Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নওগাঁয় গাঁজা সহ দু'জন কে আটক করেছে র‌্যাব

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় মোটরসাইকেল যোগে অভিনব কায়দায় গাঁজা বহনকালে গাঁজা উদ্ধার সহ দু'জন কে আটক করেছে র‌্যাব।

নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার চকতাল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোটর সাইকেলে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা মাদক গাঁজা সহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করেন র‌্যাব। সত্যতা নিশ্চিত করে।

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকস অপারেশনাল দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ শেখ সাদিক এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র এএসপি মোঃ রফিকুল ইসলাম এর নেতৃত্বে মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২টারদিকে নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার চকতাল এলাকা হতে ১ কেজি ৯শ' গ্রাম গাঁজা সহ বদলগাছী উপজেলার ঝালঘড়িয়া গ্রামের মৃত শাহজাহান আলী খান এর ছেলে সোহেল রানা (৩৪) ও সাহপুর গ্রামের মোজাহার আলীর ছেলে

মোঃ রিপন (৩৫) কে আটক করা হয়।

আটককৃত সোহেল রানা চিহ্নিত একজন মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসায়ী সোহেল সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে রিপন এর মাধ্যমে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করত বলেও জানান র‌্যাব। এব্যাপারে নওগাঁর বদলগাছি থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় তারে বাঁধা সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নওগাঁর জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক হচ্ছে সমবায় সড়ক। সমবায় চত্বরের পাশ দিয়ে চলে গেছে এই সড়কটি। এই সড়কের সঙ্গে অবস্থিত নওগাঁ চক্ষু হাসপাতাল ও ড্যাফোডিল জুনিয়র স্কুল। সমবায় এই সড়কটি মুক্তির মোড়ের জেলা পরিষদের পার্কের প্রধান গেইট এর বিপরীত দিক দিয়ে চলে গেছে এটিম মাঠ ও উকিলপাড়ার মধ্যে। 

তাই প্রতিনিয়তই শত শত শিক্ষার্থীরা জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কেডি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে চলাচল করে থাকেন। এছাড়াও এ অঞ্চলের বাসিন্দারাও দীর্ঘদিন যাবত সটকাট রাস্তা হিসেবে এই সড়কটি ব্যবহার করে আসছেন। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, এই সড়কের সঙ্গে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে নওগাঁ গাঁজা উৎপাদনকারী (অংশীদার) পূর্ণবাসন সমবায় সমিতি লিঃ কর্তৃক পরিচালিত গাঁজা সমবায় হিমাগার। বর্তমানে পরিত্যক্ত এই হিমাগারের ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীরটি ডাব গাছের সঙ্গে তার দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। যে কোন সময় প্রাচীর টি পথচারীদের উপর ভেঙ্গে পড়তে পারে। তাই বর্তমানে এই সড়ক দিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন মরণফাঁদ নামক সড়কের এই সীমানা প্রাচীর টির দ্রুত সংস্কার চান স্থানীয়রা।  

পথচারী মাকসুদুর রহমান বলেন, প্রতিনিয়তই সন্তানদের নিয়ে একাধিকবার এই সড়ক দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় কোমল-মতি শিক্ষার্থীরা একা চলাচল করে এই সড়ক দিয়ে। প্রধান সড়কে অধিকাংশ সময় যানজট লেগে থাকার কারণে আবাসিক এলাকার বাসিন্দাসহ অধিকাংশ পথচারীরা এই নিরিবিলি সড়কটি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত সমবায় হিমাগারের সীমানা প্রাচীরটির কোন সংস্কার না করায় এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীরটি অপসারণ করে দ্রুতই নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে সড়কটি কে নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। 

সদর উপজেলা প্রকৌশলী সানোয়ার হোসেন বলেন, যেহেতু ঐ সড়কটি পৌর সভার মধ্যে অবস্থিত তাই এই বিষয়ে যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে পৌর কর্তৃপক্ষ। 

নওগাঁ পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ নজমুল হক সনি বলেন, আমাকে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম. রবিন শীষ বলেন, আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে অনিরাপদ সড়কটিকে নিরাপদ করতে দ্রুতই ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবো। 


আরও খবর



সরে দাঁড়ালেন বিলাওয়াল

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নির্বাচনের পর পাকিস্তানে নতুন সরকার গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাঝে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থিতা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারে তার দল পিপিপি যোগ দেবে না বলে জানিয়েছেন বিলাওয়াল।

দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) বৈঠকে পিপিপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিলাওয়াল বলেছেন, এটা সত্য যে, পিপিপির কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের ম্যান্ডেট নেই। আর এই কারণে আমি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থিতায় থাকছি না।

