Logo
শিরোনাম

হিটস্ট্রোকে একদিনে ১৭ জনের মৃত্যুর রেকর্ড

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

চলমান তীব্র তাপদাহে রোববার হিট স্ট্রোকে সারাদেশে শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, আওয়ামী লীগ নেতা, ব্যবসায়ী, কৃষকসহ ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের হিসাবে দেশের ইতিহাসে এর আগে একদিনে হিট স্ট্রোকে এত মানুষের মৃত্যুর রেকর্ড নেই। 

গতকাল থেকে পঞ্চম দফায় হিট এ্যলার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকবে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা। তাপপ্রবাহের কারণে ঢাকা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা ও রাজশাহী জেলার সব মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সোমবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল  ১৩ জেলায় তাপমাত্রা ছিল ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির ওপরে। ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। 

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, গতকাল রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা শনিবারের চেয়ে ১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এখন যে পরিস্থিতি, তাতে চলতি মাসে তাপমাত্রার তারতম্য হওয়ার সম্ভাবনা কম। আজও তাপমাত্রা একই রকম থাকতে পারে। ৫ বিভাগে প্রচণ্ড দাবদাহর মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ বিভাগে ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে এই তিন বিভাগে আবহাওয়া সহনীয়। চট্টগ্রাম, সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ ,যশোরে ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া রাজশাহীতে ৪২ দশমিক ৬, খুলনায় ৪২ দশমিক ২ , সৈয়দপুরে ৪০ দশমিক ২, মোংলায় ৪১, টাঙ্গাইলে ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসসহ ১৩ জেলায় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রির ওপরে।

হিট স্ট্রোকে ১৭ মৃত্যু 

সংবাদদাতারা জানান, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কাওরান বাজারে যাওয়ার সময় গরমে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন মো. সেলিম (৫৫) নামের এক যাত্রী। মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে হিটস্ট্রোকে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সকালে মারা যান ব্যবসায়ী শাহাদাত্ সরদার (৫২) ও দুপুরে মারা যান কৃষক মোসলেম ঘরামী (৫৮)। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে হিটস্ট্রোকে জাহাঙ্গীর আলম (৫৩) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম শহরে হিট স্ট্রোকে মাওলানা মো. মোস্তাক আহমেদ কুতুবী আলকাদেরী (৫৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া থানার কাদিপুর গ্রামে হিট স্ট্রোকে দলীপ বিশ্বাস (৩৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নরসিংদী আদালত প্রাঙ্গনে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে আইনজীবীর সহকারী সুলতান উদ্দিন (৭৮) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় হিট স্ট্রোকে হাবিবা রিক্তা নামে এক স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের মৈখালী গ্রামে বিলে ধান কাটতে গিয়ে হিট ষ্ট্রোকে মারা গেছেন কালাম সানা (৫০) নামের এক কৃষক। নওগাঁর রাণীনগরে তীব্র তাপদাহে হিট স্ট্রোকে কৃষি শ্রমিক রেজাউল ইসলাম (৪৬) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বরিশালের বাকেরগঞ্জে গরমের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে আওয়ামী লীগ  নেতা রিয়াজুল ইসলামের (৪২) মৃত্যু হয়েছে। যশোরে আহসান হাবীব নামে এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিট স্ট্রোকে জাকির মিয়া (৩০) নামে এক  যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মানিকগঞ্জে হিট স্ট্রোকে হাছিনা পারভীন (৪২) নামে এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নে মোজাহার আলী (৬৩) নামে এক রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মরিয়ম আখতার মুক্তা হিট ষ্ট্রোকে মারা গেছেন। একই উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামে চা বিক্রেতা ফেরদৌস আলম ঠান্ডু(৫০) মারা গেছেন। এদিকে গাইবান্ধায় গত কয়েকদিনে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ১২টি গরু ও শতাধিক মুরগির মৃত্যুর খবর পাওয়া  গেছে।

মধ্য মেতে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির শঙ্কা: কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ আমেরিকার গ্লোবাল ফোরকাস্ট সিস্টেমসহ বিভিন্ন মডেল বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে। ঘূর্ণিঝড়ই যদি বাস্তবে সৃষ্টি হয় তবে ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে রিমাল। এই নামটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানের দেওয়া। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ১৫ মের পরে সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আরও খবর



নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা:


নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে রয়েছে হাওর-বাঁওড়সহ বিভিন্ন আকৃতির জলাশয়।


 আর এগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে ধান আর বর্ষায় মাছ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ কৃষক ও মৎস্যজীবী। হাওরের ধান ও মাছের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হয় তাদের।


 কিন্তু হাওরের জলমহাল ও বিলগুলো মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। 


জেলেরা বলছেন, হাওরপাড়ের প্রভাবশালীরা মৎস্যজীবী সমিতির নামে বিভিন্ন বিল লিজ নিয়ে তাদের দখলে নিচ্ছেন। ফলে বিল ও জলমহাল থেকে মাছ ধরতে পারছেন না প্রকৃত জেলেরা।



