Logo
শিরোনাম

একশ’ সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ০৭ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সারাদেশে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তাঁর সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২৫টি জেলায় যানবাহন চলাচলের জন্য একযোগে ১শটি সেতু উদ্বোধন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চ্যুয়ালি এসব সেতুর উদ্বোধন করে বলেন,‘এটি হচ্ছে একযোগে একশসেতু উদ্বোধনের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।

৮৭৯ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নবনির্মিত সেতুগুলো রাজধানীর সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে। আর এগুলো ৩৩টি রুটে ফেরি পরিষেবা মুক্ত করেছে যা সড়ক যোগাযোগকে মসৃণ, দ্রুত, সহজতর এবং নিরাপদ করবে।
সেতুগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৬টি,সিলেট বিভাগে ১৭টি, বরিশাল বিভাগে ১৪টি, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে সাতটি, ময়মনসিংহ বিভাগে ছয়টি এবং রংপুর বিভাগে তিনটি সেতু রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী সেতুগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন।


আরও খবর



শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

রাজনীতি চর্চার কোন অংশ যেন প্রাতিষ্ঠানিক সমৃদ্ধি নষ্ট না করে

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে অপশক্তি ফের মাথা তুলে দাঁড়াবার চেষ্টা করছে। এসব অপশক্তিকে রুখে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতির কোনো অংশ যেন প্রাতিষ্ঠানিক সমৃদ্ধির পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শুধু সনদ নয়, দক্ষতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে স্মার্ট নাগরিক হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে বিশ্বের ৩৫ তম অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশ বাংলাদেশ। 

মন্ত্রী বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের গবেষণা-নৈপুণ্যের সম্মানস্বরূপ ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল নাছের, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শিউলি রহমান তিন্নী ও সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুভাশিস ঘোষ প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ জন শিক্ষককে ভাইস- চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়‌।


আরও খবর



রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ফিরছে সুদিন

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :বড় পরিবর্তন এসেছে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পে। মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন হয়েছে। সারা দেশের ছোট-বড় শহরে গড়ে উঠেছে উন্নতমানের রেস্তোরাঁ। জিডিপির পাশাপাশি প্রতি বছর বাড়ছে কর্মসংস্থান। পৃথিবীজুড়ে এখন এ শিল্প সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশেও সেটা হবে। আগামীতে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো মানুষ রেস্তোরাঁনির্ভর জীবনযাপন করবে। সেভাবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও অভ্যাস গড়ে উঠছে। এদিকে, সম্প্রতি সরকারিভাবে রেস্তোরাঁকে শিল্পের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এ ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। উন্নত বিশ্বের মতো দেশের রেস্তোরাঁ ব্যবসাকেও মানসম্পন্ন জায়গায় নিতে স্বপ্ন বুনছেন তারা।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেস্তোরাঁর প্রসারে এ শিল্পে এখন পর্যন্ত বিপুল কর্মসংস্থানও হয়েছে। দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি এ শিল্প কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পর্যটনসহ অন্যান্য অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখছে। সরকার শিল্প ঘোষণা করায় আগামী এক দশকে এ শিল্প আরো তিন গুণ প্রসার হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হোটেল ও রেস্টুরেন্ট সার্ভে-২০২১ এর তথ্য বলছে, গত ১১ বছরে দেশে হোটেল ও রেস্তোরাঁর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার। ২০০৯-১০ সালে যেখানে দেশে রেস্তোরাঁর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার, তা গত বছর বেড়ে ৪ লাখ ৩৬ হাজার হয়েছে। এ সময়ে কর্মরত মানুষের সংখ্যাও হয়েছে দ্বিগুণ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কর্মরত ছিলেন ৯ লাখ ৪ হাজার মানুষ, যা গত বছর বেড়ে ২০ লাখ ৭২ হাজার হয়েছে। ফলে এক দশকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মূল্য সংযোজন বেড়েছে আট গুণ। এক দশক আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে মূল্য সংযোজন হয়েছিল মাত্র ১১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা। আর সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে হয়েছে ৮৭ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা।

