Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নিত্যপণ্যের বাজারে রমজানের প্রভাব

প্রকাশিত:সোমবার ১১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

রমজান শুরুর আগেই বাজারে নিত্যপণ্যের দামে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও এক শ্রেণির ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় বাড়িয়ে দিয়েছে দাম। সবজির বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি মিলছে না।

ইফতার আয়োজনের অন্যতম অনুষঙ্গ বেগুন, শসা, লেবু ও কাঁচামরিচের দামে লেগেছে আগুন। অনেক গ্রাহক আগেভাগেই এসব পণ্য বেশি পরিমাণে কিনে মজুদ করছেন। যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।

নগরের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, লাফিয়ে বাড়ছে বেগুনের দাম। শসা ও লেবু বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। কাঁচামরিচের দামও প্রতিদিন বাড়ছে। খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি বেগুন সর্বোচ্চ ৮০ টাকায় বিক্রি করছেন। কয়েকদিন আগেও পণ্যটি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ভোক্তাদের দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে লেবুর দাম। বাজারে ভালো মানের প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। ফলে একটি লেবু কিনতে গুনতে হচ্ছে ১৫ টাকা। এ ছাড়া শতক ছাড়াচ্ছে শসা। মান বিবেচনায় পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে। ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ক্ষিরা। কাঁচামরিচ বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে। এর মধ্যে নতুন করে বাড়ছে আলুর দাম। বর্তমানে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪০ টাকায়।


অপরদিকে চাল, ডাল, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও চিড়ার দামও বাড়তি। মাছ-মাংসের বাজারেও একই চিত্র। বর্তমানে ছোলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০ টাকায়, মশুর ডাল কেজি ১৪০ টাকা, চিড়া প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬৯ টাকা ও খেজুর মানভেদে ২৯০ টাকা থেকে হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে মোটা সিদ্ধ চাল ৫৫ টাকা, আতপ চাল মানভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০টা থেকে ৮৫০ টাকা, পাঙ্গাস মাছ ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ টাকা এবং রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনার রয়েছে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য। এসব সিন্ডিকেট সরকারকেও জিম্মি করে ফেলে। রমজান মাসে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানি হওয়ার পরও দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:


কুষ্টিয়ার চৌড়হাস এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ আহত হয়েছেন। কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যাপক পুলিশ পাহারায় কুষ্টিয়ার মজমপুর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এরপর তারা মিছিল করে চৌড়হাস এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে।

পরে বিকেল ৫টার দিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মোটর সাইকেলযোগে চৌড়হাস এলাকায় এসে শিক্ষার্থীরাদের ওপর হামলা চালায়। এ তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের ধাওয়া দিলে তারা পিছু হটে।

পরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ নেতাদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে, একটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এরপর মজমপুর গেটে এসে ৬টার দিকে কর্মসূচি শেষ করেন শিক্ষার্থীরা। পুরো সময়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল।

আরও খবর



এবার বাঙালির কন্ঠ ও ঢাকা সাহিত্য পুরষ্কার পাচ্ছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের লেখক এম এ ওয়াজেদ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক::

আবারো পুরষ্কার পাচ্ছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের লেখক ও সমাজ সেবক এম এ ওয়াজেদ। তার সাফল্য মুকুট-এ এবার যুক্ত হচ্ছে বাঙগালির কন্ঠ ও ঢাকা সাহিত্য পুষ্কারের দুটি পালক। 

আগামী ১৯ জুলাই কবি ও সংগঠক হিসেবে বাঙালির কণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার তার হাতে তুলে দেয়া হবে। ইতোমধ্যেই পুরষ্কার দুটি গ্রহণের জন্য কবিকে আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হয়েছে। এর আগে চলতি বছর ২৬ ফেব্রুয়ারী জাতীয় কবি পরিষদ থেকে কবিতা ক্যাটেগরিতে পুরষ্কৃত হয়েছেন লেখক এমএ ওয়াজেদ। 

এমএ ওয়াজেদের পুরো নাম মোহাঃ আব্দুল ওয়াজেদ। ১৯৭৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর নওগাঁর সাপাহার উপজেলার জবই গ্রামে এক মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম৷ পিতার নাম মোঃ মকবুল হোসেন এবং মাতার নাম মোসাঃ মরিয়ম বিবি। শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক স্তর থেকেই সাফল্য পেতে শুরু করেন মেধাবী এই লেখক। তিনি ১৯৮৪ সালে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় এবং ১৯৮৭ সালে অষ্টম শ্রেনির বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি প্রাপ্ত হোন ৷ ১৯৯০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে  উত্তীর্ণ হোন। এ কারনে তাঁকে  সরকারি বৃত্তি প্রদান করা হয়। তিনি উচ্চ শিক্ষা জীবন কাটিয়েছেন শিক্ষার শহর রাজশাহীতে। রাজশাহী  নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ থেকে ১৯৯২ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে  প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন ৷ ১৯৯৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তিসহ এলএলবি (অনার্স ) এবং ১৯৯৮ সালে এলএলএম ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। তিনি নওগাঁয় এ্যাডভোকেট বার সমিতির সদস্য। নিজ জেলায় মানুষকে আইনী সেবা প্রদান করছেন। 

ছোটবেলা থেকেই কবিতা  ও প্রবন্ধ লিখেন এম এ ওয়াজেদ৷ কবিতার সাথে তাঁর গভীর প্রেম। অল্প দিনেই তাঁর লেখা এক গুচ্ছ বই প্রকাশ হয়েছে। যা ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। ইতোমধ্যেই তাঁর লেখা ৭ টি একক কাব্যগ্রন্থ  প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া ১৪ টি যৌথ  কাব্যগ্রন্থ’ ও একটি গল্পগ্রন্থ বেড়িয়েছে তাঁর। একক কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ২০২০ সালে 'আলোকের ঝরনাধারা' ও 'অদ্ভুত আঁধার চারদিকে'। ২০২৩ সালে অমর একুশে বইমেলায় কারুবাক প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় 'প্রভাতের পুষ্পসুবাস'।২০২৪ এ অমর  একুশে বই মেলায় নব সাহিত্য প্রকাশনী  থেকে প্রকাশ হয় 'বেদনার কোষকাব্য' ও 'অভিশংসিত সরোবর'। বাংলা প্রকাশনী থেকে প্রকাশ পায় অন্তর্দহনের শেষ পৃষ্ঠা ও 'হে হৈমন্তিকা যুবতী হও'। যৌথ কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো, অন্তরে অগ্নিশিখা, বুনো রোদ্দুর, ভোরের মাঝি, দ্বিভুজ, কবির কবিত্ব, স্বদেশের মৃত্তিকায় জননীর ঘ্রাণ, পড়ন্ত বিকেলের কাব্য, চাঁদনী রাতের কথা, বিহঙ্গ বাঁশরি, কাব্য ফেরি, প্রবাসী বুলবুল, কলমের আলো, ফিলিস্তিন আমার বারুদের ফুল ও মায়াবতীর নীলকাব্য। সম্পতি 'শ্রেষ্ঠ গল্প' নামে যৌথ গল্পপ্রন্থটিও প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রিকা ও জার্নালে তাঁর লেখা ১শ' ৫০ এর অধিক কবিতা প্রকাশিত হয়েছে।

লেখক এমএ ওয়াজেদ দুই পুত্র সন্তানের জনক ৷ বড় ছেলে সাদিক ওয়াকিল সাদ ২০২৩ সালে নওগাঁ সরকারি কেডি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়ে বর্তমানে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে এইচএসসিতে অধ্যায়নরত। ছোট ছেলে সিহাব ওয়াদুদ হাবিব নওগাঁ সরকারি কেডি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ৷ তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন সুমী একজন আদর্শ গৃহিণী। 

এমএ ওয়াজেদ লেখালেখির বাইরে বৃক্ষরোপন, অসহায় মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান সহ সামাজিক বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। সারাজীবন সাহিত্য রচনা ও সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি। 

আরও খবর



দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

রপ্তানির জন্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজনৈতিক নয়, এখনকার কূটনীতি হবে অর্থনৈতিক। যে অনুযায়ী রপ্তানির বাজার খুঁজতে হবে।

রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, কোনো একটা পণ্যের ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না। রপ্তানির জন্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজে বের করতে হবে। এখনকার কূটনীতি হচ্ছে অর্থনৈতিক বাণিজ্যিক কূটনীতি।

পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়ায় দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালীএমন মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করেছে বলেই দেশের অর্থনীতি এগিয়েছে। মাত্র ১৫ বছরে আমরা এই যে উন্নতি করতে পারলাম, পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছি বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা নিচ্ছি এবং পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিচ্ছি। ২০১০ সাল থেকে ২১ সাল পর্যন্ত যে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করেছিলাম, যে লক্ষ্য স্থির করেছিলাম, এটা আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।

১৯৭৫ সালে জাতির পিতা স্বল্পোন্নত দেশ রেখে গিয়েছিলেন। এরপর ২৯ বছর এ দেশের মানুষের জীবনে কোনো উন্নতি হয়নি, পরিবর্তন ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী করতে পেরেছি। যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে রপ্তানি খাতে অবদানের জন্য জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পাওয়া ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের হাতে ট্রফি তুলে দেন শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পায় একটি প্রতিষ্ঠান।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামী ওহাবকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব ১৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব নিয়মিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সঙ্গবদ্ধ অপরাধী, অপহরণকারী, ধর্ষণকারী, মাদক, ছিনতাইকারী, ডাকাতসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৪ ইং তারিখ বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বালা কৈগাড়ী গ্রামস্থ আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব(৩৭) ও তার সহযোগীদের নির্মম আঘাতে ও শ্বাস রোধ করে ভিকটিম ইউনুছ আলী (৬৫) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় যে, বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বালা কৈগাড়ী গ্রামস্থ ভিকটিমের বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বড় ছেলে মোঃ শাহিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ০১ নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব এর স্ত্রীকে হাত ধরিয়া রাস্তা হতে সরিয়ে দেয়। উক্ত ঘটনা জের ধরে ০১ নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মোঃ শাহিন’কে মারধর করে। উক্ত ঘটনা ভিকটিমের ছোট ছেলে ও মামলার বাদী মোঃ গোলাম রসুল জানতে পারে এবং বালা কৈগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্বে কাচা রাস্তার উপর দিয়ে গত ২২/০৬/২০২৪ ইং তারিখ যাওয়ার সময় ০১ নং আসামীকে দেখতে পেয়ে মারধরের কারন জিঙ্গেস করলে ০১নং আসামীসহ তার সহযোগীরা ভিকটিমের ছোট ছেলে মোঃ গোলাম রসুলকে এলোপাথাড়ী মারধর শুরু করে। তার চিৎকারে পাশে থাকা ভিকটিম দৌড়ে ঘটনাস্থলে আসলে ০১ নং আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে এলোপাথাড়ী মারধর করে এবং ঘাড়সহ মাথা চাপিয়া শ্বাস রোধ করে মৃত্যূ নিশ্চিত করে।


এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৩, রংপুর উক্ত চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এক পর্যায়ে তথ্য উপাত্ত পর্যালচনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫/০৬/২০২৪ ইং তারিখ ০৪.১৫ ঘটিকার সময় রংপুর জেলার সদর থানাধীন বিদ্যিবান গ্রামস্থ্য জনৈক আরমান আলী, পিতা-রফিক উদ্দিন এর বসত বাড়ীর পশ্চিমে নদীর কিনার হতে অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব(৩৭), পিতা-মোঃ জিল্লুর রহমান, সাং-বালা কৈগাড়ী, থানা-সদর, জেলা-বগুড়া’কে গ্রেফতার করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী স্বীকার করে যে, ভিকটিম ইউনুছ আলী (৬৫)’কে নির্মমভাবে আঘাতের মাধ্যমে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে ধৃত আসামীকে বগুড়া জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সালমান নূর আলম সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) পক্ষে অধিনায়ক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



