Logo
শিরোনাম

এবার কানাডার ৪১ কূটনীতিককে সরিয়ে নিতে বলল ভারত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

কানাডার ৪১ জন কূটনীতিককে সরিয়ে নিতে বলেছে ভারত। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে এসব কানাডিয়ান কূটনীতিককে সরিয়ে নিতে হবে। মূলত কানাডার খালিস্তানপন্থি শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার ঘটনায় ভারতীয় এজেন্টদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আসার পর উত্তর আমেরিকার এই দেশটির সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক উত্তেজনা চলছে।

আর এর মধ্যেই ভারতের পক্ষ থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে নিতে বলা হলো। সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ৪১ জন কূটনীতিককে অবশ্যই প্রত্যাবাসন করতে হবে বলে কানাডাকে জানিয়ে দিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার ফিনান্সিয়াল টাইমস এই তথ্য সামনে এনেছে।

গত জুন মাসে কানাডায় শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা এবং কানাডিয়ান নাগরিক হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যায় ভারতীয় সরকারের এজেন্টদের ভূমিকা ছিল বলে কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অভিযোগ সামনে আনার পর ভারত ও কানাডার মধ্যে সম্পর্ক গুরুতরভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

নিহত নিজ্জার নয়াদিল্লির চোখে সন্ত্রাসী হলেও তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগকে অযৌক্তিক বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।

এই পরিস্থিতিতে কানাডার ৪১ জন কূটনীতিককে সরিয়ে নিতে বলেছে ভারত। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে উদ্ধৃত করে দ্য ফিনান্সিয়াল টাইমস বলেছে, ১০ অক্টোবরের পর থেকে যাওয়া কূটনীতিকদের কূটনৈতিক অনাক্রম্যতা বা নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার হুমকি দিয়েছে ভারত।

সংবাদপত্রটি বলেছে, ভারতে কানাডার ৬২ জন কূটনীতিক রয়েছে এবং ভারত বলেছে- কানাডিয়ান কূটনীতিকদের মোট এই সংখ্যা থেকে ৪১ জন কমানো উচিত।

অবশ্য এ বিষয়ে ভারতীয় এবং কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর এর আগে বলেছিলেন, কানাডায় ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য সহিংসতার পরিবেশ এবং ভীতি প্রদর্শনের পরিবেশ রয়েছে। এছাড়া উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর উপস্থিতি নয়াদিল্লিকে হতাশ করেছে বলেও সেসময় জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কানাডার শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার ঘটনায় ভারত সরকারের দিকে সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সেসময় পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা শিখ নেতা নিজ্জারের হত্যার সাথে ভারত সরকারের সংশ্লিষ্টতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ খুঁজে পেয়েছে।

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের একটি শিখ মন্দিরের বাইরে গত ১৮ জুন গুলি করে হত্যা করা হয় ৪৫ বছর বয়সী হরদীপ সিং নিজ্জারকে। হাউস অব কমন্সের সভায় প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো বলেন, কানাডার মাটিতে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে হত্যার পেছনে ভারতীয় এজেন্টরা জড়িত থাকতে পারে বলে বিশ্বাস করার মতো বিশ্বাসযোগ্য কারণ রয়েছে।

ভারত অবশ্য দীর্ঘদিন ধরে কানাডার শিখ সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এছাড়া ভারত ২০২০ সালে নিজ্জারকে সন্ত্রাসী হিসাবে ঘোষণা করে এবং নিজ্জারকে হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর আনা অভিযোগটিকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি।

এছাড়া ভারতের বিরুদ্ধে ট্রুডোর এই অভিযোগ সামনে আসার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজনার একপর্যায়ে উভয় দেশ একে অপরের একজন করে কূটনীতিককে বহিষ্কার করে এবং পরে কানাডিয়ান নাগরিকদের জন্য ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে ভারত।


আরও খবর



নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা:


নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে রয়েছে হাওর-বাঁওড়সহ বিভিন্ন আকৃতির জলাশয়।


 আর এগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে ধান আর বর্ষায় মাছ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ কৃষক ও মৎস্যজীবী। হাওরের ধান ও মাছের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হয় তাদের।


 কিন্তু হাওরের জলমহাল ও বিলগুলো মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। 


জেলেরা বলছেন, হাওরপাড়ের প্রভাবশালীরা মৎস্যজীবী সমিতির নামে বিভিন্ন বিল লিজ নিয়ে তাদের দখলে নিচ্ছেন। ফলে বিল ও জলমহাল থেকে মাছ ধরতে পারছেন না প্রকৃত জেলেরা।



