Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

সোনার ভরি ১ লাখ ৬৩৭৬ টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

দেশের বাজারে আবার সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৭৬ টাকা। এর আগে কখনো দেশের বাজারে সোনার এত দাম হয়নি।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আগামীকাল রোববার থেকে এই দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর ও ২৭ অক্টোবর আরও দুই দফা সোনার দাম বাড়ানো হয়। ৬ নভেম্বর ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়ানো হয়। এতে এই মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে ১ লাখ ৪ হাজার ৬২৬ টাকা হয়। এর মাধ্যমে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে সোনার দাম।

সোনার দামে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হওয়ার ১২ দিনের মাথায় এই ধাতুটির দাম আরও বেড়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলো। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশন সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৭৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১ হাজার ৫৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৩৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৭২ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অবশ্য সোনার গহনা কিনতে ক্রেতাদের এর থেকে বেশি অর্থ গুনতে হবে। কারণ বাজুস নির্ধারণ করা দামের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে সোনার গহনা বিক্রি করা হয়। সেই সঙ্গে ভরি প্রতি মজুরি ধরা হয় ন্যূনতম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। ফলে আগামীকাল থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনা কিনতে ক্রেতাদের ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৪ টাকা গুনতে হবে।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৪ হাজার ৬২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ৯৯ হাজার ৯০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪০০ টাকা বাড়িয়ে ৮৫ হাজার ৬১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আজ শনিবার পর্যন্ত দেশের বাজারে এই দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে।

তারও আগে ২৭ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার ২ হাজার ৩৩২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ২ হাজার ৮৭৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৯৮ হাজার ২১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৯৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ২১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৭০ হাজার ১৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এখন সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার ১ হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ১ হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপা ১ হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপা ১ হাজার ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 


আরও খবর



নওগাঁয় পথচারী বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিলো মোটরসাইকেল চালক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টারঃ

নওগাঁয় পথচারী মা ও শিশু সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে শ্যালো মেশিন চালিত স্টিয়ারিং ভুটভুটির চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই শিমুল হোসেন (৩২) নামের এক মোটরসাইকেল চালকের মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হয়েছে। এ দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকাল ৬ টারদিকে নওগাঁ টু রাজশাহী মহাসড়কের মহাদেবপুর থানাধীন চৌমাশিয়া বাজার (চেংকুড়ি মোড়) নামক স্থানে। নিহত শিমুল হোসেন নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার মধ্য দূর্গাপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে নিহত সিমুল হোসেন আরো দু'জন কে সাথে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে  হোটেলে ব্যবহারের জন্য কড়াই কিনতে নওগাঁ থেকে (চৌমাশিয়া) নওহাটা মোড় বাজারে আসছিলেন। চৌমাশিয়া (চেংকুড়ি) মোড় নামক স্থানে পৌছালে এসময় এক নারী তার শিশু সন্তান কে নিয়ে সড়ক পারাপার হচ্ছিল। মা ও শিশু সন্তান কে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও পথচারী মা ও শিশুকে আঘাত লেগে মোটরসাইকেল সড়কের উপর পড়ে এবং চালক শিমুল হোসেন সিটকে সড়কের উপর পড়লে নওহাটা থেকে হাট-চকগৌরীগামী দ্রুতগতীর একটি স্টিয়ারিং ভুটভুটি চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিমুল হোসেন এর। স্থানিয়রা জানান, পথচারী মা ও মেয়ে শিশুকে জখম অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এছাড়া মোটরসাইকেলের অপর দু'জন আরোহী আহত হলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে নওহাটা মোড় ফাঁড়ি পুলিশ দ্রুত দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা সহ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আরও খবর



মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ গরবাসী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাজধানীতে ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব। দিনে রাতে সর্বত্র মশার দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী। বাসাবাড়ি, অফিস আদালত, রেস্টুরেন্ট, গণপরিবহণসহ মশার উৎপাত সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। এমনকি গণভবনেও মশার উৎপাত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মশক নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নানা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেও এর সুফল পাচ্ছে না নগরবাসী।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেই খাল পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছে। এতে ময়লা-আবর্জনাতে জন্ম নেওয়া মশা উড়ে বাসাবাড়িতে চলে যাচ্ছে। শীতকালীন সময়ে দেশের খাল ও জলাশয়গুলো শুকনা থাকে। বিশেষ করে কচুরিপানা ও পানিতে ভাসমান বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা থাকা মশাগুলো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করছেন তারা। তাছাড়া এ সময়ে প্রাকৃতিকভাবেই কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। তবে এডিস মশা নিয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

