Logo
শিরোনাম

ঊর্ধ্বমুখী মসলার বাজার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ডলার সংকটের কারণে বেশ কিছুদিন মসলার এলসি বন্ধ ছিল। ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আমদানিনির্ভর গরম মসলার দাম বাড়ছে। এ ছাড়া শীতের মৌসুমে দেশে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান বেড়ে যায়। সামাজিক অনুষ্ঠান ও মৌসুমি খাদ্যাভ্যাসের কারণে মসলার চাহিদা কিছুটা বাড়ে। এ বছর শীত আসতে না আসতেই আরও বাড়ছে মসলা জাতীয় পণ্যের দাম।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল, খিলগাঁও, মতিঝিল এজিবি কলোনি, মালিবাগ রেলগেট, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচাসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

শিপন আহমেদ পরিবার নিয়ে থাকেন রাজধানীর মুগদাপাড়ায়। চাকরি করেন মতিঝিলের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। খিলগাঁও বাজারে কথা হয় তার সঙ্গে।

তিনি বলেন, আগের তুলনায় শাক-সবজির দাম কিছুটা কমছে। তবে চাল, চিনি, আদা, রসুনসহ অন্যান্য পণ্যের দাম আরও বেড়েছে। বাজারে গেলে মাথা কাজ করে না। শুধু তাই নয়, আকাশচুম্বি মসলা পণ্যের দাম। আমাদের মতো সীমিত আয়ের মানুষের পক্ষে সংসার চালানো সম্ভব নয়। খুব বিপদের মধ্যে আছি।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। এর মধ্যে ডলারের চড়া দাম আরও বড় প্রভাব ফেলেছে। এক মাসের ব্যবধানে বিভিন্ন মসলাজাতীয় পণ্যগুলোর দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

খিলগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন, দেশে ডলার সংকটের কারণে গত এক বছর ধরে গরম মসলার বাজার অস্থির। ডলার সংকটের কারণে বেশ কিছুদিন মসলার এলসি বন্ধ ছিল। তাই হু হু করে বাড়ছে গরম মসলার দাম। পাইকারিতে দাম বাড়লে আমাদের মতো খুচরা বিক্রেতাদের কিছুই করার নেই।

তিনি আরও বলেন, পণ্যের দাম বাড়লে লাভের পরিমাণ কমে। মূলধন বেশি লাগে। ক্রেতারা আগের চেয়ে কম পণ্য ক্রয় করে। ফলে খুচরা বিক্রেতাদের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

মসলার দাম এত বেশি বেড়ে যাওয়ার কারণ বলতে গিয়ে তিনি বলেন, শীত এলে দেশে ভাজা-পোড়াসহ অন্যান্য মসলাদার খাবারের চাহিদা বাড়ে। এ ছাড়া বছরের শেষ বলে অনেক অনুষ্ঠান-আয়োজন থাকে। তাই মসলার চাহিদা বেড়ে যায়। অপরদিকে মসলার বাজারের বৃহৎ অংশই মূলত আমদানিনির্ভর। ডলার সংকট আর এলসি বন্ধ থাকায় বাড়ছে গরম মসলার দাম। কেননা চাহিদা বাড়ছে, কিন্তু সে তুলনায় জোগান না বাড়ায় তার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

জানা যায়, ভারত ও চীন থেকে দেশের বাজারে সবচেয়ে বেশি মসলা আসে। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া, মাদাগাস্কার, গুয়েতেমালা, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ থেকেও মসলা আমদানি করা হয়। তবে শুধু ধনিয়া, জিরা, মরিচ, হলুদ, তেজপাতা, কালিজিরাসহ হাতেগোনা কয়েকটি মসলা উৎপাদন হয়। চাহিদার তুলনায় সেগুলোর উৎপাদনও কম। তাই এসব পণ্যও আমদানি করতে হয়।

রাজধানীর পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক মাস আগেও এলাচের কেজি ছিল ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। বর্তমানে একই মানের এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ টাকায়।

গোলমরিচ ছিল ৫৯০ থেকে ৬০০ টাকা। কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা বেড়ে এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৬২০ থেকে ৬৩০ টাকায়। প্রতিকেজি লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকা, দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৩৮৫ টাকা থেকে ৪০০ টাকা, জায়ফল বিক্রি হচ্ছে ৬৭০ থেকে ৬৮০ টাকা ও জিরা বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেশি।

এ ছাড়া প্রতি কেজি দেশি শুকনা মরিচের দাম ২৯০ টাকা, ভারতীয় শুকনা মরিচ ২৮০ টাকা, ভারতীয় হলুদ ২০০ টাকা, দেশি হলুদের দাম ২০০, কালিজিরা ২৪০ টাকা, মেথি ১২৫ টাকা, ধনিয়া ১৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি।

অপরদিকে, কয়েকমাস আগে প্রতি কেজি জিরা ৪০০ থেকে বেড়ে এক হাজার টাকায় ওঠে, যা এখন সামান্য কমেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে প্রতিটি মসলা পণ্য ৪০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর

আবার কমেছে রিজার্ভ

বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪

বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে কোরবানির মাংস দেড় হাজারের উপরে ভাগ করা হয়

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামে ঈদ উল আজহা উপলক্ষে দেশের অন্যতম কোরবানির মাঠে ১৫৬টি খাসি ৭০টি গরু কোরবানী করা হয়েছে।


 কোরবানির মাংসের বন্টন হয়েছে ১৫শ ৫৫টি। আাড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী কোরবানির মাঠ দেশের বৃহত্তম কোরবানির মাঠ বলে বলে দাবী করেন অনেকে।  


উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামের কোরবানির মাঠটি দুটি ঈদগাহ ও সাতটি মসজিদ সমাজ নিয়ে গঠিত। এ কোরবানির সমাজের এ বছর ১৫৬টি খাসি ও ৭০টি গরু কোরবানি করা হয়েছে। 


জানা যায়, বৈলাজান কোরবানির মাঠে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় পশু জবাই, মাংস তৈরির কাজ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এ উপলক্ষে মাঠে বিরাজ করে আনন্দ ঘন পরিবেশ। 


যার যার কোরবানিকৃত পশুর মাংস বানাতে নিজেরাই ব্যস্ত  হয়ে পরে। মাঠে এক পাশে বসে দোকান। ছোট ছেলে মেয়েরা আনন্দ উল্লাস করে থাকে। এ কোরবানির মাঠে রয়েছে এক ঐতিহ্যবাহী নিয়ম।



 এখানে পশু জবাই করার পর তা তিন ভাগের একভাগ মাংস জমা রাখতে হয়। যেখানে জমা রাখা হয় তাকে বলা হয় পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতে দায়িত্বে থাকা সেচ্ছাসেবীরা কোরবানি সমাজের ১৫৫৫টি খানার মধ্যে তা সমান হারে বন্টন করে যার যার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে।



পঞ্চায়েত সভাপতির দায়িত্ব থাকা ইউপি সদস্য মো. শাজাহান মিয়া বলেন, ‘আমাদের এ কোরবানির মাঠ কবে থেকে শুরু হয়েছে তা আমরা বলতে পারব না। আমার দাদা বাবারা এই মাঠে কুরবানি করেছেন। আমার দাদা করেছে আমার বাবা করেছে আমরাও কোরবানি করছি।’ 


এ ব্যাপারে অন্যান্যরা বলেন, এই কোরবানির মাঠে আমাদের বাপ দাদারা ও কোরবানি করেছে। এটি আমাদের ভাতৃত্বের বন্ধনকে সুদৃড় করে। এটি আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য।


আরও খবর



সুফিবাদ চর্চা বিবেক জাগ্রত হয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম : সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

আত্মার মাধ্যমে মন দেহের সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আবার মন হলো তত্ত্ব, তত্ত্ব মানে জ্ঞান। অর্থাৎ জ্ঞানই সব পরিচালনা করে। মানব হল সত্তা। এর দুটো অংশ। একটি আত্মা, অপরটি মন; যা দেহে অবস্থান করে। দেহ, আত্মা ও মনের সমন্বয়ে পূর্ণ মানব। মনের অন্য রূপ হলো বিবেক। বিবেক দ্বারা সে সত্য মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণ করে। বিবেকের অপর নাম চেতনা। চেতনা হল একটি শক্তির নাম, এই শক্তি সুপ্তভাবে প্রতিটি মানবের মধ্যে বিদ্যমান। যিনি এই শক্তিকে জাগ্রত করতে পারে, তিনি মহা শক্তিধর আল্লাহর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। অন্তর্নিহিত এ শক্তিকে জাগ্রত করার জন্য প্রয়োজন ধর্ম। অর্থাৎ ধর্মচর্চা। ধর্ম মানুষকে প্রাকৃতিকতা শিক্ষা দেয়, ধর্ম সুবুদ্ধিতে নিরন্তর চর্চায় রাখে।

ধর্মের দুটো দিক। একটি আনুষ্ঠানিকতা, অপরটি আধ্যাত্মিকতা। আনুষ্ঠানিকতা হলো ধর্মের বাইরের বাতাবরণ। অর্থাৎ বইয়ের মলাটের মত। এর ভেতরেই রয়েছে ধর্মের প্রকৃত রূপ; যার নাম আধ্যাত্মিকতা। আনুষ্ঠানিকতা অংশ নিয়ে বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠীর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যায়, এমনকি একই ধর্ম অনুসরণকারীদের মধ্যেও মতবিরোধ দেখা যায়। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব সংঘাতেও লিপ্ত হয়। অপরদিকে আধ্যাত্মিকতা সকল ধর্মের মানুষ গ্রহণ করে। এর সাথে কারো মতবিরোধ নেই, সে যেই ধর্মের হোক না কেন।

মূলত ধর্ম প্রাকৃতিকতার সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয়। প্রাকৃতিকতা ব্যতীত প্রকৃতির মালিকের সন্ধান পাওয়া যায় না। প্রাকৃতিকতা ধারণের নামই আধ্যাত্নিকতা। আধ্যাত্মিকতা ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে, বিবেককে জাগ্রত করে। ইসলাম ধর্মসহ পৃথিবীর সকল ধর্মই নৈতিকতা তথা সত্যকে ধারণ ও মিথ্যাকে বর্জনের শিক্ষা দিয়েছে। ধর্ম কখনো অনৈতিকতাকে সমর্থন করেনি, এখনো করে না,এবং ভবিষ্যতেও করবে না। প্রকৃতির নিয়মে সৃষ্টির মধ্যে একে অপরের সাথে আন্তসংযুক্ত,একে অপরের উপর নির্ভরশীল, আত্মার সাথে সম্পর্কিত। এমনকি আল্লাহর সাথেও সংযোগকৃত ও সম্পর্কিত। আর মানুষ মানুষে সম্পর্ক তো আছেই। সম্পর্কিত বলেই অপরের ব্যথায় ব্যতীত ও সুখে আনন্দিত হয়। ধরি কেউ একজন বাংলাদেশে খাদ্য গ্রহণ করছেন, এমতবস্থায় সংবাদ মাধ্যমে শুনতে পেয়েছেন যে আমেরিকায় বিমান দুর্ঘটনায় অনেক লোক প্রাণ হারিয়েছেন। সাথে সাথে মনের ভেতর বিরুপ প্রভাবসহ খাদ্য গ্রহণে অস্বস্তিবোধ হয়। এথেকে বোঝা যায়একে অপরকে না চিনলেও পারস্পারিক আন্ত:সম্পর্ক ও আন্তঃসংযোগ আছে। ধর্ম এটিকে অটুট রাখতে শিক্ষা দেয়,বিচ্ছিন্ন হতে দেয় না। সমগ্র বিশ্ব হল একটি পরিবারের মতো। তাই কর্তৃত্ব নয় বরং সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে (এ বন্ধনকে) অটুট রাখতে ধর্ম সহায়তা করে। এইজন্য যুগে যুগে যুগসংস্কারকসহ আল্লাহর আউলিয়াগণ বিভিন্ন তরিকা ও দর্শনের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও বেলায়েতের শক্তি দিয়ে মানবকে ধর্মচর্চায় প্রভাবিত ও উদ্বুদ্ধ করে। আধ্যাত্মিক জ্ঞানের (শক্তির) প্রভাবে মানবের অহংকারকে ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ করে। এবং মনুষ্যত্ব ধারণে সহায়তা করে।

আবার অন্যদিকে কতকব্যক্তি ধর্মকে বিশ্বাস করেন, গ্রহণ করেন ও ধর্মগ্রন্থকে সম্মান করেন কিন্তু এটি যে একটি জ্ঞানগ্রন্থ তা বুঝে উঠতে পারে না। কারণ এদেরকে কিছু ধর্মব্যবসায়ী অন্ধকারে নিমজ্জিত করে রেখেছে।এই শ্রেণীর লোক সমাজে বেশি। আবার কতক ব্যক্তি আছেন যারা মুখে ধর্মের কথা বলে কিন্তু ধর্ম ধারণ করে না। এরা ধর্মকে পেশা ও ব্যবসা হিসেবে নেয়। সামান্য স্বার্থের জন্য ধর্মকে অনৈতিক কর্মে ব্যবহার করে। ধর্মের লেবাস পরিধান করে মানুষ মানুষে বিভেদ বিচ্ছিন্ন করে। সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই এরকম কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী আছে, যাদের কারণে অতি উৎসাহী কিছু লোক না বুঝে, কিংবা বুঝে অথবা পরিকল্পিতভাবে ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে। উভয়ই জন্তু থেকেও অধম। এরা সমাজ রাষ্ট্র সহ সকলের জন্য ক্ষতিকর।

অথচ ধর্মের মূল শিক্ষা হচ্ছে বিভেদ বিচ্ছিন্নতা নয়, সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সংযুক্তি; কর্তৃত্ব ও প্রভুত্ব নয় বরং একে অপরের ভাই মনে করে সেবার মানসিকতা নিয়ে সমগ্র বিশ্বকে একটি পরিবার মনে করে এবং সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।এর নাম সুফিবাদ। এজন্য যুগে যুগে ধর্মকে হৃদয়ে ধারণ করে সুফি সাধকগণ প্রেম, বিনয়, উদারতার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন সমাজকে একত্রিত থাকার শিক্ষা দেন। সকল ধর্মই শান্তির কথা বলে। তবে সর্বশেষ অতি সহজ, আধুনিক যুগোপযোগী ও বৈজ্ঞানিক ধর্মের নাম ইসলাম। ইসলাম শব্দের অর্থই হলো শান্তি।পূর্ণ শান্তি ও জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলাম। ইসলাম দিয়েছে সকল ধর্মানুসারীদের নিরাপত্তার অধিকার, স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার, সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার, নারীদের দিয়েছে (শালীনতার ভিত্তিতে) ব্যবসাসহ কর্ম করার অধিকার।

 সার্বিকভাবে সর্ব বিষয়ে উদারতার শিক্ষা দিয়েছে। সুফিরা বলেছেন, প্রয়োজনে নিজস্বার্থ কিছু ত্যাগ করে হলেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার নাম ইসলাম। আর কিছুলোক নিজস্বার্থের জন্য ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে অনৈতিক কর্মে ব্যবহার করে।তারা ইসলামকে রাজনৈতিক দলে পরিনত করেছে। আর এই কুকর্মগুলো করা হয় ধর্মের দোহাই দিয়ে। এর চেয়ে জঘন্য ও নিকৃষ্ট কর্ম আর কী হতে পারে! এদের কারণে বিশ্ব সমপ্রদায় মনে করে ইসলাম মানে জঙ্গিবাদ, মারামারিহানাহানি, হিংসা, বিভেদ বিচ্ছিন্নতা। ইসলাম মানে ওজনে কম দেয়া, অকারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করা।ফলে ইসলামসহ শান্তির বার্তাবাহক, আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী, মানবকুলসহ সমগ্র সৃষ্টি জগতের রহমত হিসেবে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) প্রেরিত হযরত আহম্মদ মোস্তবা মোহাম্মদ মোস্তফা (দ.)কে তারা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে। এজন্য আমরাই দায়ী। তাই ধর্মকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর ভাব ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। যাঁরা ধর্মের নৈতিকতা ও ভাব হৃদয়ে ধারণ করে, তাঁদের দ্বারা সমাজে কখনো অকল্যাণ হতে পারে না। ন্যূনতমও যে ধর্ম ধারণ করে, সে কখনো ওজনে কম দিতে পারে না, অকারণে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি ও গুদামজাত করতে পারে না, সে খাদ্যে ভেজাল দিতে পারে না, রমজান মাসে অতিরিক্ত মুনাফা করতে পারে না। ধার্মিক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজার নিয়ন্ত্রণে এনে মূল্য বৃদ্ধি করে না, বরং অল্প মুনাফা করে সন্তুষ্ট থাকে। তাঁরা দেশের দুর্যোগ ও খাদ্য সংকটকালে গুদামজাত না করে রাষ্ট্র, সরকারের সাথে একত্রিত হয়ে জনগণের কষ্ট দূরীকরণে ভূমিকা রাখে। এঁরাই ধার্মিক। এঁদের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়।

 ধর্ম ধারণকারীর প্রতিটি কর্মে প্রাকৃতিকতা প্রকাশ পায়। তাঁর দ্বারা কখনো প্রকৃতির দূষণ হতে পারে না, অপ্রয়োজনে বৃক্ষ কর্তন করে অক্সিজেন ধ্বংস করে না। পাহাড় কেটে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করে না, (পাহাড় ভূমির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ভূকম্পন নিয়ন্ত্রণে রাখে, পাহাড় কর্তনে পরিবেশ ভারসাম্য হারায়। ফলস্বরূপ অতিমাত্রায় ভূকম্পন হয়, অতিবর্ষণে পাহাড় ধসে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়), সে পানি দূষণ করে না। সুফিবাদ চর্চা বিবেককে জাগ্রত হয়। ফলে সে সত্যমিথ্যার প্রভেদ বুঝতে পারে। সবসময় যেকোনো কর্মে সতর্ক থাকে। তাঁর আল্লাহভীতি ও প্রেমানুভূতি জন্মে। ফলে আল্লাহ ধর্মে যা করার নির্দেশনা দিয়েছেন, যা করতে নিষেধ করেছেন এসব পালনে সতর্ক থাকে। সুফিবাদি মানুষের বিবেক সব সময় কথা বলে। যেটা মানবের জন্য কল্যাণকর তা করা এবং অমঙ্গলজনক কর্ম না করার জন্য ভেতর থেকে নির্দেশনা দেয়। আল্লাহভীতির কারণে সে জানে কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে। তাই এক প্রকার দায়িত্ববোধ জন্মে। ফলে কোনো অনৈতিক কর্ম করার পূর্বে একবার চিন্তা করে। বিবেক প্রতিনিয়ত তাকে দংশন করে। হৃদয়ের গভীর থেকে অদৃশ্য শক্তি কিংবা কে যেন বলে দেয় এটি মন্দ কর্ম, এটি করিও না। আধ্যাত্মিকতা ধমের্র মূল অংশ।

আধ্যাত্মিকতা আত্মসম্পর্কিত ইবাদত। এটি আত্মাকে আলোকিত করে, আত্মাকে মহাত্মার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করে। প্রেমাগুণ দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। আর এই কর্মটি করতে সহজ হয় যদি কোনো কামেল পীরের সংস্পর্শে করা যায়। একজন আধ্যাত্মিক মুরশিদ  জ্ঞান, সংস্পর্শ, অনুগ্রহ দ্বারা ভক্ত শিষ্যের প্রেমাগুণকে প্রজ্জ্বলিত করে, এবং প্রেমাগুণে পুড়ে তাকে প্রকৃত মানবে পরিণত করে। এর নাম সালাত।এর নাম এবাদত। প্রেমাগুণে জ্বলে আত্মাকে ভস্ম করে আলোকিত করার নাম সালাত। এটি আমিত্ব, অহংকারসহ নফসকে পুড়ে ছাই করে দেয়, সর্বপ্রকার অপকর্ম থেকে দূরে রাখে।পবিত্র কোরআন শরীফে আছে,ইন্নাস সালাতা তানহা অনিল ফাহসাই ওয়াল মুনকার অর্থাৎ নিশ্চয় নামাজ মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে। একজন কামেল মুরশিদ শিক্ষা ও দীক্ষা দিয়ে পাপিষ্ট ব্যক্তিকে অনৈতিক কর্ম থেকে বিরত রাখা সহ আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। এবং তাঁকে এমন এক নেশায় আসক্ত করে, যে নেশায় মত্ত হয়ে প্রতিনিয়ত আল্লাহর নৈকট্যতা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল থাকে। যে নেশায় সকালে আসক্ত হলে রাতে শেষ হয়ে যায় সেটি প্রকৃত নেশা নয়। এটি ভোগের নেশা। অতএব এমন নেশায় আসক্ত হও যে নেশায় একবার মত্ত হলে পরমকে না পাওয়া পর্যন্ত কাটে না, এটি হলো প্রেমের নেশা। পার্থিব নেশায় আসক্ত হলে জ্ঞান, বিবেক, বুদ্ধি সবই লোপ পায়।

যে প্রেমাস্পদকে ভালোবাসে, সে আল্লাহর সৃষ্টির প্রতিটি বস্তুকে ভালোবাসে। সুফিসাধকগণ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন কীভাবে প্রকৃতিকে ভালবাসতে হয়, প্রকৃতির সেবা করতে হয়। যে প্রকৃতি ও প্রকৃতির ভাষা বোঝে না, প্রকৃতির ঋণ অস্বীকার করে; সে কখনো স্রষ্টার অনুগ্রহ পায় না।সে স্রষ্টা থেকে অনেক দূরে। প্রকৃতি প্রেমব্যতীত স্রষ্টাপ্রেমী হওয়া যায় না। ধর্মের (সূফীবাদ) চর্চা মানুষকে প্রকৃতির প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে, নীরবতা, নির্জনতার দিকে নিয়ে যায়। অপ্রয়োজনীয় কথা ও কর্ম থেকে বিরত রাখে। আবার প্রয়োজনে সঠিক সময়ে সত্য কথা বলে, মিথ্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। এজন্য বর্তমানে আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও সভ্য সমাজ বিনির্মাণে সুফিবাদ চর্চার বিকল্প নেই। কোনো ধর্মই কখনো দেশ ও সমাজের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয় এরকম অনৈতিক শিক্ষা দেয় না। ধর্ম ন্যায়ের কথা বলে, জ্ঞানের কথা বলে, সত্যের কথা বলে, মানবকল্যাণের কথা বলে ;সর্বোপরি সুবুদ্ধির কথা বলে। সুবুদ্ধির মধ্যে সত্য নিহিত। সুবুদ্ধির বর্ণনা দিতে গিয়ে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের মহান সুফিসাধক সৈয়দ সাইফ উদ্দিন আহমেদ আল মাইজ ভান্ডারী বলেন, সুবুদ্ধিতে খোদা, সুবুদ্ধিতে রাসুল (দ.),সুবুদ্ধিতে ইসলাম, সুবুদ্ধিতে কোরআন, সুবুদ্ধিতে ঈমান, সুবুদ্ধিতে মানবতা। সুফিবাদ ধারণ করলে মানুষ সুবুদ্ধির পথে অগ্রসর হয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সুবুদ্ধির বিকল্প নেই।

ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তির মধ্যে একদিকে আল্লাহ ভীতি, অন্যদিকে আল্লাহর প্রেম সৃষ্টি হয়। ভীতির কারণে অনৈতিক কর্ম থেকে দূরে থাকে। কারণ সে জানে একদিনে পরকালে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। তাই সদা সর্বদা সতর্ক থাকে। অপরদিকে প্রেমের কারণে সমগ্র সৃষ্টির কণায় কণায় স্রষ্টার অস্তিত্ব উপলব্ধি করে। ফলে সে সৃষ্টির প্রতি সদয় হয়।এবং প্রেমাস্পদের স্মরণে সদা সর্বদা মগ্ন থাকে। অতএব যে ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা ও আচারিকতাকে প্রাধান্য দেয়, মূলভাব (নৈতিকতা) হৃদয়ে ধারণ করে না, তার অনুভূতি জাগ্রত হয় না। অনুভূতি ব্যতীত উপলব্ধি আসে না, উপলব্ধি ব্যতীত জ্ঞানচক্ষু ফোটে না,আত্মা পরিশুদ্ধ ও আলোকিত হয় না। আর পরিশুদ্ধ আত্মাই মহাত্মার সাথে মিলন করতে পারে। তাই বিশ্বে সাম্যবাদ ও শান্তি ফিরিয়ে আনার অন্যতম ও উৎকৃষ্ট উপায় হলো সূফীবাদ চর্চা।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলার স্কুলে গিয়ে যে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশুরাই হবে আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের কারিগর।


