Logo
শিরোনাম

মোরেলগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মিনারা বেগম(৫২) নামে এক নারী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। মিনারা বেগম খাউলিয়া ইউনিয়নের বড়পরী গ্রামের মৃত আকরাম খলিফার স্ত্রী। তার তিন সন্তান রয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১০ টার দিকে সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কের পল্লীমঙ্গল এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সাথে ধাক্কা লাগলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মিনারা বেগম দীর্ঘদিন ধরে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবীকা নির্বাহ করতেন। এক সময় তার মানসিক বিকৃতি দেখা দেয় বলে তার ছেলে ফিরোজ খলিফ জানিয়েছেন।

ঘটনার সময় স্থানীয়রা মোটর সাইকেলটি আটক করলেও এর চালক পালিয়ে যায়। তার নাম ও পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

এ বিষয়ে থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক নারী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



আত্রাইয়ে পাঁচ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ শিশু ইব্রাহিমের

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর আত্রাইয়ে গত পাঁচ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ ৬বছরের শিশু ইব্রাহিম আলীর। সকালে বাড়ী থেকে খাবার খেয়ে বের হওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে। এঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। গত পাঁচ দিনেও শিশুর খোঁজ না পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে পরিবার। শিশু ইব্রাহিম আত্রাই উপজেলার শ্রীধর গুড়নই গ্রামের হজরত আলীর ছেলে।

 শিশুর বাবা হজরত আলী বলেন, শিশু ইব্রাহিম স্থানীয় মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেনীতে পড়াশোনা করে। গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসায় যায়নি। দুপুরে গোসল করানোর জন্য শিশুকে খোঁজতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেক খোঁজা করে সন্ধ্যা পর্যন্ত সন্ধান মেলেনি। এর পর নদীর পানিতে ডুবে যেতে পারে এমন আশংকায় আত্রাই ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম এসে পরের দিন গুড়নই নদীর সম্ভাব্য ঘাটে তল্লাশী করেও কোন হদিস মেলেনি।এঘটনায় গত শুক্রবার আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

আত্রাই থানার ওসি তারেকুর রহমান সরকার বলেন, শিশু নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। শিশুকে দ্রুত খুঁজে বের করতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



সোনাইমুড়ীতে বিধি লঙ্ঘন করে নিকাহ রেজিস্ট্রার প্যানেল প্রস্তুত 

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

অনুপ সিংহ, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে বিধি লঙ্ঘন করে নিকাহ রেজিস্ট্রার প্যানেল প্রস্তুত করা হয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি গোপন রেখে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার ছাড়া গত মঙ্গলবার (২৫-১০-২০২২ইং) সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিকাহ রেজিস্ট্রার প্যানেল প্রস্তুত করে পরের দিন ২৬-১০-২০২২ইং  বুধবার মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরী সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি। 

জনা যায়, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা ২০০৯ এর বিধান মোতাবেক নোয়াখালী জেলাধীন সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মৃত্যুজনিত কারনে নিকাহ রেজিস্ট্রারের পদ শুন্য হওয়ায় উক্ত শুন্য পদে লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের নিমিত্তে প্যানেল প্রস্তুতকল্পে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের নিকট হতে গত ১১-১০-২০২২ ইং তারিখের মধ্যে দরখাস্ত নেয়া হয়। 

এতে আগ্রহী প্রার্থীরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরী সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব ও সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করে।

কিন্তু উপদেষ্টা কমিটি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে চাটখিল উপজেলার (অন্য উপজেলা) ৪ নং বদলকোট ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড (হিরাপুর-নিশ্চিন্তপুর) এর মোঃ বেলায়েত হোসেনের ছেলে হিরাপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (হেফজু) এর আবেদন গ্রহণ করে তার নাম গত বুধবার  ২৬-১০-২০২২ইং  প্যানেলের (স্বারক নং-২১১) ক্রমিক নং ১ নাম্বারে লিপিবদ্ধ করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরী সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। 

