Logo
শিরোনাম

বালুচরে শীতের পাঞ্জাবি-কটি

প্রকাশিত:বুধবার ২০ ডিসেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বাঙালির ফ্যাশনে সবসময়ই আলাদা করে জায়গা দখল করে রেখেছে পাঞ্জাবী আর ফ্যাশনে বালুচরের পাঞ্জাবী অনন্য এই শীতেও তার ব্যতিক্রম নয়

বালুচর নিয়ে এসেছে নতুন নতুন ডিজাইনের আকর্ষনীয় সব পাঞ্জাবি কটি। বালুচরের পাঞ্জাবী কটির দামও হাতের নাগালে

বাহারি সব ডিজাইনের পাঞ্জাবীতে কাজ হিসেবে - স্লিমফিট, সিম্পল কাটিং  ওয়েস্টকোট, ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এবং এর মধ্যে অনকে গুলো কালার নিয়ে এসেছে। খুচরার পাশাপাশি পাইকারীও পাওয়া যাবে বালুচরের পোষাক


ওয়েবসাইট : https://balucharkurta.com

যোগাযোগ ৯০/৯১ নিচতলা, আজিজ সুপার মার্কেট, ঢাকা-১০০০

৮১ আজিজ সুপার মার্কেট ৩য় তলা, শাহবাগঢাকা-১০০০

১০২/এ, আজিজ সুপার মার্কেট, ৩য় তলা, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০


আরও খবর

তীব্র তাপপ্রবাহে সুস্থ থাকার উপায়

মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪

ঈদে বালুচর এর পাঞ্জাবি

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




ভারতে নির্বাচন ঘিরে গুজবের ছড়াছড়ি, ফলাফলের অপেক্ষায় জনগণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image



সিনিয়র প্রতিবেদক:


ভারতের জাতীয় নির্বাচন শুরু হয় ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল। ছয় সপ্তাহ ধরে চলা এই নির্বাচন ছিল অন্য যেকোনো বারের তুলনায় অন্যরকম। 


ঘাত-প্রতিঘাত, সংঘাতের তথ্যও ছড়িয়েছিল বিভিন্ন মাধ্যমে। তবে, অনলাইন, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া গুজব ছিল অন্য যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত। 


এ সবকিছু ছাপিয়ে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে দেশটির জনগণ। আগামীকাল মঙ্গলবার জানা যাবে, ভারতের নতুন ভাগ্য নির্মাতার নাম। খবর এএফপির।


ফরাসি সংবাদ সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের নির্বাচন হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই নির্বাচন ঘিরে অনলাইনে অনেক মিথ্যা সংবাদ, তাৎক্ষণিক বার্তা, বিকৃত ভিডিও ও মনগড়া ক্যাপশনের পাশাপাশি অসংগতিপূর্ণ ছবি পোস্ট করা হয়।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইন্ডিয়া হেট ল্যাব সংস্থাটি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং গুজব নিয়ে গবেষণা করে থাকে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ফ্যাক্ট চেকাররা ছয় সপ্তাহ ধরে সাত ধাপের ভোটদানের প্রক্রিয়াতে ৪০টিরও বেশি নির্বাচন সম্পর্কিত গুজব রটানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা রাজনৈতিক বিভাজনকে বাড়িয়ে তোলে। 



সংস্থাটির রকিব হামিদ নায়েক জানান, ভারতের এই নির্বাচনে নজিরবিহীন গুজব ছড়াতে দেখা গেছে। এমনকি, এসবের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে উসকে দেওয়ার মতো ষড়যন্ত্রও ছিল বলে দাবি করেন তিনি। 


নির্বাচন ঘিরে মিথ্যা ভিডিও তৈরি করে পোস্ট করা হয়েছে বলে জানানো হয়। বলা হয়, ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বলিউড তারকারা বিরোধী দলগুলোকে সমর্থন করছে এবং একজন ব্যক্তি একাধিক ভোট প্রদান করছে। তবে, তা মিথ্যা।



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু-জাতীয়তাবাদী ঘরানার রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ভারতের ২০ কোটিরও বেশি সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও ভয় ও বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সমালোচনার মুখে পড়ে।



 ভিডিওগুলোতে বেশিরভাগ মোদির নিজের বলা উসকানিমূলক বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায়। যেখানে বলা হয়, বিরোধীদলগুলো, বিশেষ করে কংগ্রেস মুসলমানদের পক্ষে ভারতের সম্পদ বিতরণ করার পরিকল্পনা করছে।



ইন্ডিয়া হেট ল্যাবের রকিব হামিদ নায়েক বলেন, এই ধরনের পোস্টের উদ্দেশ হলো—ধর্মীয় ভিত্তিতে ভোটারদের মেরুকরণ করা এবং মুসলমানদের প্রতি অন্যদের ভয় ও শত্রুতা সৃষ্টি করা। 


ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনে জয় লাভের জন্য ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগানোর কৌশল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কেবল দুর্বলই করেনি, সমাজে বিভাজন ও ঘৃণার বিপজ্জনক বীজও বপন করছে।


নির্বাচনে প্রথম থেকে রাজনৈতিক প্রচারণায় গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর পিছনে প্রধান লক্ষ্য ছিলেন বিরোধী কংগ্রেস দলের নেতা রাহুল গান্ধী। তার বক্তব্য, ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হতো অসম্পূর্ণ বা অপ্রাসঙ্গিক উপায়ে। 



আবার অনেক লেখায় দেখা যায়, রাহুল গান্ধী জনগণকে মোদিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, যা ছিল মিথ্যা তথ্য ও গুজব।গুজবের আরও কিছু উদাহরণের মধ্যে ছিল ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ভারতের সদ্ভাব হওয়া।


এ সময় একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হিন্দু মন্দিরের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দাবি করা হয় মন্দিরটি ধ্বংসের জন্য রাহুল গান্ধী দায়ী, যা মূলত পাকিস্তানের একটি মন্দিরের ছবি ছিল।



আরও খবর



ভেঙে যাচ্ছে সুন্দরবনের উপকূলীয় এলাকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

এনামুল হক,খুলনা: ভেঙে যাচ্ছে সুন্দরবনের উপকূলীয় এলাকা অনিরাপদ হয়ে পড়ছে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য।

 জলবায়ু পরিবর্তন, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উচ্চ জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও মনুষ্যসৃষ্ট দূষণসহ নানা ধরনের সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাদাবন (ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট) সুন্দরবন ও বনের জীববৈচিত্র্যকে।

সুন্দরবন বন বিভাগ সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড় রেমালের সময় অস্বাভাবিক জলোচ্ছ্বাসে ১৩৪টি মৃত হরিণ ও চারটি বন্য শুকরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, সুন্দরবন বন বিভাগের মতে, বন্যপ্রাণী মৃতের সংখ্যা আরও কয়েক গুণ বেশি হবে। 

কারণ ঘূর্ণিঝড়ের পর বঙ্গবন্ধুর চর, পুটনির চরসহ গহীন সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন বন এলাকায় বন বিভাগের কর্মীরা যেতে পারেনি। 

তাদের মতে, গত ২৬ মে ভোরে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন সুন্দরবনে ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানে। এ সময় বঙ্গবন্ধুর চর, পুটনির চরসহ সুন্দরবনের বঙ্গোপসাগর অংশে ২০ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল। এতে বহু হরিণ সাগরে ভেসে গেছে। যার খোঁজ পাওয়া যায়নি।

 ওগুলো পচে-গলে পানিতে মিশে গেছে। উদ্ধার করা মৃত বন্যপ্রাণীগুলো মূলত-সুন্দরবনের কটকা, কচিখালী, দুবলা, নীলকমল, আলোরকোল, ডিমের চর, পক্ষীর চর, জ্ঞানপাড়া, শেলার চর এবং বিভিন্ন নদী-খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। 