তবে তাদের এ দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কীটতত্ত্ববিদ ডক্টর কবিরুল বাশার যায়যায়দিনকে বলেছেন, খাল পরিষ্কারের কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে এ ঠিক না। খাল পরিষ্কার করলে সেখানে সাথে সাথে লার্ভি সাইট (মশার ডিম ধ্বংস করার ওষুধ) প্রয়োগ করার কথা।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রতি বছরই এই সময় প্রাকৃতিকভাবে কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। পচা পানিতে এ মশার বংশ বিস্তার করে। এ সময় পানিতে অর্গানিক কমপাউন্ড বেড়ে যায়। এটা মশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

মশক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে কবিরুল বাশার বলেন, প্রতি সাত দিন অন্তর অন্তর এডাল্টি সাইট ও লার্ভি সাইট প্রয়োগ করেত হবে। নিয়মিত জলাশয় ও পানি জমে থাকার স্থানগুলো পরিষ্কার করতে হবে। তবে একবার ওষুধ দিয়ে আবার ১০-১৫ দিন পর দিলে হবে না। মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে প্রতি সাত দিন পরপরই ওষুধ প্রয়োগ করার পরামর্শ দেন এ কীটতত্ত্ববিদ।

এদিকে, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহর এলাকার মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে চলতি সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এ সভায় মশক নিধনে সিটি করপোরেশনগুলোর গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, প্রতিদিনই সকাল-সন্ধ্যা মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। বেশ কয়েক দফায় মশার ওষুধ পরিবর্তনও করা হয়েছে। নিজেদের সুরক্ষার জন্য বাসাবাড়ির আঙিনাসহ সর্বত্রই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্টরা।

ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, করোনার মধ্যে লকডাউনেও পাঁচবার চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে সংস্থাটি। এজন্য এ বছর এডিসের প্রকোপ গতবারের মতো ছিল না। তেমনি কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১০টি অঞ্চলের জন্য ১০টি মিক্সড বেস্নায়ার কেনা হচ্ছে। এগুলো দিয়ে ওষুধ ছিটানো শুরু হলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) গুলশান, বনানী, মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, উত্তরা, তেজগাঁও, ভাসানটেক, বাড্ডা, রামপুরা, হাতিরঝিল ও বনশ্রীসহ বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।

উত্তরা এলাকার বাসিন্দা লুৎফুন্নাহার জানান, দিনে রাতে মশার অত্যাচারে ঘরে থাকা দায়। দিনের বেলায়ও মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হয়। সিটি করপোরেশনের ওষুধ ছিটানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ওষুধ দিলে বাইরের মশা ঘরে চলে আসে।

হাতিরঝিলে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদেরও পড়তে হয় মশার বিড়ম্বনায়। ঝিলের পাড়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বসে অবসর সময় কাটাতে আসা নগরবাসীকে সহ্য করতে হয় মশার কামড়। বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্টর কর্মচারীরা জানিয়েছেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা মানুষজন মশার কামড়ে রেস্টুরেন্টেও টিকতে পারে না। তাই প্রতিটি টেবিলের নিচে মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন তারা।

ঝিলের পাড়ে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা শাকিল আহমেদ জানান, এখানে এক মিনিটও টিকা দায়। এত মশা আগে কখনোই দেখিনি। দলবেঁধে মশা এসে নাকে-মুখে লাগে।

গুলশান গুদারাঘাট এলাকার এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা জানান, মশার জ্বালায় কোথাও দাঁড়াতে পারি না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মশা এমনভাবে কামড় দেয় যেন শরীরে পিঁপড়া কামড়াচ্ছে।

যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড এলাকার আনিসুর রহমান জানান, রাতে তো আছেই দিনেও মশার অত্যাচারে টিকা যায় না। ক'দিন আগেও মশার ওষুধ দিয়েছে। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