জানা যায়, বর্ষাকালেই জেলেরা হাওরে মাছ ধরে থাকেন। চৈত্র মাসের শেষের দিকে সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন বিল লিজ নেয় সমাজের বিত্তশালীরা। স্থানীয় প্রভাবশালীরা সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সমিতির নাম ব্যবহার করে বিলগুলো ইজারা নিয়ে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। 


এতে করে বিপাকে পড়েন মৎস্যজীবীরা। যার ফলে জেলেদের জীবনে নেমে আসে অভাব-অনটন।


নিকলীতে প্রায় ছোট-বড় শতাধিক বিল ও জলাশয় রয়েছে। বর্ষার সময় এ বিলগুলো থেকে মাছ শিকার করে হাওর অঞ্চলের জেলেরা জীবনযাপন করেন। কিন্তু বর্ষার মাঝামাঝি সময়ে প্রভাবশালীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে হাওরগুলো লিজ দেওয়া হয়। 


একেকটি বিল লিজ নিতে কোটি বা অর্ধকোটি অথবা লাখ লাখ টাকা ব্যয় করতে জেলেরা না পারায় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বিলগুলো। বিল ইজারা নিয়ে হাওরে মাছ শিকার নিষেধ করে দেন মৎস্যজীবীদের। ফলে তাদের অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়। অভাবের কারণে অনেক জেলে পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা, চিকিৎসা ও পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়।


 মৎস্যজীবী রাকেশ দাস বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবীদের নামে। কিন্তু তার আধিপত্য চলে যায় প্রভাবশালীদের কাছে। ফলে আমাদের মতো সাধারণ মৎস্যজীবীদের বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তাই লিজ নেওয়া বিলে দিনমজুরি করে ছেলেমেয়েদের মুখে দুই বেলা ভাত তুলে দিতে হিমশিম খেতে হয়।


 সরকার যাদেরকে বিল লিজ দেয় তাদের একটা সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া দরকার। যাতে অন্য মত্স্যজীবীরা সীমানার বাইরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।



এ ব্যাপারে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তার বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবী সমিতির নামে। কিন্তু তারা পরবর্তীকালে প্রভাবশালীদের কাছে বিক্রি করে দেন। জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী মৎস্যজীবী সমিতিকে দেওয়া হয়। 


কিন্তু ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা ও সচেতনতার অভাবে ও অর্থসংকটের কারণে প্রভাবশালীদের দ্বারস্থ হন তারা। মৎস্যজীবীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও অর্থসংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকলেও তারা প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।


আরও খবর



এমপি আনার হত্যা: ঢাকায় ফিরে যা বললেন ডিবির হারুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শেষে কলকাতা থেকে দেশে ফিরেছেন  ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশিদ।


 কলকাতা থেকে একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তিনি। 


কলকাতায় সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের বলে মনে করছেন  ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।



তিনি বলেন, আলামত উদ্ধার, পারিপার্শ্বিক ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করায় আনার হত্যার তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।



জামানত হারালেন ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শেষে কলকাতা থেকে দেশে ফিরেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশিদ।


বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় কলকাতা থেকে একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন তিনি। পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিএমপি ডিবি প্রধান এসব কথা বলেন।



ডিবি প্রধান আরও বলেন, কলকাতায় আমাদের তদন্তকাজ সফল হয়েছে। সংসদ সদস্য আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে যেসব তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে গিয়েছি, তা পেয়েছি।


 আলামত উদ্ধার, পারিপার্শ্বিক ডিজিটাল তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করায় আনার হত্যার তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।


হারুন অর রশিদ বলেন, মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহীন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আরেকজন অভিযুক্ত নেপালে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা কাঠমুণ্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ করছি। শাহীনকে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা নিতে ভারতকে অনুরোধ করেছি।



গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সংসদ সদস্য আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে।



 পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজিম।


বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচদিন পরে, গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনার নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এই সংসদ সদস্যের।


 বুধবার হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জিভা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে সংসদ সদস্য আনার খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া গেছে রক্তের ছাপ। তবে ঘরে মেলেনি মরদেহ।


হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাহাজি ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন দেশের আদালত।


 অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া জিহাদ হাওলাদার ওরফে কসাই জিহাদকে ১২ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন ভারতের বারাসাতের আদালত।


আরও খবর



৩০ হাজার যুবকের স্বপ্ন ভেঙে ২০ হাজার কোটি টাকা লুট

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

সমীর কুমার দে :