আগামী ১০ বছরে এ শিল্প আরো তিন গুণ এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, সরকারের উদ্যোগে রেস্তোরাঁকে শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আমাদের খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যা সমাধান হবে। বর্তমানে এ শিল্প যে অবস্থায় রয়েছে, আগামী ১০ বছরে তা আরো তিন গুণ বাড়বে।

ইমরান হাসান আরো বলেন,  আগামীতে এ শিল্প থেকে প্রচুর প্রশিক্ষিত কর্মী রপ্তানি সম্ভব হবে। সেটি অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত প্রবাসীরাও এ খাতে জড়িয়ে পড়ছে ব্যাক টু ব্যাক শিল্পের মতো। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিশ্বব্যাপী হসপিটালিটি খাতে দুই কোটি কর্মী রপ্তানি সম্ভব।

এসব বিষয়ে কথা হয় আল-কাদেরিয়া লি: এর চেয়ারম্যান, রেস্তোরাঁ মালিক ফিরোজ আলম সুমনের সাথে । তিনি জানান, অপেক্ষাকৃত কম পুঁজিতে বাংলাদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা লাভজনক। এছাড়া মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এ শিল্প জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ। সে কারণেই ঢাকা নয়, জেলা ও উপজেলায়ও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। আবার প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খাদ্যের প্রসার এ শিল্পকে সমৃদ্ধ করছে। যে কারণে দেশের অর্থনীতিতে অবদান বাড়ছে এ শিল্পের।

সুমন আরো বলেন, এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা শিল্পের মর্যাদা না পাওয়ার কারণে বেশ সমস্যা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের সরকারি সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে চড়া মূল্য দিতে হতো। ফলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে অনেকে। তা ছাড়া ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তাদের ব্যবসার প্রসার করেছেন, তারা প্রতিনিয়ত চড়া সুদ গুনেছে।

ঋণ পরিশোধ সব সময়ই আর্থিক চাপ, এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠান টিকতে পারেনি। শিল্প না হওয়ার কারণে এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা দেশের পুঁজিবাজার, বিশেষ করে সম্ভাবনাময় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও কোনো ভূমিকা নেয়নি।

আল-কাদেরিয়া রেস্টুরেন্টের কর্ণধার ফিরোজ আলম সুমন আরো বলেন, রেস্তোরাঁ ব্যবসা নির্ঞ্ঝাট নয়। বড় বড় রেস্তোরাঁয় এখন বিনিয়োগও প্রচুর। তারপরও এ ব্যবসার কোনো স্বীকৃতি ছিল না। কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহায়তা মেলেনি। সেজন্য এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তাদের প্রায়ই নানা ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। টিকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে অনেক তরুণের উদ্যোগ। এ খাত শিল্প হওয়ায় এখন অনেক সমস্যা কেটে যাবে। বড় বিনিয়োগ আসবে। কয়েক বছরের মধ্যে এ খাত পাল্টে যাবে। যেসব তরুণ উদ্যোক্তা রেস্তোরাঁগুলোতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগিয়ে যাচ্ছেন তারা আরো উদ্যমী হবেন। ব্যাংকগুলো সব ব্যবসায় ঋণ দিলেও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ঋণ দিতে চাইতো না। সহজ শর্তে ঋণ পেলে তরুণরা আরো ভালো করবেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ ফয়েজুল আমীন বলেন, মোটাদাগে এখন অন্য শিল্পের মতো সব সুবিধাপ্রাপ্ত হবে রেস্তোরাঁগুলো। তাতে এ ব্যবসায় সরকারের সহায়তা বাড়বে। বড় বড় বিনিয়োগ আসবে। ব্যাংকগুলোও বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দেবে। এমনকি এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