ধানমন্ডি ১৫ নম্বর এলাকার আবু বকর জানান, এই সময়টা প্রতি বছরই মশার উপদ্রব বাড়ে। সিটি করপোরেশনের ওপর ভরসা না পেয়ে নিজেরাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

তাছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ধানমন্ডি, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, পান্থপথ, মগবাজার, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, কমলাপুর, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, মাতুয়াইল, ধনিয়া, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মানিকনগরসহ প্রায় সব এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান বলেন, সম্প্রতি আমরা ওয়াসা থেকে খালগুলো বুঝে পেয়েছি। এগুলো আমরা পরিষ্কার করছি। এসব খাল থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হচ্ছে। এসব খাল ও কচুরিপানায় যেসব মশা থাকত তার একটি অংশ কিন্তু উড়ে লোকালয়ে যাচ্ছে। এটাও মশা বৃদ্ধি পাওয়ার একটা কারণ। তাছাড়া শীতের মৌসুমে ঋতুগত কারণে মশা বেড়েছে। কারণ এডিস যেমন পরিষ্কার জমা পানিতে হয়, তেমনি কিউলেক্স মশা নোংরা, অপরিষ্কার পানিতে হয়। শীতকালে এখন যে মশা সেটি মূলত কিউলেক্স মশা। অনেক জলাশয় শীতকালে শুকিয়ে যাওয়ায় সেখানে কিউলেক্স মশা জমছে। আবার বর্ষাকালে জলাশয়ের পানি যেমন বহমান থাকে শীতকালে কিন্তু তেমন না। তাই মশা বেড়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

আনোয়ার হোসেন - নিজস্ব প্রতিবেদক যশোর::


গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুলাই)  দুপুরে বেনাপোল বন্দরের ৩৮ নম্বর শেড থেকে এ চালানটি আটক করা হয়।

এ চালানটির আমদানি কারক চট্টগ্রামের রিফ লেদার লিমিটেড নামে একটি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান। এছাড়া বেনাপোল বন্দর থেকে সু কৌশলে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এ চালানটি  খালাস নিতে কাস্টমসে কাগজপত্র দাখিল করেছিল মোশারফ ট্রেডিং নামে সিএন্ডএফ এজেন্সি একটি প্রতিষ্ঠান।

বেনাপোল কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের তথ্যমতে তাদের কাছে খবর আসে বেনাপোল স্হল বন্দরের ৩৮ নম্বর শেডে ১৬৪২৫ কেজি ফরমিক এসিড ঘোষণা দিয়ে সালফিউরিক এসিড আমদানি করেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে তারা সিএন্ডএফ এর ঘোষণা অনুযায়ী কাস্টমসের ল্যাবে ফরমিক এসিডের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।


এসময় ল্যাবে পরীক্ষার করলে সেটি সালফিউরিক এসিড বলে জানতে পারে তারা।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মোশারফ ট্রেডিংয়ের মোশারেফ হোসেন জানান, তিনি পণ্য চালানটি ছাড় করানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।


মিথ্যা ঘোষণায় আমদানির অভিযোগে কাস্টমস কেমিকেল চালানটি প্রাথমিক পরীক্ষা করে সালফিউরিক এসিড পেয়েছেন। বিষয়টি তিনি আমদানিকারক কে জানিয়েছেন। তবে আমদানিকারক কাস্টমসের এ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে পুনরায় পরীক্ষার দাবি জানিয়েছে বলে তিনি জানান।  

এদিকে এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার সাফায়েত হোসেনকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেনি।



আরও খবর



নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে শিশু ও দুই নারীসহ চারজনপর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image
নেত্রকোনা প্রতিনিধি::


বরিবার(১৪ জুলাই) কলমাকান্দায় শ্রাদ্ধ খেয়ে বাড়ি ফেরার সময় নৌকা ডুবে দুই নারীর মরদেহ ও একইদিনে পানির স্রোতে ভেসে যাওয়া বৃষ্টি ঋষির (৭) মরদেহ এবং কেন্দুয়ায় জুয়ার আসরে পুলিশের গ্রেপ্তার এড়াতে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হালিম মিয়ার(৩৫) মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। 