আদনান রহমান (২৮)। বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর। মায়ের গহনা আর মাঠের ২০ শতক জমি বিক্রি করে ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন এজেন্সিকে। এর মধ্যে কিছু ধারও আছে। স্বপ্ন ছিল মালয়েশিয়ায় গিয়ে পরিবারের ভাগ্য ফেরাবেন। 


কিন্তু শেষ পর্যন্ত এজেন্সির প্রতারণায় যাওয়া হয়নি তার। স্বপ্ন ভেঙেছে, পথে বসে গিয়েছেন। এখনো বিমানবন্দরে বসে আছেন। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। কোন মুখ নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন? সামনে শুধুই হতাশা। শুধু আদনান নয়, তার মতো ৩০ হাজারেরও বেশি যুবকের স্বপ্ন ভেঙে গেছে। তারা পথে বসেছেন আর এজেন্সির নামে হাতেগোনা কয়েক জন লুটে নিয়ে গেছে অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা।


বিমানবন্দরে অপেক্ষায় থাকা শাহরিয়ার মোল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছিলেন, ‘মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কারা নিয়ন্ত্রণ করছেন? কাদের মাধ্যমে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে? তাদের নাম সবাই জানে। প্রভাবশালী এই মানুষগুলোর বিরুদ্ধে কে ব্যবস্থা নেবে? এরা সরকারে খুব প্রভাবশালী। 


সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের আশপাশে থাকেন। আদেশ-উপদেশ দেন। তাহলে আমরা কীভাবে টাকা ফেরত পাব? পথে বসে যাওয়া এই লোকগুলোর কি হবে? সরকার কি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে? তারাই তো সরকার চালাচ্ছে? আমাদের কথা কেউ ভাবে না।’



প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ‘কাদের কারণে এই মানুষগুলো যেতে পারল না, সেটা অবশ্যই তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে যারা দোষী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


তবে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘প্রথমত ৩০ হাজার মানুষ যে যেতে পারেনি, এ কথা কে বলেছে? এই সংখ্যাটা অবশ্যই এত বেশি নয়। তবে কিছু মানুষ যেতে পারেনি, এটা সত্যি। এখন কেন যেতে পারেনি, সেটা আমাদের দেখতে হবে? আমরা বারবার চেয়েও বিমানের ফ্লাইট পাইনি। 


আবার মালয়েশিয়ার কিছু নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে কালোতালিকাভুক্ত করেছে ঐ দেশের সরকার এবং আমাদের দেশের সরকারও। কিন্তু তার আগেই তাদের কাছ থেকে কিছু চাহিদা এসেছিল, সে লোকগুলো যেতে পারেনি। আমরা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি, যারা যেতে পারেনি, অবশ্যই তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কারো টাকা মার যাবে না।’


বিমান কর্তৃপক্ষ তো বলছে, তাদের আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। অথচ গত মার্চেই মালয়েশিয়া জানিয়ে দিয়েছিল ৩১ মের পর আর কোনো কর্মী তারা নেবে না? তাহলে তিন মাসেও কেন ব্যবস্থা করা 


যায়নি? জানতে চাইলে আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘এটা ঠিক না। আমরা যৌথভাবে অনেক বৈঠক করেছি। শেষ মুহূর্তে বিমান অনেক ফ্লাইটও বাড়িয়েছিল। তার পরও কিছু মানুষ যেতে পারেনি। আর কিছু মানুষের যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তারাও বিমানবন্দরে গিয়ে অপেক্ষা করেছে। ফলে দেখতে এত মানুষ মনে হয়েছে।’


কেন এত যুবকের স্বপ্ন ভঙ্গ হলো? এর দায় আসলে কার? জানতে চাইলে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফরমের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘এর দায় সবার। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। মার্চেই তো তারা জানিয়ে দিয়েছিল, ৩১ মের পর কোনো শ্রমিক নেবে না। তাহলে এত দিনেও আমরা কেন ব্যবস্থা করতে পারিনি। 


অন্যদিকে বিমান মন্ত্রণালয় বলছে, তারা কিছুই জানে না। আবার মালয়েশিয়া সরকারেরও দায় আছে। তারা একেক সময় একেক নীতি নিচ্ছে। ফলে পুরো মার্কেটটা সিন্ডিকেটের হাতেই থাকছে। আগে যেখানে নিয়ন্ত্রণ করতেন ৮-১০ জন, এখন সেটা বেড়ে ২৫ জনের মতো হয়েছে। আর সারা বিশ্বেই ভিসার মেয়াদ থাকলে শ্রমিকরা যেতে পারেন, শুধু তারা দিনক্ষণ বেঁধে দেন, এটা ঠিক না।’    


