Logo
শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জে নাশকতার চেষ্টাকালে ১৬ জামায়াত নেতাকর্মী আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

নারায়ণগঞ্জে হরতাল সমর্থনে বাম গণতান্ত্রিক জোট নগরের বঙ্গবন্ধু সড়কে একটি বিক্ষোভ বিক্ষোভ মিছিলে বের করে। এসময় পুলিশ তাদের বাঁধা দিলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হয় তারা।  একপর্যায়ে  পুলিশ তাদের লাঠি চার্জ করলে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ ঘটনায় জেলা সিপিবি'র সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ চক্রবর্তী, বাসদ জেলা ফোরামের সদস্য আবু নাঈম খান বিপ্লবসহ অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেন বাম নেতারা।

অপরদিকে একই সময়ে নগরের নাগিনা জোহান সড়কে ছাত্রদল ও যুবদল সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ভোরে  আড়াইহাজারের পাঁচরুখী এলাকায় মশাল মিছিল করেছে বিএনপি।

৮টার দিকেসিদ্ধিরগঞ্জের চৌধুরী বাড়ি এলাকায় জামায়াতে ইসলাম অবরোধের পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। একই সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ অবরোধ বিরোধী মিছিল করে তাদের ধাওয়া করে। পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জামায়াতে ইসলামের ১৬ নেতাকর্মীকে আটক করে। পুলিশ জানায় নাশকতা করার চেষ্টা কালে তাদের আটক করা হয়।


আরও খবর



নওগাঁয় আবাদপুকুর হাটের ইজারা প্রদানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর বৃহত্তম ধান ও পশুর হাট হচ্ছে রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর হাট। চলতি সনে এই হাটটির খাস আদায়ের ইজারা প্রদানে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। চলতি বাংলা সনের বৈশাখ মাসে অবৈধ ভাবে গোপনে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের নতুন ইজারা প্রদান করা হলেও বিষয়টি জানেন না হাটের খাস আদায় কমিটির কোন সদস্যরা। যদি প্রকাশ্যে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের ইজারা প্রদান করা হতো তা হলে সরকার আরো দ্বিগুন পরিমাণ রাজস্ব পেতো বলে মনে করছেন সচেতন মহল। সূত্রে জানা সর্বশেষ গত ১৪২৯সনে (২০২২খ্রি:) প্রকাশ্যে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটটি ভ্যাট-ট্রাক্স ছাড়া ৮০ লাখ টাকায় ইজারা প্রদান করা হয়েছিলো। এরপর ২০২৩খ্রি: হাটটি খাস আদায়ের আওতায় আনতে একটি মহলের নির্দেশনা মোতাবেক ঐ বছর আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের স্কুল মাঠে পশুর হাট বসতে দিবে না মর্মে একটি মামলা দায়ের করলে পরবর্তিতে হাটটি মামলার যাতাকলে খাস আদায়ের আওতায় চলে যায়। অপরদিকে খাস আদায়ে বাৎসরিক ইজারা প্রদানের কোন নিয়ম না থাকলেও উপজেলা প্রশাসন তা করে আসছে। আর খাস আদায়ের নামে প্রশাসনের সহযোগিতায় গত দু' বছর যাবত নামে হাটের টাকা হরিলুট করছে কতিপয় একটি সিন্ডিকেট।  

সরকারী নিয়মানুসারে উপজেলা পরিষদ নিয়ন্ত্রনাধীন হাট-বাজারের ক্ষেত্রে খাস আদায়ের জন্য ৯ সদস্যের একটি কমিটি থাকবে যে কমিটির মাধ্যমে খাস আদায় হবে। কমিটিতে সভাপতি পদে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদস্য পদে চেয়ারম্যান (উপজেলা পরিষদ কর্তৃক মনোনীত পরিষদের একজন সদস্য), সংশ্লিষ্ট হাটের নিকটবর্তি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের ইউপি মহিলা সদস্য, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সদস্য সচিব হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) থাকবেন। যদি সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি শূন্য থাকে তাহলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমিটির সদস্য এমন একজন কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব মনোনীত করতে পারবেন। 

