Logo
শিরোনাম

খেলায় নয়, ক্রিকেটারদের মন পড়ে থাকে টাকায়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলার মান নিচে নেমে গেছে; ক্রিকেটারদের এখন খেলার দিকে মনোযোগ থাকে না; তাদের মন থাকে টাকা উপার্জনের দিকেমন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট।

ক্রিকেটের ধারাভাষ্য থেকে ওয়াকার ইউনিসের নাম প্রত্যাহারে হওয়া রিটের শুনানিতে বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

আদালতে শুনানির শুরুতে রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ বি এম ওয়ালিউর রহমান খান বলেন, ওয়াকার ইউনিস আইসিসির আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসান সম্পর্কে বার বার কটূক্তি করেছেন। তিনি এটা করতে পারেন না। এ সময় হাইকোর্ট জানতে চান, ওয়াকার ইউনিসের বাড়ি কি পাকিস্তানের পাঞ্জাবে? তাহলে তো তারা একাত্তরে পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে পারবে না।

আদালত বলেন, তবে আমরা ক্রিকেটের অন্ধ সাপোর্টার হতে চাই না। এটা বলতেই হবে যে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের খেলার মান নিচে নেমে গেছে। এখন ক্রিকেটারদের খেলার দিকে মনোযোগ নেই। তাদের মন থাকে টাকা উপার্জনের দিকে।

এরপর আদালত বাংলাদেশ ক্রিকেট ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান সম্পর্কে কটূক্তি করায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ধারা ভাষ্যকারের তালিকা থেকে পাকিস্তানের ওয়াকার ইউনিসের নাম প্রত্যাহারে আইসিসিতে অভিযোগ দায়ের করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও বিসিবি প্রেসিডেন্টকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এ বি এম ওয়ালিউর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ।

এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান সম্পর্কে কটূক্তি করায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ধারাভাষ্যকারের তালিকা থেকে পাকিস্তানের ওয়াকার ইউনিসের নাম প্রত্যাহার করতে রিট দায়ের করা হয়। রিটে পাকিস্থানের ওয়কার ইউনূসের নাম প্রত্যাহারের জন্য আইসিসিতে অভিযোগ দায়ের করতে বিসিবিকে নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওয়ালিউর রহমান খান এ রিট দায়ের করেন।

বিশ্বকাপের চলমান ১৩তম আসরের ৩৮তম ম্যাচে মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে টাইম আউট করেন সাকিব আল হাসান। যে কারণে ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিবকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

আইসিসির নিয়মে টাইম আউট থাকলেও এতদিন এর প্রয়োগ হয়নি। মঙ্গলবার দিল্লির অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস দুই মিনিটের মধ্যে বল খেলতে না পারায় সাকিব আম্পায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আম্পায়ার ম্যাথুসকে আউট ঘোষণা করেন।

ম্যাথুস খানিকটা ধীরগতিতে ক্রিজে এসে স্ট্যান্স নিয়েছিলেন। সাকিব বল হাতে প্রস্তুত ছিলেন। ওই সময় ম্যাথুস তার হেলমেটে অসঙ্গতি অনুভব করেন। ড্রেসিংরুমে হেলমেট আনার ইঙ্গিত দেন। এতে দুই মিনিটের বেশি সময় চলে যায়। সাকিব আম্পায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আম্পায়ার আউট দেন। ম্যাথুস বারবার বোঝাচ্ছিলেন তিনি প্রস্তুত ছিলেন, হেলমেটের জন্যই এ বিলম্ব।

ম্যাথুস আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরার পর কমেন্ট্রি বক্সে সমালোচনা করেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনিস ও শ্রীলঙ্কার সাবেক তারকা ক্রিকেটার রাসেল আরনল্ড। তারা বলেছেন, এ রকম অখেলোয়াড়িসুলভ আচরণ দেখেননি কখনো।

এক পর্যায়ে ধারাভাষ্যকার ওয়াকার ইউনিস সাকিব আল হাসান সম্পর্কে বলেন,‌ গান্ধি (বাজে) ক্রিকেট, ছি ছি সাকিব এটা কী করল। তবে একমাত্র সাকিবের পক্ষেই এমন কিছু সম্ভব। আরও বলেছে, বাংলাদেশ যা করেছে তা ক্রিকেটের চেতনা বিরোধী।


আরও খবর



ভূয়া সাংবাদিকদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:

সাংবাদিকতার নামে কোন ভূয়া লোক যাতে মহান এ পেশাকে অসম্মান করতে না পারে সেজন্য সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক, পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । 


এছাড়াও তিনি বলেছেন, ‘কোন সাংবাদিক যাতে হেনস্তার শিকার না হয় সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।’


