Logo
শিরোনাম

নেত্রকোনায় প্রথমবারের মত স্কুল পর্যায়ে দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ |

Image

মির্জা হৃদয় সাগর (নেত্রকোনা) :

শিশুদেরকে মেধাবী করে তোলার লক্ষ্যে এই প্রথম স্কুল পর্যায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক খেলা দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে নেত্রকোনায়। নেত্রকোনা করিম দাবা একাডেমির উদ্যোগে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০ জন শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

ফেডারেশন অনুমোদিত প্রথম স্কুল পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দাবা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দাবাড়ু তৈরিতে খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শতবর্ষী পুরনো শহরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র তন্ময় মজুমদার। রানার্সআপ হয়েছে আঞ্জুমান সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়ন্ত সরকার ও তৃতীয় হয়েছে সাতপাই উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শুভ রজক।আজ রবিবার দুপুরে টুর্নামেন্ট পরিচালক দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ. বি. এম শাহজাহান কবীর সাজু প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।

এসময় হিমু পাঠক আড্ডার পরিচালক সাংবাদিক আলপনা বেগম,  একাডেমির পরিচালক (কোচ) জাতীয় পর্যায়ের দাবাড়ু আজাহারুল করিম ও সহকারী পরিচালক দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে শরীর চর্চা বিষয়কবশিক্ষক আরিফ রহমান উপস্থিত ছিলেন।  

এসময় দাবা একাডেমির পরিচালক জানান, ক্ষুদে দাবাড়ু তৈরি করতেই এই প্রতিযোগিতা। এটি খেলে বুদ্ধি বাড়াবে। বিভিন্ন অপকর্ম থেকে নিজেদের বিরত রাখতে পারবে। এই খেলায় পারদর্শী হলে শিশুরা ভালো মন্দ দুটোর পার্থক্য করতে পারে। এইটা মূলত ব্রেনের খেলা। 

এই খেলায় বুদ্ধি বাড়ে। তাই এটিকে বুদ্ধিবৃত্তিক খেলা হিসেবে জানে সবাই। টুর্নামেন্ট পরিচালক দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.বি.এম শাহজাহান কবীর সাজু বলেন, বুদ্ধিবৃত্তিক এই খেলা খেললে শিশুদের বুদ্ধির চর্চা হয়। 

এটি পড়াশোনার জন্য ভীষণ সহযোগী হয়। যে যত বেশি দাবা খেলবে সে তত বেশি মেধাবী হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি মেধার চর্চার মাধ্যমে এক পর্যায়ে রাজনৈতিক সামাজিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নতুন প্রজন্ম।  আর তাই প্রতিটি স্কুলে দাবা খেলার চর্চা করানোটাই জরুরি বলে তিনি মনে করেন। এই খেলার মাধ্যমে ধৈর্য শক্তির উন্নতি ঘটে। ছেলে মেয়েরা কু পথে ধাবিত হয় না। 


আরও খবর

বিসিবি ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন পাপন

সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩




বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করতে চাই

প্রকাশিত:রবিবার ১২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ |

Image

আওয়ামী লীগ বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করতে চায় জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের শিডিউলের মধ্যে তারা এলে তাদের নিয়েই নির্বাচন হবে।

১২ নভেম্বর সচিবালয়ে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

দেশ কি বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, নাকি আপনারা শেষ পর্যন্ত বিএনপির অংশগ্রহণের জন্য অপেক্ষা করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। তাদের এত জনপ্রিয়তা তারা বলেন, সেটি যাচাই করুক। তাদের এত উদ্যোগী কর্মী যারা ২০ মিনিটে ময়দান ছেড়ে চলে গেছেন, তারা কতটুকু নামে আমরা একটু দেখি। তাদের এত জাদরেল নেতা, পুলিশের আওয়াজে- কোনো গুলি হয়নি, কোনো টিয়ারগ্যাসও (নিক্ষেপ) হয়নি, ছোটবেলায় যে বড় বাজি ফোটাতাম সেই বাজির আওয়াজ হয়েছে, সেই আওয়াজে মঞ্চ ছেড়ে চলে গেলেন। তারা নির্বাচনে আসুক, এসে দেখুক তাদের কতটুকু জনপ্রিয়তা। কর্মীরা কতটুকু নামে, এই নেতাদের ওপর কতটুকু আস্থা রাখে। আমরা চাই তাদের সঙ্গে নির্বাচন করতে। নির্বাচনের শিডিউলের মধ্যে তারা এলে তাদের নিয়েই নির্বাচন হবে।