সরকারের এমন নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে হাট কমিটির সভাপতি অবৈধ ভাবে গোপনে খোলা ডাকের নামে দীর্ঘদিনের একটি সিন্ডিকেটকে খাস আদায়ের দায়িত্ব প্রদান করেছেন। অথচ কমিটির অধিকাংশ সদস্যরা হাটের খাস আদায় ইজারার বিষয়টি জানেন না। অপরদিকে হাটের সাপ্তাহিক খাস আদায়ের কাজটি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব হলেও ঝামেলার কারণে ভূমি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানালে খোলা ডাকের মাধ্যমে গত দু' বছর যাবত বাৎসরিক হিসেবে ইজারা প্রদানের মাধ্যমে খাস আদায় করে আসছে উপজেলা প্রশাসন। এতে করে প্রতি হাটেই খাজনা আদায়ের নামে ক্রেতা-বিক্রেতাদের গলা কাটা হচ্ছে। প্রতিটি পণ্যের বিশেষ করে গরু, ছাগল ও ভেড়ার খাজনা সরকারী নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুনেরও বেশি হারে খাজনা আদায় করা হচ্ছে। এমন অনিয়মকে শুদ্ধ করতে মাঝে মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়সারানো ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও পরিচালনা করা হয়। 

চলতি বাংলা ১৪৩১সনের (২০২৪খ্রি:) জন্য গত বৈশাখ মাসে আবাদপুকুর হাটটি জেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে খাস আদায় কমিটির সদস্যদের উপস্থিতি ছাড়াই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সভাপতি উম্মে তাবাসসুম অবৈধ ভাবে গোপনে নামমাত্র খোলা ডাকের মাধ্যমে ইজারা প্রদান করেছেন। দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গংদের কাছে প্রতি সপ্তাহে ভ্যাট-ট্যাক্স সহ ৩ লাখ (৫২ সপ্তাহ) টাকার বিনিময়ে হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে। যে সিন্ডিকেটটি কৌশল করে বছরের পর বছর রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্র-ছাঁয়ায় আবাদপুকুর হাটের ইজারা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিটি পণ্যের নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুন টাকা খাজনা হিসেবে আদায় করে আসছে।

আবাদুপুকর হাটের খাজনা আদায়কারী টিমের প্রধান হেলু মেম্বার মোবাইল ফোনে জানান, তারা নিয়মানুসারে হাটের খাস আদায়ের ইজারার দায়িত্ব পেয়ে খাজনা আদায় করছেন। আমি একটু ব্যস্ত আছি আপনি পরে ফোন দিয়েন বলে হেলু মেম্বার সাংবাদিক এর মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে দেন। 

কালীগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মোঃ কৌশিক আহমেদ মোবাইল ফোনে জানান, খাস আদায় একটি ঝামেলা পূর্ণ কাজ তাই গত বছরও উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাটের খাস আদায় খোলা ডাকের মাধ্যমে ইজারা প্রদান করেছিলেন। চলতি বছর হাটের খাস আদায় বিষয়ে একটি নোটিশ পেয়েছিলাম। আর চলতি বছর খাস আদায়ের ইজারার খোলা ডাকের দিন আমাকে বলা হয়নি বিধায় বিষয়টি আমার জানা নেই। 

