দ্বারপ্রান্ত থাকা জয়কে অন্যের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে দুর্জয়ের প্রতিপক্ষ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বিএ কে ভাগ্যবান মনে করছেন অনেকেই।ভাগ্য তার সহায় হয়েছে বলেই মনে করছেন বেশিরভাগ মানুষ।তারা বলছেন, দুর্জয় নিজের সর্বনাশ নিজে না করলে জটিল হত আব্দুল জলিলের জয়কে স্পর্শ করা।

এদিকে জলিলের প্রচারণার একটি গাড়ি বহরে একজন শিশু পৃষ্ট হয়ে তেলিহাটিতে মৃত্যুবরণ করায় ইসি আজ সকাল ৯ টায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য গ্রহন করেছে।তার বক্তব্যে ইসি ও স্থানীয় প্রশাসন সন্তুষ্ট কি না বা এ ব্যাপারে তারা কি পদক্ষেপ নেয় তা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি।

অপরদিকে বিভিন্ন সংস্থা, ভোটার, নানা ধরনের জরিপ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, যদি দুর্জয় প্রার্থিতা ফিরেও পায় তবুও ৬৫% থেকে ৭০% ভোট জলিল ও ৩০% থেকে ৩৫% ভোট জামিল হাসান দুর্জয় পেতে পারেন।অথচ দুর্জয়ের প্রার্থিতা বাতিলের আগে এই চিত্র ছিল উল্টো।

জানা গেছে, এখানকার ভোটাররা চেয়ে আছেন উচ্চ আদালতের রায়ের দিকে।আদালতের রায় দুর্জয়ের দিকে গেলে উল্লেখিত ভোটের হিসেবে পরিবর্তন আসতে পারে।আর আদালতের রায়ে যদি ইসির সিদ্ধান্ত বহাল থাকে এবং কোন পক্ষ যদি আর উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ না হয় তবে শ্রীপুরের নির্বাচনটি হয়ে পড়বে একপেশে, প্রতিদ্বন্দিতাহীন।সেক্ষেত্রে আব্দুল জলিল বিএ দ্বিতীয়বারের মত নিশ্চিতভাবেই উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

তিনি নির্বাচিত হলে এখানে তৃতীয় ধারার রাজনীতির সূচনা হবে।সাবেক এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ ও প্রয়াত এমপি এড রহমত আলী পরিবার রাজনৈতিক সংকটে পড়বেন।নির্বাচন পরবর্তি এখানকার ঝুট ব্যবসায় আধিপত্য হারারেন ক্ষমতাসীনরা।তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাবে বর্তমানের দুই শক্তিতেই ফাটল ধরবে।টার্নিং পয়েন্টে এসে দাড়াবে রাজনীতি।

আর যদি রোববারের রায়ের বিপক্ষে কোন পক্ষই যদি আর আদালতের দ্বারস্থ না হয় তবে নির্বাচনটি ২১শে মে অনুষ্ঠিত হবে।তবে কোন এক পক্ষ যদি রোববারের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানায়ে পিটিশন দায়ের করেন তবে ২১ মে'র অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনটি স্থগিত ঘোষণা করা হতে পারে,এমন সম্ভবানাও রয়েছে বলে অভিমত রয়েছে।


আরও খবর



রুমা-থানচিতে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বেইলি ব্রিজ দেবে গিয়ে রুমা-থানচিতে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। একইসঙ্গে ১৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে বান্দরবান সদরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ তথ্য জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে গত রোববার থেকে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত ও হাল্কা থেকে মাঝারি ঝড়ো হাওয়া বইছে। এতে বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ লাইনে গাছ ভেঙে পড়ে প্রায় ১৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেলা সদর, থানচি ও রুমায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব এলাকা।

এদিকে বান্দরবান-রুমা-থানচি সড়কের মিলছড়ি পুলিশ ক্যাম্প সংলগ্ন বেইলি ব্রিজের নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে ব্রিজের গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ায় বান্দরবান থেকে রুমা-থানচিতে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

থানচি বাস মালিক সমিতির লাইনম্যান সাহাব উদ্দীন জানান, ব্রিজের একপাশে গাইড ওয়াল ভেঙে গিয়ে দেবে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ব্রিজটি। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে রুমা-থানচিতে সকল প্রকার ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