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার শেষ দিনে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে মাত্র দেড় হাজার কর্মীর। এর বাইরে আরও ৩১ হাজার ৭০১ জন বাংলাদেশি কর্মী চাকরি নিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, কিন্তু টিকিট জটিলতায় তারা যেতে পারেনি। বিমানবন্দরে ব্যাগ-ট্রলি, লাগেজ নিয়ে বসে থাকা এমন কয়েক জনের সঙ্গে কথা হয়। তারা বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে এসেছেন, বলে এসেছেন, মালয়েশিয়া যাচ্ছেন।


বিমানবন্দরে অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এজেন্সিগুলো মালয়েশিয়া রুটে বিমান ভাড়া কয়েকগুণ বেশি নিয়েছে। ২৫ হাজার টাকার টিকিটের দাম ১ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তার পরও টিকিট মেলেনি। যারা গেছেন তাদের কেউই ৬ লাখ টাকার নিচে যেতে পারেনি। উপরে সাড়ে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে কাউকে কাউকে।


বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, গত ২১ মে পর্যন্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ৫ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৪ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়। ২১ মের পর আর অনুমোদন দেওয়ার কথা না থাকলেও মন্ত্রণালয় আরও ১ হাজার ১১২ জনকে তা দিয়েছে। 


অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৫ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন বাংলাদেশি মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মালয়েশিয়া চলে গেছেন ৪ লাখ ৯১ হাজার ৭৪৫ জন। বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১ হাজার ৫০০ জন মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন। তাই যদি হয়, তাহলে অনুমোদন পেয়েও ৩১ হাজার ৭০১ জনের মালয়েশিয়া যাওয়া হচ্ছে না, এটা নিশ্চিত।


গত বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে অগ্রগতি পরিদর্শনে গিয়ে মালয়েশিয়ার টিকিট সংকট নিয়েও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান। তিনি বলেন, বিমান ভাড়ার বিষয়টা সাপ্লায়ার এবং বিমানের ব্যাপার। যারা এটার সঙ্গে জড়িত, তারা ডেডলাইনের এক মাস আগে জানত। 


কিন্তু এটা নিয়ে রিক্রুটিং এজেন্সি বা অন্য যারা সাপ্লায়ার আছেন, তারা ব্যবস্থা নেয়নি। এখন বিমান প্রতিদিন মালয়েশিয়ায় তিন থেকে চারটা করে ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। বুধবারও ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ায় একটা এয়ার কম্বোডিয়ার, একটা এয়ারক্রাফট দিয়ে একটি চার্টাড ফ্লাইট পরিচালনার পারমিশন চেয়েছে, সেদিনই আমরা তাদের পারমিশন দিয়ে দিয়েছি। 


এটা এফিশিয়েন্ট আমরা মনে করি। বিমান যদি আরো আগে জানত, তাহলে ব্যবস্থা নিতে পারত। বর্তমানে বিমানের হজ ফ্লাইট চলছে, তবুও আমরা চেষ্টা করেছি।


এদিকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের প্রতারণামূলক নিয়োগের অভিযোগে চিঠি দিয়েছিল জাতিসংঘ। গত ২৮ মার্চ জাতিসংঘের দেওয়া সেই চিঠির জবাব দিয়েছে মালয়েশিয়ার সরকার। এর মাধ্যমে বিদেশি শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল দেশটি। 


গত শুক্রবার ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মঙ্গলবার জেনেভায় জাতিসংঘে মালয়েশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি নাদজিরা ওসমান মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশন দপ্তরে (ওএইচসিএইচআর) চিঠিটি হস্তান্তর করেন। 


এ সময় তিনি বলেন, আমরা জাতিসংঘকে আশ্বস্ত করছি, মালয়েশিয়া অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, প্রতিশ্রুতির সঙ্গে কাগজপত্রও রয়েছে যেখানে শোষণ এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর রূপরেখাও রয়েছে।





আরও খবর



ভাওয়াল রিসোর্টের বিরুদ্ধে মামলা, বনভূমি উদ্ধারে জেলা প্রশাসন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

গাজীপুরে আলোচিত ভাওয়াল রিসোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করা হয়েছে।


রোববার (২ জুন) গাজীপুরের বিজ্ঞ ১ম যুগ্ম জেলা জজ নাজমুন নাহারের আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। 


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন সরকার। তিনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।

আগামী ৬ নভেম্বর অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।


অন্যদিকে, ভাওয়াল রিসোর্টের দখলে থাকা ৩.৬৮ একর বনভূমি উদ্ধারে অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে গাজীপুর জেলা প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক। 