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান মোবাইল ফোনে জানান, চলতি বছর আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা বিষয়ে আমার কোন কিছু জানা নেই। আমি কমিটির একজন সদস্য হলেও কিভাবে হাটটির খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে কিছুই জানানো হয়নি। তবে যেভাবেই হাটের খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হোক না কেন খোলা ডাকের দিন কমিটির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতেই ইজারা প্রদানের ব্যবস্থা করা উচিত ছিলো। তাহলে কমিটির সদস্যদের মাঝে এই বিষয়ে আর কোন সন্দেহ থাকতো না। স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কাহার মোবাইল ফোনে জানান, তিনি খাস আদায় কমিটির সদস্য হলেও হাটের ইজারার বিষয়ে কোন কিছুই জানেন না। অবৈধ ভাবে গোপনে হাটের ইজারা প্রদান করার কারণে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা সহ আমরা স্থানীয়রা।  

কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব চাঁন মোবাইল ফোনে জানান, আমার ইউনিয়নের মধ্যে থাকা বৃহত্তম আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কবে কিভাবে কখন খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বারবার জানতে চাইলেও আমাকে বিষয়গুলো জানানো হয়নি। অনেক পরে বিষয়টি জানতে চাইলে ইউএনও জানান, যে জেলা প্রশাসক স্যার ও স্থানীয় এমপির নির্দেশনা মোতাবেক সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গংদের কাছে হাটের খাস আদায়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। শুধু তাই নয় আমি ঐ হাটের প্রতি সপ্তাহের ইজারা মূল্য ৪লাখ দিতে চাইলেও হাটের খাস আদায়ের দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়নি। উপজেলা প্রশাসন দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গং এর সঙ্গে আঁতাত করে হাটের টাকা হরিলুট করছে। হাটের খাস আদায়ের ক্ষেত্রে কোন নিয়মই মানা হয়নি এবং মানা হচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাটের খাস আদায় কমিটির সভাপতি উম্মে তাবাসসুম মোবাইল ফোনে বলেন, ১৪৩০ সনের (২০২৩খ্রি:) চেয়ে প্রায় দ্বিগুন টাকায় ১৪৩১সনের (২০২৪খ্রি:) জন্য খোলা ডাকের মাধ্যমে আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে। যারা হাটের ইজারা মূল্য সবচেয়ে বেশি দিয়েছেন তাদেরকেই খাস আদায়ের ইজারার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক স্যারও জানেন। এক কথায় সকল নিয়ম মেনেই আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে।


আরও খবর



ভারত রাজনৈতিক বন্ধু, চীন উন্নয়নের বন্ধু: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস  রিপোর্ট:



আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু এবং চীন উন্নয়নের বন্ধু।


শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সাত দিনব্যাপী পাহাড়ি ফলমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 



ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। ১৯৭১ সালের সেই রক্তের রাখি বন্ধনে আমাদের এ সম্পর্ক। ভারতীয় সৈন্যরা এখানে রক্ত দিয়েছে, ভারতের জনগণ-সরকার আমাদের আশ্রয় দিয়েছে। এ দুঃসময়ের বন্ধুদের আমরা ভুলে যেতে পারি না।


পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলো ২১ বছর ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক রেখে কী অর্জন করেছে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ৬৮ বছর পর আমরা সীমান্ত সমস্যার সমাধান করেছি। ভারত রেটিফাই করেছে, সর্বসম্মতিক্রম তাদের পার্লামেন্টে, এটা আগে হয়নি। 



শেখ হাসিনা, তেমন ভারতে নরেন্দ্র মোদি। এদের আমলে এটা সম্পন্ন হয়েছে। ভালো সম্পর্ক আছে বলেই আমরা বাংলাদেশের মতো আরেকটা বাংলাদেশ সমুদ্রসীমায় ভারতের কাছ থেকে পেয়েছি।



চীনের সঙ্গে আমাদের পার্টনারশিপ রয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সম্পাদক বলেন, ভারত আমাদের রাজনৈতিক বন্ধু, চীন আমাদের উন্নয়নের বন্ধু। এ দেশে বহু উন্নয়নে চীনের অবদান আছে। সাহায্য পেলে আমরা সাহায্য কেনো নেব না?



 আমার দেশের উন্নয়নের জন্য যেখানে সাহায্য দরকার আমরা সেখান থেকে সাহায্য নেব। মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে এসব নিয়ে অনেকের জ্বলে, যাদের জ্বলে তাদের মন্তব্যের কোনো জবাব আমরা দেব না।


গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পার্বত্য অঞ্চলও বদলেছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক যোগাযোগে এখন পার্বত্য তিন জেলা অনেক উন্নত, একসঙ্গে ৪২টি ব্রিজ উদ্বোধন হয়েছে খাগড়াছড়িতে। এখন সীমান্ত সড়ক তৈরি হচ্ছে। শেখ হাসিনা থাকলে সব সমস্যার সমাধান হবে।



আরও খবর



টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ক্রীড়া ডেস্ক: আর মাত্র একটি ম্যাচ। এরপরই পর্দা নামবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের। 

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ থেকে কেবল এক পা দুরত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো কোনো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে প্রোটিয়াদের এটি প্রথম ফাইনাল। প্রতিপক্ষ ভারত অবশ্য সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপেই খেলেছে ফাইনাল। ফেভারিটের মতো খেলে এবারও ফাইনালে তারা। বার্বাডোজের কেনসিংটন ওভালে আজ শনিবার (২৯ জুন) মাঠে গড়াবে মেগা ফাইনাল। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি।


এমন এক ম্যাচ যেখানে পরিসংখ্যান, অতীত ইতিহাস, শক্তি-সামর্থ্য—কাজে দেবে না কিছুই। যারা নিজেদের সবটা নিংড়ে দিতে পারবে, শিরোপা তাদের। তাছাড়া, ভারত কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা কেউই পিছিয়ে নেই কারও চেয়ে। 



যে কারণে অপেক্ষা জমজমাট এক লড়াইয়ের। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দুদল উঠেছে ফাইনালে।



ফাইনালের আগে ছন্দে আছেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। টানা দুই ম্যাচে অর্ধশতকের দেখা পেলেন তিনি। তার নেতৃত্বে পুরো দলই আছে ছন্দে। গ্রুপপর্ব থেকে সুপার এইট, সেখান থেকে সেমি, কোথাও প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হয়নি ভারতকে।



 দক্ষিণ আফ্রিকার যাত্রা অতটা মসৃণ না হলেও ইতিহাস গড়ার পথে দলটি খেলেছে উজাড় করে। এইডেন মার্করামের নেতৃত্বে দলটি যা করেছে, প্রোটিয়াদের ইতিহাসেই তো এমনটি হয়নি আগে।


বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, হঠাৎ করে একথা শুনলে অবাক বনে যাবে অনেকেই। এর আগে যে কখনোই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। দলটির ক্রিকেট ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। তবু, অতৃপ্তি ছিল। 



বিশ্বকাপে সবসময়ই ফেভারিটের তালিকায় থাকে তারা। সেমি ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে সাতবার (পাঁচবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ, দুবার টি-টোয়েন্টি। এবারসহ আটবার)। সেখান থেকে ফাইনালে আর যাওয়া হতো না। 


বড় ম্যাচে চাপ সামলাতে না পারায় প্রোটিয়াদের নামই তাই হয়ে যায় চোকার্স। সেখান থেকে বেরিয়ে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অবশেষে ফাইনালের মুখ দেখতে পেল তারা।


ভারতের অপেক্ষাটাও কম দীর্ঘ নয়। কেবল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হিসাব ধরলেও সেটি দীর্ঘদিনের। প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।



 এরপর দ্বিতীয়বার দলটি ফাইনাল খেলে ২০১৪ সালে। সাত বছর অপেক্ষার পর ফাইনাল খেললেও শিরোপার দেখা পায়নি তারা। এরপর কেটেছে আরও ১০ বছর। এক দশক পর ফের বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। ক্রিকেটের এই সংস্করণের বিশ্বকাপে এক ফাইনাল থেকে আরেকটি ফাইনাল খেলতে এত লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হয়নি কোনো দলকে।



