Logo
শিরোনাম

কবুতরের বাচ্চার জন্য বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেলেন স্বামী-স্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুন 2০২3 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

হাজীগঞ্জ(চাঁদপুর)প্রতিনিধি :

 কবুতরের বাচ্ছা বিড়ালে খেয়ে ফেলে তাই বিড়ালকে ধরার জন্য বিদ্যুতের তার কবুতরের বাসার চারদিকে জড়িয়ে দেন। সেই তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে পড়েন মমিন মিজি (৭০)। স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন স্ত্রী নূর জাহান বেগম (৬০)। নূর জাহান বেগম নিজে ও এ সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। বাড়ির লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক উভয়কে মৃত ঘোষনা করেন।  শুক্রবার (২ জুন) বিকালে ঘটনাটি ঘটে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের মিজি বাড়ীতে। নিহত মমিন মিজি এ বাড়ির মৃত আ. গফুর মিজির ছেলে।  নিহত দম্পতি ১ ছেলে ও ৩ মেয়ের জনক-জননী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,

 মমিন মিজি বাড়ীতে কবুতর পালতেন। কবুতরের বাচ্চা বিড়ালে খেয়ে ফেলায় কবুতরের বাসার দু’পাশে বিদ্যুতের তার প্যাচিয়ে রেখেছেন। এদিন বিকালে তিনি  কবুতরের বাসায় কবুতর দেখতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যান। এ সময় পাশে অবস্থানকারী স্ত্রী নূরজাহান তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তিনি ও বিদ্যাৎতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দু'জনে।  কিছু পরো বাড়ীর লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে, তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। মৃতদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের ব্যবস্থা করেছি।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ জানান, পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই মৃতদেহ দাফনের অনুমতি দেয়ার প্রকৃয়া চলছে।


আরও খবর



এইচএসসিতে গত বছরের তুলনায় শিক্ষার্থী বেড়েছে ৯১ হাজার, শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:



শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইলফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না; শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন (তবে ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন)। 



আজ বুধবার (৫ জুন) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৪ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। 


মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ (যেমন- পরীক্ষার্থী, কক্ষ পর্যবেক্ষক, মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য) ব্যতীত অন্য কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। 



পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে ঐ দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে। 


পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট পূর্বে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের নিকট প্রশ্ন পত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে। এবার গত বছরের তুলনায় ৯১ হাজার ৪৪৮ জন শিক্ষার্থী বেড়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২৯৪টি, পরীক্ষা কেন্দ্র বেড়েছে ৬৭টি।



মন্ত্রী আরও বলেন, এবার সব পরীক্ষার্থীর (নিয়মিত, অনিয়মিত, মানোন্নয়ন) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ২০২৪ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


এবার দেশের ৯ হাজার ৪৬৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসবে। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন, ছাত্রী ৭ লাখ ৫০৯ জন। 


কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৭২৫টি। মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের দাখিলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৭৬ জন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএম/বিএমটি/ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় বসবে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন শিক্ষার্থী।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে নিহত বেড়ে ১০

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

নিজস্ব ডেস্ক:


  ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে নিহত বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে রোববার (২৬ মে) দুইজন এবং সোমবার আটজনের মৃত্যু হয়েছে।


এরমধ্যে পটুয়াখালীতে তিনজন, ভোলা ও বরিশালে দুইজন করে এবং সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় একজন করে রয়েছে।


প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যমতে, রোববার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে শওকত মোড়ল নামে এক বৃদ্ধ মারা যান। একইদিন বিকেলে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় ঘূর্ণিঝডড়ের প্রভাবে প্লা‌বিত এলাকা থেকে বোনকে রক্ষা করতে গিয়ে মো. শরীফুল ইসলাম নামে একজনের মৃত্যু হয়।



এ ছাড়া সোমবার (২৭ মে) ভোরে বরিশাল নগরীর রূপাতলী এলাকায় বহুতল ভবনের দেয়াল ধসে ২ জনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন লোকমান ও মোকছেদুল।


ভোলায় ঝোড়ো বাতাসে টিনের ঘর ভেঙে চাপা পড়ে মনেজা খাতুন নামে এক নারী মারা যান। তিনি লালমোহন উপজেলার চর উমেদ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদেরের স্ত্রী। 



একই জেলার দৌলতখানে গাছ ভেঙে চাপা পড়ে মাইশা (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। মাইশা দৌলতখান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ম‌নির হোসেনের মেয়ে।


চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল এলাকায় দেয়াল চাপায় সাইফুল ইসলাম হৃদয় নামে এক পথচারী মারা যান।


পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে তিনজন মারা গেছেন। এর মধ্যে জেলার দুমকী উপজেলায় গাছচাপায় জয়নাল হাওলাদার নামে (৭০) এক বৃদ্ধ মারা যান। তিনি উপজেলার পাঙ্গা‌শিয়া ইউ‌নিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড নলদোয়া‌নি স্লুইসগেট এলাকার বাসিন্দা।


 জেলার বাউফলে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে একটি অফিস ভেঙে চাপা পড়ে মো. আব্দুল করিম (৬০) নামের এক পথচারীর মৃত্যু হয়।


এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমাল দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। তবে, এর আগেই ঘূর্ণিঝড়টি তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি ও দোকানপাট তছনছ হয়ে গেছে। বহু এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।


এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে গবাদি পশু, মাছের ঘের ও ফসলি ক্ষেত। বিভিন্ন এলাকায় সড়কে গাছ পড়ে যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে।


আরও খবর



গাবতলী হাটের আকর্ষণ পাকিস্তানের উট-মিরপুরের দুম্বা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

রাজধানীতে যতগুলো স্থানে পশুর হাট বসেছে তার মধ্যে গাবতলী অন্যতম। প্রত্যেক বছর এই হাটে চোখ থাকে ক্রেতাদের। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। হাটে এবছরের আকর্ষণ পাকিস্তান থেকে আনা উট আর মিরপুরের বিভিন্ন আকৃতির দুম্বা। এসব প্রাণী দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতারা ভিড় করছেন এ হাটে।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেলে গাবতলীর পশুর হটে গিয়ে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে এখনও সেভাবে পশু কেনাকাটা শুরু হয়নি বলে দাবি করেছেন বিক্রেতারা। তবে বাজারের আকর্ষণ হিসেবে ইতোমধ্যে সাড়া ফেলেছে পাকিস্তান থেকে আনা দুটি উট।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশাল আকৃতির উট দুটি দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। সাধারণ মানুষের ভিড়ের কারণে অন্য ব্যবসায়ীরা কিছুটা বিরক্ত। তবে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত একটি উটও বিক্রি করা যায়নি।

অন্যদিকে, রাজধানীর মিরপুর থেকে দুটি দুম্বা আনা হয়েছে গাবতলীতে। লোকজন এসে দুম্বা দেখে দাম করে চলে যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ দামও বলছে। তবে এখনও সেই দুম্বাগুলো বিক্রি করা যায়নি।

উটের দায়িত্বে থাক পলাশ নামে এক কিশোর জানান, আপাতত উটের দায়িত্বে আমি আছি। উটগুলো পাকিস্তান থেকে আনা হয়েছে। এর বাইরে আমি আর কিছু বলতে পারব না।

উটের দাম প্রসঙ্গে এই কিশোর জানায়, বড় উটের দাম ২৮ লাখ টাকা আর ছোট উটের দাম ২৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে এক ক্রেতা বড় উট নিতে ২১ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন। কিন্তু আমাদের লাভ না থাকায় বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ছোট উটের দাম এখন কেউ বলেনি।

দুইটি দুম্বা নিয়ে গাবতলীতে এসেছেন ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, মিরপুর-১ নম্বরে দুম্বার খামার আছে। এই খামার থেকে আমি দুম্বাগুলো কিনে এনেছি। দুইটি দুম্বার দাম দিয়েছি ৭ লাখ টাকা। কিন্তু ক্রেতারা এখন পর্যন্ত ৪ লাখ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দাম বলছে।


আরও খবর



জাতীয় সংসদে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



সদরুল আইন:



অর্থের সংস্থান ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই বড় চ্যালেঞ্জ

আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে এবার বাজেটে খরচের লাগাম টানা হচ্ছে। 


প্রতি বছর গড়ে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ আকার বাড়ানো হলেও এবার মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ বাড়িয়ে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। 



টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। গত জুনে চলতি অর্থবছরের জন্য যে বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছিল তার থেকে এই বাজেট মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। আগামী বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণের অঙ্ক বাড়ানো হচ্ছে। 


অবশ্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, আয়-ব্যয়ের সে হিসাব বাজেটে দেওয়া হয় তার কোনোটাই লক্ষ্য পূরণ হয় না। প্রতি অর্থবছর শুরুতে যে বাজেট দেওয়া হয়, ৯ মাস শেষে একবার সংশোধন করা হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষে দেখা যায়, বাস্তবায়নের হার আরও কম। গত তিন বছর ধরে ঘোষিত বাজেটের চেয়ে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা কম ব্যয় হচ্ছে। 


অর্থ বিভাগের গত এক দশকের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, প্রতি বারই বাজেট বাস্তবায়ন হচ্ছে গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ।