যদি তারা না আসে? এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি দেশে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য নির্বাচন হতে হবে। কোনো একটি দল না এলেও আরও অনেক দল তো অংশগ্রহণ করবে। জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যেখানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রতিটি শহর প্রতিটি গ্রাম বদলে যাচ্ছে, অন্যদিকে দেশ ধ্বংসের জন্য পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে জনগণের ওপর, জনগণের গাড়ি-ঘোড়ার ওপর এবং তারা কোনো উন্নয়ন দেখতে পায় না।

সবাই মিলে সোচ্চার হয়ে এগুলো বন্ধ করতে হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

অবরোধ ডেকে আগের দিনই বিএনপি হামলা চালাচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি কি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হতে পারে? এগুলোকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বললেও কম বলা হয়।

তারা রাস্তায় নেমে এসে ব্যারিকেড দিক। আমরা অবরোধ দেখেছি, আপনারা পালন করুন। সেটি তো তারা করে না, চোরাগোপ্তা হামলা চালায়। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হতে পারে না। বলেন হাছান মাহমুদ।

বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে জাতিসংঘের বিবৃতির বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, তাদের (বিএনপি) আন্দোলন করার অধিকার আছে। সরকারের পদত্যাগ চাওয়ার অধিকার আছে, আমার পদত্যাগ চাওয়ার অধিকার আছে। সেই অধিকার মানে তো গাড়ি-ঘোড়া পোড়ানো নয়। এটিকে কেউ সমর্থন করেনি, করে না। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের অনেকে তাদের এ কর্মকাণ্ডকে কনডেম করেছে। তারা অনেককে নানাভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। তাদের এই কর্মকাণ্ডকে কেউ সমর্থন করে না করতে পারে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বৈঠকের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ভারতে যে বৈঠকটি হয়েছে সেটি ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে। সেই বৈঠকের বিষয় একান্তই তাদের। সেখানে কী আলোচনা হয়েছে সেটি পত্রপত্রিকায় এসেছে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নির্বাচন, উন্নয়ন- এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অবশ্যই ভারত যেটি বলেছে, যথার্থ বলেছে। বাংলাদেশের জনগণের ঠিক করবে নির্বাচনের মাধ্যমে কারা ক্ষমতায় আসবে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়েছে- এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি সরকারের হাতে নেই। খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনের হাতে, আদালতের হাতে। সরকার চাইলেই তো মুক্তি দিতে পারবে না। সরকারের কাছে যেটুকু ক্ষমতা ছিল সেটা দিয়ে তার সাজা স্থগিত রেখে তাকে ঘরে থাকার ব্যবস্থা সরকার করে দিয়েছে, বাকিটা আদালতের বিষয়।

বিএনপি নির্বাচন করতে দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে- এ বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া সেটি যেকোনো রাজনৈতিক দলের অধিকার আছে। কিন্তু নির্বাচন প্রতিহত করার এখতিয়ার কারো নেই। নির্বাচন প্রতিহতের কথা বলা মানেই দেশবিরোধী ও গণতন্ত্রবিরোধী কথাবার্তা। সুতরাং দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী বক্তব্য যারা রাখবে কিংবা অপচেষ্টা চালাবে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। সরকার, জনগণ, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে অব্যাহত রাখা। সেজন্য যা কিছু করা প্রয়োজন, সেগুলো করা হবে।

 


আরও খবর



নভেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল: ইসি সচিব

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ |

Image

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল নভেম্বর মাসের প্রথমার্ধে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম। ৩০ অক্টোবর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফল করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কাজী হাবিবুল আউয়াল। সভায় অন্যান্য কমিশনাররাসহ ইসির উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান সচিব।