এর আগে ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর একটি বাঘ ও ২৭টি হরিণের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়া ২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর তিনটি হরিণ ও একটি বন্য শুকরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সুন্দরবনের প্রাণীর মৃত্যুর কোনো খতিয়ান নেই। 

বনজীবীরা জানান, প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড়ে সুন্দরবনের গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে এবারই ঘূর্ণিঝড়ে সুন্দরবনের গাছপালার চেয়ে বন্যপ্রাণীর ক্ষতি বেশি হয়েছে।

বিভাগীয় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনার কর্মকর্তা মফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, এবারের ঘূর্ণিঝড় রেমালের সময় জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবনের গাছপালার চেয়ে পশুপাখির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশি। সুন্দরবনের যেসব জায়গা উঁচু তা সর্বোচ্চ আট ফুট। অথচ সেখানে পানি উঠেছিল ১০-১২ ফুট। টানা ৩৬-৩৭ ঘণ্টা পুরো সুন্দরবন লবণপানির নিচে ছিল। এর আগে এ রকম জলোচ্ছ্বাস সুন্দরবনে কখনো হয়নি। যা জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকির বিষয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও প্রাণী বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এম এ আজিজ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে এখন যে অভিঘাত হচ্ছে, এগুলো ধীরে ধীরে বাড়বে। উচ্চ জলোচ্ছ্বাস ছাড়াও আমরা যে অসুবিধাগুলো দেখছি, সুন্দরবনের উপকূলীয় এলাকা ভেঙে যাচ্ছে। 

বিশেষ করে সাতক্ষীরা অঞ্চলের সুন্দরবন। সাতক্ষীরা থেকে মান্দারবাড়ী হয়ে দুবলারচর, কটকা পর্যন্ত অনেক এলাকা ভেঙে যাচ্ছে। এটা সুন্দরবনের জন্য দৃশ্যমান ক্ষতি হচ্ছে। ঐ অঞ্চলে ভেঙে গিয়ে বন কমে যাচ্ছে। তবে সুন্দরবনের বলেশ্বরের দিকে কিছু কিছু চর জাগছে।

 সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় গত ১০-১২ বছর ধরে ভাঙন অনেক বেশি হচ্ছে। এই ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদি এবং ধীরে ধীরে এই ক্ষতি বাড়ছে। হয়তো এখন ক্ষতিটা অত নজরে আসছে না; নজরে আসে যখন ঘূর্ণিঝড়ের মতো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় তখন। 

তিনি বলেন, গত ২০ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখি, দীর্ঘ সময় ধরে সুন্দরবন জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে থাকা এবারই প্রথম দেখা গেল। জলবায়ুর যে অভিঘাতগুলো আনপ্রেডিক্টেবল (অপ্রত্যাশিত)। যা আমরা আগে থেকে প্রেডিক্ট (প্রত্যাশা) করতে পারি না। ফলে বাঘ ও বন্যপ্রাণীসহ জলজ প্রাণীরও ক্ষতি হচ্ছে। কারণ লবণাক্ততা বাড়ছে।

সুন্দরবনের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন আগের তুলনায় ধীরে ধীরে প্রকট হচ্ছে। জলবায়ুর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কারণেই এবার উচ্চ জলোচ্ছ্বাস হয়েছে বলে আমরা মনে করছি। স্বাভাবিক জোয়ারের সময় এখন পানি অনেক উঁচু হয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এবারই প্রথম সুন্দরবন একটানা প্রায় ৩৬ ঘণ্টা লোনাপানিতে প্লাবিত ছিল, যা আমরা আগে ধারণাও করতে পারিনি। 

সুন্দরবনে এবারের দুর্যোগ আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলায় কী করা যায়, তা নিয়ে আমরা ভাবছি।


আরও খবর



উপজেলা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে কোটিপতি রয়েছেন ১০৬ জন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 নিজস্ব প্রতিবেদক:

উপজেলা পরিষদে গত ১০ বছরের হিসাবে অনির্বাচিতদের তুলনায় নির্বাচিতদের আয় বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। 


আর সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩৭ গুণ। তৃতীয় ধাপে ১১১ উপজেলার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিদের ১৮ জন স্বজন। আর এ ধাপে কোটিপতি রয়েছেন ১০৬ জন। ১০ বছরে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় চার গুণ।


সোমবার (২৭ মে) ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ ধাপের ভোটে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।



টিআইবি জানায়, প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রার্থী ঋণ বা দায় রয়েছে। এই ধাপে ভোটে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৪১৯ প্রার্থীর মধ্যে ২২৭ জনই বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত। সেই সঙ্গে অতীতে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন ৩০৭ জন। 


তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৪৮১ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে নারী মাত্র ২০ জন। ভাইস চেয়ারম্যান ৫৬১ এবং ৩৭৭ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৬৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ; ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রার্থী পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী দেখিয়েছেন।


টিআইবি আরও জানায়, প্রথম ধাপে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের ১৩ জন, দ্বিতীয় ধাপে ১৭ জন এবং তৃতীয় ধাপেও ১৭ জন স্বজন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া এই ধাপে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনের মধ্যে একজন ভাইস চেয়ারম্যানও রয়েছেন।



প্রতিবেদনে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপে জমির মালিকানার দিক দিয়ে আইনি সীমা অতিক্রম করেছেন ছয়জন প্রার্থী। আইন অনুযায়ী, একজন নাগরিক সর্বোচ্চ ১০০ বিঘা বা ৩৩ একর জমির মালিক হতে পারেন। এই তালিকার শীর্ষে আছেন দোয়ারাবাজার উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী দেওয়ান আশিদ রাজা চৌধুরী। 


তার মোট জমির পরিমাণ ২৮০ একর। সীমার বাইরে জমির মালিক বাকিরা হলেন সাদুল্লাপুরের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রেজাউল করিম, রাণীনগরের মো. রাহিদ সরদার, সোনাগাজীর জহির উদ্দিন মাহমুদ, পটিয়ার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজেদা বেগম ও ইটনার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সিব্বির মাহমুদ।


প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০১৯ সালের তুলনায় অন্তত ১০০ শতাংশ বা তার বেশি আয় বেড়েছে এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৭৪। একই সময়ে ১০০ শতাংশের বেশি স্ত্রী বা স্বামী ও নির্ভরশীলদের অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ২২ জনের। ২০১৪ সাল থেকে ১০০ শতাংশ বা তার বেশি আয় বেড়েছে ৪৫ জনের। একই সময়ে ১০০ শতাংশ বা তার বেশি অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৫৩ জনের।


টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৫ বছরে অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধিতে উপজেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা পেছনে ফেলেছেন সংসদ সদস্যদের। একজন সংসদ সদস্যের অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬৫ শতাংশ। যেখানে একজন চেয়ারম্যানের বেড়েছে ৯ হাজার ৮৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ।


জাতীয় পর্যায়ে যে এক দলের আধিপত্য স্থানীয় নির্বাচনেও তা বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বড় দুটি দলের দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে অনেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। এটি ইঙ্গিত দেয়, দলীয় আদর্শ বা নৈতিক আদর্শের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। 


যেহেতু ক্ষমতায় থাকতে পারলে নির্বাচিত হতে পারলে সম্পদ এবং আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। অর্থাৎ, রাজনীতি, জনপ্রতিনিধিত্ব এর মধ্যে জনস্বার্থের উপস্থিতি এই ক্ষেত্রে নেই। যেটি আছে সেটি হচ্ছে নিজস্ব ব্যক্তিগত স্বার্থ।


তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে এটি দেখানো একটি বিষয়। এটি একধরনের পাতানো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের খেলা।