রোববার (২৬ মে) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।



এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সাংবাদিকতার নামে সাংবাদিকের লেখা নেই, পড়া নেই, সংবাদ বোঝে না, এর ধারে কাছেও নেই। এমন অনেককেই দেখি সরকারি অফিসে গিয়ে বসে থাকে। এরা সত্যিকারের সাংবাদিক নয়। এই ভূয়া সাংবাদিকের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’


তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার সমালোচনার বিরুদ্ধে নয়। সমালোচনা শুদ্ধ করে। সমালোচনা আমরাও করি কিন্তু তা গঠনমূলক হওয়া প্রয়োজন।’



এ সময় ফিলিস্তিনের গাজায়  গণহত্যার সংবাদ কাভার করতে গিয়ে নিহত ১০৮ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।


আরও খবর



কসাই জিহাদকে নিয়ে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ডিবির

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image


 ডিজিটাল ডেস্ক:


এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যার ঘটনা তদন্তে কসাই জিহাদকে সঙ্গে নিয়ে ভারতের কলকাতার সঞ্জীবনী গার্ডেনের আলোচিত সেই ফ্ল্যাটে গেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) একটি দল।


সোমবার (২৭ মে) দুপুরে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিল কলকাতা পুলিশও।


এর আগে রোববার (২৬ মে) সকালে ডিবিপ্রধানের নেতৃত্বে কলকাতা যান ডিবির তিন সদস্যের একটি দল।



কলকাতা যাওয়ার আগে হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের তদন্ত দল কলকাতায় প্রথমে ঘটনাস্থলে যাবে। এরপর ভারতে গ্রেপ্তার জিহাদ হাওলাদারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবে।


গত ২৩ মে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ জানিয়েছেন, এমপি আনারকে হত্যার পর খুনিরা তার দেহের মাংস হাড় থেকে আলাদা করে ফেলে। এরপর মাংসে হলুদের গুঁড়া ও মসলা মিশিয়ে ফ্রিজে রাখা হয়। পরে মাংস হিসেবে বাজারের ব্যাগে ভরে তা ট্রলিতে বাইরে নেওয়া হয়।


এখন পর্যন্ত সংসদ সদস্য আনার হত্যার ঘটনায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। গ্রেপ্তার আসামিরা হলো আমানুল্লাহ ওরফের শিমুল ভূঁইয়া, শিলাস্তি রহমান ও ফয়সাল আলী ওরফে সাজি।


গ্রেপ্তার তিন আসামির আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ২৪ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথির আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।


ফুটেজ অনুযায়ী, ১৩ মে দুপুর ২টা ৫১ মিনিটে সঞ্জীবনী গার্ডেনের আলোচিত সেই ফ্ল্যাটে ঢোকেন এমপি আনার। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন শিমুল ভূঁইয়া ও তার সহযোগী ফয়সাল। এমপি আনার বেশ শান্তশিষ্টভাবে দরজার বাইরে র‍্যাকে তার জুতা রাখেন। পরে ফ্ল্যাটে ঢোকেন তিনি।


কয়েক ঘণ্টা পর বের হয়ে আসেন শিমুল ভুঁইয়া ওরফে আমানুল্লাহ, হাতে ছিল একটা লাগেজ। এরপর তার সঙ্গে পলিথিনের ব্যাগ হাতে বের হন আরেকজন। বের হওয়ার সময় শিমুল দরজা লক করে দেন। লিফট দিয়ে নেমে তারা বের হয়ে যান।


গোয়েন্দা সূত্রে বলা হয়, এমপি আনার হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আখতারুজ্জামানের কলকাতায় যাওয়ার দুই মাস আগেই জিহাদকে ডেকে আনা হয়। জিহাদ জানিয়েছে- আখতারুজ্জামানের নির্দেশে তিনিসহ চারজন এমপি আনারকে ফ্ল্যাটে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। 



হত্যার পর এমপি আনারের শরীর থেকে মাংস এবং হাড় আলাদা করে জিহাদ। পরে মূলত পরিচয় নষ্ট করার জন্য এমপির মাংস কিমা করে তা প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখা হয়। আর হাড়গুলোকে ছোট ছোট টুকরো করে নেওয়া হয়। পরে ওই ব্যাগগুলো ফ্ল্যাট থেকে বের করে নানা ধরনের যানবাহন ব্যবহার করে কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে ফেলে দেওয়া হয়।


পুলিশ জানিয়েছে, জিহাদ হাওলাদার (২৪) একজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। তার বাড়ি খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানায়। তার বাবার নাম জয়নাল হাওলাদার। তবে জিহাদ বসবাস করত ভারতের মুম্বাই শহরে। সেখানে সে একটি মাংসের দোকানে কসাইয়ের কাজ করত।


আরও খবর



‘বেনজীরের ব্যক্তিগত অপরাধের দায় নেবে না পুলিশ বাহিনী' : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সাবেক আইজিপি বেন‌জীর দেশে নাকি বিদেশে সে বিষ‌য়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। 


তবে অপরাধ করলে বিচার হবে। অভিযোগের তদন্ত চল‌ছে। তার ব্যক্তিগত অপরাধের দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না।



শনিবার (১ জুন) দুপুর দেড়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) ছাত্রলীগ কর্তৃক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত 'আমাদের বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।


এমপি আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মূল হত্যাকাণ্ড যেহেতু ভারতে হয়েছে সেহেতু মূল মামলাও ভারতে হয়েছে৷ ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দী বিনিময় চুক্তি আছে।


 তাই ভারতই এ হত্যাকাণ্ডের মূল তদন্ত করবে। আমাদের দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হলে আমাদের পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করতো। তারা যদি আমাদের সম্পৃক্ত করে তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা করবো।


হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একজন নেপালে পালিয়ে গেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে আর আমরা বসে থাকবো এমন হতে পারে না। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং সহযোগিতাকারী সবাইকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। 


নেপালে একজন পালিয়ে গেছে। তবে সে কোথায় আছে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত হচ্ছে, তাকে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



সেন্টমার্টিন আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেব না

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টার শেল ও ভারী গোলার বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে সেন্টমার্টিন। এমনকি টেকনাফ সীমান্তের খুব কাছে চোখে পড়ছে মিয়ানমারের টহল জাহাজও। এ অবস্থায় কোনোভাবে আক্রান্ত হলে মিয়ানমার সরকার বা আরাকান আর্মিকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে আমরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি, এটা দুঃখজনক। আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেব না। আমরা এখনই আক্রমণ করব না, কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি আছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ এখন নখদন্তহীন। ইসরায়েল তাদের কথা শোনে না। বড় বড় দেশগুলোও শোনে না।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশিত হলো নাটক ‘দ্যা স্লেভ'

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি :

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশিত হলো হ্যারিয়েট বিচার স্টো-এর বিখ্যাত উপন্যাস আঙ্কেল থমস্ কেবিন  অবলম্বনে নাটক 'দ্যা স্লেভ'। আজ (০৪ জুন) রাত ৮:৩০ মিনিটে কলা ও বিজ্ঞান ভবনের সামনে নাটকটি পরিবেশিত হয়। 

নাটকটির পরিকল্পনা ও নির্দেশনা করেছেন থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হোসেন তোকদার । বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অভিনয় অনুশীলন পরীক্ষার জন্য নাটকটি নির্মাণ করা হয়েছে।


আমেরিকার কেন্টাকি শহরের আফ্রো-আফ্রিকান ক্রীতদাসদের নির্মম শোষণের গল্প 'দ্যা স্লেভ'। হ্যারিয়েট বিচার স্টো-এর বিখ্যাত উপন্যাস আঙ্কেল টমস্ ক্যাবিনকে সঙ্গে করে পান্ডুলিপি নির্মিত হয়েছে। নিগ্রো সৎ ক্রীতদাস টমস ও ছোট শিশু হ্যারিকে বিক্রি করার প্রচেষ্টা থেকে গল্পটি আবর্তিত হয়েছে। মি. শেলবী একজন ঋণগ্রস্ত ব্যবসায়ী,  তার সকল সম্পত্তি বন্দক রেখেছেন দাস ব্যবসায়ী মি. হ্যালীর কাছে। মি. হ্যালির বন্দকী অর্থ পরিশোধের জন্য বাধ্য হয়ে টম ও হ্যারিকে বিক্রি করো দেয় মি. শেলবী, এই খবর জানতে পেরে হ্যারির মা এলিজা হ্যারিকে নিয়ে পালিয়ে যায়।  অন্যদিকে এলিজার স্বামী জর্জ হ্যারিস এই বন্দী অবস্থা থেকে মুক্তি নিয়ে কানাডায় পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।  এলিজা পালানোই মি. হ্যালী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং টমকে হাতে পায়ে ব্যারি পড়িয়ে নিয়ে যায়। নাটকটির ঘটনা প্রবাহে মূলত ঊনবিংশ শতাব্দীর আমেরিকার দাসত্বের অনৈতিকতা এবং অমানবিকতাকে  চিত্রিত করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রো-আফ্রিকান ক্রীতদাসদের দুর্দশার ও নির্যাতনের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। 

নির্দেশক মোহাম্মদ মাজহারুল হোসেন তোকদার বলেন, আমেরিকান ক্রীতদাসদের ইতিহাস এবং আঙ্কেল টমস্ কেবিন উপন্যাসকে একসূত্রে মিলিয়ে ক্রীতদাসদের শোষণ নির্যাতনের জীবন গল্প সকলের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস তিনি করেছেন। 

উল্লেখ্য, নাটকটির বিশেষ দৃশ্যে অভিনয় করেছে থিয়েটার অ্যান্ড পরিবেশনা বিভাগের ২০২১-২০২২, ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা, ড্যান্স ক্লাব ও ১৫ জন শিশু কিশোর।


আরও খবর