তিনি বলেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং পিএমএল-এন জাতীয় পরিষদে তার দলের চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পিপিপির সাথে কোনও সংলাপে জড়াবেন না বলে ঘোষণা দেওয়ায় দেশে পিটিআই বা স্বতন্ত্রদের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের কোনও সম্ভাবনা নেই।

দেশটির তরুণ এই রাজনীতিক বলেন, পিপিপি কেন্দ্রে সরকার গঠনের অবস্থানে না থাকায় কোনও মন্ত্রণালয়েও যোগ দেবে না। তিনি বলেন, আমরা দেশে বিশৃঙ্খলা বা দেশে চিরস্থায়ী সংকট দেখতে চাই না।

লোভনীয় পদে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীকে সমর্থন করার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে বিলাওয়াল বলেন, পিপিপি দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে পিএমএল-এনের প্রার্থীকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে, ইমরান খানের পিটিআই দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য মজলিস-ই-ওয়াহদাত-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) পার্টির সাথে জোট করবে বলে জানিয়েছে। ইমরান খানের নির্দেশে কেন্দ্র এবং পাঞ্জাব প্রদেশে দলটির সাথে পিটিআই এই জোট গড়বে বলে পিটিআইয়ের মুখপাত্র রউফ হাসান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ইসলামাবাদে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তানের (এমকিউএম-পি) সাথে সরকার গঠনের সব ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে এমডব্লিউএমের সাথে জোট করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি সংরক্ষিত আসন নিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশে জামায়াত-ই-ইসলামির (জেআই) সঙ্গে পিটিআইকে জোট করতে বলেছেন তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯২টি আসনে জয় পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া পিএমএল-এন ৭৯ ও পিপিপি ৫৩ আসনে জয় পেয়েছে। দেশটিতে কোনও দলই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ব্যাপক রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

এর মাঝেই দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে পিএমএল-এন এবং পিপিপির তাদের সংসদীয় অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দলে ভেড়ানোর জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে এমডব্লিউএম। এখন এই দলটির সাথে কেন্দ্রে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিটিআই। আর পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদে ইমরান খানের দলের সমর্থিত ১১৬ প্রার্থী জয় পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীদের যেকোনও একটি দলে যোগ দিতে হবে। যদি কোনও দলে যোগ দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে সংরক্ষিত আসনের বরাদ্দ পাবে না পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ীরা।

দেশটির সংবিধানে বলা আছে, রাজনৈতিক দলগুলোকে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি অথবা নির্বাচনের দিন থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সরকার গঠন করতে হবে। দেশটির জাতীয় পরিষদে মোট ৩৩৬টি আসন রয়েছে। যার মধ্যে ২৬৬টি আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় পরিষদে ৭০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৬০টি নারীদের এবং ১০টি অমুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত। জাতীয় পরিষদে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান অনুযায়ী এসব আসন বণ্টন করা হয়।

সূত্র: জিও নিউজ, ডন।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




রাখাইনের সেনা সদরদপ্তর দখলে নিলো আরাকান আর্মি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির (এএ) তীব্র লড়াই চলছে। এরই মধ্যে রোববার (২৮ জানুয়ারি) রাখাইনের মিনবিয়া শহরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ৩৮০ ব্যাটালিয়নের সদরদপ্তর দখলে নেওয়ার দাবি করেছে আরাকান আর্মি।

মিয়ানমারের ইংরেজি দৈনিক ইরাবতীর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, রাখাইনের ম্রাউক ইউ, কিয়াকতাও ও রাথেডং এলাকায় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে এখনো আরাকান আর্মির লড়াই ব্যাপক লড়াই চলছে।

এক বিবৃতিতে আরাকান আর্মি বলেছে, জান্তা সৈন্যরা এখন আমাদের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই করতে পারছে না। তারা এখন আরও বেশি গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালাচ্ছে। ম্রাউক ইউ শহরে সেনাবাহিনীর ৩৭৭ ও ৫৪০ ব্যাটালিয়ন ও পুলিশের ৩১ ব্যাটালিয়ন থেকে গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) জান্তা বাহিনীর গোলাবর্ষণে এই শহরের চার বাসিন্দা নিহত ও অন্ত ২০ জন আহত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, জান্তা সৈন্যরা রামরি শহরে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। তবে শহরটিতে আরাকান আর্মির বিদ্রোহীদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সম্মুখ লড়াইয়ের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার বুথিডং শহরেও উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে জান্তা সৈন্যরা আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আরাকান আর্মি। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর ২৩২ এবং ৩৪৪ ব্যাটালিয়ন সিত্তে ও মিনবিয়া শহরে গোলাবর্ষণ করেছে।

সেখানকার বাসিন্দারা বলেছেন, মিনবিয়া শহরের খোয়া সোন গ্রামে সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণে অন্তত তিন বাসিন্দা গুরুতর আহত হয়েছেন। এর আগে, আরাকান আর্মির যোদ্ধারা ২৪ জানুয়ারি পাকতাও শহরের দখল নেন। এরপর থেকেই সেনাবাহিনী এই শহরে বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ শুরু করে।