এবারের বাজেট বক্তব্যের শিরোনাম করা হয়েছে ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল হাসান মাহমুদ আলীর এটি হবে প্রথম বাজেট ঘোষণা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের প্রথম বাজেট। 



আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হবে। পুরো জুন জুড়েই থাকবে আলোচনায়। আর শেষে বাজেট পাশ হওয়ার পর জুলাই থেকে শুরু হবে বাস্তবায়ন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সময়ে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, এবারের বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। 



বাড়ছে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা। তবে সার্বিকভাবে আগামী বাজেট হবে কিছুটা সংকোচনমূলক। দুই বছর ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির লাগাম টানাই বাজেটে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ জন্য কমিয়ে আনা হবে বাজেট ঘাটতি।  ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে ঋণ বাড়ছে।



নতুন অর্থবছরের যে বাজেট প্রস্তাব করা হচ্ছে, তাতে ঘাটতিই থাকবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। যা কি না মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে ৪ দশমিক ৫ শতাংশের সমান। এই বিশাল পরিমাণ ঘাটতি পূরণে কয়েকটি খাতকে উৎস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান হচ্ছে ব্যাংকিং খাত। এই খাত থেকে মোটা দাগে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে। 



এর বাইরে বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য থাকছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি ব্যাংক বহির্ভূত খাত হিসেবে বিবেচিত সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া হবে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।


রাজস্ব প্রাপ্তি :নতুন অর্থবছরে মোট রাজস্ব প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে যা ছিল ৫ লাখ কোটি টাকা। রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮ শতাংশ। নতুন রাজস্ব প্রাপ্তির মধ্যে বরাবরের মতো এবারও বেশির ভাগ আয় করার দায়িত্বটি থাকবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে এনবিআরকে রাজস্ব আয়ের টার্গেট দেওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। 



নন-এনবিআর থেকে আসবে আরও ১৫ হাজার কোটি টাকা। আর কর ব্যতীত প্রাপ্তির টার্গেট থাকছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা। এবার করমুক্ত আয়সীমা বাড়ছে না। তবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ২৫ শতাংশের ওপরে আরেকটি ধাপ ৩০ শতাংশের প্রস্তাব দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব আসছে।



জিডিপি প্রবৃদ্ধি: আগামী অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে যা ছিল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। পরে তা কমিয়ে সাড়ে ৬ শতাংশ করা। কিন্তু বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে—চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে বড় জোর ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। বেশ কিছুদিন ধরেই চাপে রয়েছে অর্থনীতির নানা সূচক। 



আগামী অর্থবছরের বাজেটে উচ্চ মূল্যস্ফীতির লাগাম টানা, রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, সুদ পরিশোধে বাড়তি খরচ এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সারে বকেয়া ভর্তুকি সামলানোর মতো বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।


 ফলে নতুন বাজেট ঘাটতি কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণসহ সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর দেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ জোর।


আরও খবর



বেনজীর-আজিজ আওয়ামী লীগের লোক না: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:



সাবেক সেনা প্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ আওয়ামী লীগের কেউ নন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 


ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস এবং ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমরা পরিষ্কার বলে দিয়েছি, বেনজীর আমাদের দলের লোক নয়। সিনিয়রিটি মেধা নিয়ে সে আইজিপি হয়েছে।


 আজিজও আমাদের দলের লোক নয়। সেনাপ্রধান হয়েছে তার যোগ্যতায়, তার সিনিয়রিটি নিয়ে। আমরা তাদের বানাইনি।



তিনি আরও বলেন, এখন ভেতরে তারা যদি কোনো অপকর্ম করে, এটা যখন সরকারের কাছে বিষয়টি আসে, তখন এদের বিচার করার সৎ সাহস শেখ হাসিনা সরকারের আছে।


বিএনপি দুর্বৃত্তের জন্মদাতা উল্লেখ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনাদের  সময় কেউ শাস্তি পায়নি। আপনাদের দলের নেতা নিজেই দুর্নীতিবাজ। আমরা সিঙ্গাপুর থেকে তারেক-কোকোর পাচার করা অর্থের একটা অংশ আনতে পেরেছি। 


এফবিআই ঢাকায় এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে তারেকের দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সেই তারেককে ভালো মানুষ সাজাতে এসেছেন!



ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে টিআইবি একটা আছে, সুজন আছে। সুজন না দুর্জন জানি না। ফখরুল-গয়েশ্বর যে সুরে কথা বলে, তারাও একই সুরে কথা বলে। মানুষের প্রশ্ন টিআইবি আর সুজন কি বিএনপির বি-টিম? যেভাবে কথা বলে, কোনো পার্থক্য নাই; একই সুরে কথা বলে—সরকারের বিরুদ্ধে।






আরও খবর