ভাওয়াল রিসোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে মামলার বাদীরা হলেন- ঢাকার কলাবাগান থানার সার্কুলার রোডের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বজলুল হক, তার ভাই ডা. মো. সিরাজুল হক, বোন সামসুন্নাহার এবং ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা মো. জাহিদুল হক, পাপিয়া পারভিন ও তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। 


অন্যদিকে মামলার মূল অভিযুক্তরা হলেন- আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. শওকত আজিজ রাসেল। অন্যরা হলেন- রফিকুল ইসলাম মাস্টার, ভাওয়াল রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা- এর ম্যনেজার সুমন ও মো. কামরুল ইসলাম।  


মামলায় মোকাবেলা বিবাদী করা হয়েছে, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), গাজীপুর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি), গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা। 


মামলার বিবরণে জানা যায়, গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়ইপাড়া মৌজা নলজানী গ্রামে বাদীপক্ষের ১০২ শতাংশ সম্পত্তি ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি বিবাদীরা জোরপূর্বক জবরদখল করে। জীবনের ভয়ে তারা এতদিন মামলা করতে সাহস পায়নি। মামলায় জমি থেকে আসামিদের উচ্ছেদ করে বাদীপক্ষের নালিশি জমি উদ্ধারের আবেদন করা হয়েছে। 


বাদীপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন সরকার বলেন, আদালত শুনানীতে সন্তুষ্ট হয়ে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৬ নভেম্বর আসামিদের আদালতে হাজির হয়ে জবাব দিতে বলেছেন। 


তিনি আরও বলেন, আমরা শুনেছি, পুলিশের সোবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ভাওয়াল রিসোর্টের ২৫ ভাগ শেয়ারের মালিক। আমরা তার ঠিকানা জানি না, তাই তাকে এ মামলায় বিবাদী করা হয়নি। ঠিকানা পাওয়া গেলে তাকেও এ মামলায় পক্ষভূক্ত করা হবে।


স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, ২০১৩ সালে গাজীপুর সদরের বারইপাড়া মৌজায় ভাওয়াল রিসোর্ট প্রতিষ্ঠা করে দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প গ্রুপ পারটেক্স। গ্রুপটির মালিক ও বিএনপি নেতা এম এ হাশেম। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে শওকত আজীজ রাসেল বর্তমানে এটির মালিকানায় রয়েছেন।  


অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় অনেক অসহায় মানুষের জমি জোরপূর্বক দখল করে বানানো হয়েছে এই রিসোর্ট। 


স্থানীয় লোকেরা আরও জানান, বেনজীর আহমেদ কোনো প্রকার বিনিয়োগ ছাড়াই ভাওয়াল রিসোর্টের ২৫ শতাংশের মালিক হয়েছেন। এ কারণে বেনজীরের ভয়ে স্থানীয় লোকজন ভাওয়াল রিসোর্টের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেতেন না।


এদিকে, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন বিভাগের ৩.৬৮ একর জমি উদ্ধারের বিষয়ে ভাওয়াল রিসোর্টের করা মামলায় উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ ছিল। এ কারণে জেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। 


গত বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতে মামলায় রায় হয়েছে। আদালত স্থগিতাদেশটি প্রত্যাহার ও ভাওয়াল রিসোর্টের মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এখন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনায় কোনো বাধা নেই। 


তিনি আরো বলেন, এখন আইনীভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা আইন অনুযায়ী ৭ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দেব। তারপর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হবে। আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কয়েক দিন লাগতে পারে।


আরও খবর



শেখ হাসিনাসহ অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নিলেন মোদি

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


নতুন করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। 


রোববার রাজধানী নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে জঁমকালো আয়োজনের মধ্যে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। 


প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়াও এদিন ভারতের নতুন জোট সরকারের ৭২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।



শপথ গ্রহণ শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু। এরপর তারা একসঙ্গে সবাই ছবি তোলেন।


এর আগে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত হন শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। এ সময় তারা মঞ্চের সামনে আসন গ্রহণ করেন।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকালই ভারতে যান। ভারতে অবতরণের পর উষ্ণ অভ্যর্থনায় তাকে বরণ করে নেওয়া হয়।



এই ৭২ জনের মধ্যে ৩০ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী এবং পাঁচজন ইন্ডিপেনডেন্ট চার্জ। তবে কাকে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে সেটি আজ নির্ধারণ করা হয়নি। পরে যে কোনো সময় এ ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়া হবে।


আরও খবর