Logo
শিরোনাম

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

প্রকাশিত:Saturday ২৬ November ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

সারা দেশে সরকারি জন্মনিয়ন্ত্রণ সেবা নেওয়ার হার কমছে। অনেকে হাতের নাগালের প্রচলিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে সাত ধরনের সেবা নেওয়ার হার কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ। আর ছয় বছরের হিসাব করলে এসব সেবা নেওয়ার হার কমে দাঁড়ায় প্রায় ৩৭ শতাংশ। তবে ঢাকার দম্পতিদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি গ্রহণের হার কমছে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচারের অভাবে দম্পতিরা দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এ কারণে তারা গর্ভধারণ রোধে হাতের নাগালে থাকা পদ্ধতিই বেশি গ্রহণ করেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মানুষকে সচেতন করতে প্রচার চলছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত অর্থবছর ধরে উপাত্তের হিসাব রাখে। ২০১৭–১৮ থেকে ২০২১–২২ অর্থবছরের উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আটটি বিভাগেই দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি গ্রহণের হার কমেছে। পাঁচ বছরে সারা দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণে সব ধরনের সরকারি সেবা নেওয়ার হার প্রায় ২৪ শতাংশ কমেছে। আর স্থায়ী পদ্ধতি নেওয়ার হার কমেছে ৩৩ শতাংশ।

দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী পদ্ধতির ৯০ শতাংশের বেশি সেবা দিয়ে থাকে সরকারি সেবাকেন্দ্র। বেসরকারি সংস্থা সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানিও (এসএমসি) কিছু সেবা দিয়ে থাকে।

ঢাকায় কমেছে যে কারণে :  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি, যৌন অক্ষমতা, ভবিষ্যতে সন্তান নিতে পারবেন না-অনেকের মধ্যে এমন ভুল ধারণা রয়েছে। এসব ধারণা ভাঙাতে সরকারের যথাযথ উদ্যোগ নেই।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের জন্মনিরোধ সেবা ও সরবরাহ কর্মসূচি (সিসিএসডিপি) ইউনিটের সহকারী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সেবার ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা গ্রামপর্যায়ে বেশি। ঢাকাসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকায় এ সুবিধা কম। তবে প্রশিক্ষণ, বিলবোর্ড, বিজ্ঞাপন, টক শো ইত্যাদি উপায়ে দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির বিষয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে।

সচেতনতা বাড়াতে হবে : স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংগঠন অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সভাপতি অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম বলেন, কনডমে ৮ শতাংশ অকার্যকারিতা আছে। খাওয়ার বড়িতে ৯৯ শতাংশ কার্যকারিতা থাকলেও বেশির ভাগ নারী নিয়ম মেনে সেবন করেন না।

ফেরদৌসী বেগম বলেন, অপরিকল্পিত গর্ভধারণে নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে, শিশুটিরও যত্নের ঘাটতি হয়। অস্ত্রোপচারে সন্তান জন্ম দেওয়া (সি সেকশন) নারী বারবার গর্ভধারণ করলে প্লাসেন্টা আক্রিটা সিনড্রোম বা পিএএস দেখা দেয়। এটা একধরনের অস্বাভাবিক গর্ভধারণ। এতে জরায়ুতে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা নিতে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার দরকার।


আরও খবর



বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Thursday ০৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : বিশ্ব অর্থনীতির কঠিন চ্যালেঞ্জের বছরেও বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার অনেক বেড়েছে। আর তাতে ভর করে বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় বিশ্বের ৫০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু ভারত বাংলাদেশ রয়েছে।

৪৬৫ বিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে বিদায়ী ২০২২ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম। এর আগের বছরে এই অবস্থান ছিল ৪১, সে সময় বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ৩৯৭ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফের পরিসংখ্যানের বরাতে কানাডার অনলাইন প্রকাশনা সংস্থা ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে গত ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়। দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) নিরিখেই তালিকা করা হয়েছে।

একটি দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় নির্ণায়ক জিডিপি। একটি দেশে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি বেসরকারি খাতের পুরো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের (পণ্য পরিষেবাসবই) মোট মূল্য উঠে আসে জিডিপিতে।

এর আগে গত বছরের ১২ জুলাই ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট বিশ্ব অর্থনীতিতে কোন দেশ কোথায়? শীর্ষক আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২১ সালে বিশ্বের ৪১তম বড় অর্থনীতি বাংলাদেশ। ওই প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্তও আইএমএফের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিল।

দি টপ হেভি গ্লোবাল ইকোনমি শীর্ষক ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশ ভারত বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে। জুলাইয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।

২০২২ সালে দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার জিডিপি নিয়ে যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থান দখল করে নিয়েছে ভারত।

তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান জার্মানি। দেশ ৪টির জিডিপি যথাক্রমে ২৫ দশমিক শূন্য , ১৮ দশমিক ৩২, দশমিক ৩০ দশমিক শূন্য ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

বিশ্বের ১০টি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের বাকি ৫টি দেশ হচ্ছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, রাশিয়া এবং ইতালি। দেশ ৫টির জিডিপি যথাক্রমে দশমিক ২০, দশমিক ৭৮, দশমিক ২০, দশমিক ১৩ দশমিক ৯৯ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

বিদায়ী ২০২২ সালে বিশ্বে দুটি বড় ঘটনা ঘটেছে। প্রথমত-বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটি পার হয়েছে। দ্বিতীয়ত-বিশ্ব অর্থনীতির আকার ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ১০১ দশমিক ৫৬ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতির আকার এই যে ১০০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল, তাতে ছোট-বড় সব দেশের জিডিপির হিসাব যুক্ত হয়েছে। তবে এর বড় অংশজুড়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ভারত। বিশ্বের মোট জিডিপির অর্ধেকই কয়েকটি দেশের। আরও পাঁচটি দেশকে যদি এর সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তবে ১০ দেশের মিলিত জিডিপি হয় বৈশ্বিক জিডিপির ৬৬ শতাংশ। আর বিশ্বের ২৫টি দেশ বৈশ্বিক জিডিপির ৮৪ ভাগের অংশীদার।

বিশ্বের বাকি ১৬৭টি দেশের জিডিপির পরিমাণ কিন্তু খুবই কম, মাত্র ১৬ শতাংশ। নিম্ন জিডিপির দেশগুলোর বেশির ভাগই ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপদেশ।

মোট ১৯১টি দেশ নিয়ে তৈরি আইএমএফের এই তালিকায় সর্বশেষ নামটি হচ্ছে টুভালু। ৬৬ মিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে দেশটির ১৯১তম অবস্থানে রয়েছে।

যেখানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ : প্রতিবেদনে দেখা যায়, বৈশ্বিক জিডিপির তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থান ৩৫তম। বাংলাদেশের জিডিপির আকার সময় ছিল ৪৬০ বিলিয়ন ডলার বা ৪৬ হাজার কোটি ডলার। বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর অস্ট্রিয়ার মতো দেশ। আর ঠিক পরেই আছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ভিয়েতনাম।

 


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

একযোগে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শত সেতু- শত সড়ক উদ্বোধনের পর এবার অর্ধশত মসজিদের উদ্বোধন হলো।এ সময় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে ইসলামের সঠিক আদর্শে জীবন যাপনের আহবান জানান।

গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি, যুক্ত হয়ে রংপুর সিলেট ও খুলনায় এসব মসজিদের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।নান্দনিক স্থাপত্যে ও ইসলাম চর্চার সুযোগ সুবিধা নিয়ে তৈরি হওয়া মসজিদগুলো একেকটি সংস্কৃতিকেন্দ্র হিসাবেও কাজে লাগবে। যেখানে হজযাত্রীরা প্রশিক্ষণ ও নিবন্ধনসহ প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো করতে পারবেন। থাকছে ইমাম প্রশিক্ষণ, নারী- পুরুষের নামাজের ব্যবস্থা, লাইব্রেরি , অটিজম কর্ণার, শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রসহ- পূর্ণাঙ্গ ইসলাম চর্চার সবকিছু। 


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




৭২ জন আরোহী নিয়ে নেপালে বিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

৭২ জন আরোহী নিয়ে নেপালে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

রবিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ইয়েতি এয়ারলাইন্সের বিমানটি রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে পোখারার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পোখারায় অবতরণ করার সময় পুরাতন বিমানবন্দর ও নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাঝামাঝি এলাকায় এটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানিয়েছেন ইয়েতি এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র সুদর্শন বারতুলা। বিমানটিতে ৬৮ জন যাত্রী এবং চারজন ক্রু ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ৫৩ জন নেপালের, পাঁচজন ভারতের, চারজন রাশিয়ার, আয়ারল্যান্ডের একজন, দক্ষিণ কোরিয়ার দুইজন, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনার একজন করে নাগরিক বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। উদ্ধারকাজ চলছে। আপাতত বন্ধ আছে পোখারা বিমানবন্দরের কার্যক্রম।  


আরও খবর



স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মলেন

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমনিায় যৌতুক না পয়েে স্ত্রীকে শারীরকি ও মানসকি নর্যিাতনরে অভযিোগে সংবাদ সম্মলেন করছেনে স্ত্রী। এ ঘটনায় বচিাররে দাবতিে সংবাদ সম্মলেন করছেে স্বপ্না। বুধবার বকিাল ৪টায় উপজলোর বাঁশবাড়য়িা ইউনয়িনরে দক্ষনি দাস পাড়া গ্রামে বাবার নজি বাড়তিে ভুক্তভোগী পরবিাররে এ সংবাদ সম্মলেন করনে। সংবাদ সম্মলেনে লখিতি বক্তব্যে স্বপ্না বলনে, ২০১৬ সালে ঢাকা শনরি আখড়া এলাকায় মোফাজ্জলে হোসনে ওরফে সাগর এর সাথে প্রমে সংগঠতি সর্ম্পকে মাধ্যমে বয়িে হয়। বয়িরে ৩বছর পরে তাদরে ঘরে ১টি পুত্র সন্তানরে জম্মহয়। সন্তানরে জম্মরে পর থকেে এ র্পযন্ত ৬বার বাবার বাড়ি থকেে প্রায় সাড়ে ৩লাখ টাকা যৌতুক এনে দয়িছে।ি র্বতমানে ৩লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে স্বামী মোফাজ্জলে হোসনে ওরফে সাগর। যৌতুকরে টাকা না পয়েে বড় ননদ, ভাশুররে ময়ে,ে ভাশুররে ছলেওে মোফাজ্জলে হোসনে নজিে মারধরসহ নানাভাবে শারীরকি-মানসকি নর্যিাতন চালায়। চলতি বছররে ২৬জানুয়ারী স্থানীয় একটি এনজওি থকেে দড়ে লাখ টাকা ঋন করে দলিে বলে আমি ঋন তুলে দতিে রাজি না হওয়ায় আমাকে মারধরসহ নানাভাবে শারীরকি-মানসকি নর্যিাতন শুরু কর।ে ৩০জানুয়ারী শারীরকি-মানসকি নর্যিাতনরে ভয়ে ছোট ননদরে বাড়তিে আশ্রয় নইে। সখোনে গয়িে আমাকে মারধর করে এবং খুন করার কথা বললে আমি গোপনে ৯৯৯নম্বরে কল দইে এর আগে আবার চাচাতো ভাইও ৯৯৯নম্বরে কল করলে বরশিাল বন্দর থানা পুলশি আমাকে হফোযত করনে এরপরে আমার চাচা ও চাচাতে ভাই থানা পুলশি হইতে ওই রাত ২টায় জম্বিায় ননে। আমার স্বামী নয়িোমতি একজন মাদক ব্যবসায়ী। বরশিাল সাইবরে হাট বন্দর থানার সংিহরে কাঠি গ্রামরে মৃত.হাফজে হাওলাদাররে ছোট ছলেে মোফাজ্জলে হোসনে ওরফে সাগর। এসব ঘটনার প্রতকিার চয়েে প্রশাসন ও প্রধানন্ত্রীর সহযোগতিা চয়েছেনে এবং বচিাররে দাবি জানয়িছেনে ভুক্তভোগী এই নারী। সংবাদ সম্মলেনে উপস্থতি ছলিনে ভুক্তভোগীর নারীর মা সুফয়িা বগেম, চাচা আমরি হোসনে সকিদার, চাচাতো ভাই রায়হান বাদল রাকবি, হুন্ডা চালক মো. হাসান মুন্সি ও ভাইর ছেলে রাব্বি 


আরও খবর



দশমিনায় কনকনে শীতে পুরনো কাপড়েই চলছে জীবন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা, পটুয়াখালী :

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তেতুলিয়া নদীপাড়ের  গোলখালী গ্রামের।মোসা.ফাতেমা বেগম (৪৯)। স্বামী পরিত্যাক্তা ফাতেমা বেগম ছেলে জহিরুল ইসলাম (১৪) এবং শাররীক প্রতিবন্ধী মেয়ে তাছলিমাকে (১২) নিয়ে একটি কবরস্থানের পাশে ভাঙা পরিত্যাক্ত ঘরে বসবাস করছেন। ফাতেমা বেগম বলেন, মুজিববর্ষের ঘর পাননি তিনি। এছাড়া কোন রকম সরকারী সহায়তাও পাননা। প্রতিবন্ধী মেয়ে থাকায় কেউ কাজ দেয়না, তাই অভাবের তাড়নায় তার ছেলেকে তেতুলিয়া নদীতে জেলে নৌকায় দৈনিক ১৫০ টাকা মজুরীতে মাছ ধরার কাজে দিয়েছেন কিন্তু নদীতে মাছ না পাওয়া গেলে মজুরীর টাকা দেয়না তারা।তাই কোনদিন খাবার জোটে আবার কোনদিন না খেয়েই কেটে যায় দিন।আমার ভাঙা ঘরে কনকনে শীতের ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে আমাদের শরীরে কাপন ধরেযায়। ছেড়া পুরনো কাথা কাপড় শরীরে জড়িয়ে জুবুথুবু হয়ে কাটাচ্ছেন শীতের রাত, অভাবের তাড়নায় জীবন যেন আর চলছে না।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন, অসহায় ফাতেমা বেগম মুজিববর্ষের ঘর বরাদ্দ পায়নি কিন্তু অনেক স্বচ্ছল পরিবার ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। তিনি ফাতেমা বেগমকে সহয়তা করার আশ্বাস দেন। ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন বলেন, ফাতেমা বেগমকে ভিজিডি সুবিধার আওতায় আনা হবে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ফাতেমা বেগমের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে তার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আরও খবর