তিনি বলেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল নভেম্বর মাসের প্রথমার্ধে ঘোষণা করা হবে।  এখন পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণারা অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। নির্বাচন আয়োজনে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা নেই  । তবে বিএনপি'র ডাকা আগামী তিনদিনের অবরোধের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলার কোনো অবনতি যেন না হয়, সে বিষয়ে তারা সতর্ক থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোট হওয়ার আগ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সময় সময় কমিশনকে জানাবে। তখন প্রয়োজন হলে কমিশন আবার তাদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবে।

ব্যালট বাক্স পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ব্যালট বাক্স কখন পাঠানো হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।  কারণ এখনও অনেক সময় রয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ব্যালট বাক্স পাঠানো পর সমস্যা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সচিব বলেন, আজকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তাদের তথ্য উপস্থাপন করেছে এবং বিভিন্ন বাহিনীর কি সক্ষমতা আছে, বা অতীতে কিভাবে নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের পরিকল্পনা কমিশন উপস্থাপন করেছে। কমিশন তাদের বক্তব্য শুনেছে এবং কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়া, তফসিল ঘোষণার পর পরিপত্র জারি করা হবে সে বিষয়ে কমিশন তাদের অবহিত করেছে।

ইসি জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সপাল স্টাফ অফিসার; মহাপুলিশ পরিদর্শক; র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট, গার্ড, এনএসআই, ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক, এসবি'র অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল।


আরও খবর

নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে

বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩




নওগাঁয় এক গৃহ-বধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ |

Image

নওগাঁয় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূ হলেন, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়ন এর তেজপাইন গ্রামের পরিতোষ চন্দ্র সরকার (৩৩) এর স্ত্রী শিউলি রানী সরকার (২৭)।

স্থানিয় ইউপি সদস্য বিপুল কুমার সহ প্রতিবেশিরা জানান, পরিতোষ চন্দ্র সরকার ও শিউলি রানী সরকার দম্পতির ৭ বছর বয়সি এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। তারা আরো জানান, ঘটনার দিন মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর বিকেলে তেজপাইন গ্রামে নিজ শয়ন ঘরের ভেতর গলায় দড়ির ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ শিউলি রানী সরকার কে দেখতে পেয়ে স্বজনরা হৈ চৈ করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং বেঁচে আছেন ভেবে স্বজন ও প্রতিবেশিরা ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে মহাদেবপুর থানা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মৃতদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানাধীন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই জিয়াউর রহমান প্রতিবেদক কে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরত হাল রিপোর্ট অন্তে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ টি উদ্ধার পূর্বক পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। স্বজন ও স্থানিয়দের বরাত দিয়ে তিনি আরো জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে মান-অভিমান থেকে গলায় ফাঁসদিয়ে আত্নহত্যা করেছেন, তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারন জানাযাবে। এঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি। 


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্র সুপার পাওয়ার, তাদের অগ্রাহ্য করতে পারি না

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ |

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সুপার পাওয়ার। আমরা তাদের প্রত্যাখ্যান করতে পারি না। আমরা করিও না। আমাদের কোনো উদ্দেশ্যও নেই।

ড. মোমেন বলেন, উন্নত দেশ (যুক্তরাষ্ট্র), তাদের তো আমরা কখনো অগ্রাহ্য করতে পারি না। আমরা তো এজন্য তাদের পরামর্শকে অত্যন্ত গুরত্বসহকারে গ্রহণ করি। তবে আমাদের দেশের একটা বাস্তবতা আছে। বাস্তবতার নিরিখে তারা যদি কোনো প্রস্তাব দেয় আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখি।

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র কিছু চায় না উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমেরিকা কিন্তু বেশি কিছু চায় না। তারা চায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরাও চাই। তারা আমাদের সাহায্য করছে। আমরা নিজেরা একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন চাই। আমরা যদি এটা করি, আমেরিকা আমাদের সঙ্গে থাকবে। তারা আমাদের বন্ধু দেশ। শুধু নির্বাচন নয়, তাদের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন রকম সম্পর্ক আছে। আমেরিকা সবসময় বাস্তববাদী।

