Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা।

এর আগে সকাল সাতটায় প্রধানমন্ত্রী সড়ক পথে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সকাল সাড়ে নয়টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান তিনি।সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা । শ্রদ্ধা শেষে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ ই আগস্টে নিহতদের বিদেহি আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তাঁরা দোয়া ও মোনাজাত করেন। পরে সন্ধ্যায় আবারো সড়ক পথে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, রাষ্টপ্রতি আব্দুল হামিদ বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া যাবেন। সেখানে জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা শেষে কাশিয়ানীতে নতুন নির্মিত ছয় লেনের মধুমতি সেতু পরিদর্শন করবেন।সেতু পরিদর্শন শেষে তিনি শিবচরে মরহুম ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরীরর কবর জিয়ারত এবং ইলিয়াছ আহমেদ চৌধূরী কলেজ মসজিদ পরিদর্শন করবেন। 


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে তাদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমার ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।



 বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মিয়ানমারের আবাসিক রাষ্ট্রদূত কাও সো তার পরিচয়পত্র পেশকালে রাষ্ট্রপতি তার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারকে এ আহ্বান জানান।



রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘বিদ্যমান রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা। আশা করি, জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত এসব জনগণ যাতে নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে তাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে পারে মিয়ানমার সেই পরিবেশ সৃষ্টি করবে।’


রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।



রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয় বাংলাদেশ।


নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সব সময় মিয়ানমারের সঙ্গে ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দেয়।


রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আশা প্রকাশ করেন, তার দায়িত্ব পালনকালে দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।



উভয় দেশেরই অন্বেষণের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক রয়েছে এবং উভয় দেশেরই এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।


বাংলাদেশ আগামী সেপ্টেম্বরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিমসটেককে শক্তিশালী করতে মিয়ানমারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ।



রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ আসিয়ানের ডায়লগ পার্টনার হতে চায়। এ ব্যাপারে তিনি মিয়ানমারের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।


রাষ্ট্রদূত ঢাকায় তার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তচ্যুতদের কারণে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে তার দেশ কাজ করছে।



মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেন, এই ব্যাপারে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা তিনি তার সরকারকে জানাবেন এবং সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।


সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এর আগে রাষ্ট্রদূত বঙ্গভবনে পৌঁছলে রাষ্ট্রপতির গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি অশ্বারোহী দল অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূতকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




চাঁদপুরে কয়েক ঘন্টায় কুকুরে কামড়িয়েছে ১০ জনকে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

কামরুজ্জামান টুটুল, চাঁদপুর প্রতিনিধি :

প্রায় ঘন্টা ধরে দৌড়ে দৌড়ে শিশু,নারী বৃদ্ধসহ ১০ জনকে কামড়িয়ে আহত করেছে একটি কুকুর। আহতদের সবাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে দুই জনকে রেফার করা হযেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুরে ঘটনাটি ঘটে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌর ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের টোরাগড় এলাকায়।


আহতরা হলেন, টোরাগড় গ্রামের শুকুর আলমের স্ত্রী কাজল (৪০), নবি হোসেনের মেয়ে নুসরাত (১০), খোকনের ছেলে ফাহিম (১৬), রাকিবের মেয়ে নুরজাহান (৫), জাকারিয়ার ছেলে সাইফুল (৩৫), সুমনের ছেলে শিহাব (১৩), জাকিরের ছেলে আব্দুর রহমান (৪), মৃত সিরাজের স্ত্রী রেজিয়া (৭০), মৃত কালু মিয়ার ছেলে বাচ্চু মজুমদার (৬০), মিজানের ছেলে মেহরাজ (৬)। তবে পরে কুকুরটি  খুঁজে পায়নি স্থানীয়রা। 


স্থানীয় বাসিন্ধা ও গনমাধ্যমকর্মী হাবিব উল্যাহ এদিন সকালে একটি কুকুর দৌড়ে এসে যাকেই সামনে পেয়েছে এবং বসতঘরে প্রবেশ করে তাকেই কামড়ে দিয়েছে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৮ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্য দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেপার করা হয়েছে।কুকুরের কামড়ে বহু জন আহত হওয়ার খবরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। 


আহত বয়োবৃদ্ধ বাচ্চু মজুমদার জানান, হঠাৎ করে একটি কুকুর দৌড়ে এসে আমাকে কামড়ে দেয়। পরে লাথি দিয়ে পা ছাড়িয়ে আমি দ্রুত হাসপাতালে যাই।


কাজল নামের অপর এক আহত নারী বলেন, আমি রান্না ঘরে কাজ করছি। এমন সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই  কুকুরটি এসে আমাকে কামড়াতে থাকে। তখন আমি ডাক-চিৎকার দিয়ে অচেতন হয়ে পড়ি। পরে বাড়ির লোকজন আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।


এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. মো. গোলাম মাওলা নঈম জানান, কুকুরের কামড়ে আহতরা হাসপাতালে ভ্যাকসিন দেয়াসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেপার করা হয়েছে।


তিনি আরো বলেন, আহত সবাইকে একটি করে জলাতঙ্ক প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে এবং প্রথম ডোজের ৩ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ, ৭ দিন পর তৃতীয় ডোজ এভাবে ৫টি ডোজ (প্রতিষেধ ইনজেকশন) নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 


আরও খবর



বাংলা ব্লকেড : শিক্ষার্থীদের নামে পুলিশের মামলা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা করেছে পুলিশ। আন্দোলনের সময় পুলিশের যানবাহন ভাঙচুর, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি হিসেবে অজ্ঞাতপরিচয় অনেক শিক্ষার্থী উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের পরিবহন বিভাগের গাড়িচালক খলিলুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ জুলাই কোটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্ব ঘোষিত আন্দোলনের কর্মসূচি ছিল। সে অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অজ্ঞাতপরিচয় ছাত্ররা জড়ো হয়ে বিভিন্ন হলের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে বিকেল ৪টার সময় স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগ মোড়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড় অতিক্রম করে বেআইনি জনতায় আবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করেন। তারা শাহবাগ মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন ও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করেন। এসময় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের মারধর করে সাধারণ জখম করেন।

পরে তারা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাত্রদের বুঝিয়ে শুনিয়ে পুনরায় শাহবাগ মোড়ে ফিরিয়ে আনতে যায়। এ সময় বিএসএমএমইউয়ের পাশে নিরাপদ স্থানে রাখা এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যাননের চারদিকে ঘেরাও করে অনেক সংখ্যক আন্দোলনকারীরা উঠে উদ্দাম নৃত্য শুরু করেন। তারা ওয়াটার ক্যানন চালককে গাড়ি থেকে জোর করে বের করার চেষ্টা ও গতিরোধ করেন। এর ফলে এপিসি ২৫ এর সামনের দুইটি এসএস স্ট্যান্ড, বনাটের উপরে বাম পাশে রেডিও অ্যান্টেনা এবং ডান পাশের পেছনের চাকার মার্টগার্ড চলি এবং ওয়াটার ক্যাননের বাম পাশের লুকিং গ্লাস ভেঙে অনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেন। এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ছাত্রদের অন্যান্য সিনিয়র স্যাররা বুঝিয়ে শুনিয়ে এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যানন থেকে নামিয়ে আনেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে পানির বোতল, টেপটেনিস বল ও ইটের টুকরা ছুড়ে মারেন। এতে অনেক পুলিশ সমস্য আঘাতপ্রাপ্ত হন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সব সিনিরয় কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে অজ্ঞাতপরিচয় ছাত্ররা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাহবাগের আন্দোলনে যোগ দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বারডেম হাসপাতালের গেটের ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশ সদস্যদের আহত করেন। তারা পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি করেন। ছাত্ররা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ছাত্রদের ধরে নিয়ে গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশকে মারতে তেড়ে আসেন ও পুলিশকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে শাহবাগ মোড় ত্যাগ করেন।

এ ছাড়া বিবাদীরা বেআইনিভাবে জড়ো হয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারি কাজে বাধা দেন। তারা স্বেচ্ছায় আঘাত করেন, গতিরোধ, দাঙ্গা দমনকারী কর্তব্যরতদের প্রতি আক্রমণ ও বাধা দিয়ে ক্ষতিসাধন ও ভয়ভীতি দেখান বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কুমিল্লায় হত্যার মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ১০

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস:


কুমিল্লায় নুরুল হক হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। 



এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয় এবং মামলা চলাকালী দুই আসামির মৃত্যু হলে আদালত মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেয়।



বুধবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এই রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জাকির হোসেন।



 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. মাছুম (৩৫), তাজুল ইসলাম (৩২), মো. মোস্তফা (২৪), মো. কাইয়ুম (২৫), মো. কাইয়ুম (২৮), মো. তবদুল হোসেন (৪০)। তাদের মধ্যে রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন মো. কাইয়ুম ও মো. তবদুল হোসেন।



 রায় শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান।



যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মো. নানু মিয়া (৪০), মতিন মিয়া (৪০), সাইদুল ইসলাম (২৪), বাবুল মিয়া (২৫), সফিকুল ইসলাম (৩৫), মো. সফিকুল ইসলাম (২৮), মোসলেম মিয়া (৪৫), মো. হেলাল মিয়া (২৫), বিল্লাল হোসেন (৩০) ও আবদুল আউয়াল (৩০)। রায় ঘোষণার সময় মো. নানু মিয়া, মতিন মিয়া, বাবুল মিয়া, সফিকুল ইসলাম, মো. সফিকুল ইসলাম, মোসলেম মিয়া , মো. হেলাল মিয়া, আবদুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।



 অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস পাওয়া দুই আসামি হলেন- হিরণ মিয়া ও মনিরুল ইসলাম। এছাড়া মামলা চলাকালী মারা যাওয়া দুই আসামি হলেন- ফুল মিয়া ও সেলিম।


মামলার বিবরণে জানা যায়, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ছোট দুশিয়া এলাকার ফরিদ মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার মাছুমের দীর্ঘদিনের সম্পত্তি নিয়া বিরোধ ছিল। এ ঘটনায় নুরুল হকের নেতৃত্বে কয়েকবার সালিস বৈঠক হয়।



 সালিস বৈঠকে ফরিদ মিয়ার ভিটাবাড়ি মাছুম মিয়ার দখল থেকে ফরিদ মিয়াকে ছেড়ে দেয়ার জন্য তিনি রায় দেন। এরপর থেকেই আসামিরা বিভিন্ন সময়ে তাকে ভয়-ভীতিসহ হুমকি দিচ্ছিলেন। এ ঘটনার কিছুদিন পর ২০১১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি কুমিল্লা শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে সবজুপাড়া শিদলাই রোড এলাকায় মাছুমের পক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা করে। 



মাছুমের লোহার বল্লম দিয়ে নুরুল হকের বুকে চারটি আঘাত করেন। এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে উপস্থিত মাছুমের পক্ষের লোকজন নুরুল হকের শরীরে বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরদিন তার ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়।


আইনজীবী মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, মামলায় ২০১৬ সালের ৪ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিচার চলাকালীন দুই আসামি মারা যান। দুজনকে খালাস প্রদান করেছেন বিচারক।



 রায়ে সময় আদালতের এজলাসে ১০ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। অপর ৬ আসামি পলাতক রয়েছে। এ মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।


অন্যদিকে, রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষের আইনজীবী আবদুল মুমিন ফেরদৌস জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।



আরও খবর



হল ত্যাগের নির্দেশ মানতে নারাজ বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মোঃ ছিপু মোল্লা , বশেমুরবিপ্রবি সংবাদদাতাঃ

'আমার হলে আমি থাকব, আপনি নিষেধ করার কে?' -স্লোগানে মুখরিত গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(বশেমুরবিপ্রবি)। ছয় ঘন্টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার না করলে আবারো উপাচার্য ভবন ঘেরাও করা হবে বলে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। 

বুধবার(১৭জুলাই) বিকেলে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ওই দিন সকাল ১১ঘটিকায় রিজেন্ট বোর্ডের সভা হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর দুপুর ১২টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আবাসিক হলের ছেলে শিক্ষার্থীদের বিকেল পাঁচ ঘটিকার মধ্যে হলের ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের পরদিন সকাল ১০ঘটিকা নাগাদ হল ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোব দেখা যায়। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এরপর বিকেল ৩ঘটিকায় মিছিল বের করে। 'আমার হলে আমি থাকব, তুমি বলার কে?' 'শিক্ষা সন্ত্রাস একসাথে চলেনা' স্লোগান নিয়ে উপাচার্য ভবন ঘেরাও করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বলেন, অবিলম্বে এই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত উপাচার্যকে সময় দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে যদি বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব। তারা বলেন, আমরা কোটা সংস্কার না করে বাড়ি যাবনা।

হলের ত্যাগের বিষয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া লোক প্রশাসন বিভাগ ২০১৭-১৮শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুবর্ণা জয় বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় আমার। এই হল আমার। আমার হলে আমি থাকব। ইউজিসি আমাকে নিষেধ করার কে? রিজেন্ট বোর্ড আমাকে নিষেধ করার কে? 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, উপাচার্য হয়তো ভয় পায়। তিনি আমাদেরকে নিরাপত্তা দিতে পারবেন না সেজন্য হয়তো হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি বলেন, উপাচার্যের যদি নিরাপত্তার অভাব হয় তাহলে আমরা ওনাকে নিরাপত্তা দিব। হল আমাদের, আমাদের হলে আমরা থাকব। 

আন্দোলন স্থলে উপস্থিত হয়ে উপাচার্য বলেন, হল ত্যাগের নির্দেশনা আমার না। এটি ইউজিসি থেকে নেওয়া হয়েছে। আমরা শুধুমাত্র প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষার্থীরা যদি হলে থাকতে চায় তাহলে আমরা তাদেরকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিব। আমরা পুলিশ প্রশাসনের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। তিনি বলেন, রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর