Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নওগাঁয় হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁয় গভীর নলকুপ নিয়ে বিবাদে উজ্জল হোসেন হত্যা মামলায় ৫ সহোদর সহ ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো দু' বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। এসময় আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বুধবার ২৩ নভেম্বর দুপুর ১২টায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত এর বিচারক ফেরদৌস ওয়াহিদ এ রায় প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলে, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকী এবং আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ-২।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার সারঙ্গপাড়া মৌজায় সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধিত গভীর নলকুপ পরিচালনা করতেন দূর্গাপুর গ্রামের নিহত উজ্জল হোসেন এর চাচা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। ২০১৩ ইং সালে ৯ মে ঐ নলকুপকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে নলকূপটি দখলে নেওয়ার জন্য দূর্গাপুর গ্রামের কামরুজ্জামান, ওয়াহেদ আলী, সামসুজ্জামান, রকেট, ডাবলু, আব্দুল হামিদ, এনামুল, মোশারফ হোসেন, বজলুর রহমান, এমদাদুল হক, কারিমা বেগম, জলি আক্তার এবং জয়পুরহাট জেলার বাঁশকাটা গ্রামের মোছা. জীবন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে নলকুপ ঘড়ের দরজার তালা ভেঙে তারা ভেতরে প্রবেশ করে কৃষকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের রশিদ ছিড়ে ফেলেন এবং বাক্সে রাখা কৃষকদের নিকট থেকে আদায়কৃত ১৭ হাজার ৫শ' টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় উজ্জল হোসেন সহ কয়েকজন বাঁধা দিলে লাঠিসোটা ও লোহার রড দিয়ে মারপিট সহ মরিচের গুড়া মেশানো গরম পানি ছিটিয়ে দিলে উজ্জলের শরীর "পেটের বামপাশে" ঝলসে যায়। উজ্জল গুরুত্বর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে রাজশাহী মেকিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পরদিন মারা যান উজ্জল।

এঘটনায় নিহতের চাচা মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিত্বে ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় দেয় আদালত। এছাড়া প্রত্যেক ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দু' বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন আদালত। তবে মামলায় ৩ জন নারীর কোন সম্পৃক্ততা না থাকায় ঐ ৩ জন নারীকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।

ন্যায় বিচারে আদালতের প্রতি সন্তুষ্ট প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকী জানান, দেশে যে ন্যায় বিচার আছে তা এই রায়ের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে।

অপরদিকে, আসামী পক্ষের আইনজীবী মামুনুর রশিদ-২ বলেন, এ মামলায় আমাদের বিপক্ষে যারা স্বাক্ষ্য প্রদান করেছেন তাদের প্রত্যেকের সাক্ষী হিসেবে জবানমন্দী ও জেরা এবং পুঙ্খানু-পুঙ্খ বিশ্লেষণে অবশ্যই আসামীদের বিপক্ষে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। তারপরও আসামীদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। এতে করে আমরা ক্ষুদ্ধ, খুন্ন ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে। 


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব। 

বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১১ টারদিকে নওগাঁ জেরা সদর থানা ও উপজেলার বক্তারপুর এলাকার একটি আলুর ক্ষেত থেকে ওয়ান শুটারগান গুলো উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেন র‍্যাব।

র‍্যাব জানান, নওগাঁ সদর মডেল থানার বক্তারপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময়ে গোপনে মাদক ও অস্ত্র সরবরাহ সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে বক্তারপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার সময়ে অজ্ঞাত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে চাকলা হতে শ্যামপুর রাস্তার মধ্যস্থলে রাস্তার পাশে আলুর ক্ষেতে ৩টি ওয়ান শুটারগান ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র গুলো উদ্ধার করা হয়। 

পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র গুলো নওগাঁ জেলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান র‍্যাব।


আরও খবর



মাভাবিপ্রবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মো: হৃদয় হোসাইন মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে দুইদিন ব্যাপী Koha Library Software ব্যবহার এবং TroubleShooting শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম।

রিসোর্স পারসন হিসেবে কর্মশালা পরিচালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-গ্রন্থাগারিক মোঃ রফিকুর রহমান।

কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।


আরও খবর

আজ থেকে এক মাস বন্ধ সব কোচিং সেন্টার

মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খোঁজার আহ্বান শেখ হাসিনার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স (এমএসসি)-২০২৪ এর সাইডলাইনে হোটেল বেইরিশার হফে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় বলেন, আমরা সব ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে। আজ জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় তিনি বারবার আলোচনা করেছেন যে, কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, গাজায় নিরপরাধ নারী-পুরুষের ওপর হামলা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়েও তারা আলোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্যরা যুদ্ধের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধ যুদ্ধে জড়িত দেশগুলোর জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না এবং তাদের জনগণকে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশবাসীর দুর্ভোগের কথা এবং তিনি নিজেও তার মুখোমুখি হওয়ার স্মৃতি স্মরণ করেন, জানান হাছান মাহমুদ।