অনুমোদন ছাড়া ঢাকায় চলছে বাস

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

রুট পারমিট ছাড়া বাস চালানো অবৈধ। তারপরও রুট পারমিট ছাড়াই রাজধানীতে চলছে দুই সহস্রাধিক বাস। এতে মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। কোনো অদৃশ্য অনুমোদনে এসব বাস চলছে কি না তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অন্যদিকে আবার রুট পারমিট না পেয়ে বিভিন্ন কোম্পানি নতুন বাস নামাতে পারছে। এতে গণপরিবহন সংকটও কাটছে না। উল্টো সড়কে বেড়েছে বিশৃঙ্খলা।

বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটি বলছে, অবৈধভাবে নগরীতে বাস চালানোর সুযোগ নেই। অবৈধ সব যানবাহন বন্ধ করা হবে। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বলছে, রুট পারমিট ছাড়া চলাচল নিষিদ্ধ, অভিযানে এসব বাস ডাম্পিং করা হবে।

সম্প্রতি দিয়াবাড়ী-সদরঘাট পর্যন্ত চালু হয়েছে নতুন এসি সার্ভিস আকাশ পরিবহন। আগে এফ আরপরিবহন নামে দারুসসালাম-সদরঘাট পর্যন্ত এ বাসগুলো চলত। রাতারাতি কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে রুট পারমিট ছাড়াই ৩০টির বেশি বাস চালানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বাস কোম্পানির বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া নেওয়ারও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। অর্থাৎ দুই কিলোমিটার গেলেও একজন যাত্রীকে ৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে কোম্পানির দেওয়া মোবাইল নম্বরে কল করলে ধরেন গোপাল নামে এক ব্যক্তি। রুট পারমিট ছাড়াই কীভাবে বাস পরিচালনা করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোম্পানির কেউ নই। পরিবহন মালিক সমিতি এসব বাস পরিচালনা করে। আমি দেখাশোনা ও মেরামতের দায়িত্বে নিয়োজিত। তাহলে অভিযোগের জন্য আপনার নম্বর বাসে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এসব বিষয়ে কোনো কথা বলব না।

সাইনবোর্ড-জিরানী বাজার রুটের স্বাচ্ছন্দ্যপরিবহনও স্বাচ্ছন্দ্যেই চলছে রুট পারমিট ছাড়া। এই পরিবহনের অধীনে বাস চালাতে দৈনিক কোম্পানিকে গেট পাস বা জিপি বাবদ দিতে হয় ৯০০ টাকা। সবকটি বাস থেকে মাসে চাঁদা আদায় হয় প্রায় ১৯ লাখ টাকা। জানা গেছে, স্বাচ্ছন্দ্য পরিবহনের অধীনে ৭০টির বেশি বাস রয়েছে। এর অন্তত ৬০টির সংশ্লিষ্ট পথে চলাচল করার রুট পারমিট নেই। ২০১৬ সালে কোম্পানিটি চালু হওয়ার সময় মাত্র ১০টি বাসের রুট পারমিট নিয়েছিল। করোনার আগে এটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৯ সালের পর রুট পারমিট অনুমোদনের জন্য কোনো সভা হয়নি। রাইদা পরিবহনের বেশকিছু বাসের রুট পারমিট না থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রুট পারমিট ছাড়াই কীভাবে বাস চলছে। জানতে চাইলে ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, আকাশ পরিবহন নতুন নয়, পুরনো কোম্পানি। প্রায় চার বছর ধরে রুট পারমিট বন্ধ থাকায় নতুন করে রুট পারমিট নেওয়া যাচ্ছে না। আবেদন করেও রুট পারমিট মিলছে না। তাই অনেক পরিবহন এখন রুট পারমিট ছাড়াই বাস চালাচ্ছে বলে জানান তিনি।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে যানজট রোধে নতুন বাস কোম্পানি অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটি তা বহাল রেখেছে। বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ১৭তম সভায় রুট পারমিটহীন বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। ওই সভা শেষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছিলেন, রাজধানীতে ১ হাজার ৬৪৬টি গাড়ি রুট পারমিট ছাড়া চলাচল করছে। এসব বাসের বিরুদ্ধে করপোরেশন, পুলিশ, বিআরটিএকে নিয়ে যৌথ অভিযান চালানো হবে। রুট পারমিট ছাড়া কোনো বাসকে আমরা চলতে দেব না।

