Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

অবরোধ ঘিরে বাজারে অস্থিরতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়ইে চলছে। এক দফা দাবিতে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি। ফলে বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এমন কর্মসূচি টানা চলতে থাকলে বাজারে সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যা পরোক্ষভাবে ভোক্তাপর্যায়ে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

এদিকে গত সপ্তাহে এক দিন হরতালসহ শেষ তিন কার্যদিবস সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দল। এ সময় আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার পরিবহণ প্রায়ই বন্ধ ছিল। একইভাবে সীমিত আকারে চলেছে পণ্যবাহী ট্রাক। ফলে রাজধানীসহ সারা দেশে পণ্যে সরবরাহ সংকট দেখা দেয়। ফলে পেঁয়াজ-আলুসহ অতিপ্রয়োজনীয় বেশ কিছু পণ্যের দাম ৩০-৪০ শতাংশ বেড়ে যায়। যদিও এর আগে থেকেই এসব পণ্যের দাম ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অবোরেধের মতো কর্মসূচিতে ট্রাক মালিকরা ঝুঁকি নিয়ে পণ্য পরিবহণ করতে চায় না। ফলে কাঁচাবাজারে পণ্যের সরবরাহ হ্রাস এবং দাম বৃদ্ধি শঙ্কা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত সপ্তাহের টানা তিন দিনের অবরোধে রাজধানীর বাজারে পণ্যের সরবরাহ অর্ধেকে নেমেছে। এ সময় বিক্রি কমার পাশাপাশি বেড়েছে দামও। অন্যদিকে দেশের অন্যতম প্রধান পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তিন দিনের অবরোধে তাদের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসেন বলেন, তিন দিনের অবরোধে ব্যবসায়ীরা দোকান খোলা রাখলেও বিক্রি ছিল খুবই কম। তিন দিনে ব্যবসায়ীদের প্রায় ১,৫০০-২,০০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন চট্টগ্রাম বন্দরসহ সারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ২৫০-৩০০ ট্রাক ভোগ্যপণ্য নিয়ে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ ও আসাদগঞ্জ বাজারে আসে। আবার একই সংখ্যক ট্রাক এবং গাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলা পণ্য পরিবহণ করে। কিন্তু অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা ৬০-৭০ শতাংশ কমেছে।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্যানুযায়ী, অবরোধে ৫০ টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে বাস-ট্রাকসহ ৪১টি যানবাহন রয়েছে। কারওয়ান বাজার ট্রাক স্ট্যান্ডের পণ্যবাহী অনেক ট্রাক মালিক অবরোধের শুরুতে পণ্য পরিবহণ অব্যাহত রাখলেও শেষ দুই দিন বন্ধ রাখেন অনেকেই।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরিস্থিতি অবনতি হলে চলমান অবরোধেও পরিবহণ বন্ধ রাখবেন তারা। আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন ট্রাকচালকরাও।

এদিকে, রাজধানীসহ সারা দেশের বাজার দরে তিন দিনের অবরোধে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচাবাজারের বিভিন্ন পণ্যের দাম। লাগাতার এমন কর্মসূচি পরে প্রভাব ফেলতে পারে মুদিসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের দামেও।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৩-৪ কনটেইনার হ্যান্ডেল করে এবং ৫-৬ হাজার ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান এবং প্রাইম মুভার খাদ্যসহ আমদানি পণ্য সারা দেশে পরিবহণ করে।

চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যানুযায়ী, তিন দিনের অবরোধে পরিবহণ সংকটে কনটেইনার ডেলিভারি ৩২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। যা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের দাবি, অন্তত খাদ্যপণ্য যেন চলমান আন্দোলন ও বিভিন্ন কর্মসূচির আওতামুক্ত রাখা হয়। তা না হলে বাজারে চরম সংকট দেখা দিতে পারে।


আরও খবর



বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন এক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে অপ্রচলিত বাজার। নতুন নতুন বাজারে ক্রমশ চাহিদা বাড়তে থাকায় রপ্তানি আয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে চলেছে এদেশের তৈরি পোশাক খাত। 



চলতি অর্থবছরে সামগ্রিকভাবেই রপ্তানি আয় বেড়েছে এ খাতে; তবে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে অপ্রচলিত বাজারের আয়ে।


রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত অপ্রচলিত বাজার থেকে পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১৮ কোটি ডলার, যা একই সময়ে আগের বছরে ছিল ৭৬৮ কোটি ৯ লাখ ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী মোট রপ্তানি আয়ের ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ এসেছে নতুন বাজার থেকে।



অন্যদিকে, তৈরি পোশাক খাতে সামগ্রিক রপ্তানি আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এ খাতে আয় হয়েছে মোট ৪ হাজার ৩৮৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪ হাজার ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।


অপ্রচলিত বাজারের মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে জাপান থেকে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে জাপানে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে ১৪৮ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি। আগের বছর রপ্তানি হয়েছিল ১৪৫ কোটি ৭৯ লাখ ডলার।



হত্যা আতঙ্কে ব্যারিস্টার সুমন, থানায় জিডি

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় হয়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। সেখান থেকে তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ১০৬ কোটি ডলার।


এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকলেও বড় ধরনের রপ্তানি আয় এসেছে রাশিয়া থেকেও। দেশের তৈরি পোশাক নতুন এ বাজারে রপ্তানি করে আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। চলত অর্থবছর আয় হয়েছে ৪৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ৪০ কোটি ডলার।


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীনেও চাহিদা বাড়ছে এখানকার তৈরি পোশাক পণ্যের। চলতি অর্থবছরে দেশটিতে আমাদের রপ্তানি বেড়েছে ২৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ২৫ কোটি ২ লাখ ডলার।


পাশাপাশি কোরিয়ায় আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ১১ মাসে দেশটি থেকে আমাদের আয় হয়েছে ৫৭ কোটি ২৮ লাখ ডলার। গত বছর এ আয় ছিল ৫০ কোটি ডলার।


উল্লেখযোগ্য হারে রপ্তানি বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে; ৫৮ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ সময়ে দেশটি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৩ লাখ ডলার, যা গত বছর ছিল ১৭ কোটি ২ লাখ ডলার।


বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের ৪৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ আসে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে। অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে আমাদের রপ্তানি কমেছে ২ শতাংশ।



 চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এই জোন থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২ হাজার ১৬৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার। অবশ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করা যুক্তরাজ্যে আমাদের তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ।



 চলতি অর্থবছরে দেশটি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ৫১৬ কোটি ডলার, যা গত বছর ছিল ৪৫৯ কোটি ডলার।


পোশাক পণ্যের রপ্তানি কমেছে আমাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাণিজ্যিক অংশীদার ভারতেও। প্রতিবেশী দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক পণ্যের রপ্তানি কমেছে ২৩ দশমিক ১১ শতাংশ। ১১ মাসে দেশটি থেকে আয় হয়েছে ৭৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরে ছিল ৯৫ কোটি ডলার।


এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রেও ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে গেছে আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি। প্রথম ১১ মাসে দেশটি থেকে আয় হয়েছে ৭৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। গত বছর একই সময় এ আয় ছিল ৭৭৩ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।


বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমরা সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছি না। সম্ভাবনা অনুযায়ী আমরা রপ্তানি আয় বাড়াতে পারছি না।



 এক্ষেত্রে সরকারকে অশুল্ক বাধা দূর করা এবং রপ্তানি সহজীকরণের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। ভারত একটি বড় বাজার। কারণ দেশটির জনসংখ্যা অনেক বড়। সেখানে যদি আমরা খুব সামান্য পরিমাণও মার্কেট ধরতে পারি সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন হবে। 


সুতরাং ভারতসহ সম্ভাবনাময় সব অপ্রচলিত বাজারগুলোর প্রতি সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে এবং বাণিজ্যিক রিংগুলো কাজে লাগাতে হবে।’


এক্ষেত্রে তার পরামর্শ, বাজেটে যে নতুন ধরনের কর আরোপ করা হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করে বাজেট রপ্তানিবান্ধব করতে হবে।


প্রচলিত বাজারে রপ্তানি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, ‘নতুন বাজারের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি আশাব্যঞ্জক। তবে তা সম্ভাবনার চেয়ে কম। 


আমাদের নতুন বাজার আরো বেশি করে অনুসন্ধান করা উচিত। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে প্রচলিত বাজারে মার্কেটের হিস্যা রপ্তানিতে কমেছে।’


সরকার ও রপ্তানিকারকদের নতুন বাজারে রপ্তানির জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন এ অর্থনীতিবিদ।


আরও খবর



কুয়াকাটায় পবিপ্রবির বাস্তবায়নে কোরাল মাছ উৎপাদন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

আশিকুর রহমান - পবিপ্রবি প্রতিনিধি::


বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক এবং সামুদ্রিক শৈবাল সহযোগে কৃত্রিম খাদ্যের মাধ্যমে কোরাল মাছ উৎপাদন’ শীর্ষক উপপ্রকল্পের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।  


শনিবার(১৩ জুলাই) সকাল ১০.০০ টায় পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হোটেল প্রিন্স ইন্টারন্যাশনালে উক্ত সেমিনারের আয়োজন করা হয়। 

সামুদ্রিক শৈবাল সহযোগে কৃত্রিম খাদ্যের মাধ্যমে কোরাল মাছ উৎপাদন শীর্ষক উপপ্রকল্পের প্রধান গবেষক ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে ও উপপ্রকল্পের সহযোগী প্রধান গবেষক পবিপ্রবির ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড জেনেটিক্স ‍বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: আরিফুর রহমান এর  সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।


 সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-পটুয়াখালীর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম, পবিপ্রবি'র অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: লোকমান আলী এবং সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক সঞ্জীব সন্নামত। 


প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, উপপ্রকল্পের ভালো ফলাফলের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলে কোরাল মাছ চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আর ভালো ফলাফল পেতে গবেষকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ বাড়াতে হবে। 


সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম সামুদ্রিক শৈবাল সহযোগে কৃত্রিম খাদ্যের মাধ্যমে থাইল্যান্ডের হ্যাচারিতে উৎপাদিত কোরাল মাছের চাষ পদ্ধতি নিয়ে তাঁর দল কাজ করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন তাঁদের উদ্ভাবিত সামুদ্রিক শৈবাল সহযোগে কৃত্রিম খাদ্যের মাধ্যমে কোরাল মাছ উৎপাদন প্রযুক্তি বাংলাদেশে কোরাল মাছের উৎপাদন বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।


উক্ত সেমিনারে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী এবং  বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর মৎস্যচাষিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বিএনপির তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে প্রথম দফায় তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।



বুধবার দুপুরে দলের অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।


যুগপৎ আন্দোলন করেছেন আপনারা ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছেন তারা অনেকে বিবৃতি দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তার মুক্তির কথা বলেছেন।’


নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপিসহ দলের অঙ্গসংগঠনের এ যৌথ সভা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ফরহাদ হালিম ডোনার, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মীর সরাফত আলী সপু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাইয়েদুল আলম বাবুল, মাহবুবুল হক নান্নু, মনির হোসেন, বেনজীর আহমেদ টিটো, নজরুল ইসলাম আজাদ, তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ছাগলকাণ্ডের মতিউর ও তার পরিবারের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ আদালতের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদ্য সাবেক সদস্য মো. মতিউর রহমান ও তার পরিবারের ৮৬৬ শতক জমি এবং ৪ ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


 দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।



ড. মতিউর রহমানের সম্পদ অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তিন সদস্যের একটি কমিটি কাজ শুরু করেছে। দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন বলেন, গত ৪ জুন মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে দুদকের একজন উপ-পরিচালককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।



 দলের সদস্যরা কাজও শুরু করেছেন। এছাড়া আলোচিত মতিউর রহমানকে গত ২৩ জুন এনবিআর থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।



এবার কোরবানির ঈদে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনার জন্ম দেন মতিউর রহমানের ছেলে ইফাত। তার পরই আলোচনায় আসে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ, আয় ও ব্যয়ের তথ্য।



 এনিয়ে খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। খোদ এনবিআরও তার আয়কর রিটার্নে দেওয়া তথ্য খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যায়।



মূলত মতিউর রহমান কাস্টমস কমিশনার হিসেবে কর্মরত থাকার সময় থেকেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। দুদকসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে একাধিক আবেদন জমা পড়ে।



সাধারণ একজন চাকরিজীবী হয়েও এ পর্যন্ত শতকোটি টাকা সাদা করেছেন। বসুন্ধরায় দুই কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাট এবং ধানমন্ডিতে ৫ কাঠায় আলিশান ৭ তলা বাড়ির মালিক। যার মূল্য ৪০ কোটি টাকা। ভালুকার সিডস্টোর এলাকার পাশেই প্রায় ৩০০ বিঘা জমির ওপর গ্লোবাল জুতার ফ্যাক্টরি। এ ছাড়া রয়েছে ৬০ শতাংশ জমি।


জেসিক্স নামে একটি যৌথ ডেভেলপার কোম্পানি রয়েছে। বসুন্ধরার ১৪ তলা বাণিজ্যিক ভবন আছে। গাজীপুর সদরে ৮টি খতিয়ানে ৬০ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা। তার স্ত্রী লায়লা কানিজের নামে সাভার থানার বিলামালিয়া মৌজায় ১৪.০৩ শতাংশ, গাজীপুর থানার খিলগাঁও মৌজায় ৬২.১৬ শতাংশ জমি রয়েছে।



ছেলে আহমেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবের নামে ১৪.৫০ শতাংশ জমি আছে গাজীপুরে। যার মূল্য প্রায় ৯০ কোটি টাকা। তার নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে আছে একাধিক দামি গাড়ি। তার নামে বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে ৫০ কোটি টাকার বেশি এফডিআর করা আছে। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন। বিভিন্ন নারীর সঙ্গেও তার সম্পর্ক আছে।



ড. মতিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্স বিষয়ে সম্মান ডিগ্রি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রিস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ভ্যাট এবং কাস্টমস বিষয়ে দেশ-বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




পিএসসির তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বিডি টুডেস ডেস্কঃ

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পরীক্ষাসহ গত ১২ বছরে ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (বিপিএসসি) তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (৮ জুলাই) রাতে সিআইডির পক্ষ থেকে রাজধানীর পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আসামির সংখ্যা অর্ধ শতাধিক দেখানো হয়েছে। আর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ১৭ জনকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আজাদ রহমান বলেন,  প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে ও পলাতকদের গ্রেপ্তারে পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলায় ১৭ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড চাওয়া হবে।

বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে সিআইডি। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর, উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক এস এম আলমগীর কবির, সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়, চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন ও অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান। বিপিএসসির কোনো নিয়োগ পরীক্ষা এলেই প্রশ্নফাঁস করে অর্থ লোপাটে মেতে উঠতো সংঘবদ্ধ চক্রটি।

সিআইডি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসি’র উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান ও অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম।

এছাড়া আছেন- সাবেক সেনা সদস্য নোমান সিদ্দিকী, ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের রাজনীতি করা এবং বর্তমানে মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সায়েম হোসেন ও বেকার যুবক লিটন সরকার।

প্রকাশিত সংবাদে বিসিএসের প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচনায় আসেন সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ও তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম। 

সেই বাবা-ছেলেকেও গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। অন্যদিকে সংগঠনের নীতি ও নৈতিকতা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সোহানুর রহমান সিয়ামকে।


আরও খবর