মিলনছড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ রবিন্দু চাকমা জানান, ভারী বৃষ্টির ফলে মিলনছড়ি ক্যাম্প ও লাইমী পাড়ার মাঝামাঝি বেইলি ব্রিজের দক্ষিণ পাশের একাংশ দেবে যাওয়ার কারণে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তূতি গ্রহণ করা আছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে জেলায় এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়-ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



সুপার ওভারে পাকিস্তানকে হারিয়ে চমক যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যকার ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। প্রথমে ব্যাট করে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। 


জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। 


বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক অধিনায়ক বাবর আজম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান।



বাবর আজম ও শাদাব খানের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। আর শেষ দিকে ইফতিখার আহমেদের ১৪ বলে ১৮ ও শাহিন আফ্রিদির ১৬ বলে ২৩ রানে চোট্ট ক্যামিওতে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। শাদাব ২৫ বলে ৪০ ও বাবর ৪৩ বলে ৪৪ রান করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সৌরভ নেত্রাভালকার নেন ৩টি উইকেট।  


১৬০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই মার্কিন ওপেনার স্টিভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৬ রান যোগ করেন এই দুই ওপেনার। তবে ১৬ বলে ১২ রান করে ফিরে যান টেইলর।


এরপর ক্রিজে আসা অ্যান্ড্রিস গাউসকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন মোনাঙ্ক। ৬৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন মোনাঙ্ক। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে জয়ের পথেই ছিল যুক্তরাষ্ট্র।


এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। গাউস ২৬ বলে ৩৫ ও মোনাঙ্ক ৩৮ বলে ৫০ রান করে আউট হন। তাদের বিদায়ের পর রানের চাকা সচল রাখেন অ্যারন জোন্স ও নিতিশ কুমার।


শেষ বলে জয়ের জন্য ৫ রান প্রয়োজন হয় যুক্তরাষ্ট্রে। সেই বলে চার মেরে ম্যাচ সুপার ওভারে নিয়ে যান নিতিশ। জোন্স ২৬ বলে ৩৬ ও নিতিশ ১৪ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।      




আরও খবর



বেনজীরের দেশত্যাগ ও ব্যাংক থেকে টাকা তোলা নিয়ে যা বললেন কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের দেশত্যাগ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার বিষয়টি জানা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।


 তিনি বলেন, বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হবে কিনা সেটা আদালত দেখবেন।


আজ শুক্রবার দুপুরে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 



সেতুমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি যে কেউ করে বসতে পারে। এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু সে বিষয়ে সরকার নির্বিকার কিনা এটাই দেখার বিষয়। 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সব খবর আছে। তিনি বলেন, বিএনপির আমলে হাওয়া ভবনের নির্দেশে চলতো সারাদেশের দুর্নীতি। তারা কি তাদের লুটপাটের আমলে কাউকে শাস্তি দিয়েছে?


নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের নামে কারফিউ গণতন্ত্র চালু করেছে। ১৯৯৬ সালে ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারা এক প্রহসনমূলক নির্বাচন করেছে। 


আমরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নির্বাচন করেছি। নির্বাচন ব্যবস্থা বিএনপি তামাশায় পরিণত করেছে, তাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি ভূতের মুখে রাম নাম।



ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গিয়েছিল বিএনপি, তাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি মানায় না। তিনি আরও বলেন, আজকে গণতন্ত্রের জন্য কঙ্গো, হাইতি, রুয়ান্ডাকে জবাবদিহি করতে হয় না, প্রশ্ন করে না। 


আমরা নির্বাচন নিয়মিত করে আসছি। পারফেক্ট ডেমোক্রেসি কোথাও নেই। তবে পারফেক্ট হওয়ার কাছাকাছি। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক, এটি আমরা প্রমাণ করেছি।


সেতুমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে যারা নিজেদের গণতন্ত্র মানবাধিকারের প্রবক্তা বলে দাবি করেন, রাফায় একটা অফেনসিভে ৪৫ জনকে একদিনের মেরে ফেলা হয়েছে। সারা দুনিয়া, এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নও কনডেম করল। 


সেখানে যদি মানবতার প্রবক্তাদের থেকে নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, রাফায় এখনো রেডলাইন অতিক্রম করেনি, তা হলে মানবাধিকার কোথায়?


এ সময় আরও ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুর নাহার চাঁপা, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।


আরও খবর