নিহতরা হলেন-জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার সুনিল সরকারের স্ত্রী উজ্জ্বলা রানী সরকার (৫৯) ও অপরজন সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বিশারা গ্রামের রানা সরকারের স্ত্রী জলি সরকার (৫০) এবং কলমাকান্দা উপজেলার সদর ইউনিয়নের আগ বগজান গ্রামের কৃপেন্দ্র ঋষির মেয়ে এবং কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনার আব্দুল হামিদের (সুনু) ছেলে হালিম মিয়া।


জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ লুতফুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান জেলার কলমাকান্দা তিনজনের ও কেন্দুয়ায় একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


আরও খবর



রাণীনগর থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ককে অবাঞ্চিত ঘোষনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

রাণীনগর, নওগাঁ প্রতিনিধি::


নওগাঁর রাণীনগর থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোসারব হোসেনকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হয়েছে। থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ন আহ্বায়ককে অব্যাহতি এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক অনুমোদনের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা বাসস্ট্যান্ডে থানা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির অব্যাহতি পাওয়া আহ্বায়ক রুকুনুজ্জামান খান রুকু। 


সংবাদ সম্মেলনে রুকু বলেন উপজেলা বিএনপির আমি এবং ১নং যুগ্ন আহবায়ক ও আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ উপজেলার ৭২টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডসহ ৮টি ইউনিয়ন বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গত মাসের ২৭তারিখে অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে ৪টি ইউনিয়ন কমিটি বহাল রেখে বাঁকী ৪টি ইউনিয়ন কমিটিতে জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবের পছন্দের লোক না থাকায় বিধি ও গঠনতন্ত্র বহির্ভূত ভাবে বাতিল করে জেলা বিএনপি। এছাড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্যদের উপেক্ষা করে উল্লেখিত কমিটি পূর্ণ গঠন করে।এতে রাজনৈতিক পরিক্ষীত মেধাবী,যোগ্য ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদেরকে বাদ রেখে অযোগ্য ও আওয়ামীলীগের ডামী নির্বাচনে সহায়তাকারী ব্যাক্তিদের পদ-পদবী প্রদান করেছে। 


ফলে দলের জন্য আগামী আন্দোলন সংগ্রামকে দুর্বল করবে। সুতরাং এই নিয়ম বহির্ভূত কমিটি প্রত্যাখান করে সেই সাথে আওয়ামীলীগের চর ও এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী নিয়ম বহির্ভূত ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোসারব হোসেনকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করছি। 


সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটির অব্যাহতি পাওয়া যুগ্ন আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান জাপান (ভি.পি),আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মেজবাউল হক লিটন,মাহমুদুল হাসান মধু,থানা কৃষকদলের সভাপতি আব্দুল মতিন,থানা ছাত্রদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ইউসুফ খাঁন,থানা সৈনিক দলের সভাপতি পাভেল রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।


ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোসারব হোসেন বলেন,বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আহ্বায়ক রুকুনুজ্জামান খাঁন রুকু ও ১নং যুগ্ন আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান জাপানকে জেলা বিএনপি তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী আমাকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দিয়েছেন। এখানে কোন অনিয়ম করা হয়নি। এছাড়া অব্যাহতি পাওয়া আহ্বায়ক এবং যুগ্ন আহ্বায়ক আমাকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করতে পারেননা। 


তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন,অব্যাহতি পাওয়া অহ্বায়ক ও যুগ্ন আহ্বায়ক দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙ্গে অফিসে ঢুকে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আমি এদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা বিএনপিতে অভিযোগ দায়ের করব। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রুকুনুজ্জামান খাঁন রুকু বলেন,আমাদের দলীয় কার্যালয়ের চাবি আমাদের কাছেই ছিল। এখানে তালা ভাঙ্গার কোন ঘটনা ঘটেনি। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ এর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 


উল্লেখ্য,অনিয়ম ও দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের দায়ে গত ২৮জুন রাণীনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ১নং যুগ্ন আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান জাপান (ভি.পি)কে এবং ৮জুলাই আহ্বায়ক রুকুনুজ্জামান খাঁন রুকুকে পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে নওগাঁ জেলা বিএনপি। সেই সাথে গত ৮জুলাই কমিটির ২নং যুগ্ন আহ্বায়ক মোসারব হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়কের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।




আরও খবর