প্যানেলের ১ নং ক্রমিকধারী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চাটখিল উপজেলা ও থানা (অন্য উপজেলা ও থানা) ৪ নং বদলকোট ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড হিরাপুর গ্রামে তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা। তার জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন উপরিউক্ত ঠিকানায়। সে ঠিকানা গোপন রেখে দরখাস্তে তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা সোনাইমুড়ী থানা, সোনাইমুড়ী পৌরসভা, গ্রাম-শিমুলিয়া লিখে। যা সঠিক নয়। 

ভুয়া চারিত্রিক সনদ নিজেই সৃজন করে। পৌরসভার সংশ্লিষ্ট এলাকার কাউন্সিলর কর্তৃক নাগরিকত্ব সনদ নেয়ার বিধান থাকলে সেটি দরখাস্তে যোগ করা হয়নি।

নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরীর (নিয়োগের) নিমিত্তে প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের তালিকায় ভুল তথ্য প্রদান করা হয়। 

নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরীর (নিয়োগ পক্রিয়াতে)  নিমিত্তে প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের তালিকায় যোগ্য প্রার্থীকে অগ্রাধিকার না দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীকে যোগ্য করে ১ নং ক্রমিকধারী হিসেবে নাম লিপিবদ্ধ করা হয়। 

এতে করে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশংকা রয়েছে বলে মনে করে সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর



আদিতমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের দু গ্রুপের সংঘর্ষ

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি ঃ


লালমনিরহাটে আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের দু গ্রুপের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের দু গ্রুপের অনন্ত ২০ জন আহত হয়েছে।বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে উপজেলা শহরে।

২৬ নভেম্বর(শনিবার) বিকেলে আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এর সামনে এ সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদ্য ঘোষিত নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ দেশব্যাপী বিএনপি ও জামাতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে উপজেলার জিএস স্কুলের মাঠে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল আয়োজন করে।একই সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের পদ বঞ্চিত নেতারা উপজেলা আঃ লীগ কার্যালয় এর সামনে সমাবেশে ডাকে।

আজকে উভয় পক্ষের পাল্টা পাল্টি সমাবেশ ডাকাকে ঘিরে সকাল থেকে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিলো।নব নির্বাচিত কমিটির সভাপতি, সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতাদের নেতৃত্ব দেওয়া সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা শহরের মুল সড়ক প্রদক্ষিণ করার জন্য বের হয়।মিছিলটি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় অতিক্রম করার সময় উপজেলা আওয়ামী কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেওয়া গ্রুপের সাথে বাকবিতন্ডা হয়।পরে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এর পিছন থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মিছিলকে লক্ষ করে ঢিল ছোড়ে এতে মিছিল ও আশপাশে আতংক ছড়িয়ে পরে।পরে মিছিল ছুট নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এর সামনে অবস্থান নেওয়া গ্রুপের সাথে থেমে থেমে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।এসময় দু গ্রুপ ঢিল ছোড়ে এবং দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে আতংক ছড়াতে থাকে।বৃহৎ সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ টানা দু'ঘন্টা চেষ্টা ও তিনটি সাউন্ড গেনেট ছুড়লে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা দুদিকে চলে যায়।সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পুলিশ সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়।

এ বিষয়ে আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোক্তারুল ইসলাম জানান,আদিতমারী আওয়ামী লীগের দু গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশের ৫/৬  সদস্যসহ উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনটি সাউন্ড গেনেট ছোড়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ;চলতি বছরের গত ১৯ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আলীকে সভাপতি ও রফিকুল আলমকে সাধারণ সম্পাদকসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে।ঘোষিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মাহমুদ ওমর চিশতী পদ না পেয়ে কমিটি ঘোষণার পর থেকে নব নির্বাচিত কমিটির বিরোধীতা করে আসছে।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে অপহরণের ৪ দিন পর অপহহৃতাকে উদ্ধার,অপহরণকারী গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থেকে ছাত্রীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবীর ৪ দিন পর ফতুল্লা থেকে অপহহৃতাকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১১ সদস্যরা। গ্রেফতার করেছে অপহরণকারী সুজনকে। মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লার হাজীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার ও গ্রেফতার করা হয়। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদমজীনগর র‌্যাব-১১ মিডিয়া অফিসার সহকারী পরিচালক মোঃ রিজওয়ান সাঈদ জিকু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। তিনি বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, আড়াইহাজার থানার পুরিন্দা এলাকার সাদ্দেকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থীকে গত ১০ নভেম্বর অপহরণ করা হয়। ভিকটিম প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে স্কুলের সামনে গেলে অভিযুক্ত আসামী জোড়পূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে ভিকটিমকে জিম্মি করে মোবাইল ফোনে ভিকটিমের পরিবারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা কে এম আহাদ (৩৯) র‌্যাব-১১, এর কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব ১১ এর গোয়েন্দা টীম ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে নিশ্চিত হয়ে মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লার হাজীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণকারী  মোঃ হাসানুর রহমান সুজন (১৯) কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেছেন।