অস্বাভাবিক আয়ের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দেখে ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানান তিনি।


আরেকটি কথা হচ্ছে কর বাড়ার বিবেচনায় এটি করা হয়। ১৮-১৯ বছর যাবৎ এই কাজটি করা হচ্ছে। রাজস্ব বোর্ডের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য হারে এ জন্য কোনো বছরই কর আদায় হয়নি অবৈধতাকে বৈধতা দেওয়ার মাধ্যমে যোগ করেন তিনি।


আরও খবর



ভূয়া সাংবাদিকদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:

সাংবাদিকতার নামে কোন ভূয়া লোক যাতে মহান এ পেশাকে অসম্মান করতে না পারে সেজন্য সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক, পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । 


এছাড়াও তিনি বলেছেন, ‘কোন সাংবাদিক যাতে হেনস্তার শিকার না হয় সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।’


রোববার (২৬ মে) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।



এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সাংবাদিকতার নামে সাংবাদিকের লেখা নেই, পড়া নেই, সংবাদ বোঝে না, এর ধারে কাছেও নেই। এমন অনেককেই দেখি সরকারি অফিসে গিয়ে বসে থাকে। এরা সত্যিকারের সাংবাদিক নয়। এই ভূয়া সাংবাদিকের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’


তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার সমালোচনার বিরুদ্ধে নয়। সমালোচনা শুদ্ধ করে। সমালোচনা আমরাও করি কিন্তু তা গঠনমূলক হওয়া প্রয়োজন।’



এ সময় ফিলিস্তিনের গাজায়  গণহত্যার সংবাদ কাভার করতে গিয়ে নিহত ১০৮ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।


আরও খবর



রাজপরিবারের দায়িত্ব ছাড়ছেন কেট মিডলটন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন ব্রিটিশ রাজকুমারী কেট মিডলটন। সেই খবর প্রকাশ্যে আসে কিছুদিন আগেই। 

কেট স্থির করেছেন, ক্যানসারের কারণে সকলে তাকে আগে যে যে ভূমিকা পালন করতে দেখেছিলেন, সেই সব ভূমিকায় আর কখনও দেখা যাবে না তাকে। খবর ডেইলি বিস্টের।

প্রিন্সেস অফ ওয়েলস এক সময় তার স্বামী প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে থাকতেন আলোচনার কেন্দ্রে, কাড়তেন সকলের নজর। 

জানা গেছে, কেট ফিরে আসার পরে কী কী করতে সক্ষম হবেন, তা নিয়ে বর্তমানে ভাবছেন রাজকুমারী নিজেই। অর্থাৎ তার কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পরবর্তী সময়ে তিনি কী কী করবেন, আপাতত সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতেই তিনি ব্যস্ত।

এমনকি রাজপরিবারের চিকিৎসক রিচার্ড ফিটজ উইলিয়ামস বলেছে, কেট যখন আবার তার কাঁধে রাজকীয় দায়িত্ব তুলে নেবেন, তখন তা অবশ্যই হবে চিকিৎসদের পরামর্শের ভিত্তিতে। কাজের সঙ্গে শারীরিক সুস্থতার দিকটাও মাথায় রাখতে হবে।

দ্য ডেইলি বিস্ট-কে ওই সূত্র জানিয়েছে, অনেকেরই অনেক পরিকল্পনার সঙ্গে কেটের নাম জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু তাদের জেনে রাখা দরকার যে, এসব বিষয় অনেক আগে ঠিক হয়েছিল, কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। তাই এ বছরের জন্য কেটের ডায়েরি বন্ধ। সেখানে পূর্বপরিকল্পিত কিছুই নেই।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, কেটের উপর কেউ কোনোভাবে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে না। কারণ, এখন একমাত্র লক্ষ্য হলো সুস্থতা। তিনি এই বছর একটি ভয়ঙ্কর সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। তাই সকলেই তাকে নিয়ে চিন্তিত।


আরও খবর