জানা যায়, বর্ষাকালেই জেলেরা হাওরে মাছ ধরে থাকেন। চৈত্র মাসের শেষের দিকে সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন বিল লিজ নেয় সমাজের বিত্তশালীরা। স্থানীয় প্রভাবশালীরা সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সমিতির নাম ব্যবহার করে বিলগুলো ইজারা নিয়ে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। 


এতে করে বিপাকে পড়েন মৎস্যজীবীরা। যার ফলে জেলেদের জীবনে নেমে আসে অভাব-অনটন।


নিকলীতে প্রায় ছোট-বড় শতাধিক বিল ও জলাশয় রয়েছে। বর্ষার সময় এ বিলগুলো থেকে মাছ শিকার করে হাওর অঞ্চলের জেলেরা জীবনযাপন করেন। কিন্তু বর্ষার মাঝামাঝি সময়ে প্রভাবশালীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে হাওরগুলো লিজ দেওয়া হয়। 


একেকটি বিল লিজ নিতে কোটি বা অর্ধকোটি অথবা লাখ লাখ টাকা ব্যয় করতে জেলেরা না পারায় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বিলগুলো। বিল ইজারা নিয়ে হাওরে মাছ শিকার নিষেধ করে দেন মৎস্যজীবীদের। ফলে তাদের অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়। অভাবের কারণে অনেক জেলে পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা, চিকিৎসা ও পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়।


 মৎস্যজীবী রাকেশ দাস বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবীদের নামে। কিন্তু তার আধিপত্য চলে যায় প্রভাবশালীদের কাছে। ফলে আমাদের মতো সাধারণ মৎস্যজীবীদের বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তাই লিজ নেওয়া বিলে দিনমজুরি করে ছেলেমেয়েদের মুখে দুই বেলা ভাত তুলে দিতে হিমশিম খেতে হয়।


 সরকার যাদেরকে বিল লিজ দেয় তাদের একটা সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া দরকার। যাতে অন্য মত্স্যজীবীরা সীমানার বাইরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।



এ ব্যাপারে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তার বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবী সমিতির নামে। কিন্তু তারা পরবর্তীকালে প্রভাবশালীদের কাছে বিক্রি করে দেন। জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী মৎস্যজীবী সমিতিকে দেওয়া হয়। 


কিন্তু ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা ও সচেতনতার অভাবে ও অর্থসংকটের কারণে প্রভাবশালীদের দ্বারস্থ হন তারা। মৎস্যজীবীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও অর্থসংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকলেও তারা প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।


আরও খবর



সরকার ও আওয়ামী লীগ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


সরকার ও আওয়ামী লীগ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার। অতীতে এমন দুর্যোগ হয়েছে, কিন্তু কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। দুর্যোগ আসবেই, কিন্তু তা মোকাবেলা করে টিকে থাকার সামর্থ অর্জন করতে হবে। সেটাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য।


বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে কলাপাড়ায় মোজহারউদ্দিন বিশ্বাস কলেজ মাঠে সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণের জন্য পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী।


শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ধারাবাহিক গণতন্ত্র আছে বলেই দুগর্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছি। আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে, যেনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষ রেহাই পায়। ভেঙে যাওয়া বাঁধ ইতোমধ্যেই পুনঃনির্মাণ শুরু করে দিয়েছি, যাতে বন্যার আগেই নির্মাণকাজ শেষ হয়। 


উপকূলে দুর্যোগ সহনীয়নীয় ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে যেখানে আপনাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে সেটুকুও নতুন করে তৈরি তৈরি করে দেবো, আমার ওপর আস্থা রাখুন।


১০০ কিলোমিটারের বেশি বাতাসের বেগ নিয়ে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় রেমালের সঙ্গে জলোচ্ছ্বাসে ধসে পড়ে উপকূলীয় এলাকার অনেক ঘর। গাছপালা ভেঙেও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 


ভেসে গেছে মাছের ঘের। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পটুয়াখালীতে দফায় দফায় প্লাবিত হয়েছে চরাঞ্চলসহ শতাধিক গ্রাম। তলিয়ে যায় পৌরসভাসহ জেলার নিম্নাঞ্চল।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬ জন। সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৮৩টি এবং আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২টি ঘরবাড়ি।


আরও খবর



নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা: দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও মামলা

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা :


দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বেশকিছু হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। 


উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নে বিজয়ী-পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতার ঘটনায় দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (২৫ মে) রাতে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের ও দুজন গ্রেপ্তার হয়েছে। রোববার (২৬ মে) দু’পক্ষই ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে কলতাপাড়া ও গাজীপুর বাজারে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সমাবেশে উভয়পক্ষই আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।


গত ২১ মে গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হন আনারস প্রতীকের সোমনাথ সাহা। নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা ছিলেন দোয়াত-কলম প্রতীকের মোফাজ্জল হোসেন খান।



স্থানীয়রা জানান, ডৌহাখলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এমএ কাইয়ুম নির্বাচনে দোয়াত-কলম প্রতীকের পক্ষে কাজ করেন। ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার নির্বাচনে কাজ করেন আনারস প্রতীকের পক্ষে। 


নির্বাচনের পরের দিন ২২মে বিকালে সাড়ে ৫টার দিকে আনারস প্রতীকের লোকজন উপজেলার কলতাপাড়া বাজারে ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুমের ওপর হামলা ও গুলি করার পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে।


গৌরীপুর থানার ওসি সুমন চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় দুপক্ষই মামলা করেছেন।  ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুমের দায়েরকৃত মামলার আসামি তমাল খান পাঠান ও রিপন শেখ এই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। 


দুই মামালার অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে। এলাকায় পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।


আরও খবর



ঈদে সিএনজি স্টেশন খোলা রাখার বিষয়ে যা জানালেন সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সিএনজি স্টেশনগুলো ঈদের ৭ দিন আগে থেকে এবং ৫ দিন পর পর্যন্ত সারাদিন খোলা থাকবে। 


এ সময় নো হেলমেট, নো ফুয়েল। মন্ত্রী এমপির লোক বলেও যেন কেউ পার না পায়।


আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীর বিআরটিএর কার্যালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়কপথে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।



এ সময় মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে সড়কে কোন খোঁড়াখুঁড়ি করা যাবে না। এবার জলোচ্ছ্বাসে বেশ কিছু রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঈদের সাত দিন আগে এসব সড়ক ঠিক করতে হবে।


ওবায়দুল কাদের বলেন, রোজার ঈদের আগে তেমন কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি, তবে ঈদের পর অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঈদ পরবর্তী নজরদারি কমানোর কারণে সড়কে দুর্ঘটনা বেড়ে যায়। হেলপার যেন ড্রাইভার না হয় এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে দূরের যাত্রায়।


তিনি বলেন, গাড়ির ফিটনেস ঠিক রাখতে হবে। লক্কড় ঝক্কড় গাড়িতে রং দিয়ে লাভ নেই। ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে পরিবহন মালিকদের আহ্বান জানাই। ঈদে পোশাক কারখানা ছুটি দিলে যানজটের সৃষ্টি হয়, এ বিষয়ে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।


সেতুমন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আসা যায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিটে আর আর ঢাকায় হানিফ ফ্লাইওভার দেড় দুই ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। গাড়ির চাপে স্থবির হয়ে থাকে হানিফ ফ্লাইওভার। নিচের দিকের কিছু কারণে এই সমস্যাটা তৈরি হয়। জাতীয় স্বার্থেই এই সমস্যার সমাধান করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সাথে ঈদের কোন সম্পর্ক নেই। সহায়ক শক্তি মাত্র। যাত্রী কল্যাণ সমিতির কোন লাইসেন্স নেই।


 তারা যা দুর্ঘটনা হয় তার চেয়ে বেশি তিনগুণ তুলে ধরে। অফিসে অফিসে গিয়ে চাঁদা না পেলে তারা এসব কাজ করে।


আরও খবর



নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কিনবে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


ভারতের জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে পাঁচ বছরের জন্য ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার। যার প্রতি ইউনিট ব্যয় হবে ৮ টাকা ১৭ পয়সা।



আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে এ জলবিদ্যুৎ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে পণ্য ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এটিসহ আরও ১৫টি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।



উখিয়া ক্যাম্পে রোহিঙ্গাকে পিটিয়ে হত্যা

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় জুলাই থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে সিঙ্গাপুর থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার, যেখানে শুধু জাহাজ ভাড়া বা প্রিমিয়াম পড়বে ১৩ হাজার ৮৭৬ দশমিক ৫৩ কোটি টাকা। 


টিসিবির মাধ্যমে সরকার স্থানীয়ভাবে ডাল ও ভোজ্যতেল কিনবে। মসুর ডাল কিনবে ১০ হাজার মেট্রিক টন, যার মোট খরচ ২০৫ কোটি টাকা। আর ৩৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকায় সয়াবিন তেল কিনবে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার। সরকার সারও কিনবে বিভিন্ন উৎস থেকে।


তিউনিশিয়া থেকে ১১৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার, কানাডা থেকে ১২৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার, মরক্কো থেকে ২২৫ কোটি ৫২ লাখ টাকায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার, কাতার থেকে ১১০ কোটি ২৮ লাখ টাকায় ৩০ হাজার বাল্ক গ্র্যানিউলার ইউরিয়ার সার এবং কাফকো থেকে ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকায় ৩০ হাজার বাল্ক গ্র্যানিউলার ইউরিয়ার সার কেনা হবে।


এছাড়া আগামী ১ বছরের জন্য জিটুজি পদ্ধতিতে কাতার ও সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে।



বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, 'ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসবে এই বিদ্যুৎ। ভারত হয়ে ওই বিদ্যুৎ আসবে বলে ভারতকে ট্রেডিং মার্জিন হিসেবে দিতে হবে ইউনিট প্রতি দশমিক ০৫৯ রুপি। ভারতকে ট্রান্সমিশন খরচও দিতে হবে; তবে তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। '


এই বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ৫ বছরের জন্য ৬৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়েছে।


মাহমুদুল হোসাইন খান আরও জানান, নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এ বিষয়ে চুক্তি করবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নেপাল সফরের সময় কবে থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে, সেই বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।



আরও খবর