ঢাকা মেট্রো যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি গত বছরের অক্টোবরে নতুন করে গঠন করা হয়। কমিটির চেয়ারম্যান হলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার। দুই বছরের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পরপর একবার সভা করে কার্যবিবরণী বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানোর কথা; কিন্তু কমিটি কার্যত তেমন কোনো কাজই করতে পারছে না।

এ কমিটির সদস্য হানিফ খোকন। তিনি বলেন, বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটি নতুন বাস রুট অনুমোদন না দেওয়ায় ঢাকা মেট্রোর যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিআরটিএর কাছে সুপারিশ পাঠাতে পারছে না।

তিনি বলেন, রাজধানীতে প্রতিদিন প্রায় তিন কোটি মানুষ যাতায়াত করে। অথচ গণপরিবহন সংকট চরমে। বড় বাস ও মিনিবাসের রুট পারমিট না দেওয়ায় অনেক কোম্পানি নামতে পারছে না। ফলে পরিবহন সংকট থেকেই যাচ্ছে। আমরা আশা করব সরকার বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, রুট পারমিট ছাড়া কোনো বাস চলার কথা নয়। যদি চলে তাহলে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ধরে ডাম্পিং করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো আপস নেই। কারণ রুট পারমিট ছাড়া বাস চালানো একেবারেই নিষিদ্ধ।

রিুট পারমিট ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির বাসের নাম জানানোর পর বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, সবকটি কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত করব। তারা কীভাবে চলছে, তা খুঁজে বের করতে হবে। অনেক সময় বিভিন্ন কোম্পানির বাস অনুমোদিত রুট অমান্য করে অন্য রুটে চলতে দেখা যায়। সেগুলোর বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নিই।

 


আরও খবর



কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ও চা‌ন্দিনায়

মডেল মসজিদের উদ্বোধন কর‌লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো : 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নব-নির্মিত মডেল মসজিদের উদ্বোধন ।

  সোমবার সক‌াল ১১ট‌ায় সারাদেশের জেলা উপজেলায় নির্মাণাধীন ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে ২য় পর্যায়ে কু‌মিল্লার চৌদ্দগ্রাম ও চা‌ন্দিনা উপ‌জেলাসহ ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এম‌পি

উদ্বোধনী অনুষ্ঠা‌নে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা ব‌লেন নারী মুসল্লি উম্মে আরা কুলসুম বেগম ও ইমাম মুফ‌তি আবদুর র‌হিম। 

উম্মে আরা কুলসুম  বেগম উদ্বোধনকৃত  চৌদ্দগ্রামের মস‌জি‌দে প্রধানমন্ত্রীকে একসা‌থে এককাতা‌রে নামাজ আদায় করার আমন্ত্রণ জানান । 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছি‌লেন সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব এমপি, চট্রগ্রাম বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত)বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি ‌মোঃ মাহফুজুর রহমান , কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম(বার), চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল খায়ের, ইসলামী ফাউন্ডেশনের চট্রগ্রাম বিভাগের পরিচালক বোরহান উদ্দিন মোঃ আবু আহসান।          

সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব এমপি ব‌লেন,‌চৌদ্দগ্রা‌মে  ম‌ডেল মস‌জিদ উদ্বোধন করায় বঙ্গবন্ধুকণ‌্যা প্রধানমন্ত্রী‌কে ধন‌্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তাই করেন। এ দেশে  যত উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার দ্বারাই হয়েছে আগামীদিনেও হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই মডেল মসজিদটিতে ৮৫০জন পুরুষ ও ৩০০জন মহিলাসহ মোট সাড়ে ১১শত মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মসজিদটিতে রয়েছে ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমেেপ্লক্স পাঠাগার, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, পবিত্র কোরআন হাফেজ বিভাগ, অর্টিজম কর্নার, মাস এডুকেশন প্রজেক্ট রুম, শিশুশিক্ষা, প্রতিবন্ধীদের প্রার্থনা কক্ষ, অতিথিশালা, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, সাব-স্টেশন, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষা কেন্দ্র ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে একটি পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স।