আরও খবর



নওগাঁয় গৃহবধূ'র মৃত্যু, স্বামী সহ পরিবারের লোকজন পলাতক

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁয় মাত্র দু' বছর বয়সি এক শিশু সন্তানের মা গৃহবধূ'র মৃত্যু, স্বামী সহ পালিয়েছে পরিবারের লোকজন। মৃত্যু বরণকারী গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা (২১)

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার

দক্ষিণ আন্ধারকোঠা গ্রামের সুমন এর স্ত্রী। তাদের রিমন হোসেন নামে মাত্র দু' বছর বয়সি এক ছেলে সন্তান রয়েছে। এঘটনায় গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র বাবা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, শুক্রবার ১১ নভেম্বর সন্ধার পর গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমাকে গুরুতর অবস্থায় তার স্বামী সহ স্বামীর বাড়ির স্বজনরা নওগাঁ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক রিমা আক্তার রুমাকে মৃত ঘোষনা করে বলেন হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর বিষয় জানার পরই গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র মৃতদেহ হাসপাতালে রেখেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তার স্বামীসহ স্বজনরা। এক পর্যায়ে মেয়ে হাসপাতালে আছেন এমন খবর পেয়ে নওগাঁ সদর উপজেলার কুমুরিয়া গ্রাম থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন রিমা আক্তার রিমা'র বাবা মা সহ স্বজনরা। হাসপাতালে এসে তারা তাদের মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। স্বজনদের অভিযোগ যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমাকে তার স্বামী শ্বশুর ও শাশুড়ি মাঝে মাঝেই নির্যাতন করতো। এসময় তারা অভিযোগ করেন, রিমা আক্তার রুমাকে মারপিট 'নির্যাতন' করে মারার পর গলায় ওড়না'র ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখে এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে এনে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে অপচেষ্টা করেছে তার স্বামী, শ্বশুর সহ স্বজনরা।

গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমার স্বামীর বাড়ি দক্ষিন আন্ধারকোঠা গ্রামের বেশ কয়েক জন তাদের নাম-পরিচয় গোপন রাখার শর্তে প্রতিবেদককে জানান, রিমা আক্তার রুমার স্বামী সুমন একজন মাদক সেবি। সে মাঝে মাঝেই তার স্ত্রীকে মারপিট করতো, এমনকি ঘটনার দিনও হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেও তাকে মারপিট করা হয় জানিয়ে তারা বলেন, প্রশাসন তদন্ত করলে সত্য ঘটনা উদর্ঘাটন হবে।

অপরদিকে হত্যার অভিযোগ অস্বিকার করে নিহত গৃহবধূ রিমা আক্তার রুমা'র চাচা শ্বশুর দক্ষিন আন্ধারকোঠা গ্রামের হারুন অর রশিদ (৪৫) প্রতিবেদক কে জানান, ঘটনার দিন বা সময় তার ভাইস্তা বউ নিজ শয়ন ঘড়ের ভেতর ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলছিলো, দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এসময় প্রতিবেশি নারী সহ অপর একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঘটনার দিন স্বামী-স্ত্রী বিবাদের এক পর্যায়ে রিমা আক্তার রুমাকে তার স্বামী নির্যাতন করেন। এর পরই তারা হৈ চৈ করেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান।

এঘটনায় ঐ দিন রাতেই রিমা আক্তার রুমার বাবা ইলিয়াস কবিরাজ বাদী হয়ে মহাদেবপুর থানায় রিমা আক্তার রুমার স্বামী সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই জিয়াউর রহমান জানান, তদন্ত পূর্বক জড়ীতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর