Logo
শিরোনাম

বিনিয়োগ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিনিয়োগ করুন

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড আল আমিন, শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঃ

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা  নতুন যেই নির্দেশনা দিয়েছে, তাতে তারল্য কিছু বাড়বে বলে আমি মনে করি। এখানে ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক সম্মতিতে  ব্লক মার্কেটে ফ্লোর প্রাইসের চেয়ে ১০% কম মূল্যে ক্রয়-বিক্রয় হবে,মূল বাজারে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকবে। এখানে  ১০% কমে যিনি ক্রয় করছেন তিনি যদি এক বছরও অপেক্ষা করেন,অন্যান্য যেকোন সঞ্চয় স্কিমের চেয়ে এটা কম লাভজনক হবে না। আর যিনি বিক্রয় করছেন,হয়তো তার খুব প্রয়োজন অথবা উনি তার বিনিয়োগ অন্য কোন শেয়ারে করতে পারেন,যেখানে তিনি হয়ত ১০% বেশি মুনাফা পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন। আমাদের দেশের পুঁজিবাজারের দুর্ভাগ্য ফেসবুক ভিত্তিক নানা গুজবে অনেকে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন,এটাকেই কাজে লাগায় নানা প্রতারক চক্র। আপনি কি কখনো শুনেছেন,বড় কোন বিনিয়োগকারী,অথবা এমন কোন নির্ভরযোগ্য ফেসবুক পেইজ আছে,যেটা ফলো করে আপনি অনেক বেশি লাভবান হয়ে গেছেন? অবশ্যই না।কারণ ঐসব ফেসবুক গ্রুপ কারো কারো দালাল হিসাবে কাজ করে,যেসব বিনিয়োগকারী কম বুঝেন তাদের বেশি ক্ষতি হয় ঐসব গুজবে কান দিয়ে। তাই দোষটা কার?যিনি ফেসবুকের গুজব বিশ্বাস করেন,নাকি যিনি গুজব ছড়িয়ে থাকেন?আমি মনে করি যিনি গুজব বিস্বাস করেন,বেশি দোষ তার। ঐসব ফেসবুক গ্রুপের কি দায়,আপনাকে মুনাফা করিয়ে দেয়ার?আপনাকে মুনাফা অন্য কেউ কেন করিয়ে দিবে,কোন স্বার্থ ছাড়া? তাই ঐসব দালাল গ্রুপের খপ্পরে পড়ে, আপনি পুঁজি হারাবেন?নাকি বিনিয়োগ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে,সময় নিয়ে বিনিয়োগ করবেন,সম্পূর্ন আপনাদের সিদ্ধান্ত। আমরা খুব সহজেই অন্যের কথায় প্রভাবিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে,অন্যকে দোষারোপ করি,কখনো নিজের অজ্ঞতাকে দোষ দেই না। সবাইকে পুঁজিবাজারে কেন আসতে হবে? যারা বুঝবে শুধু তাদের আসা উচিৎ, না বুঝলে নানা দালাল গ্রুপ আপনাকে যা বুঝাবে আপনি তাই বুঝে নিজ দায়িত্বে নিজেদের ক্ষতি করতেই পারেন,কিন্তু কাউকে এটার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না। কারণ আপনার ঝুকি নেয়ার সক্ষমতার উপর নির্ভর করে,আপনার বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত। তাই কোন গুজবে কান না দিয়ে,কোন দালাল চক্রের হাতে না পড়ে, নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিনিয়োগ করুন আর নিজের পুঁজির নিরাপত্তা দিন।


আরও খবর

বাড়তি চালের দাম

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




নওগাঁয় হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁয় গভীর নলকুপ নিয়ে বিবাদে উজ্জল হোসেন হত্যা মামলায় ৫ সহোদর সহ ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো দু' বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। এসময় আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বুধবার ২৩ নভেম্বর দুপুর ১২টায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত এর বিচারক ফেরদৌস ওয়াহিদ এ রায় প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলে, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকী এবং আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ-২।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার সারঙ্গপাড়া মৌজায় সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধিত গভীর নলকুপ পরিচালনা করতেন দূর্গাপুর গ্রামের নিহত উজ্জল হোসেন এর চাচা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। ২০১৩ ইং সালে ৯ মে ঐ নলকুপকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে নলকূপটি দখলে নেওয়ার জন্য দূর্গাপুর গ্রামের কামরুজ্জামান, ওয়াহেদ আলী, সামসুজ্জামান, রকেট, ডাবলু, আব্দুল হামিদ, এনামুল, মোশারফ হোসেন, বজলুর রহমান, এমদাদুল হক, কারিমা বেগম, জলি আক্তার এবং জয়পুরহাট জেলার বাঁশকাটা গ্রামের মোছা. জীবন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে নলকুপ ঘড়ের দরজার তালা ভেঙে তারা ভেতরে প্রবেশ করে কৃষকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের রশিদ ছিড়ে ফেলেন এবং বাক্সে রাখা কৃষকদের নিকট থেকে আদায়কৃত ১৭ হাজার ৫শ' টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় উজ্জল হোসেন সহ কয়েকজন বাঁধা দিলে লাঠিসোটা ও লোহার রড দিয়ে মারপিট সহ মরিচের গুড়া মেশানো গরম পানি ছিটিয়ে দিলে উজ্জলের শরীর "পেটের বামপাশে" ঝলসে যায়। উজ্জল গুরুত্বর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে রাজশাহী মেকিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পরদিন মারা যান উজ্জল।

এঘটনায় নিহতের চাচা মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিত্বে ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় দেয় আদালত। এছাড়া প্রত্যেক ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দু' বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন আদালত। তবে মামলায় ৩ জন নারীর কোন সম্পৃক্ততা না থাকায় ঐ ৩ জন নারীকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।

ন্যায় বিচারে আদালতের প্রতি সন্তুষ্ট প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকী জানান, দেশে যে ন্যায় বিচার আছে তা এই রায়ের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে।

অপরদিকে, আসামী পক্ষের আইনজীবী মামুনুর রশিদ-২ বলেন, এ মামলায় আমাদের বিপক্ষে যারা স্বাক্ষ্য প্রদান করেছেন তাদের প্রত্যেকের সাক্ষী হিসেবে জবানমন্দী ও জেরা এবং পুঙ্খানু-পুঙ্খ বিশ্লেষণে অবশ্যই আসামীদের বিপক্ষে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। তারপরও আসামীদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। এতে করে আমরা ক্ষুদ্ধ, খুন্ন ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে। 


আরও খবর



রায়পুরায় র‍্যাব ১১ এর অভিযানে দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দুলাল গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

নরসিংদীর রায়পুরায় র‍্যাব ১১ এর অভিযানে দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দুলাল, জুয়েল সুজন নামের তিনজন গ্রেফতার। ৬টি ওয়ান শুটার, ১১ রাউন্ড গুলি ও শতাধিক ককটেল উদ্ধার করেছে। রবিবার ভোররাতে এ অভিযান চালায়।

র‌্যাব-১১, 'র নরসিংদীর ক্যাম্প কমান্ডার খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সম্প্রতি সময়ে নরসিংদী জেলায় সংঘটিত হত্যা, মাদক, চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ দমনে র‌্যাব-১১ অভিযান জোরদার করেছে। এর ধারাবাহিকতায় রবিবার ভোররাতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি, নরসিংদীর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার তুলাতুলী চকবাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে ৩ জন দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার তুলাতুলী গ্রামের মোঃ ইউনুছ মিয়ার ছেলে মোঃ দুলাল ওরফে নুরুল হক (৪২) একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে 

জুয়েল হোসেন (৩২) ও মৃত বাচ্চু মিয়া এর ছেলে আমিনুল ইসলাম সুজন (৩২)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৩৮ টি ককটেল, ৬টি দেশীয় ওয়ান শ্যুটারগান, শট গানের কার্তুজ ১১ টি, ৪টি মোবাইল, ৬ টি সীমকার্ড ও নগদ ৬ হাজার ৫শ" টাকা উদ্ধার করা হয়। 

‌র‌্যাব জানায়,  গ্রেফতারকৃতরা পলাতক আসামী ও সহযোগী আসামীদের সহায়তায় নরসিংদীর রায়পুরা থানা ও রায়পুরার দুর্গম চরাঞ্চলে দেশীয় প্রযুক্তিতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য প্রস্তুুত করে এবং নিজেরা ব্যবহারসহ অর্থের বিনিময়ে অন্যের নিকট সরবরাহ করে মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নরসিংদীর রায়পুরা থানায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন বলেও তিনি জানান।


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




আট ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ২০ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  ব্যাংকিং খাতে বাড়ছে খেলাপ ঋণ। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণও। আর এই ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা (প্রভিশন) সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি খাতের আটটি ব্যাংক ।  সেপ্টেম্বর শেষে এসব ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ১৯ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা।

ঘাটতির তালিকায় রয়েছে সরকারি অগ্রণী, বেসিক, জনতা ও রূপালী ব্যাংক। আর বেসরকারিতে বাংলাদেশ কমার্স, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট, ন্যাশনাল ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের নাম।

করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে নানামুখী সুবিধা দিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণ পরিশোধেও বিভিন্ন ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের শুরুতে তা তুলে নেয়ার পর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, সব ধরনের ব্যাংক যেসব ঋণ দেয় তার গুণমান বিবেচনায় নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রভিশন হিসেবে জমা রাখতে হয়। কোনো ঋণ শেষ পর্যন্ত মন্দ ঋণে পরিণত হলে তাতে যেন ব্যাংক আর্থিকভাবে ঝুঁকিতে না পড়ে, সেজন্য এ প্রভিশন সংরক্ষণের নিয়ম রাখা হয়েছে।

ব্যাংকের অশ্রেণিকৃত বা নিয়মিত ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ থেকে পাঁচ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হয়। নিম্ন বা সাব-স্ট্যান্ডার্ড ঋণের বিপরীতে রাখতে হয় ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ বা কু-ঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। 

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ১১ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকা। জুন শেষে এ চার ব্যাংকের ঘাটতি ছিল ১১ হাজার ১৭ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ঘাটতি বেসিক ব্যাংকে চার হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। জুনে যা ছিল চার হাজার ৪৪১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর পরেই অগ্রণী ব্যাংকের ঘাটতি তিন হাজার ৫২১ কোটি টাকা। জুনে ছিল দুই হাজার ৯৭৩ কোটি ২২ লাখ টাকা। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রূপালী ব্যাংক। তিন হাজার ১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতিতে পড়েছে ব্যাংকটি। জুনে রূপালীর ঘাটতি ছিল দুই হাজার ৯৬২ কোটি ১০ লাখ টাকা৷ 

চতুর্থ অবস্থানে থাকা জনতা ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি কিছুটা কমে হয়েছে ৫৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। জুনে যা ছিল ৬৪০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বেসরকারি চার ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি আট হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু ন্যাশনাল ব্যাংকেরই ঘাটতি  সাত হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। জুনে ঘাটতি ছিল সাত হাজার ১১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। 

দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৩৪৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে। এ ছাড়া মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ১৭১ কোটি ১৫ লাখ টাকা ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ১৪৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে শ্রী গুরুদেবের আর্বিভাব উৎসব উদযাপন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাপুরুষ শ্রীশ্রীমদ দুর্গাপ্রসন্ন পরমহংসদেবের ১৩১ তম আবির্ভাব উৎসব উদযাপন করা হচ্ছে। 

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার বেলা ৯ টায় শ্রীগুরু মন্দির প্রঙ্গনে সংঘ পতাকা উত্তোলন করেন শ্রীগুরু সংঘ মোরেলগঞ্জ সভাপতি সোমনাথ দে। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরেরর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান, কাউন্সিলর শংকর রায় ও শ্রীগুরু সংঘের সাধারণ সম্পাদক অসীম কর্মকারসহ ভক্তবৃন্দরা অংশ গ্রহন করেন। 


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে ৬৫ হাজার টাকাসহ এইচ পি ফাউন্ডেশনের ২ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে 'এইচ পি সামাজিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন' নামে একটি বেসরকারি সংস্থার ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা হচ্ছেন শরণখোলা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে একেএম সাদেকুর রহমান(৪৪) ও মোরেলগঞ্জের উমাজুড়ি গ্রামের মোসলেম মুন্সির ছেলে মো. আ. কাদের মুন্সি(৭০)। 

সোমবার বেলা ১০টার দিকে এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন সমাজসেবা দপ্তরের সহকারি পরিদর্শক এসএম সুজন। গতকাল রবিবার বিকেলে মোরেলগঞ্জের বারইখালী গ্রামে সংস্থার পক্ষে সদস্য সংগ্রহ করার সময় এ দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

তারা মোরেলগঞ্জের অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর লোকদরেকে লোন, গরুসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা দেওয়ার কথা বলে ৫০০ টাকা করে নিয়ে সদস্য করছিল। 

বারইখালী গ্রামের মো. রফিক তালুকদারকে ৪টি গরু দেওয়ার কথা বলে তার নিকট থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে এইচ পি'র ওই দুই মাঠকর্মী। সংস্থাটি খুলনার খালিশপুর এলাকার। যার কোন রেজিষ্ট্রেশন নম্বর নেই।

এ বিষয়ে থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান বলেন, এইচ পি ফাউন্ডেশনের দুই মাঠকর্মীকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে খবর দেয়। তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

গ্রেফতার হওয়া ওই দুই ব্যক্তির নিটক থেকে সদস্য সংগ্রহের ফরম, লিফলেট, নগদ ৬৫ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেলসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। 


আরও খবর