 আর শিরোপার অপেক্ষা ধরলে সেটি আরও দীর্ঘ। ১৭ বছর! আগামীকালের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে না পারলে যা দীর্ঘায়িত হবে।


ভারতের অপেক্ষাটাও কম দীর্ঘ নয়। কেবল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হিসাব ধরলেও সেটি দীর্ঘদিনের। প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এরপর দ্বিতীয়বার দলটি ফাইনাল খেলে ২০১৪ সালে। 



সাত বছর অপেক্ষার পর ফাইনাল খেললেও শিরোপার দেখা পায়নি তারা। এরপর কেটেছে আরও ১০ বছর। এক দশক পর ফের বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। ক্রিকেটের এই সংস্করণের বিশ্বকাপে এক ফাইনাল থেকে আরেকটি ফাইনাল খেলতে এত লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হয়নি কোনো দলকে। 



আর শিরোপার অপেক্ষা ধরলে সেটি আরও দীর্ঘ। ১৭ বছর! আগামীকালের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে না পারলে যা দীর্ঘায়িত হবে।


আরও খবর



এআইআইবি থেকে ৪০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা পেল সরকার

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে বাজেট সহায়তা হিসেবে ৪০ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। 



প্রতি ডলার সমান ১১৭ টাকা ১১ পয়সা হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই সহায়তার পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা।


সোমবার (১ জুলাই) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ইআরডি’র অতিরিক্ত সচিব মিরানা মাহরুখ এবং এআইআইবির ভারপ্রাপ্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজাত মিশ্রা এআইআইবি’র এ ঋণচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।



ক্লাইমেট রেজিলেন্ট ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় সংস্থাটি এ ঋণ দিয়েছে বলে জানা গেছে। এআইআইবি’র এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো, পরিবেশের পরিবর্তন প্রতিরোধকল্পে মজবুত ভিত্তি তৈরি ও অভিযোজনের মাত্রা বৃদ্ধি, জলবায়ুভিত্তিক টেকসই উন্নয়নে সহায়তা দেওয়া, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির মাত্রা ও প্রভাব হ্রাস, গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাস এবং দেশের অর্থনীতিকে জলবায়ুভিত্তিক নিম্ন কার্বন অর্থনীতিতে রুপান্তর করা।


এআইআইবি থেকে গৃহীত এ ঋণ পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে পরিশোধযোগ্য। ঋণের সুদের হার হিসেবে এককালীন শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ পরিশোধ করা হবে।



আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




মেট্রোরেলে প্রতিদিন যাতায়াত করেন ৩ লাখ যাত্রি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস:



প্রতিদিন তিন লাখ যাত্রী মেট্রোরেলে চড়ছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।



 বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নোত্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ তথ্য জানান।


ডিসেম্বর ঘাটার চর-কাঁচপুর রুটে পরীক্ষামূলক ঢাকা নগর পরিবহন উদ্বোধন করা হয়। ওই সেবায় বিআরটিসির ৩০টি বাস চলছে। পরবর্তীতে ২০২২ সালের অক্টোবরে ঘাটারচর-স্টাফ কোয়ার্টার ও ঘাটারচর-কমদতলী থানা রুটে নগর পরিবহন চালু করা হয়।


বর্তমানে ঘাটারচর-স্টাফ কোয়ার্টার রুটটি বন্ধ রয়েছে। অপর রুটে ২৫টি দ্বিতল বাস চলছে। ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে ২৫টি বাস চালানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। 


এর পরে ঘাটারচর-মিরপুর-উত্তরা দিয়াবাড়ি ও ঘাটারচর-খামারবাড়ি-দিয়াবাড়ি রুট দুটি চালু করা হবে। চলতি বছরের মধ্যে আরও দুটি রুটে বাস চালুসহ সবুজ ক্লাস্টার সম্পূর্ণরূপে চালু করা হবে।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