দ্বিতীয় তলায় মূল নামাজ কক্ষ, কনফারেন্স রুম, ওজুখানা, টয়লেট, হিসাব কক্ষ। ৩য় তলায় মহিলাদের জন্য নামাজ কক্ষ, মক্তব কক্ষ, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, শিক্ষক ও সাধারণ কর্মচারীদের কক্ষ, অতিথি কক্ষ। এছাড়াও মেহেরাব, সিঁড়ি ও একটি সুউচ্চ দৃষ্টিনন্দন মিনার রয়েছে।

স্থানীয়রা  জানান মডেল মসজিদটি আমা‌দের উপজেলায় এটি সর্বপ্রথম সব সুযোগ সুবিধা সমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। শুধু চৌদ্দগ্রাম নয় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়‌কে দি‌য়ে যাত‌ায়াত করা সকল মুসলমানরাই চৌদ্দগ্রাম দি‌য়ে যাওয়ার সময় নামাজ আদায় কর‌তে পার‌বেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহম্মেদ জানান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পরিষদের নব নির্মিত দৃ‌ষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ সোমবার প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর মসজিদটি জোহরের নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মসজিদটি সর্ব সাধারণ মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।         

এদিকে সোমবার  কু‌মিল্লার চা‌ন্দিনা উপ‌জেলায়ও একই ডিজাইনের নান্দ‌নিক ম‌ডেল মস‌জিদ উদ্বোধন করা হ‌য়ে‌ছে।উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্তসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।        

সারাদেশে নির্মাণাধীন ৫৬০‌টি মডেল মসজিদের অবকাঠামো গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ২০২১ সালে ৩০ মার্চ দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেটিসি বিল্ডার্স মুসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করে। কু‌মিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বি-ক্যাটাগরি হিসেবে ৪০ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত। তিন তলা বিশিষ্ট মডেল মসজিদ (টাইপ-বি) যেখানে নিচের ফ্লোরের আয়তন ১১হাজার ৫০০বর্গফুট, ২য় ও ৩য় ফ্লোরের আয়তন ৭ হাজার ৮০০ বর্গফুট। ভবনের মোট আয়তন ২৭ হাজার১০০ বর্গফুট। বাস্তবায়নে ব্যয় ১৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা।


আরও খবর



সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু আর নেই

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মো নুরুল্লাহ খান, আরব আমিরাত থেকে: 

ঢাকার দোহার উপজেলায় দোহার প্রেসক্লাব- এর প্রবীণ সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু(৬৭) আর নেই(ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। বুধবার(১৮ জানুয়ারি) বাদ যোহর উপজেলার ঝনকী গ্রামে তার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ডায়াবেটিস, প্যারালাইসিসসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও চার কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী দুনিয়ায় রেখে গেছেন। 

সাংবাদিকতা পেশাগত জীবনে তিনি দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক দিনকাল, দৈনিক আমার দেশ, সাপ্তাহিক সোনার বাংলা ও সাপ্তাহিক খুলনার বানী পত্রিকার দোহার স্যবাদদাতা ও প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

মরহুমের ছোট ভাই আতিকুর রহমান ফনু খান জানান, বুধবার বাদ এশা আল আমিন বাজারের টিনশেটের

কবরস্থান মসজিদের সামনে জানাজা নামাজ শেষে মরহুমের মরদেহ ওই কবরস্থানেই দাফন করা হয়। তার পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও আত্মীয় স্বজন মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর মৃত্যুতে দোহার প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়। শোকবার্তায় বলা হয়- ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার প্রবীণ সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু আজ বাদ যোহর মারা গেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দোহার প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনসহ শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।


আরও খবর