শনিবার (৬ জুলাই) জাতির পিতার ছেলেবেলার গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন’ ও ‘এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি’ শীর্ষক অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বো। আজকের ছোট শিশুরাই হবে আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের কারিগর। শিশুরাই হবে আসল স্মার্ট, তারাই দেশ চালাবে। আমরা এক সময় চাঁদেও যাবো। তাই সবাইকে এখন থেকে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে, পড়াশোনা করতে হবে।


শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য ’৭৫- এর পর ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। মানুষের জানা উচিত, কিভাবে স্বাধীনতা পেলাম। স্বাধীনতার পরে যে কাজগুলো হয়েছে, সেগুলোও জানতে হবে।



অনুষ্ঠান শেষে সেখান থেকে টুঙ্গিপাড়া পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেন শেখ হাসিনা। বিকালে জাতির জনকের সমাধিতে ফাতিহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেওয়ার পর ঢাকায় ফিরবেন তিনি।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




নওগাঁয় বিস্কুট খেয়ে ৬ বছর ও ৮ মাস বয়সী দুই বোনের মৃত্যু, এক কিশোর অসুস্থ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার দোগাছী স্কুল পাড়া গ্রামে বিস্কুট খেয়ে ৬ বছর বয়সী খাদিজা ও ৮ মাস বয়সী তাবসসুম নামে আপন দুই বোনের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের মৃত্যু হয়। একই সাথে বিস্কুট খেয়ে মইন ইসলাম নামে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর অসুস্থ হয়েছে। তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহত খাদিজা ও তাবাসসুম দোগাছী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি জহুরুল ইসলামের মেয়ে। অসুস্থ মইন একই গ্রামের পাইলট এর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর দেড়টার দিকে খাদিজা, তাবাসসুম ও মইন নামে ঐ ৩ জন শিশু ও কিশোর বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে বিস্কুট কিনে খায়। এর কিছু পরই তারা লাগাতার বমি করতে থাকে। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দ্রুত নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে নেয়ার পর চিকিৎসক তাবাসসুম কে মৃত ঘোষণা করেন এবং খাদিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করলে রাজশাহীতে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক বলেন, দুই শিশুর ঘটনা ঘটেছে। তবে কি কারনে তাদের মুত্যু হয়েছে তা ময়না তদন্তর রিপোর্ট পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে।


আরও খবর



প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



শিশুদের প্রযুক্তির জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।


শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের মেধা বিকাশে নতুন শিক্ষা কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দুই বছরের করার পরিকল্পনা করছে সরকার। দারিদ্র্য মুক্তির মূল শক্তি হবে শিক্ষা। স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হবে আজকের শিশুরাই।


তিনি বলেন, প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন নতুন প্রজন্মই দেশকে এগিয়ে নেবে সমৃদ্ধির দিকে। সেজন্য শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা নয়, সার্বজনীন মানসম্পন্ন শিক্ষা চায় সরকার।



সরকারপ্রধান বলেন, গত ১৫ বছরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকের সংখ্যা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন করেছে এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


এর আগে, প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, খেলাধুলা, সংগীত, বিদ্যালয় পরিচালনা, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীকে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।


পদক প্রদানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নিজ সংস্কৃতির উন্নয়ন, আত্ম-উন্নয়ন, আত্ম-নির্ভরশীলতা অর্জন এবং দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজ দেশের সংস্কৃতি উন্মোচন করা।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসি।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