তিনি বলেন, বরং আমরা তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) বলব, যারা নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে, তাদের তারা ভিসা পলিসির মধ্যে ঢুকাক। তারা তাদের যা করার করুক নির্বাচনে যারা বাধা দেবে। আমরা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নষ্ট করতে চাই না। আমেরিকা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। আমরা তাদের সঙ্গে আছি, তারা আমাদের সঙ্গে আছে।

একাত্তরে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশের সঙ্গে না থাকার প্রসঙ্গ টানেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আমাদের একাত্তরে সমর্থন দেয়নি। তারা পাকিস্তান সরকারকে সমর্থন করেছে। কিন্তু আমরা ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা পাওয়ার পর আমেরিকা প্রতিনিয়ত আমাদের সমর্থন দিয়ে গেছে। কোনো দিন আমাদের বিরুদ্ধে যায়নি। এটা কি মিন করে? তারা আমাদের সঙ্গে আছে।

নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের তৎপরতা কম দেখা যাচ্ছে। সরকার কি বিদেশিদের চুপ থাকতে বাধ্য করল কি না জানতে চাইলে মোমেন বলেন, আমাদের সেই ক্ষমতা নেই। আমাদের বন্ধু দেশ যারা তারা অনেক সময় আমাদের উপদেশ দেয়, যেটা ভালো সেটা গ্রহণ করি। অন্যের যদি ভালো উপদেশ থাকে সহায়ক নির্বাচনের জন্য, আমরা এটাকে স্বাগত জানাই। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেক দিন ধরে বলছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা। সম্প্রতি তারা বলছে, সংঘাতমুক্ত, আমরাও চাই। কিন্তু সেটা আমরা একা পারব না।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের যদি সম্পৃক্ততা থাকে, জনগণ যদি ভোট দেয় তাহলে সেটা অংশগ্রহণমূলক। আমাদের প্রায় নির্বাচনে শতকরা ৫০ ভাগ লোক ভোট দেয়। আমেরিকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সবসময় নির্বাচন হয়। সিনেটর কেনেডি, সিনেটর জন কেরি তাদের বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়ায় না। সম্মানিত লোকের বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়ায় না।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ নিয়ে ঐতিহাসিকভাবে রাজনীতিবিদদের দায় দেখছেন মোমেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে আমাদের রাজনীতিবিদ এটার জন্য দায়ী। কিছু হলেই মিশনে গিয়ে ধরনা দেয়। সাম্প্রতিককালে আমাদের মিডিয়াও এটার জন্য দায়ী। কিছু বাঙালি বিদেশি আছে, তারাও এটার জন্য দায়ী। কয়েকটি গোষ্ঠীর কারণে বিদেশিরা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলায়। প্রত্যেক দিন মার্কিন মুখপাত্রকে ত্যক্ত করে ফেলে বাংলাদেশি সাংবাদিকরা, বাংলাদেশি লোকেরা।

মন্ত্রী বলেন, তারানকো সাহেব কিছু করতে পারছে? আমরা চাইব না, বিদেশিরা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক। তবে সহায়কের ভূমিকা পালন করলে স্বাগত জানাব। আমরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাই, এখানে যদি কেউ সহায়তা করতে চায়, স্বাগত জানাব। কিন্তু আমরা মাতব্বরি করতে দেব না। যারা মাতব্বরি করবে, তাদের আমরা সহ্য করতে পারি না।

বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার পরও যদি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, বিদেশিরা গ্রহণ করবে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই গ্রহণ করবে। যদি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হয়। একটি বড় দল যদি না আসে। মিশরে বড় দল ছিল ব্রাদারহুড, তারা নির্বাচনে আসেনি; আফগানিস্তানে তালেবান আসেনি। যুক্তরাষ্ট্র এটা গ্রহণ করেছে। কোনো একটি বিশেষ দল যদি না আসে, এটা খুব গুরত্বপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, সরকার হিসেবে সব দলকে চাই, নির্বাচনে আসুক। আর আমরা আমাদের নিজেদেরও যাচাই করতে চাই। তাদের যদি কোনো জনসমর্থন থাকে তারা নির্বাচনে আসবে এবং প্রমাণ করবে তাদের অবস্থান।

র‌্যাব প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, আমেরিকা পরিণত সরকার। তারা জানে, র‌্যাব অত খারাপ কাজ করে না। আমেরিকা র‌্যাবকে সমর্থন করবে। হয়ত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আমরা আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছি।

অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, আমাদের দেশের লোকেরা আগেভাগে দুশ্চিন্তা করে। আমরা বিদেশে যে জিনিসপত্র বিক্রি করি, কেউ আমাদের দয়াদাক্ষিণ্য দেখায় না। সস্তায় ভালো জিনিস বিক্রি করি এবং যথাসময়ে পায় বলে কেনে। সুতরাং আমাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই।

 


আরও খবর

নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে

বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩




ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ |

Image

প্রাকৃতিক দুর্যোগে লাইন বেঁকে যাওয়া, পুরাতন সেতু মেরামতের দীর্ঘসূত্রিতার মতো জটিলতা এড়িয়ে পহেলা ডিসেম্বর চালু হচ্ছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন। ওইদিন সকালে রাজধানী ঢাকা থেকে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম হয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন পৌঁছাবে পর্যটন শহর কক্সবাজারে। ভাড়া ৫১৫ থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৩৬ টাকা। ৭ নভেম্বর ট্রায়াল রানের পর ১১ নভেম্বর এই রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত একশো কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইন এখন দৃশ্যমান। সে সঙ্গে দৃশ্যমান হয়েছে যাত্রাপথের স্টেশনগুলোও। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যায় বেঁকে যাওয়া রেল লাইন এরইমধ্যে ঠিক করা হয়েছে। দ্রুতগতিতে চলছে কালুরঘাট সেতুর মেরামত কাজ। ট্রায়াল রানের জন্য ইঞ্জিনসহ ৬টি বগি প্রস্তুত রাখা হয়েছে দোহাজারী স্টেশনে।

আগামী ৭ নভেম্বর শুরু হবে ট্রায়াল রান। এরপর ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। তবে যাত্রীবাহী ট্রেনে চড়তে অপেক্ষা করতে হবে পহেলা ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এ রুটে চলাচলকারী ট্রেনের জন্য প্রবাল, হিমছড়ি, কক্সবাজার, ইনানী, লাবনী এবং সেন্টমার্টিন নামে ৬টি নামও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, কয়টি ট্রেন এ রুটে যাতায়াত করবে তা এখন পর্যন্ত ঠিক করা হয়নি। তবে উদ্বোধনের পর দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের এই রেললাইন খুলে দিচ্ছে পর্যটন শিল্পের নতুন দিগন্ত। প্রথম পর্যায়ে রাত ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে প্রথম ট্রেনটি। এটি চট্টগ্রাম হয়ে সকাল সাড়ে ৬টায় পৌঁছাবে কক্সবাজার। পরবর্তীতে দুপুর ১টায় একই ট্রেন চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ছেড়ে যাবে। রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে পৌঁছাবে রাজধানীতে।

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা গেলে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ঘটবে। বিশেষত বিদেশি পর্যটক সমাগত আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

যাত্রীবাহী ট্রেন ছাড়াও পণ্যবাহী ট্রেন চালু হলে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের পণ্য আনা-নেয়া সহজ হবে। আবার দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ কক্সবাজারে নানা ধরণের শিল্প কারখানা গড়ে তুলতেও সহায়ক হবে।

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের চেয়ারম্যান এস এম আবু তৈয়ব বলেন, এ রেল রুট যোগাযোগে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। আর যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। যখন পরিবহনে খরচ ও সময় কমছে, তখন শিল্প কারাখানা গড়ে ওঠা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা খরচ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এই রেলপথ। ভাড়া প্রস্তাব করা হয়েছে: ঢাকা থেকে নন এসি শোভন চেয়ার ৫১৫ টাকা, এসি সিট ৯৪৮ টাকা, এসি কেবিন ১ হাজার ৩৬৩ টাকা এবং এসি বার্থ ২ হাজার ৩৬ টাকা।


আরও খবর

নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে

বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