আরাকান আর্মি বলেছে, শনিবার রাতেও পাকতাও শহরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওয়াই-১২ সামরিক পরিবহন বিমান থেকে বোমা হামলা চালানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ‌্যের বিদ্রোহীগোষ্ঠী আরাকান আর্মি মিয়ানমারের শাসনে থাকতে চায় না। তারা রাখাইন রাজ‌্যকে স্বীকার করে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠী এই রাজ‌্যকে আরাকান বলে মনে করে। তাদের মতে, আরাকান একটি স্বাধীন রাজ‌্য ছিল। কিন্তু বার্মার রাজা আরাকান দখল করে রাজ‌্যটিকে দেশটির অন্তর্ভুক্ত করে।

আরাকানের স্বাধীন সত্ত্বা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সশস্ত্র সংগ্রাম করে যাচ্ছে আরাকান আর্মি। সম্প্রতি তারা দখল করে নিয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পালতোয়া, যেটি মিয়ানমারের চিন রাজ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে পালতোয়ার দূরত্ব মাত্র ১৮ কিলোমিটারের কাছাকাছি।

তাছাড়া গত বছরের নভেম্বরে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে দক্ষিণ চিন রাজ্যের পালেতওয়া ও উত্তর রাখাইনে জান্তা বাহিনীর ১৬০টিরও বেশি ঘাঁটির দখল নিয়েছে আরাকান আর্মি। সূত্র: দ্য ইরাবতী

 

 


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




নওগাঁয় সড়কে ছিটিয়ে পড়েছিল অজ্ঞাত নারী দেহর বিভিন্ন অংশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁয় মহাসড়কের উপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছিলো এক নারী দেহর বিভিন্ন অংশ। এমন কি মাথার খুলি ছোট ছোট টুকরা হয়ে ও পড়ে ছিলো সড়কের উপর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে সড়কের উপর থেকে নারী দেহর বিভিন্ন অংশগুলো উদ্ধার করেছে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশ। 

স্থানিয় সুত্র জানায়, বুধবার সকালে নওগাঁ টু রাজশাহী মহাসড়কের হিন্দুবাঘা (বলিহার) ব্রীজের পার্শ্ববর্তী এলাকায় সড়কের উপর হাড়, মাংসের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখতে পেলেও শিয়াল বা কুকুর মনে করে পথচারীরা অনেকে এড়িয়ে গেছেন। এছাড়া একাধীক যানবাহন এর চাকায় একের পর এক পিষ্ট হচ্ছিলো সড়কে পড়ে থাকা হাড় সহ মাংসগুলো। এরি মাঝে কোন এক পথচারীর নজরে পড়ে  (মানুষ) নারীর মাথার লম্বা চুল। এরপর লোকজন কাছে এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান নারীর মাথার, হাতের অংশ, পায়ের কিছু অংশ, সহ বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে - ছিটিয়ে থাকা  মাথার ঠুলির টুকরো সহ নারী দেহর বিভিন্ন অংশের মাংসের টুকরো। পরে ঘটনাটি থানা পুলিশ কে জানালে, নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে পৌছে সড়কের উপর ছড়িয়ে -ছিটিয়ে থাকা নারীর অংশ বিশেষ উদ্ধার করেন থানা পুলিশ। এব্যাপারে স্থানিয় ইউপি সদস্য সুমন প্রতিবেদক কে জানান, স্থানিয়দের মাদ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি রাতের বেলা এই এলাকায় সড়কের উপর অজ্ঞাতনামা মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে অনেকেই চলাফেরা করতে দেখেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ধারনা করা হচ্ছে সেই মানসিক নারীটি রাতের কোন এক সময় দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে   ঘটনাস্থলে পৌছে সড়কের উপর থেকে (স্থানিয়দের ভাষ্যমতে) মানসিক ভারসাম্যহীন অজ্ঞাতনামা এক নারী দেহর কিছু অংশ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে এবং আইনি পদক্ষেপ পক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


আরও খবর



ধামরাইয়ে বংশী নদী ভরাট চলছে আঁটো রাইছ মিলের ছাই দিয়ে

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের সোমভাগ কাটাখালী এলাকায় কেলিয়ার উত্তরপাশে বংশী নদী ভরাট চলছে ধানের চাতালের ছাই দিয়ে। নদী ভরাটের ফলে গতি পথে বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে ছাই দিয়ে ভরাটের কর্মযজ্ঞ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া এলাকায় কে এন্ড কে অটোরাইস মিল, কাদের আটো রাইস মিল, সৌদিয়া অটো রাইস মিল,সুষমা অটো রাইস মিল মালিকরা নদী ভরাট করে পানি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।


আরও খবর