সব বাড়ির মালিককে করের আওতায় আনতে নতুন পরিকল্পনা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে রিপোর্ট:

সিটি করপোরেশনের অধীনে বাড়ির মালিকদের বেশির ভাগেরই নেই করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন)।

 অভিযোগ আছে, করযোগ্য আয় থাকার পরও আয়কর রিটার্ন জমা দেন না তারা। এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এখন তাদের কর ফাঁকি রোধ ও করযোগ্য ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। 

জানা গেছে, এনবিআরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অন্তত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ২৫ শতাংশ, ২০৩১ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তথ্য বলছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকায় বিদ্যুত্ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা ১০ লাখ ২১ হাজার। এর মধ্যে মাত্র ৩ লাখ ৬৫ হাজার ব্যক্তির টিআইএন রয়েছে।

 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) বর্তমান গ্রাহকসংখ্যা ১২ লাখ ৪০ হাজার। তাদের আয়করের বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, করজালের বাইরে আছেন অন্তত ৬০-৭০ শতাংশ গ্রাহক। 

এসব এলাকায় বিদ্যুতের গ্রাহক মানেই তারা সবাই বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিক। অর্থাত্ বাড়ির মালিক হওয়া সত্ত্বেও আয়কর রিটার্ন বা আয়কর দেন না তারা। এটা মাঠ পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী মাত্র দুটি সংস্থার চিত্র। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে গ্রাহকসেবা দিচ্ছে এমন ডজনখানেক সংস্থা। আয়কর কর্মকর্তাদের দাবি, এসব গ্রাহক প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দিচ্ছেন।

এই রাজস্ব ফাঁকি রোধে এনবিআর তাদের সব সিস্টেমের সঙ্গে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে বিদ্যুত্ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডিপিডিসি ও ডেসকো, বিআরটিএ, প্রধান আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তর (সিসিআইঅ্যান্ডই), ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), বিডা, বেপজা, বেজা, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইবাস, বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক, সিটি করপোরেশন, ভূমি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসিকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, সেবাগ্রহীতাদের প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, নির্ভুল তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ ও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার হার কয়েক গুণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি ১৬টি সংস্থার সিস্টেমে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হবে। 

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে করজাল আরো বড় হবে এবং রাজস্ব আদায় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান ১ কোটি টিআইএন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দুই থেকে তিন গুণ হয়ে যাবে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দ্রুতই এ কার্যক্রম শুরু হবে। শুধু বিদ্যুত্, গ্যাস আর সিটি করপোরেশনের ডাটাবেইসের সঙ্গে আন্তঃসংযোগ করতে পারলেই অন্তত ২ কোটি করদাতা বেরিয়ে আসবেন বলে ধারাণা করছে এনবিআর।

 মূলত আয়কর, ভ্যাট, আমদানি-রপ্তানি ও আবগারি শুল্ক আহরণের কার্যক্রম প্রযুক্তিনির্ভর পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণ করতেই এমন পরিকল্পনার পথে হাঁটছে এনবিআর।

করের আওতা বাড়াতে গত কয়েক বছরে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে টিআইএনের আওতায় এনেছে এনবিআর। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি ৪৪টি সেবার বিপরীতে রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যার ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে বর্তমানে টিআইএনধারীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি করের আওতা বাড়াতে ও কর ফাঁকি বন্ধ করতে মোটরযান ও নৌযান নিবন্ধন, সব ধরনের ট্রেড লাইসেন্স এবং ঠিকাদার তালিকাভুক্তি কিংবা নবায়নে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২০২২ সাল থেকে চিঠি চালাচালি করে আসছে এনবিআর।

আয়কর আইন-২০২৩ অনুযায়ী ই-টিআইএন থাকলে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ দাখিল না করার সুযোগ নেই। কিন্তু অনেকেই আয় গোপন ও কর পরিহারের উদ্দেশ্যে রিটার্ন দাখিল থেকে বিরত থাকছেন। সর্বশেষ তথ্যানুসারে দেশে টিআইএনধারীর সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়েছে। যার মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪১ লাখ ৪৫ হাজার ব্যক্তি।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