তিনি যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দিদশায় তার অমানবিক কষ্ট এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের কথা স্মরণ করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি-'সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বিদ্বেষ নয়'- প্রধানমন্ত্রী এবং জেলেনস্কির মধ্যে আলোচনায় প্রধানত উঠে এসেছে বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভিত্তি পেয়েছিল, তাতে কোনো বাধা আসবে না। রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং যুদ্ধের পর বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।

তিনি বলেন, আমরা শুধু আলোচনা করেছি, কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায়।

ব্রিফিংকালে জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. নূরেলাহী মিনা উপস্থিত ছিলেন।

দিনভর শেখ হাসিনা একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছান। সফর শেষে শেখ হাসিনা আগামীকাল রোববার ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে মিউনিখ ত্যাগ করবেন এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


আরও খবর



একটি জীর্ন বিবস্র শহীদ মিনারের কান্না !!

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাসুম খান :ঢাকা থেকে মাত্র ৩০ কি:মি: দুরত্বে অবস্থিত মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার, টেঙ্গারচর ইউনিয়নের ১৩ নং টেংগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার এটি।  এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,শিক্ষকবৃন্দ ম্যানেজিং কমিটি,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকার বড় বড় রাজনৈতিক ব্যক্তিগন, সচেতন সমাজ কারোই কি এই বিবস্র শহীদ মিনারটি দেখে লজ্জা লাগে না? একটি সরকারি বিদ্যালয়ের পিছনে সরকার বছরে  ২০-২৫ লক্ষ টাকা খরচ  করে শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদি,নির্মান সংস্কার,বই-পত্র,অবকাঠামো, শিক্ষা উপকরণ সহ বিভিন্ন খাতে। অথচ শহীদ মিনারের এই করুণ অবস্থা! এর দায় ভার কার?  প্রাথমিক শিক্ষাই হলো একজন মানুষের শিক্ষার মুল ভিত্তি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা  আনুষ্ঠানিক শিক্ষা,ব্যক্তিগত,পারিবারিক,জাতীয়, আন্তর্জাতিক আচরণিক মূল্যবোধ, স্বদেশ প্রেম,মানবতাবোধ,পরিবেশ সচেতনতার,নান্দনিক সৌন্দর্য বোধের  মৌলিক  ভিত্তি অর্জন করে। মহান ২১ ফেব্রুয়ারী শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ২১ ফেব্রুয়ারী আমাদের  স্বাধীন জাতি সত্ত্বার শিকড়ের কথা,সংগ্রামের কথা মনে করিয়ে দেয়। শহীদ নিনার ভাষা শহীদদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসার প্রতিক। এই অবহেলিত   শহীদ মিনার কোমল মতি শিশুদের কি শিক্ষা দেয়?  কেন এই অবহেলা? 

আমার জানামতে গজারিয়ায় প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুন্দর ভবন আছে। কিন্তু শহীদ মিনার নেই।

প্রতিটি স্কুলে নান্দনিক শহীদ মিনার বাধ্যতামূলক করা উচিত বলে আমি মনে করি। শহীদ মিনারে সারা বছর ব্যাপী বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান হবে। ২১ ফেব্রুয়ারিতে সজ্জিত করা হবে যথাযথ মর্যাদা ঈ গাম্ভিয্যের সাথে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন ৪০-২০ হাজার টাকা বেতন পান। অথচ সরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে, সবাই কিন্ডারগার্টেনে পড়তে যায়। ৬২ টি কিন্ডারগার্টেন আছে গজারিয়ায়। অথচ গজারিয়ায় ৮৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৭৮ টি ওয়ার্ডে। শহীদ মিনারের এই করুন দশা যেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ এবং শিক্ষার মানের প্রতিচ্ছবি। 

সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্ঠি আকর্ষণ করছি।


আরও খবর



পাকিস্তানে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নির্বাচনের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক পক্ষগুলো সমীকরণের পর সমীকরণ আর সুযোগ-সুবিধা ও পদ-পদবির টোপ দেওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। এমনকি কারারুদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিটিআই দলের প্রধান ইমরান খান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভেতরও টোপের লোভ পেয়ে বসেছে। ফলে প্রায় ডজনখানেক প্রার্থী এরই মধ্যে ইমরানের পক্ষ ছেড়ে নওয়াজ শরিফের পক্ষে চলে গেছেন। অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) সমঝোতার পথে অনেক দূর এগিয়েছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে। তারা একটি পালাক্রমের সরকার গঠনে প্রায় একমত। অর্থাৎ পাঁচ বছর মেয়াদকালের নতুন সরকারে তারা আড়াই বছর করে একে-অপরে সরকার চালানোর বিষয় নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছার চেষ্টা করছে। সূত্র : জিও নিউজ, ডন, রয়টার্স, আল-জাজিরা, এনডিটিভি

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে দেশটির জন্য জোট সরকার গঠন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। জোট সরকার গঠন নিয়ে নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর দল সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে। তারা ক্ষমতার ভাগাভাগিতে সমঝোতার চেষ্টা করছে। তবে কোনো পক্ষই এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছে না।

পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী যিনিই হন না কেন, আগামী দিনগুলোয় জাতীয় পরিষদে ১৬৯ জন সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে হবে তাকে। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের ফল অনুসারে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন এবারের নির্বাচনে ৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির দল পিপিপি পেয়েছে ৫৪টি আসন। অর্থাৎ এই দুই-এ মিলে আসন সংখ্যা হচ্ছে ১২৯। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৪০ আসন। এ কারণে তারা সুযোগ-সুবিধা ও পদ-পদবির টোপ দিয়ে স্বতন্ত্র এবং অন্য দলগুলোকে সঙ্গে আনার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এরই মধ্যে ধারণা পাওয়া গেছে, নওয়াজ-বিলাওয়াল জোট সরকারে যুক্ত হতে পারে মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি), জেইউআইএফসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল। জোট গড়ার ক্ষেত্রে বিলাওয়ালকে সরকারপ্রধানের পদে বসানোর কৌশল বেছে নিয়েছে পিপিপি। এ নিয়েই দলটি পিএমএল-এনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাওয়ার শেয়ারিং ফর্মুলা বা ক্ষমতা ভাগাভাগি সূত্রের অধীনে ক্ষমতায় বসা নিয়ে আলোচনা করছে উভয় দল। এই সূত্রের আওতায় পাঁচ বছরের মেয়াদের অর্ধেক সময়ের জন্য পিপিপি এবং বাকি অর্ধেক সময়ের জন্য পিএমএল-এন তাদের দল থেকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন। এই সম্ভাবনা নিয়েই মূলত আলোচনা চলছে। এ আলোচনার সঙ্গে জড়িত একটি সূত্রের মতে, ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর কেন্দ্র ও প্রদেশে জোট সরকার গঠনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত রবিবার লাহোরে প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসেন পিপিপি ও পিএমএল-এন নেতারা। এ সময়ই অর্ধেক মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ধারণাটি প্রথমবার আলোচনা করা হয়েছিল। বিলাওয়াল হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষই সাধারণ নির্বাচনের পর দেশটিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়। বৈঠকে পিপিপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং পিএমএল-এনের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উপস্থিত ছিলেন।

 বৈঠকে উভয় দলের নেতারাই দেশটির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং উন্নতির জন্য সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। জানা গেছে, এ সময় পিএমএল-এন নেতারা প্রধানমন্ত্রীর আকর্ষণীয় পদের দাবি জানালে পিপিপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বলেন, তাদের দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি (সিইসি) এরই মধ্যে বিলাওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করেছে। দেশটির তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের শীর্ষ এক সহযোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা ডিপিএকে বলেছেন, আমরা ক্ষমতা ভাগাভাগির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছি। এ সপ্তাহটি গুরুত্বপূর্ণ।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এর বিপরীতে ইমরান খানের পক্ষে নির্বাচন করা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয়ী আসন ১০১টি। পার্লামেন্টে এখন যদি তারা একক ব্লকে বা ছোট কোনো দলে যুক্ত হন, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে জোর পদক্ষেপ নিতে পারেন। সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ পেতে পারেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী পদেও প্রার্থী দাঁড় করাতে পারেন। এ ছাড়া জোট গড়ার জন্য অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও আলোচনা করতে পারে স্বতন্ত্রদের দল বা জোট। এর ফলে প্রকারান্তরে ইমরান-সমর্থিতদের পাকিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রে আবারও দেখা যাবে। এই পরিস্থিতি ইমরানের মুক্তির পথ খুলে যাবে। যদিও আইনি বাধা থাকায় ইমরান নিজে সরকারপ্রধান হওয়ার লড়াইয়ে আপাতত শামিল হতে পারবেন না।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, কারাবন্দি ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত প্রার্থী, যারা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাদের অন্য দলে যোগ দিতে আইনি কোনো বাধা নেই। ফলে প্রতিপক্ষের নানা টোপের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে অনেকেরই পিটিআই থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে ডজনখানেক বিজয়ী প্রার্থী এ পথে হেঁটেছেনও। যদিও দেশটির সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার পর্যন্ত অন্তত ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে পিটিআইয়ের সমর্থন নিয়ে লাহোরের একটি আসন থেকে জয়ী শহরটির সাবেক ডেপুটি মেয়র ওয়াসিম কাদির প্রথম এদিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নওয়াজের দলে যোগ দেন। এরপর স্বতন্ত্র হিসেবে পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন নির্বাচনে জয়ী রাজা খুররাম নওয়াজ, ব্যারিস্টার আকেল, পীর জহুর হুসেইন কুরেশি, সরদার শমসের মাজারি ও ব্যারিস্টার মিয়া খান বুগতি। বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, জোট সরকার গঠন করা নিয়ে পিএমএল-এন ও পিপিপির মাঝে এখনো সমঝোতা না হওয়ায় পিটিআই-সমর্থিত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দলে ভেড়ানোর জন্য যোগাযোগ করে যাচ্ছে পিএমএল-এন।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